চট্টগ্রাম কলেজ
| নীতিবাক্য | শিক্ষাই শক্তি |
|---|---|
| ধরন | সরকারি |
| স্থাপিত | ১৮৬৯ |
| প্রতিষ্ঠাতা |
|
| অধিভুক্তি | জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড |
| ইআইআইএন | ১০৪৫৩২ |
| অধ্যক্ষ | মোজাহেদুল ইসলাম চৌধুরী |
| উপাধ্যক্ষ | প্রফেসর শওকত ইকবাল ফারুকী |
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ | ১০৬ |
| শিক্ষার্থী | ১৫,৫৩৩ |
| স্নাতক | ১০,০৩৩ |
| স্নাতকোত্তর | ৩,৪২০ |
অন্যান্য শিক্ষার্থী | ২,০৮০ |
| ঠিকানা | , , ৪২০৩ , বাংলাদেশ |
| শিক্ষাঙ্গন | শহুরে, ২০ একর (৮.১ হেক্টর) |
| ভাষা | বাংলা |
| ওয়েবসাইট | ctgcollege |
![]() | |
চট্টগ্রাম কলেজ বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শহরের একটি সরকারি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। যা চকবাজার এলাকার কলেজ রোডে অবস্থিত এবং ১৮৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এই কলেজে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে বিজ্ঞান ও মানবিক শাখায় শিক্ষা প্রদান করা হয়। এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক (পাস) কোর্স, স্নাতক (সম্মান) এবং স্নাতকোত্তর কোর্স চালু আছে।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]চট্টগ্রাম কলেজ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের প্রথম উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যার সূচনা ঘটে ১৮৩৬ সালে চট্টগ্রাম জেলা স্কুল (বর্তমানে চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল) হিসেবে। প্রতিষ্ঠার ৩৩ বছর পর ১৮৬৯ সালে বিদ্যালয়টি ইন্টারমিডিয়েট কলেজে উন্নীত হয়ে ‘চট্টগ্রাম কলেজ’ নামে পরিচিতি লাভ করে এবং জে. সি. বোস প্রথম অধ্যক্ষ হিসেবে নিযুক্ত হন। তখন কলেজের কার্যক্রম চলতো চকবাজার এলাকার প্যারেড গ্রাউন্ড সংলগ্ন পর্তুগিজ আমলের একটি স্থাপনায়।[২]
উন্নীত হওয়ার এক বছর পর অর্থাভাবের কারণে কলেজটি বন্ধ হয়ে গেলেও ১৮৭১ সালে মীরেরসরাইয়ের ধুম গ্রামের রায় বাহাদুর গোলক চন্দ্র রায়ের ১০ হাজার টাকার অনুদানে পুনরায় চালু হয়।[৩] শুরুতে এখানে এফ.এ (ফার্স্ট আর্টস) কোর্সের পাশাপাশি প্লিডারশিপ পরীক্ষার জন্য আইন শিক্ষা চালু ছিল, যা ১৯০৯ সালে বিজ্ঞান বিভাগ খোলার সময় বন্ধ করা হয়।
১৯১০ সালে চট্টগ্রাম কলেজ তৎকালীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেয়ে প্রথম শ্রেণির ডিগ্রি কলেজে উন্নীত হয়। এসময় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়নে অনার্স কোর্স খোলার অনুমতি মেলে। পরবর্তীতে ১৯১৯ সালে স্নাতকে ইংরেজি এবং সম্পূরক কোর্সে দর্শন ও অর্থনীতি চালু হয়। ১৯২৪ সালে কলেজে সহশিক্ষা ব্যবস্থা চালু হয়, কলেজ ম্যাগাজিন প্রকাশ শুরু হয় এবং শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক মুসলিম হোস্টেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ১৯২৬ সালে কলেজের প্রথম ছাত্রাবাস স্থাপিত হয়।[২]
১৯৫৫ সালে অনার্স কোর্স বন্ধ হলেও ১৯৬০ সালে ইংরেজি, বাংলা, অর্থনীতি, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও গণিতে পুনরায় অনার্স চালু করা হয়। পরে ১৯৬২ সালে প্রাণিবিদ্যা, উদ্ভিদবিদ্যা এবং পরিসংখ্যানেও অনার্স খোলা হয়। পাকিস্তান আমলের দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার আওতায় ১৯৫৫–১৯৬৫ সময়ে কলেজে নতুন প্রশাসনিক ভবন, পৃথক বিজ্ঞান অনুষদের ভবন, আধুনিক গবেষণাগার, শিক্ষক আবাসন, নতুন ছাত্রাবাস নির্মাণ এবং পুরনো হোস্টেলের সম্প্রসারণসহ উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন সাধিত হয়।[৩]
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার (১৯২১) পর কলেজটি এর অধিভুক্ত হয়; বর্তমানে এটি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে উচ্চমাধ্যমিক, স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিস্তৃত বিষয়ে শিক্ষা প্রদান করছে।
অনুষদ এবং বিভাগসমূহ
[সম্পাদনা]চট্টগ্রাম কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক এবং বিজ্ঞান বিভাগ এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক (পাশ), স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর কোর্স চালু আছে।
স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর
[সম্পাদনা]| অনুষদ | বিভাগ | স্নাতক | মাস্টার্স ১ম পর্ব | মাস্টার্স শেষ পর্ব |
|---|---|---|---|---|
| বিজ্ঞান অনুষদ | পদার্থবিদ্যা | আছে | আছে | আছে |
| রসায়ন | আছে | আছে | আছে | |
| গণিত | আছে | আছে | আছে | |
| পরিসংখ্যান | আছে | আছে | আছে | |
| জীবন ও ভূবিজ্ঞান অনুষদ | উদ্ভিদবিদ্যা | আছে | আছে | আছে |
| প্রাণিবিদ্যা | আছে | আছে | আছে | |
| ভূগোল ও পরিবেশ | আছে | আছে | আছে | |
| মনোবিজ্ঞান | আছে | আছে | আছে | |
| সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ | সমাজবিজ্ঞান | আছে | আছে | আছে |
| অর্থনীতি | আছে | আছে | আছে | |
| রাষ্ট্রবিজ্ঞান | আছে | আছে | আছে | |
| কলা অনুষদ | বাংলা | আছে | আছে | আছে |
| ইংরেজি | আছে | আছে | আছে | |
| পালি | নেই | আছে | আছে | |
| আরবি | নেই | আছে | আছে | |
| ইতিহাস | আছে | আছে | আছে | |
| দর্শন | আছে | আছে | আছে | |
| ইসলামী শিক্ষা | আছে | আছে | আছে | |
| ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি | আছে | আছে | আছে |
স্নাতক (পাস)
[সম্পাদনা]- বিএ (পাস)
- বিএসএস (পাস)
- বি.এসসি. (পাস)
- বিবিএস (পাস)
- সিসি
উচ্চ মাধ্যমিক
[সম্পাদনা]- বিজ্ঞান
- মানবিক
ক্যাম্পাস ও অবকাঠামো
[সম্পাদনা]গ্রন্থাগার
[সম্পাদনা]
ঠিক যেমন চট্টগ্রাম কলেজ চট্টগ্রাম এর অন্যতম ঐতিহ্যবাহী এবং স্বনামধন্য কলেজ, তেমনি এর গ্রন্থাগারটিও ঐতিহ্য বহন করে।এই গ্রন্থাগারে সংগৃহীত বানিয়ান এর পিলগ্রম প্রগ্রেস এর এক কপি বই থেকেই পাঠাগারটি প্রতিষ্ঠার সময়েই জানা যায়।বর্তমানে এর সুপ্রশস্ত পাঠগৃহ এবং রেফারেন্স বিভাগ রয়েছে যা টিচার এবং ছাত্রদের নিরিবিলিতে পড়াশোনা করার জন্য খুবই উপযোগী।পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরবর্তী বছরে এর বই এর সংখ্যা ছিল প্রায় বিশ হাজার। ১৯৬৪ সালের ৩০শে জানুয়ারীর এক হিসেব অনুযায়ী এর বই সংখ্যা ছিল ৩০,৫৪৭। কিন্তু এখন এর বই এর সংখ্যা অর্ধ লাখের ও বেশি।
প্যারেড ময়দান
[সম্পাদনা]
প্যারেড ময়দান হলো চট্টগ্রাম কলেজের মাঠ। এটি ব্রিটিশ আমলে গোরা বাহিনীর প্যারেড বা কুচকাওয়াজ করতো বলে মাঠটি প্যারেড ময়দান নামে পরিচিত নাম করে। মাঠটিতে একটি জিমনেসিয়াম রয়েছে। মাঠটি এখনো বিজয় দিবসের বার্ষিক কুচকাওয়াজের মাঠ হিসেবে বরাদ্দ থাকে।
কলেজ ভবন
[সম্পাদনা]১৬ টি প্রাতিষ্ঠানিক এবং ৫ টি আবাসিক ভবন নিয়ে চট্টগ্রাম কলেজের অবস্থান। প্রাতিষ্ঠানিক ভবনগুলো নিম্নরূপ-
- প্রশাসনিক ভবন
- রেড বিল্ডিং
- ভূগোল ভবন
- উদ্ভিদবিজ্ঞান ভবন
- রসায়ন ও প্রাণিবিজ্ঞান ভবন
- পদার্থবিজ্ঞান ও গণিত ভবন
- অডিটরিয়াম ভবন
- ছাত্রী মিলনায়তন ভবন
- টিএসসি ভবন
- কেন্দ্রীয় মসজিদ ভবন
- মেডিক্যাল সেন্টার
- কলেজ ক্রীড়া ভবন
- লাইব্রেরী ভবন
- একাডেমিক ভবন ১
- একাডেমিক ভবন ২
- একাডেমিক ভবন ৩
আবাসন
[সম্পাদনা]আবাসিক ভবনগুলোর মাঝে তিনটি ছাত্রাবাস এবং দুইটি ছাত্রী নিবাস অবস্থিত। এগুলো নিম্নরূপ :
- শহীদ সোহরাওয়ার্দী ছাত্রাবাস (এর দুটি ব্লক অবস্থিত। এ ব্লকটি মুসলিম এবং বি ব্লকটি অমুসলিম ছাত্রদের জন্য বরাদ্দকৃত)
- শের-এ-বাংলা ছাত্রাবাস
- ড: আব্দুস সবুর ছাত্রাবাস
- ছাত্রী নিবাস-১
- ছাত্রী নিবাস-২
সহশিক্ষা কার্যক্রম
[সম্পাদনা]চট্টগ্রাম কলেজে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব, নৈতিকতা ও প্রযুক্তিজ্ঞান বিকাশে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। উল্লেখযোগ্য কার্যক্রমগুলো হলো—
- বিএনসিসি (আর্মি ও নেভি উভয় উইং)
- রোভার স্কাউট
- রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
- তথ্য প্রযুক্তি ক্লাব
- চট্টগ্রাম কলেজ ক্রিয়েটিভ ক্লাব
- ল্যাঙ্গুয়েজ শিক্ষা
- বিজ্ঞান আন্দোলন মঞ্চ
- রোবোটিক্স এন্ড সাইন্স ক্লাব
- আইটি ক্লাব
- নাটক ক্লাব
- পাঠক ক্লাব
- বিতর্ক ক্লাব
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি
[সম্পাদনা]প্রাক্তন শিক্ষার্থী
[সম্পাদনা]- মহিমচন্দ্র দাস, ভারতবর্ষের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের বিপ্লবী
- মাস্টারদা সূর্য সেন - ভারতবর্ষের ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলন ও চট্টগ্রাম সশস্ত্র বিপ্লবের অন্যতম নেতা
- প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার - ব্রিটিশ বিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের চট্টগ্রাম সশস্ত্র আন্দোলনের অন্যতম মহিলা বিপ্লবী
- বেণীমাধব বড়ুয়া - একজন ব্রিটিশ ভারতীয় তত্ত্ববিদ, পালি ও বৌদ্ধশাস্ত্রে পণ্ডিত
- বিনোদ বিহারী চৌধুরী- ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সদস্য।
- মাহবুব উল আলম চৌধুরী বাংলাদেশী কবি, সাংবাদিক ও ভাষা সৈনিক; একুশের প্রথম কবিতার প্রণেতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস - নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ[৪]
- সুলতান আহমেদ চৌধুরী - জাতীয় সংসদ দ্বিতীয় ডেপুটি স্পিকার।
- আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী - বাংলাদেশ সরকারের সাবেক বানিজ্যমন্ত্রী।
- সালাহউদ্দিন আহমেদ - বাংলাদেশ সরকারের সাবেক যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ।
- আ.জ.ম. নাছির উদ্দিন- বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র।
- রেজাউল করিম চৌধুরী- বাংলাদেশী রাজনীতিবিদ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র
- সলিমুল্লাহ খান - বাংলাদেশী লেখক, সমালোচক এবং অধ্যাপক।
- নুরুল ইসলাম- বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী।
- মোহাম্মদ হোসেন খান- শিক্ষাবিদ
- আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ - বাঙালি সাহিত্যিক
- ওহীদুল আলম- কবি, লেখক, সাংবাদিক
- হবীবুল্লাহ বাহার চৌধুরী - রাজনীতিবিদ, লেখক, পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম স্বাস্থ্যমন্ত্রী
- আবুল কাসেম খান-পাকিস্তান সরকারের মন্ত্রী
- আসিফ ইকবাল - গীতিকার ও সুরকার
- জাকির হোসাইন- পূর্ব পাকিস্তানের গবর্ণর
- আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দিন - শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞান লেখক ও বিজ্ঞান কর্মী
- মুহম্মদ এনামুল হক - বাঙালি শিক্ষাবিদ, ভাষাবিদ ও সাহিত্যিক
- মাহবুব উল আলম-সাহিত্যিক ও ইতিহাসবিদ
- নকীব খান- সুরকার, সঙ্গীত পরিচালক, শিল্পী
- নিশিতা বড়ুয়া- সংগীতশিল্পী
- আদিল হোসেন নোবেল- বাংলাদেশী মডেল, অভিনেতা ও চাকুরীজীবি।
- হামিদুল হক - বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তা।
- সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের- বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমীর এবং কুমিল্লা-১১ আসনের সাবেক এমপি
- এনামুল হক মঞ্জু- পঞ্চম জাতীয় সংসদ সদস্য।
অনুষদ
[সম্পাদনা]- সুরেন্দ্রনাথ দাশগুপ্ত, বাংলা ও সংস্কৃতির অধ্যাপক
- সুবোধ চন্দ্র সেনগুপ্ত, ১৯৩৩ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে এই কলেজে ইংরেজি বিভাগে আসেন
- মোতাহের হোসেন চৌধুরী, একজন বাঙালি লেখক, নোয়াখালীতে জন্মগ্রহণ করেন । তিনি ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত চট্টগ্রাম কলেজে কর্মরত ছিলেন।
- বদরুদ্দিন উমর বাংলাদেশি বিদ্যায়তনিক ও রাজনীতিবিদ
- আব্দুল হক ফরিদী, প্রভাষক
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "CHITTAGONG COLLEGE"। nu.ac.bd। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 "আমাদের সম্পর্কে – চট্টগ্রাম কলেজ"। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০২৫।
- 1 2 "চট্টগ্রাম কলেজ - বাংলাপিডিয়া"। bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ১২ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৫ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ ডিসেম্বর ২০১১।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- চট্টগ্রাম কলেজ
- বাংলাদেশের সরকারি মহাবিদ্যালয়
- চট্টগ্রামের বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয়
- চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত কলেজ
- চট্টগ্রাম জেলায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত মহাবিদ্যালয়
- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাকেন্দ্র
- ১৮৬৯-এ প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- ১৮৬৯-এ ব্রিটিশ ভারতে প্রতিষ্ঠিত
- সাবেক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অধিভূক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- বাংলার নবজাগরণের সঙ্গে যুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
- বিএনসিসি-এর কর্ণফুলী রেজিমেন্টের ইউনিট
- বিএনসিসি-এর চট্টগ্রাম ফ্লোটিলার ইউনিট
