আমতলী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
আমতলী
উপজেলা
আমতলী উপজেলা
আমতলী বরিশাল বিভাগ-এ অবস্থিত
আমতলী
আমতলী
আমতলী বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
আমতলী
আমতলী
বাংলাদেশে আমতলী উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৭′৪৫.৮৪″ উত্তর ৯০°১৩′৪৪.০৪″ পূর্ব / ২২.১২৯৪০০০° উত্তর ৯০.২২৮৯০০০° পূর্ব / 22.1294000; 90.2289000স্থানাঙ্ক: ২২°৭′৪৫.৮৪″ উত্তর ৯০°১৩′৪৪.০৪″ পূর্ব / ২২.১২৯৪০০০° উত্তর ৯০.২২৮৯০০০° পূর্ব / 22.1294000; 90.2289000 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ বরিশাল বিভাগ
জেলা বরগুনা জেলা
আয়তন
 • মোট ৭২০.৭৬ কিমি (২৭৮.২৯ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (১৯৯১)
 • মোট ২,৪৪,৪৩৮
স্বাক্ষরতার হার
 • মোট ৯০%
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

আমতলী বাংলাদেশের বরগুনা জেলার অন্তর্গত সর্ববৃহৎ এবং ঐতিহ্যবাহী একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

আমতলী বরগুনা জেলার অর্ন্তগত একটি উপজেলা। এ উপজেলার উত্তরে পটুয়াখালী সদর উপজেলা, দক্ষিণ পশ্চিমে তালতলী উপজেলাবঙ্গোপসাগর, পূর্বে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলাও কলাপাড়া উপজেলা এবং পশ্চিমে বুড়ীশ্বর বা পায়রা নদী[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

লোকশ্রুতি আছে যে, সুদূর অতীতকালে পায়রা নদীর তীরে বহু আম গাছ ছিল। মাঝিরা তাদের নৌকা বাঁধত সেই আম গাছের সাথে। নৌকা বাঁধার স্থানটি কালে কালে হয়ে যায় আমতলা থেকে আমতলী।

অন্যদিকে, পায়রা নদীর একটি প্রবাহ আমতলী বন্দরের পূর্ব দিক দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে আমতলী নদী প্রবাহিত হয়েছিল। নৌযান চলাচল মুখরিত আমতলী নদীর তীরে পাঠান আমলে গড়ে ওঠেছিল জনবসতি ও বাণিজ্যিকেন্দ্র। মোগল যুগে পায়রা নদীতে মগ, পর্তুগীজদের লুণ্ঠন ও অত্যাচার বেড়ে গেলে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ আমতলী নদীই ছিল একমাত্র ভরসা। এ নদীর নাম অণুসারে এলাকার নাম হতে পারে আমতলী।

আবার, অতীতে আমতলী যখন অরণ্য আচ্ছাদিত হয়ে দুর্গম এলাকা হিসেবে ছিল তখন আরকান থেকে আগত জনৈক আমপাটি নামক মগ দলপতি ইংরেজি সরকার থেকে ইজরা নিয়ে আমতলী প্রথম আবাদ শুরু করে ছিলেন। সম্ভবতঃ আমপারিট মগের নাম অণুসারেও এলকায় নাম আমতলী হতে পারে।

দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারকালে রাজা দনুজমর্দন কর্তৃক ‘‘চন্দ্রদ্বীপ’’ নামে একটি সাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। দতুর্দশ শতাব্দী পর্যন্ত এ অঞ্চল চন্দ্রদ্বীপ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। অতি প্রাচীন বৈদেশিক মানচিত্রে চন্দ্রদ্বীপ নাম বড় অক্ষরে অঙ্কিত দেখা যায়। ১৭৯৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এ জেলা বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে ১৭৯৭ ঢাকা জেলার দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে বাকেরগঞ্জ, ১৮০১ বাকেরগঞ্জ জেলাকে বরিশালে (গিরদে বন্দর) স্থানান্তরিত করা হয়।

১৮১২ সালে এ জেলায় ১৫ টি থানা ছিল। পাকিস্তান আমলে বরিশাল জেলায় মোট ০৬ টি মহকুমা ছিল । ১৯৬৯ সালে পটুয়াখালী ও বরগুনা মহাকুমার সমনয়ে পটুয়াখালীতে একটি জেলা গঠন করা হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাসের ফলে ১৯৮৪ সালে বরগুনা একটি নতুন জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। জেলাগুলো হলো- বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠী।

১৮৫৯ সালে বর্তমানে আমতলী, বরগুনা ও কলাপাড়াকে নিয়ে গুলিশাখালী থানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। সদর দপ্তর স্থাপন করা হয় পায়রা নদীর পাড়ে গুলিশাখালী গ্রামে। ১৮৭১ সালে পটুয়াখালীকে মহকুমায় রূপান্তর করা হলে গুলিশাখালীকে তার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। ১৯০১ সালে নদী ভাঙ্গণের কারণে থানা সদর বর্তমান আমতলী এ, কে, স্কুল সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৪৪ সালে গুলিশাখালী আমতলী থানায় রূপান্তরিত হয়। ১৯৮২ সালে আমতলী থানা উপজেলায় রূপলাভ করে।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

আমতলী উপজেলায় ১টি পৌরসভা, ৭টি ইউনিয়ন, ৬৬টি মৌজা ও প্রায় ২০০টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এর আয়তন প্রায় ৬৯৫ বর্গ কিলোমিটার তন্মধ্যে জলাশয় ও প্রশস্ত নদী প্রায় ২১২ বর্গ কিলোমিটার।

এই উপজেলার ইউনিয়নসমূহ হচ্ছে - বর্তমানে ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে আমতলী উপজেলা গঠিত

  1. গুলিসাখালী ইউনিয়ন
  2. কুকুয়া ইউনিয়ন
  3. আঠারগাছিয়া ইউনিয়ন
  4. হলদিয়া ইউনিয়ন
  5. চাওড়া ইউনিয়ন
  6. আমতলী ইউনিয়ন এবং
  7. আড়পাঙ্গাশিয়া ইউনিয়ন

দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

গাজী কালুর দরগাহঃ গাজী কালু এক কিংবদন্তী। যখন এসব অঞ্চল গভীর অরণ্যতে পূর্ণ ছিল সেই দূর অতীত থেকে প্রচলিত এই কাহিনী। জানা যায়, গাজী এবং কালু শাহ নামক দুই সাধক পীর তাদের সাধনার দ্বারা বন-জংগলের সমস্ত হিংস্র পশু পাখির উপর কর্তৃত্ব লাভ করেন। তাদের কথা বা নির্দেশ ছাড়া হিংস্র পশুকুল কাউকে আক্রমণ করত না। এ বিষয়টি সু্‌দরবনের মধু, মোম আহরণকারী, বাওয়ালী ও জেলেরা জানত। তাই তারা বনে নামার আগে গাজী কালু পীরের দরগায় মানত করতে যেন তারা হিংস্র জন্তু আক্রমন থেকে নিরাপদ াকতে পারে। আমতলী উপজেলা হলদিয়া ইউনিয়নের দক্ষিন টেপুরা মৌজায় এই গাজী কালুর দরগা অবস্তিত, স্থানীয় ভাবে জানা যায় গাজী ও কালু পরস্পর দুই ভাই মতান্তরে মামা ভাগিনা ছিলেন। তাঁরা ছিলেন জাগ্রত পীর। মাঝে মাঝেই তারা এই টেপুরার দরগায় সাধনের জন্য বসতেন। এখানে তাদের দরগাহ বাড়িতে দুজনের ধ্যানের জন্য দুটি আসন রয়েছে। কাছাকাছি রয়েছে একটি পাকা ইন্দিরা, সামান্য দূরে রয়েছে তাদের শিষ্য বা বারো আউলিয়ার বসার স্থান। এলাকাটি দুর্গম, যথাযথ ভাবে সংরক্ষিতও নয়। কিন্তু প্রতিদিন বিপুল সংখাক পুন্যার্থী আগমন করেন এই মাজারে। প্রতি বছর ২৯ মাঘ ও ২৯ ফাল্গুন এখানে ওরশ অনুষ্ঠিত হয়। এখন আর সেই ঘন বন নেই, নেই এখানে সেই হিংস্র পশুও, কিন্তু রয়ে গেছে গাজী কালুর দরগাহ আর তাঁদের সেই কীংবদন্তী। এখনো সুন্দর বনের কাঠ-মধু-মৎস্য আহরণকারীরা পরম শ্রদ্ধায় স্মরণ করে গাজী কালুর নাম।

চাওড়া মাটির দুর্গঃ আমতলী উপজেলার চাওড়া ইউনিয়নের পাতাকাটা গ্রামে একটি সু-উচ্চ মাটির ঢিবি দেখা যায়। মনে করা হয় এটি একটি মাটির দুর্গ। মোগল যুগে মগ পর্তুগীজ জনদস্যুদের দমনের জন্যে শাহ সুজা, শায়েস্তা খা, আগাবাকের খা ও পরবর্তী সুবেদারগণ বৃহত্তর বরিশাল এলাকায় বহু মাটির দূর্ঘ নির্মাণ করেছিলেন, এটি তারই একটি। চন্দ্রদ্বীপের রাজা কন্দর্পনারায়ণ, রামচন্দ্র ও কীর্তিনারায়ণ, গুঠিয়া, রায়পুরা, জাগুয়া, কাগাগুরা, নথুল্লাবাদ, হলুদপুর, রহমতপুর, কাশীপুর, রাজাপুর প্রভৃতি স্থানে দূর্ঘ নির্মাণ করেছিলেন। রেনেলের ১৭৬৪-১৭৭২ খ্রিস্টাব্দের মানচিত্রে রামনাবাদ নদীর তীতে রাজা কন্দর্পনারায়ণ নির্মিত দুটি দূর্ঘ দেখা যায়। বর্তমানে দূর্ঘ দুটির কোন চিহ্ন নেই। আগুনমুখা নদীতে প্রায় ১০০ বছর আগে দূর্ঘ দুটি বিলীন হয়ে যায়। চাওড়া মাটির দূর্ঘটি আমতলীর চাওড়া নদীকে কেন্দ্র করে নির্মিত হয়েছিল। চাওড়া নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২০ কি.মি. এখন আর নদীর সেই উন্মত্ত প্রবাহ নেই তাই শুধু কালের সাক্ষী হয়ে দূর্ঘটি ঢিবি আকারে আজও টিকে আছে।

ফকিরখালী গ্রামের দীঘি ও মাটির টিলাঃ সুলতানী আমলে বরিশালে মুসলমানদের আগমন ঘটে। মোঘল জাহাঙ্গীরের সময়ে পটুয়াখালীতে মুসলমানদের সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকে। এ সময়ে আরব, ইরান, ইরাক ও দিল্লী থেকে অনেক পীর আউলিয়া ও অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম প্রচার করতে আসেন। তারা দীর্ঘ খনন করে মসজিদ ও হানকা শরীফ নির্মাণের জন্য জায়গা উচু করতেন। ফকিরখালী গ্রামে তেমন একটি দীঘি ও উচ্চ মাটির টিলা দেখা যায়। ধারণা করা হয়, এখানে কোন পীর অথবা ফকিরের আস্তানা ছিল। গ্রামের নামের সাথে উক্ত ফকির শব্দটি জড়িয়ে থাকায় এ ধারণা যুক্তিসঙ্গত বলে অনেকে মনে করেন।

পায়রা নদীর পাড়ঃ আমতলী উপজেলার বড়বগী, পচাঁকোড়ালিয়া, আপড়পাংগাশিয়া, আমতলী ইউনিয়ন, আমতলী পৌরসভা, চাওড়া ও গুলিশাখালী ইউনিয়নের কোল ঘেষে পায়রা নদী প্রবাহিত। এ নদীর আমতলী পৌর এলাকার দেড় কিলোমিটারে রয়েছে কংক্রিটের ব্লক। এখানে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এক অপরূপ লীলাভূমি লক্ষ করা যায়। বিশেষ করে গ্রীস্ম ও শীত মৌসুমে এ নদীর পাড়ে ভ্রমন পিপাশুদের কোলাহল দেখা যায় ও বিভিন্ন স্থান থেকে পিকনিক করে থাকে। এ রকম স্থান এ বিভাগে বিরল।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

  • সরকারী কলেজ: ১ টি
  • ডিগ্রী কলেজঃ ৩টি
  • উচ্চ মাধ্যমিক কলেজঃ ৪টি
  • কারিগরী কলেজঃ ১টি
  • কৃষি কলেজ : ১ টি
  • সরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয় : ১ টি
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ৩৪টি
  • জুনিয়র বিদ্যালয়ঃ ৩২টি
  • সিনিয়র মাদ্রাসাঃ ৪টি
  • আলিম মাদ্রাসাঃ ৬টি
  • দাখিল মাদ্রাসাঃ ৩০টি
  • সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১০১টি
  • বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১২৫টি
  • কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১৬টি
  • এবদেতায়ী মাদ্রাসাঃ ৪৩টি

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

খোরশেদ তাং আমতলী প্রেসিডেন্ট, সমাজসেবক 1912
আর্শেদ আলী তাং প্রেসিডিন্ট, সমাজসেবক  1950
জেন্নাত আলী তাং, আমতলী সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী 1956
নাসির উদ্দিন তাং, হলদিয়া মুক্তিযোদ্ধা, সরকারী চাকুরী 1971
আঃ বারেক খান, চাওড়া  ক্যাপ্টেন, মুক্তিযোদ্ধা, সমাজসেবক 1971
আদেল উদ্দিন শিকদার, চাওড়া চেয়ারম্যান, শিক্ষানুরাগী 19/07/1971
বজলুর করিম খান শিক্ষক, সমাজ সেবক  10/07/1974
অঞ্জন কুমার কর্মকার, আমতলী রাজনীতিবিদ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী 03/11/1975
আসমত আলী খান তাং, চাওড়া প্রেসিডেন্ট, শিক্ষানুরাগী 1984
আসমত আলী আকন, আমতলী রাজনীতিবিদ, চেয়ারম্যান 12/12/1985
ইসরাইল হোসেন নশা তাং, কুকুয়া রাজনীতিবিদ, চেয়ারম্যান 1987
নিজাম উদ্দিন তাং, কুকুয়া এমপি, রাজনীতিবিদ 06/12/1990
আঃ লতিফ বিশ্বাস, হলদিয়া রাজনীতিবিদ, চেয়ারম্যান 19/03/1994
আমিন উদ্দিন শিকদার, চাওড়া সমাজসেবক, শিক্ষানুরাগী 01/12/1995
আঃ আজিজ মাস্টার, নয়াভাংগলী শিক্ষক, শিক্ষানুরাগী 28/06/1998
আফাজ উদ্দিন তাং, আড়পাংগাশিয়া ক্রীড়াবিদ, সমাজ সেবক 14/02/2001
মজিবর রহমান তাং, কুকুয়া এমপি, রাজনীতিবিদ 01/02/2003
ফজলুর রহমান খান তাং, চাওড়া রাজনীতিবিদ, চেয়ারম্যান  07/08/2003
দলিল উদ্দিন মৃধা, আমতলী শিক্ষানুরাগী, রাজনীতিবিদ 23/07/2004
মাহবুবুল আলম ঝন্টু তাং, হলদিয়া রাজনীতিবিদ, চেয়ারম্যান 20/10/2004
আঃ আজিজ তাং, চাওড়া রাজনীতিবিদ, সদস্য- জেলা বোর্ড 06/07/2005
বাহাদুর খান,  আমতলী সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ 05/05/2006
বেলায়েত হোসেন খান, আঠারগাছিয়া রাজনীতিবিদ, চেয়ারম্যান 25/09/2006
মোকলেস উদ্দিন তাং, আড়পাংগাশিয়া চেয়ারম্যান, সমাজ সেবক 12/01/2007
আফাজ উদ্দিন বিশ্বাস, আড়পাংগাশিয়া বীরমুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, চেয়ারম্যান 24/08/2008
ফারুক মল্লিক, হলদিয়া চেয়ারম্যান, সমাজ সেবক  26/09/2008
শামসুল আলম তাং, গুলিশাখালী রাজনীতিবিদ, অধ্যক্ষ 08/11/2008
আমির হোসেন গাজী, আমতলী রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, শিক্ষক 20/05/2009
মুঃ আঃ সোবহান, আমতলী অধ্যক্ষ, সমাজসেবক 21/07/2009
অজয় কুমার কর্মকার, আমতলী মৃক্তিযোদ্ধা, সংগীত সাধক 20/05/2011
কালিপদ মজুমদার, আমতলী সমাজ সেবক, শিক্ষানুরাগী 19/12/2011
ছিদ্দিকুর রহমান, গুলিশাখালী চেয়ারম্যান, শিক্ষক 31/11/2012?
আঃ মন্নান মৃধা, গুলিশাখালী রাজনীতিবিদ, চেয়ারম্যান 02/09/2014
দেওয়ান মজিবর রহমান, আড়পাংগাশিয়া মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিবিদ, শিক্ষক 11/09/2014
আঃ ছত্তার মৃধা, আমতলী রাজনীতিবিদ, ১ম মেয়র 28/03/2015
আলতাফ হোসেন মুসুল্লী, আমতলী চেয়ারম্যান, রাজনীতিবিদ 06/01/2017
সাইদুর রহমান তালুকদার চেয়ারম্যান, রাজনীতিবিদ 05/04/2017
  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে আমতলী উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]