উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মির্জাগঞ্জ বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলার অন্তর্গত একটি প্রশাসনিক এলাকা।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা সৃষ্টির ইতিহাস বহু পুরনো। জনশ্রুতি আছে যে, এখানে মির্জাদের জমিদারী এস্টেট ছিল। তারাই এই এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখের সাথি ছিল। তাদের জমি-জমা চাষাবাদ করতো এতদ অঞ্চলের মানুষ। শিক্ষা ও ধর্মীয় শিক্ষা বিস্তারে তাদের অনেক অবদান ছিল। মির্জারাই এ এলাকার মানুষের হ্রদয় স্থান পেয়েছিল। মির্জা আহমেদ জান বা মির্জাদের নাম অনুসারেই ধারণা করা হয় যে, মির্জাগঞ্জ নামকরণ করা হয়েছে। ১৮১২ সালে থানা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এর পর আর পিছনে তাকাতে হয়নি। ১৯৮৪ সালে উপজেলায় রুপান্তরিত হয়।
মির্জাগঞ্জ একটি প্রাচীন জনপদ। ১৮১২ সালে মির্জাগঞ্জ থানা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে ইহা উপজেলায় রুপান্তরিত হয়। ৬টি ইউনিয়ন, ৬৮টি মৌজা ও ৭২ টি গ্রাম নিয়ে মির্জাগঞ্জ উপজেলা গঠিত। দেউলী-সুবিদখালী ইউনিয়নে উপজেলা সদর দপ্তর অবস্থিত।
ইউনিয়নসমূহ:
জেলা
পটুয়াখালী
উপজেলা
মির্জাগঞ্জ
সীমানা
উপজেলার উত্তরে-বাকেরগঞ্চ উপজেলা, পূর্বে-পায়রা নদী,দক্ষিণে বরগুনা সদর ও পশ্চিমে বেতাগী উপজেলা অবস্থিত।
জেলা সদর হতে দূরত্ব
১৭ কি:মি:
আয়তন
৯৩ বর্গ মাইল
জনসংখ্যা
১,১৮,০৫৪ জন
পুরুষ
জন
মহিলা
জন
লোক সংখ্যার ঘনত্ব
(প্রতি বর্গ কিলোমিটারে)
মোট ভোটার সংখ্যা
৭১,১২৬ জন
পুরুষভোটার সংখ্যা
৩৪১৯৭ জন
মহিলা ভোটার সংখ্যা
৩৬৯২৯ জন
বাৎসরিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার
২.৬৫ %
মোট পরিবার(খানা)
নির্বাচনী এলাকা
১১৩-পটুয়াখালী-০১
গ্রাম
৭১ টি
মৌজা
৬৮টি
ইউনিয়ন
০৬ টি
/ সিটি কর্পরেশন/পৌরসভা
টি
এতিমখানা সরকারী
এতিমখানা বে-সরকারী
০৮টি
মসজিদ
৪৭০টি
মন্দির
০৮টি
নদ-নদী
পায়রা নদী, ও শ্রীমন্ত নদী
হাট-বাজার
২১ টি
ব্যাংক শাখা
০৪ টি
পোস্ট অফিস/সাব পোঃ অফিস
০২ টি
টেলিফোন এক্সচেঞ্জ
০১ টি
ক্ষুদ্র কুটির শিল্প
টি
বৃহৎ শিল্প
টি
মোট জমির পরিমাণ
১২,৩০০ হেক্টর
নীট ফসলী জমি
১২,৩০০ হেক্টর
মোট ফসলী জমি
১২০০০ হেক্টর
এক ফসলী জমি
২০০০ হেক্টর
দুই ফসলী জমি
৫৫০০ হেক্টর
তিন ফসলী জমি
৪৫০০ হেক্টর
গভীর নলকূপ
২৩৩২ টি
অ-গভীর নলকূপ
নাই
শক্তি চালিত পাম্প
০২ টি
বস্নক সংখ্যা
টি
বাৎসরিক খাদ্য চাহিদা
মেঃ টন
নলকূপের সংখ্যা
২৪০১৫ টি
সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
১২৪ টি
বে-সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়
৬৬ টি
কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়
০৮ টি
জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয়
০৪ টি
উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা
২৭ টি
উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা)
০৩ টি
দাখিল মাদ্রাসা
২৩ টি
আলিম মাদ্রাসা
০৪ টি
ফাজিল মাদ্রাসা
০৪ টি
কামিল মাদ্রাসা
টি
কলেজ(সহপাঠ)
০৫ টি
কলেজ(বালিকা)
০১ টি
শিক্ষার হার
৬৫ %
পুরুষ
৩৫ %
মহিলা
৩০ %
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
০১ টি
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র
০৬ টি
বেডের সংখ্যা
৫০ টি
ডাক্তারের মঞ্জুরীকৃত পদ সংখ্যা
০৯ টি
কর্মরত ডাক্তারের সংখ্যা
ইউএইচসি , ইউনিয়ন পর্যায়ে , ইউএইচএফপিও টি মোট= ০৪ টি
সিনিয়র নার্স সংখ্যা
জন। কর্মরত=০৮ জন
সহকারী নার্স সংখ্যা
জন
মৌজা
৬৯ টি
ইউনিয়ন ভূমি অফিস
০৪ টি
পৌর ভূমি অফিস
টি
মোট খাস জমি
৪৬২.১১ একর
কৃষি
১৮৪.৬২ একর
অকৃষি
৮.২০ একর
বন্দোবস্তযোগ্য কৃষি
১৮৪.৬২ একর (কৃষি)
বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(দাবী)
সাধারণ= ৭,৮১,৪০৭/-
সংস্থা = ৫,৬১,১৬৭/-
বাৎসরিক ভূমি উন্নয়ন কর(আদায়)
সাধারণ= ৯,০৬,৭৩৫/-
সংস্থা = ১,৭৬,৯১৩/-
হাট-বাজারের সংখ্যা
২১টি
পাকা রাস্তা
৯৬.০০ কি.মি.
অর্ধ পাকা রাস্তা
৫১.০০ কি.মি.
কাঁচা রাস্তা
৭৫০ কি.মি.
ব্রীজ/কালভার্টের সংখ্যা
টি
নদীর সংখ্যা
০২ টি
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র
০১ টি
পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক
০৭ টি
এম.সি.এইচ. ইউনিট
০১ টি
সক্ষম দম্পতির সংখ্যা
২৪১০৪ জন
পুকুরের সংখ্যা
১৬৭৭৮ টি
মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার সরকারী
মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার বে-সরকারী
বাৎসরিক মৎস্য চাহিদা
২৫৮৫.০০০ মে.টন
বাৎসরিক মৎস্য উৎপাদন
২৫৫৩.০০০ মে.টন
উপজেলা পশু চিকিৎসা কেন্দ্র
০১ টি
পশু ডাক্তারের সংখ্যা
০২ জন
কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র
০১ টি
পয়েন্টের সংখ্যা
০১ টি
উন্নত মুরগীর খামারের সংখ্যা
৬২ টি
লেয়ার ৮০০ মুরগীর ঊর্ধ্বে· ১০-৪৯ টি মুরগী আছে, এরূপ খামার
১৯ টি
গবাদির পশুর খামার
৬১ টি
ব্রয়লার মুরগীর খামার
৫১ টি
কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি লিঃ
১ টি
মুক্তিযোদ্ধা সমবায় সমিতি লিঃ
১ টি
ইউনিয়ন বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ
০৬ টি
বহুমুখী সমবায় সমিতি লিঃ
৩৩ টি
মৎস্যজীবি সমবায় সমিতি লিঃ
০৯ টি
যুব সমবায় সমিতি লিঃ
০৬ টি
আশ্রয়ন/আবাসন বহুমুখী সমবায় সমিতি
০১ টি
কৃষক সমবায় সমিতি লিঃ
৪৯ টি
পুরুষ বিত্তহীন সমবায় সমিতি লিঃ
মহিলা বিত্তহীন সমবায় সমিতি লিঃ
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিঃ
নাই
অন্যান্য সমবায় সমিতি লিঃ
৩৫ টি
চালক সমবায় সমিতি
০১ টি
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী মির্জাগঞ্জ উপজেলার মোট জনসংখ্যা ১,২১,৭১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫৯,২৯২ জন এবং মহিলা ৬২,৪২৪ জন। মোট পরিবার ২৮,২০৫টি।[ ২]
এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) আলতাফ হোসেন চৌধুরী (সাবেক বিমান বাহিনী প্রধান, সাবেক স্বরাষ্ট্র ও বানিজ্যমন্ত্রী)
আলতাফ হায়দার (মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও পটুয়াখালী জেলায় প্রথম স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলন কারী)