বাবুগঞ্জ উপজেলা

স্থানাঙ্ক: ২২°৪৯′৩৮″ উত্তর ৯০°১৯′২৬″ পূর্ব / ২২.৮২৭২২° উত্তর ৯০.৩২৩৮৯° পূর্ব / 22.82722; 90.32389
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বাবুগঞ্জ
উপজেলা
বাবুগঞ্জ বরিশাল বিভাগ-এ অবস্থিত
বাবুগঞ্জ
বাবুগঞ্জ
বাবুগঞ্জ বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
বাবুগঞ্জ
বাবুগঞ্জ
বাংলাদেশে বাবুগঞ্জ উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৪৯′৩৮″ উত্তর ৯০°১৯′২৬″ পূর্ব / ২২.৮২৭২২° উত্তর ৯০.৩২৩৮৯° পূর্ব / 22.82722; 90.32389 উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
দেশবাংলাদেশ
বিভাগবরিশাল বিভাগ
জেলাবরিশাল জেলা
প্রতিষ্ঠা১৯৮৩
আসন১২১ বরিশাল-৩
আয়তন
 • মোট১৬৪.৮৮ বর্গকিমি (৬৩.৬৬ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা (২০০১)[১]
 • মোট১,৪০,৩৬১
 • জনঘনত্ব৮৫০/বর্গকিমি (২,২০০/বর্গমাইল)
সাক্ষরতার হার
 • মোট৬৮.৮%
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)
প্রশাসনিক
বিভাগের কোড
১০ ০৬ ০৩
ওয়েবসাইটপ্রাতিষ্ঠানিক ওয়েবসাইট উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন

বাবুগঞ্জ বাংলাদেশের বরিশাল জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

উত্তরে গৌরনদী উপজেলা, দক্ষিণে বরিশাল সদর উপজেলাঝালকাঠি সদর উপজেলা, পূর্বে মুলাদি উপজেলাবরিশাল সদর উপজেলা, পশ্চিমে উজিরপুর উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

বাবুগঞ্জ উপজেলায় বর্তমানে ৬টি ইউনিয়ন রয়েছে। ৩টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম বাবুগঞ্জ থানার আওতাধীন এবং বাকি ৩টি ইউনিয়নের প্রশাসনিক কার্যক্রম বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের বিমানবন্দর থানার আওতাধীন।

বাবুগঞ্জ থানার আওতাধীন ইউনিয়নসমূহ:

এবং বিমানবন্দর থানার আওতাধীন ইউনিয়নসমূহ:

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এখানে থানা সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯০৬ সালে। বাবুগঞ্জ নামকরণ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ইতিহাস পাওয়া না গেলেও ইতিহাস বর্ণনায় জানা যায়, আজ থেকে ৪০০ বছর আগে এই অঞ্চলে বসবাসরত বেশ ক’জন হিন্দু জমিদার তাদের প্রয়োজনে বাবুগঞ্জ উপজেলা সদরের বর্তমান বাজারটি মেলায়। ঐ সময়ে অত্র অঞ্চলের লোকজন জমিদারদের বাবু বলে সম্বোধন করত। আর বাজারটিকে তারা অভিহিত করত গঞ্জ বলে। ফলে জমিদার বাবুদের মেলানো গঞ্জ থেকে এই এলাকার নাম হয় বাবুগঞ্জ। অন্য এক তথ্যানুসারে বলা হয় যে, যশোর পরগনার জমিদার ‘বাবু বিরাজ রায় চৌধুরী’ এই অঞ্চল প্রাপ্ত হয়ে এখানে একটি বাণিজ্য কেন্দ্র (গঞ্জ) প্রতিষ্ঠা করেন। বাবু বিরাজ রায় চৌধুরীর নামানুসারে এলাকার নাম হয় বাবুগঞ্জ।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাবুগঞ্জ উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,৪০,৩৬১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৬৭,৫৮৬ জন এবং মহিলা ৭২,৭৭৫ জন। মোট পরিবার ৩১,৬৬৩টি।[২]

ধর্ম[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী এ উপজেলার প্রায় ৯৩.৮৫% মুসলিম, ৬.১২% হিন্দু এবং ০.২% অন্যান্য।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাবুগঞ্জ উপজেলার সাক্ষরতার হার ৬৮.৮%।[২]

উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:

  • পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ( বাবুগঞ্জ ক্যাম্পাস)
  • বাবুগঞ্জ কলেজ (১৯৬৬)
  • আবুল কালাম কলেজ ( ১৯৭০)
  • আগরপুর কলেজ (১৯৯৫)
  • মাধ্যমিক বিদ্যালয় (১৮৯৮)

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ৫০.৫৮%,অকৃষি শ্রমিক ৩.৫৮%,শিল­ ১.১১%,ব্যবসা ১৩.৫৪%,পরিবহন ও যোগাযোগ ২.৮১%,চাকুরি ১৫.৯২%,নির্মান ১.৭৮%,ধমীয় সেবা ০.২৯%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ৪.০১% ত্রবং অন্যান্য ৬.৩৮%। কৃষিভূমির মালিকানা ভুমিমালিক ৭৭.৯৯%,ভুমিহিন ২২.১%। শহরে ৬৪.৯৪% ত্রবং গ্রামে ৭৮.৮৮% পরিবারের কৃষি রয়েছে।

শিল্প ও কলখানা অয়ের মিল ২, ফ্লাওয়ারশিল ২০, রাইমিল ৬২, আইস ফ্যাষ্টরি ১৮, ওয়েল্ডিং কারখানা ১৫। কুটিরশিল্প, লৌহশিল্প ১৭৫, দারুশিল্প ৪০০, বাঁাশের ২১০।

প্রধান রপ্তানিদ্রব্য ধান, নারিকেল, সুপারি, শাকসবজি।

উল্লেখযোগ্য স্থান ও স্থাপনা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে বাবুগঞ্জ উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ২৭ নভেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১২ মার্চ ২০১৫ 
  2. "ইউনিয়ন পরিসংখ্যান সংক্রান্ত জাতীয় তথ্য" (PDF)web.archive.org। Wayback Machine। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০১৯ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]