গামছা

গামছা একটি পাতলা, অমসৃণ সূতির তোয়ালে যা ভারতের পূর্বাঞ্চল (পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ওড়িষা) এবং বাংলাদেশের বহুল ব্যবহৃত পোশাক সামগ্রী। স্নানের পর শরীর বা গা মুছতে এটি ব্যবহৃত হয়। গামছা শব্দটি এসেছে বাংলা গা মোছা শব্দ থেকে। অধিকাংশ গামছাতেই চেকের ব্যবহার দেখা যায়। গামছা সাধারণত লাল, কমলা, সবুজ ইত্যাদি রঙের হয়। সেলাই করা বা ছাপা পাড়ের শুধু সাদা গামছা উড়িষ্যাতে রুমাল হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং কখনো গলায় জড়িয়ে রাখা হয়।[১] ভারতীয় উপমহাদেশে তোয়ালের তুলনায় গামছা জনপ্রিয় কেননা এটি ইউরোপীয় ঘরানার তোয়ালের মত মোটা নয়, পাতলা যা এই উপমহাদেশের আর্দ্র আবহাওয়ার সাথে মানানসই।
সমাজের দরিদ্র ও শ্রমিক শ্রেণির মানুষজন গামছাকে পরিধেয় বস্ত্র হিসেবেও ব্যবহার করে।
বর্তমানে বাংলাদেশে বিভিন্ন জেলায় গামছা তৈরি হলেও ঝালকাঠি ও সিরাজগঞ্জ জেলার তৈরি গামছা দেশজুড়ে সমাদৃত। এই গামছা ব্যবহারে যেমন আরাম, তেমনি মজবুত ও টেকসই।
"সিরাজগঞ্জের গামছা"
৩০ এপ্রিল, ২০২৫ এ " সিরাজগঞ্জের গামছা" ভৌগোলিক নির্দেশক ( জিআই) পণ্যের স্বীকৃতি সনদ পেয়েছে[২]
এছাড়া ঝালকাঠি জেলার ঐতিহ্যবাহী তাঁতপণ্য গণি মিয়ার গামছা গুণমান ও স্থায়িত্বের কারণে সারা বাংলাদেশে সুপরিচিত।[৩][৪][৫]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Folk-lore। Indian Publications। ১৯৮৩। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুন ২০১২।
- ↑ "বাংলাদেশের জিআই পণ্য এখন ৫৫টি"। JagoNews24। ৩০ এপ্রিল ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "ঝালকাঠির গামছা শিল্পে আধুনিক মেশিনের ছোঁয়া"। Ekhon TV। ৬ মার্চ ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০২৬।
- ↑ "ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী গণি মিয়ার গামছা"। Daily Durjatra। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০২৬।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "জেল্লা হারাচ্ছে গনি মিঞার গামছা"। NewsBangla24। ৩০ নভেম্বর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৪ মার্চ ২০২৬।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |