নোয়াখালী সরকারি কলেজ

স্থানাঙ্ক: ২২°৫২′৪৪″ উত্তর ৯১°০৬′২০″ পূর্ব / ২২.৮৭৮৭৬৮° উত্তর ৯১.১০৫৫৪২° পূর্ব / 22.878768; 91.105542
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
নোয়াখালী সরকারী কলেজ
নোয়াখালী সরকারি কলেজের মনোগ্রাম.png
নীতিবাক্যশিক্ষাই আলো
ধরনসরকারি কলেজ
স্থাপিত১ মার্চ, ১৯৬৩[১]
শিক্ষার্থীপ্রায় ১০,০০০[১]
অবস্থান
২২°৫২′৪৪″ উত্তর ৯১°০৬′২০″ পূর্ব / ২২.৮৭৮৭৬৮° উত্তর ৯১.১০৫৫৪২° পূর্ব / 22.878768; 91.105542
শিক্ষাঙ্গনউপশহর
অধিভুক্তিজাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা[১]
ক্রীড়াফুটবল, ক্রিকেট, ভলিবল
ওয়েবসাইটwww.noakhlicoll.gov.bd

নোয়াখালী সরকারি কলেজ বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলায় অবস্থিত একটি স্নাতক ও স্নতকোত্তর পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ডিগ্রি পাস কোর্স চালু রয়েছে। এছাড়াও ডিগ্রি ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর অধিনে কিছু প্রোগ্রাম। স্থাপিত হয় ১ মার্চ, ১৯৬৩।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রথমে একাদশ, মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগ ছিল। ১৯৬৫ সালে কলা ও বাণিজ্য শাখায় ডিগ্রি কোর্স চালু হয়। পরে একাদশ বিভাগ চালু হয়। ১৯৬৮ সালের ১লা মার্চ নোয়াখালী কলেজকে সরকারি করা হয়। ১৯৭৮ সালে তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী নোয়াখালী সরকারি কলেজকে অন্যত্র স্থানান্তরের পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালে পূর্ব লক্ষীনারয়ণপুর বর্তমান নতুন ক্যাম্পাস নামে পরিচিত। ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে নোয়াখালী সরকারি কলেজে অনার্স কোর্স চালু হয়। বর্তমানে এই কলেজে ১৭ টি বিষয়ে অনার্স ও মাষ্টার্স কোর্স চালু আছে। এখনে বর্তমানে ১৯,০০০ ছাত্রছাত্রী অধ্যয়নরত আছে। বর্তমানে নোয়াখালী সরকারি কলেজ বৃহত্তর নোয়াখালীর সবচেয়ে বৃহত্তম এবং জনপ্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এখানে সকল প্রকার সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান। বর্তমানে এ ক্যাম্পাসের আয়তন ২১ একর।

বিভাগ[সম্পাদনা]

১/হিসাববিজ্ঞান বিভাগ ২/ব্যবস্থাপনা বিভাগ ৩/মার্কেটিং বিভাগ ৪/ফিন্যান্স বিভাগ ৫/বাংলা বিভাগ ৬/ইংরেজি বিভাগ ৭/সমাজবিজ্ঞান বিভাগ ৮/ইসলামের ইতিহাস বিভাগ ৯/রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ১০/দর্শন বিভাগ ১১/অর্থনীতি বিভাগ ১২/গণিত বিভাগ ১৩/রসায়ন বিভাগ ১৪/উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ ১৫/প্রাণিবিদ্যা বিভাগ ১৬/পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ ১৭/ইসলাম শিক্ষা বিভাগ

সহশিক্ষা কার্যক্রম[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠানটিতে সহশিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে। একাদশ,দ্বাদশ, স্নাতক, স্নাকোত্তর ডিগ্রি পাস শাখাসহ সকল শাখাতে সহশিক্ষা একটি নিত্তনৈমিত্তিক এবং সাধারণ ব্যাপার।

শিক্ষকগণ[সম্পাদনা]

প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষকরা সাধারণত বিসিএস ক্যাডার হয়ে থাকেন।তবে কখনো কখনো ক্যাডার না হয়েও কিছু শিক্ষক 'অতিথি শিক্ষক' হিসেবে যোগদান করে থাকেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৪ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০১৪