ঝালকাঠি সদর উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ঝালকাঠি সদর
উপজেলা
ঝালকাঠি সদর বাংলাদেশ-এ অবস্থিত
ঝালকাঠি সদর
ঝালকাঠি সদর
বাংলাদেশে ঝালকাঠি সদর উপজেলার অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২২°৩৮′৩৫″উত্তর ৯০°১২′০০″পূর্ব / ২২.৬৪৩১° উত্তর ৯০.২০০০° পূর্ব / 22.6431; 90.2000স্থানাঙ্ক: ২২°৩৮′৩৫″উত্তর ৯০°১২′০০″পূর্ব / ২২.৬৪৩১° উত্তর ৯০.২০০০° পূর্ব / 22.6431; 90.2000
দেশ  বাংলাদেশ
বিভাগ বরিশাল বিভাগ
জেলা ঝালকাঠি জেলা
আয়তন
 • মোট ২১৮ কিমি (৮৪ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা [১]
 • মোট ১,৯৪,০২০
 • ঘনত্ব ৮৯০/কিমি (২৩০০/বর্গমাইল)
সময় অঞ্চল বিএসটি (ইউটিসি+৬)
ওয়েবসাইট http://sadar.jhalakathi.gov.bd/

ঝালকাঠি সদর বাংলাদেশের ঝালকাঠি জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

ঝালকাঠী সদর উপজেলার উত্তরে উজিরপুর উপজেলা, দক্ষিনে - নলছিটি উপজেলা, পশ্চিমে - রাজাপুর উপজেলা, কাঁঠালিয়া উপজেলাও পিরোজপুর সদর উপজেলা এবং পূর্বে বরিশাল সদর উপজেলা অবস্থিত।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

এই উপজেলার ইউনিয়ন সমূহ

  1. গাভারামচন্দ্রপুর ইউনিয়ন :ঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ ইউনিয়ন ।
  2. বিনয়কাঠী ইউনিয়নঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ ইউনিয়ন ।
  3. নবগ্রাম ইউনিয়ন ;ঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ ইউনিয়ন ।
  4. কেওড়া ইউনিয়ন :ঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ ইউনিয়ন ।
  5. কীর্তিপাশা ইউনিয়ন:ঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ ইউনিয়ন ।
  6. বাসন্ডা ইউনিয়ন:ঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ ইউনিয়ন ।
  7. পোনাবালিয়া ইউনিয়ন:ঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ ইউনিয়ন ।
  8. গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়ন :ঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ ইউনিয়ন । গাবখান নদীর উপর নির্মিত গাবখান ব্রিজ অন্যতম সুন্দর নির্দশন ।
  9. শেখেরহাট ইউনিয়ন এবং : ঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ শেখেরহাট ইউনিয়ন । শেখেরহাট ইউনিয়ন এর মোট লোক সংখ্যা প্রায়১০ ০০০ ।শতকরা ৮৫ ভাগ মুসলমান । শতকরা ১৫ ভাগ হিন্দু ।শেখেরহাট ইউনিয়ন এর বর্তমান চ্যেয়ারম্যান মোঃ নুরুল আমিন খান সুরুজ ।২০০৩সাল থেকে বর্তমান ২০১৭ টানা ১৪ বছর অত্যন্ত সুনাম এবং দক্ষতার তার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন ।ঢাকাস্থ শেখেরহাট কল্যাণ সংস্থা https://www.facebook.com/DSKS2016/ নামে কল্যাণ সংস্থা রয়েছে । যা সম্পূর্ন অরাজনৈতিক এবং জনকল্যাণ মূলক । সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার পর থেকে শেখেরহাট ইউনিয়ন এর সর্বস্তরের মানুষের কল্যাণ করে যাচ্ছে।
  10. নথুল্লাবাদ ইউনিয়ন:ঝালকাঠী সদর থানার একটি প্রসিদ্ধ ইউনিয়ন ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

জনসংখ্যার উপাত্ত ১,৯৪,০২০

শিক্ষা[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • শেরে বাংলা একে ফজলুল হক এ. কে. ফজলুক হক ১৮৭৩ সালে ২৬ অক্টোবর বরিশাল জেলার রাজাপুর থানার সাতুরিয়া গ্রামে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কাজী মুহম্মদ ওয়াজেদ এবং সাইদুন্নেসা খাতুনের একমাত্র পুত্র ছিলেন। এ. কে. ফজলুক হকের প্রাথমিক শিক্ষা বাড়িতেই শুরু হয়। পরে তিনি গ্রাম্য পাঠশালায় ভর্তি হয়েছিলেন। গৃহ শিক্ষকদের কাছে তিনি আরবিফার্সি এবং বাংলা ভাষা শিক্ষা লাভ করেন। ১৮৮১ সালে তিনি বরিশাল জিলা স্কুলে তৃতীয় শ্রেণীতে ভর্তি হন। ১৮৮৬ সালে অষ্টম শ্রেণীতে তিনি বৃত্তি লাভ করেন এবং ১৮৮৯ সালে ফজলুল হক প্রবেশিকা পরীক্ষায় তৎকালীন ঢাকা বিভাগে মুসলমানদের মধ্যে প্রথম স্থান দখল করেন। ফজলুল হক তাঁর প্রখর স্মৃতিশক্তির কারণে শিক্ষকদের খুবই স্নহভাজন ছিলেন।প্রবেশিকা পাশ করার পর উচ্চ শিক্ষা লাভের জন্যে তিনি কলকাতায় গমন করেন। ১৮৯১ সালে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে এফ.এ. পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। সে সময় প্রেসিডেন্সি কলেজে রসায়ন শাস্ত্রের অধ্যাপক ছিলেন আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়। নিজের মেধার বলে তিনি প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের দৃষ্টি আকর্ষন করেন। এফ.এ. পাশ করার পর তিনি গণিত, রসায়ন ও পদার্থ বিদ্যায় অনার্সসহ একই কলেজে বি.এ. ক্লাসে ভর্তি হন। ১৮৯৩ সালে তিনি তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ প্রথম শ্রেণীতে বি.এ. পাশ করেন। বি.এ. পাশ করার পর এম.এ. ক্লাসে প্রথমে ভর্তি হয়েছিলেন ইংরেজি ভাষায়। পরীক্ষার মাত্র ছয় মাস আগে তাকে এক বন্ধু ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন যে, মুসলমান ছাত্ররা অঙ্ক নিয়ে পড়ে না, কারণ তারা মেধাবী নয়। এই কথা শুনে এ. কে. ফজলুক হকের জিদ চড়ে যায়। তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন যে, অঙ্কশাস্ত্রেই পরীক্ষা দেবেন। এরপর, মাত্র ছয় মাস অঙ্ক পড়েই তিনি প্রথম শ্রেণী লাভ করেন। খেলাধুলার প্রতি ফজলুল হক খুবই আগ্রহী ছিলেন। তিনি প্রথম জীবনে নিজে বিভিন্ন খেলাধুলার সাথে জড়িত ছিলেন এবং পরবর্তীকালে বিভিন্ন খেলাধুলার পৃষ্ঠপোষক হিসেবেও তিনি পরিচিত ছিলেন। তিনি মোহামেডান ফুটবল ক্লাবের প্রতিষ্ঠার সময় থেকে জড়িত ছিলেন। এছাড়া তিনি দাবা, সাঁতার সহ বিভিন্ন খেলা পছন্দ করতেন।
  • এ. কে. ফজলুক হকের পূর্বপুরুষ আঠার শতকে ভারতের ভাগলপুর হতে পুটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার বিলবিলাস গ্রামে বসতি স্থাপন করেন। এ বংশের কাজী মুর্তজা একজন সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি ছিলেন। তার পুত্র কাজী মুহম্মদ আমিন। কাজী মুহম্মদ আমিনের পুত্র মুহম্মদ আকরাম আলী বরিশাল কোর্টে আইন ব্যবসা করতেন। তার দুই পুত্র কাজী মুহম্মদ ওয়াজেদ, কাজী আবদুল কাদের ও পাঁচ কন্যা। কাজী মুহম্মদ ওয়াজেদের একমাত্র পুত্র ছিলেন এ. কে. ফজলুক হক। কাজী মুহম্মদ ওয়াজেদ ১৮৪৩ সালে চাখারে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজে পড়ালেখা করেন। বাংলার মুসলমানদের মধ্যে তিনি ষষ্ঠ গ্রাজুয়েট ছিলেন। ১৮৭১ সালে কলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে তিনি বি. এল. পাশ করে আইন ব্যবসা শুরু করেন। মুহম্মদ ওয়াজেদ রাজাপুর থানার সাতুরিয়া মিয়া বাড়ির আহমদ আলী মিয়ার কন্যা বেগম সৈয়দুন্নেছাকে (শেরে বাংলার মা) বিয়ে করেন। মুহম্মদ ওয়াজেদ ১৯০১ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি বরিশালে মৃত্যুবরণ করেন। এ. কে. ফজলুক হক এম.এ. পাশ করার পর দাম্পত্য জীবনে প্রবেশ করেন। এ সময় নবাব আবদুল লতিফ সি. আই. ই.-এর পৌত্রী খুরশিদ তালাত বেগমের সাথে তার বিয়ে হয়। খুরশিদ তালাত বেগম দুটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন। খুরশিদ তালাত বেগমের অকাল মৃত্যুর পর তিনি হুগলী জেলার অধিবাসী এবং কলকাতা অবস্থানকারী ইবনে আহমদের কন্যা জিনাতুন্নেসা বেগমকে বিয়ে করেন। কিন্তু, জিনাতুন্নেসাও নিঃসন্তান অবস্থায় পরলোক গমন করেন এবং ১৯৪৩ সালে এ. কে. ফজলুক হক মীরাটের এক ভদ্র মহিলাকে পত্নীত্বে বরণ করেন।  তাঁদের সন্তান এ. কে. ফাইজুল হক ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পাট প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ২০০৭ সালে মারা যান।
  • আমির হোসেন আমু আমির হোসেন আমু একজন বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ। তিনি আওয়ামী লীগের একজন বর্ষিয়ান নেতা এবং বর্তমান সরকারের শিল্প মন্ত্রী । মাননীয় মন্ত্রীর জীবন বৃত্তান্ত : আলহাজ আমির হোসেন আমু ১৯৪০ সালের ১লা জানুয়ারি তদানীন্তন বরিশাল জেলার ঝালকাঠী মহকুমায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা মোঃ মোয়াজ্জেম হোসেন এবং মাতা আকলিমা খাতুন। আমির হোসেন আমু ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে কারাবরণ করেন। তিনি ১৯৫৯ সালে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ভাষা দিবস উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক মনোনীত হন। তিনি ১৯৬৫ সালে বরিশাল বিএম কলেজ থেকে বিএ এবং ১৯৬৮ সালে বরিশাল আইন মহাবিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ১৯৫৯ সাল থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৬২ সালের সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম কমিটির আহবায়ক হন। আমির হোসেন আমু ১৯৬৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৬২ সালে গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও ১৯৬৩ এর হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং ১৯৬৪ এর কনভেনশন আন্দোলনের আহবায়ক ছিলেন। তিনি ১৯৫৮ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের সদস্য, ১৯৬৫ তে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের প্রচার সম্পাদক, ১৯৬৭তে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৫৯-৬২ বরিশাল জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৬৪ সালে মিস ফাতেমা জিন্নাহর নির্বাচনে বৃহত্তর বরিশাল জেলার সর্বদলীয় নির্বাচন প্রচার কমিটির আহবায়ক ছিলেন। তিনি ১৯৬৩ হতে ১৯৬৪ সালে বরিশাল ব্রজমোহন কলেজ ছাত্র সংসদের সহসভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৬৬ সালে ৬ দফা আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এবং ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের অন্যতম রূপকার হিসেবে প্রচারের দায়িত্ব পালন করেন। আমির হোসেন আমু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইতিহাসে স্নাতকোত্তর পাঠ শেষ করে আইন পেশার পাশাপাশি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত হন। তিনি ১৯৭০ সালে প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে বরিশাল সদর আসন থেকে জয় লাভ করেন। ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে তিনি বরিশাল, খুলনা, পটুয়াখালী, যশোর ও ফরিদপুরসহ পঁাচ জেলায় মুজিব বাহিনীর প্রধান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭২ সালে তিনি যুবলীগের প্রেসিডিয়াম প্রতিষ্ঠাতা সিনিয়র সদস্য হিসাবে মনোনীত হন। তিনি ১৯৭৩ সালে ঝালকাঠী ও রাজাপুর নির্বাচনী এলাকা থেকে সংসদ সদস্য হিসাবে নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৭২ সালে ঝালকাঠী আওয়ামী লীগের সভাপতি হন এবং ১৯৭৫ সালে ঝালকাঠীর গভর্নর হিসাবে নমিনেশন পান। ১৯৭৫-১৯৭৮ নিরাপত্তা আইনে তিনি তিনবছর কারাবরণ করেন। সেসময় সরকার কোন মামলা দিতে পারেনি; হাইকোর্টে রিট করার পর তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। তিনি ১৯৭৮ থেকে ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান ছিলেন এবং একই সাথে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুব সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া ১৯৮০ সালে তিনি বরিশাল ও ঝালকাঠী জিলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ১৯৮১ হতে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্মসম্পাদক ছিলেন। তিনি ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৮৩ সাল থেকে ১৯৯০ পর্যন্ত তৎকালীন এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। ১৯৯৬ সালে স্বৈরাচারী আন্দোলনে তিনি কারাবরণ করেছিলেন। তিনি ১৯৯৫, ১৯৯৭, ১৯৯৮, ১৯৯৯ ও ২০০০ সালে সৌদি বাদশাহের রাজকীয় অতিথি হিসাবে পবিত্র হজব্রত পালন করেন। তিনি সমাজের অবকাঠামোগত উন্নয়নে অসংখ্য স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, রাস্তা, ব্রিজ, কালভার্ট ইত্যাদি সংস্কার ও নির্মাণ করেছেন। তিনি প্রাকৃতিক দুর্যোগ আক্রান্ত জনগোষ্ঠীর মৌলিক মানবাধিকার পূরণের জন্য বিভিন্ন সময়ে নানামুখী কর্মসূচি গ্রহণসহ বিপর্যস্থ মানুষের পাশে থেকে আপৎকালীন সাহায্য ও সেবা করেছেন। এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ সালে শতাব্দীর ভয়াবহ বন্যা মোকাবিলায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ত্রাণ কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে সফলতার সাথে ত্রাণ বিতরণ, আক্রান্তদের পুনর্বাসনসহ দুর্যোগ মোকাবিলায় সহযোগিতা করেন। তিনি ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের পঞ্চাশবছর পূর্তি উদ্যাপন কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব আমির হোসেন আমু সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেসময়ে তিনি বাংলাদেশ সরকারের খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তিনি পুনরায় জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি নবম জাতীয় সংসদে ধর্ম মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। আমির হোসেন আমু ২৮ আগস্ট ২০১৩ দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত ৫৯তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্সে ১০ দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ডেলিগেট হিসাবে যোগ দেন। গত ২১ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে তিনি ভূমি এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত হন। তিনি ১২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

বিবিধ[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে ঝালকাঠী সদর উপজেলার"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১২ মার্চ, ২০১৫ 

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]