যশোর সরকারি সিটি কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

যশোর সরকারি সিটি কলেজ ১৯৬৭ সালের ১৭ জুলাই যশোরের তৎকালীন এম এন এ জনাব সরদার আহম্মদ আলীর নেতৃত্বে সে সময়ের শিক্ষানুরাগী ও দানশীল ব্যক্তিবর্গ যেমন বেগম আয়েশা সরদার, জনাব এ এম বদরুল আলম, জনাব মোমতাজুল করিম (মজুমিয়া), জনাব এস এম আব্দুল আহাদ, জনাব এ এইচ এম ডি মহাসীন আলী, অধ্যাপক এ এফ এম সলিমুল্লাহ অধ্যাপক কাজী আব্দুর রউফ, অধ্যাপক ফজলুর রহমান, এ্যাডভোকেট ওলায়েত আলী মৃধা প্রমুখ ব্যক্তিবর্গের আন্তরিক প্রচেষ্টায় যশোর সিটি কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।

কার্যক্রম[সম্পাদনা]

কলেজটি প্রতিষ্ঠাকালে প্রফেসর এ এফ এম সলিমুল্লাহ অধ্যক্ষের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং একাডেমিক কার্যাবলী চালিয়ে নেয়ার লক্ষে বিভিন্ন বিষয়ের শিক্ষক নিয়োগসহ, বোর্ড ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমতি গ্রহণসহ যাবতীয় কার্যাবলী সম্পাদন করেন। উচ্চ মাধ্যমিক ও স্নাতক পাস কোর্স বিদ্যমান অবস্থায় ১৯৭৪ সালে এ কলেজে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয়। এরপর অধ্যক্ষ গাজী লুৎফর হোসেন, অধ্যাপক আফসার উদ্দীন, অধ্যাপক মো: ইয়াকুব, অধ্যাপক খন্দকার মকছুদুল হক ও বাংলা বিভাগের শিক্ষকদের প্রচেষ্টায় ১৯৮৫ সালে এ কলেজে বাংলা বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করা হয়। এ সময়ের কর্মরত নবীন শিক্ষকগণের বিশেষ আগ্রহে অধ্যাপক মো: ইয়াকুবের প্রচেষ্টায় তৎকালীন শ্রম ও জনশক্তি প্রতিমন্ত্রি জনাব খালেদুর রহমান টিটোর বিশেষ সুপারিশে ১৯৮৭ সালে কলেজটি জাতীয়করণকৃত হয়। ১৯৯২-৯৩ শিক্ষাবর্ষে এ কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও বাংলা বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু হয়। জাতীয়করণকৃত কলেজটির ভৌত অবকাঠামোগত সমস্যা সমাধানে অধ্যাপক নার্গিস বেগম এর চেষ্টায় বিজ্ঞান ভবন ও ছাত্র হোস্টেল নির্মিত হয়। ২০০৩-২০০৪ শিক্ষাবর্ষে এ কলেজে হিসাববিজ্ঞান, অর্থনীতি, সমাজকর্ম, ইংরেজি ও উদ্ভিদবিদ্যা বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু হয় ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ নার্গিস বেগমের প্রচেষ্টায়। অনেকগুলি অনার্স কোর্স চালু হওয়ার কারণে কলেজের শিক্ষক সংকটের সমাধানকল্পে অধ্যক্ষ প্রফেসর রনজিৎ কুমার ঘোষ পদ সৃষ্টির প্রয়োজনীতা অনুভব করেন এবং এ লক্ষে তিনি জনাব মো: সেলিমুল আলম খান, জনাব এস এম শামীম আহসান ও জনাব অনাদী কুমার সাহাকে, উপাধ্যক্ষ জনাব কামরুল ইসলামের নেতৃত্বে পদ সৃষ্টির লক্ষে দায়িত্ব প্রদান করেন এবং তাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কলেজটিতে ০৩টি অধ্যাপক, ০৮টি সহযোগী অধ্যাপকসহ মোট ২৮টি শিক্ষকের পদ সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে অধ্যক্ষ প্রফেসর দিলীপ কুমার সাহার প্রচেষ্টায় এ কলেজে ব্যবস্থাপনা, দর্শন ও ইতিহাস বিষয়ে অনার্স কোর্স এবং সমাজকর্ম ও ইংরেজি বিষয়ে মাস্টার্স কোর্স চালু হয় এবং শিক্ষক সংকট সমাধানের জন্য তিনি বিভিন্ন বিষয়ে পদ সৃষ্টি করেন। শ্রেণিকক্ষের সংকট মোকাবেলার জন্য তিনি কলেজের টিনসেড ৪টি কক্ষের উনণয়ন করে পাঠদানের উপযোগী করেন। এ সকল কাজে তাঁকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন শিক্ষক পরিষদে সম্পাদক জনাব মো: মিজানুর রহমান

অবকাঠামো[সম্পাদনা]

প্রফেসর রনজিৎ কুমার ঘোষের সময়েই এ কলেজে শহীদ মিনার ও স্বাধীনতা স্মারক ভাস্কর্য নির্মিত হয়। কলেজের প্রবেশ রাস্তা উচুকরণসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে তাঁর ভূমিকা চির অম্লান। অধ্যক্ষ প্রফেসর দৌলতুননেছা ব্যক্তিগত অর্থে ছাত্র-ছাত্রীদের বিরতিকালীন বসার জন্য একটি ছাউনি নির্মাণ করেন এবং উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ইউনিফর্ম চালু করেন। বর্তমানে কলেজটিতে শিক্ষক শিক্ষিকার পদ ৮৯টি এর বিপরীতে ৭০ জন কর্মরত। অফিস সহকারী ০৮ জনসহ অফিস সহাকয়কের সংখ্যা ৪০ জন। এ কলেজে বর্তমানে ৭৫০০ জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যায়নরত। অধ্যক্ষ প্রফেসর সেলিনা ইয়াসমিন দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকেই কলেজের সকল কাজে গতিশীলতা আনার লক্ষে কলেজের ওয়েবসাইটি গতিশীল করা এবং হালনাগাদ সকল তথ্য কলেজ ওয়েবসাইটে দেয়ার ব্যবস্থা করেছেন। বর্তমান অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু তোরাব মো: হাসান শিক্ষাদান ক্ষেত্রে আইসিটি’র প্রয়োগের জন্য মালিটমিডিয়া ক্লাসরুম, শিক্ষকদের এ সংক্রান্ত ট্রেনিং এর ব্যবস্থাসহ বিজ্ঞানভবনে পানির সমস্যা সমাধানকল্পে সাবমারছিবল টিউবওয়েল স্থাপন করেন। তিনি কলেজের একাডেমিক পরিবেশ অক্ষুন্ন রাখার জন্য শিক্ষক/শিক্ষিকগণের সমন্বয়ে ভিজিলেন্স কমিটি গঠন করেন এবং শ্রেণি পাঠদানসূচি অনুযায়ী ক্লাস নিশ্চয়নের ব্যবস্থা করেন। এছাড়াও একটি একাডেমিক ভবন যাতে এ কলেজে নির্মাণ সম্ভব হয় তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন

অনার্স কোর্স[সম্পাদনা]

 *বাংলা
 *ইংরেজি
 *অর্থনিতী
 *হিসাব বিজ্ঞান
 *ম্যানেজমেন্ট
 *মার্কেটিন
 *সমাজকর্ম
 *রাষ্টবিজ্ঞান
 *দর্শন
 *ইতিহাস
 এছাড়াও আরও বিষয় আছে

নেওয়াজ মোরশেদ (আলাপ) ১১:৩৫, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ (ইউটিসি)

বাংলা বিভাগ[সম্পাদনা]

বাংলা বিভাগে অনেক গুলো স্যার আছে তার মধ্যে

  স্যার বিকাশ
  এনায়েত স্যার
  নাজমুল সাকিব স্যার
  সোনিয়া ম্যাডাম
  শিল্পী রাণী ম্যাডাম
  সৌমিত স্যার
   আরও কিছু শিক্ষক আছেন সাল 2018

নেওয়াজ মোরশেদ (আলাপ) ১১:৫৯, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ (ইউটিসি)

 তথ্য প্রদান কারী নেওয়াজ মোরশেদ ছিলেন 2018 সালে বাংলা বিভাগের ২য় বর্ষের ছাত্র ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]