বিষয়বস্তুতে চলুন

সরকারি আজিজুল হক কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরকারি আজিজুল হক কলেজ
নীতিবাক্যমনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটিয়ে, মানবতার সেবক হও
ধরনসরকারি কলেজ
স্থাপিত১৯৩৯; ৮৭ বছর আগে (1939)
ইআইআইএন১১৯২৪৬ উইকিউপাত্তে এটি সম্পাদনা করুন
অধ্যক্ষঅধ্যাপক মোঃ মাহফুজুল ইসলাম
উপাধ্যক্ষঅধ্যাপক মোঃ আব্দুল ওয়াহেদ সরকার
শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গ
আনু.২১০ জন
ঠিকানা
কামারগারি
, ,
শিক্ষাঙ্গনশহুরে, ৬৩ একর (০.২৫ বর্গকিলোমিটার)
কলেজ কোডজাতীবি - ২৭০১
বাউবি - ৮৬১
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী - ৪৪২৫
সংক্ষিপ্ত নামস.আ.হ.ক.
অধিভুক্তি
ওয়েবসাইটahcollege.gov.bd
মানচিত্র
পুরাতন ক্যাম্পাস (উচ্চমাধ্যমিক ভবন গেট)

সরকারি আজিজুল হক কলেজ বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় অবস্থিত একটি শীর্ষস্থানীয় ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই কলেজটি ১৯৩৯ সালে একটি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ হিসেবে যাত্রা শুরু করে এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপাচার্য স্যার আজিজুল হকের নামে এর নামকরণ করা হয়। বর্তমানে কলেজটি বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। এটি ‘উত্তরবঙ্গের আলো’ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের অন্যতম বৃহৎ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।[]

নতুন ক্যাম্পাস (স্নাতক ও স্নাতকোত্তর)

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯৩৮ সালের ৪ এপ্রিল বগুড়ায় একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে খাঁন বাহাদুর মোহাম্মদ আলীকে সভাপতি এবং মৌলভী আব্দুস সাত্তারকে সাধারণ সম্পাদক করে একটি কমিটি গঠিত হয়। এই কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ডা. হাবিবুর রহমান, জমিদার পূর্ণচন্দ্র রায়, মৌলভী মোঃ ওসমান গণী, মৌলভী ইয়াকুব আলী, ডাঃ কছির উদ্দীন আহমেদ, প্রজাবন্ধু রাজীব উদ্দীন তরফদার এম.এল.এ, বাবু নলিনী চন্দ্র চক্রবর্তী, খান বাহাদুর কোরবান আলী, সৈয়দ দেলওয়ার আলী চৌধুরী, বাবু প্রফুল্লচন্দ্র সেন, বাবু শিব চাঁদ আগরওয়ালা, মৌলভী ছহির উদ্দীন আহমদ প্রমুখ। এই কমিটির প্রচেষ্টায় কলেজটি ১৯৩৯ সালের ৯ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।[]

প্রথমে এটি 'বগুড়া কলেজ' হিসেবে পরিচিত ছিল এবং পরবর্তীতে অবিভক্ত বাংলার বিশিষ্ট শিক্ষা-ব্যক্তিত্ব স্যার আজিজুল হক এর নামে কলেজটির নামকরণ করা হয়। তিনি সে সময় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর উপাচার্য ছিলেন; সরকারি স্কুলে শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজি থেকে বাংলায় চালু, প্রাথমিক শিক্ষা পরিকল্পনাকে অ্যাক্টে পরিণত, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ প্রতিষ্ঠা (১৯৪০), শিক্ষা সপ্তাহ পালন কর্মসূচি প্রবর্তন, বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক সভার মহাজনী বিল ও প্রজাস্বত্ব আইন উপস্থাপন তার উল্লেখযোগ্য কীর্তি।

কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন ড. এম.এম. মুখার্জি (আগস্ট ১৯৩৯- সেপ্টেম্বর ১৯৩৯) এবং প্রথম উপাধ্যক্ষ ছিলেন শ্রী এস.পি সেন। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের প্রাক্কালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্ষপঞ্জিতে ২১৬ টি অধিভুক্ত কলেজের তালিকা প্রকাশিত হয়। এদের মধ্যে সাতাশটি কলেজ ছিল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে, বর্তমান বাংলাদেশে। এগুলোর মধ্যে উত্তরবঙ্গের প্রধান ও শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিণত হয় বর্তমান এই কলেজ আজিজুল হক কলেজ, বগুড়া (১৯৪১)। কলেজের যাত্রা শুরুর প্রায় দুই বছর পর্যন্ত কলেজের ক্লাস অস্থায়ীভাবে সুবিল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে (বর্তমান) নেয়া হয়। পরবর্তীতে এটি ফুলবাড়ি বটতলাতে স্থানান্তরিত করা হয়। ১৯৬৮ সালের ১৫ এপ্রিল কলেজটি সরকারিকরণ করা হয়।[][]

শিক্ষাব্যবস্থার ক্রম-বিকাশ

[সম্পাদনা]

কলেজের যাত্রার শুরুতে কেবলমাত্র আই-এ শ্রেণি (উচ্চ মাধ্যমিক) চালুর অনুমতি পায়। শুরুতে প্রায় ২০০ জন শিক্ষার্থী ছিল, যেখানে কোনো ছাত্রী ছিল না। প্রথম ব্যাচের ছাত্রদের মধ্যে যাদের নাম পাওয়া তারা হলেন মোজাম পাইকার, আমীর আলী, শফিকুর রহমান, আব্দুল মালেক, নূরুল ইসলাম ভোলা প্রমুখ। ১৯৪১ সালে কলেজের প্রথম ব্যাচের পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যায় ১৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১০৭ জন পরীক্ষায় পাশ করে। এর মধ্যে প্রথম বিভাগে ০৮ জন, দ্বিতীয় বিভাগে ৬৪ জন এবং তৃতীয় বিভাগে ৩৫ জন পাশ করে। পাশের হার ছিল ৬৯.২%।[]

প্রতিষ্ঠালগ্নে আই.এ. শ্রেণীতে বাংলা (সাধারণ), বাংলা (২য় ভাষা), ইংরেজি (আবশ্যিক), ইংরেজি (অতিরিক্ত), ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, যুক্তিবিদ্যা, পৌরনীতি, সাধারণ গণিত, আরবি/ ফার্সি বিষয়গুলো পড়ানোর অনুমতি পেয়েছিল। সেসময় যারা কলেজের শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তাঁরা হলেন ইংরেজি- শ্রী কে. সি. চক্রবর্ত্তী, সংস্কৃত ও বাংলা- শ্রী প্রভাত চন্দ্র সেন এম.এ.বি.টি, আরবি ও ফার্সি মোঃ আব্দুল গফুর, গণিত- শ্রী মনিন্দ্র চন্দ্র চাকী এম.এ, ইতিহাস- শ্রী এস.পি সেন বি.এ (সম্মান) লন্ডন, যুক্তিবিদ্যা- মোঃ ফজলুর রহমান এম.এ, পৌরনীতি- মোঃ আকবর কবির এম.এ।[]

প্রতিষ্ঠাকালে কলেজে ছাত্রী ছিলনা, এটা সত্য হলেও ছাত্রী ভর্তির ক্ষেত্রে কোন নিষেধাজ্ঞা ছিলনা। জানা যায় ১৯৪৩ সাল থেকে কলেজে ছাত্রী ভর্তি শুরু হয় এবং এই সংখ্যা ছিল ৮ থেকে ১২ জন। পরবর্তীতে এই সংখ্যা কিছু বৃদ্ধি পায়। এরপর ১৯৫৩ সাল পর্যন্ত ছাত্রীরা সকালের শিফটে তৎকালীন ভি.এম. গার্লস স্কুলে (বর্তমান বগুড়া সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়) ক্লাস করত।[]

প্রতিষ্ঠার মাত্র ২ বছর পর, অর্থাৎ ১৯৪১ সালে কলেজে অর্থনীতি এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে দু’বছর মেয়াদী সম্মান শ্রেণি ও বি.এ পাস কোর্স চালুর অনুমতি লাভ করে। ড. কে. এম ইয়াকুব আলীর মতে, ‘তদানীন্তন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এটিই প্রথম কলেজ যেখানে সেসময় সম্মান শ্রেণি চালুর অনুমতি দেওয়া হয়।’ কিন্তু শিক্ষক স্বল্পতা ও অন্যান্য অসুবিধার কারণে কলেজ পরিচালনা কমিটি শুধুমাত্র ইসলামের ইতিহাস বিভাগে সম্মান এবং বি.এ পাস কোর্স চালু করেন। এরপর ১৯৪৫-৪৬ শিক্ষাবর্ষ হতে কলেজটি বাংলা এবং আরবি বিভাগে সম্মান ও আই.কম শ্রেণি চালুর অনুমতি লাভ করে। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাগের পর নবগঠিত পাকিস্তান রাষ্ট্রে কলেজটি আইনত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন হয়ে পরে। প্রশাসনিক জটিলতার অজুহাতে সেসময় কলেজে সম্মান শ্রেণি পরিত্যক্ত হয়, এবং আই.এস.সি. শ্রেণী (পদার্থ, রসায়ন, অঙ্ক) চালুর অনুমতি পায়। আই.এস.সি. শ্রেণিতে জীববিজ্ঞান বিষয় অন্তর্ভুক্ত হয় ১৯৪৮-৪৯ শিক্ষাবর্ষে। এর কিছুকাল পরে ১৯৫৪-৫৫ শিক্ষাবর্ষে কলেজটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ হয় এবং আরবি, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে তিন বছর মেয়াদী সম্মান শ্রেণি চালু করা হয়। ১৯৬৮ সালে সরকারিকরণের পর কলেজে বাংলা, অর্থনীতি, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিষয়ে সম্মান পড়ানোর পাশাপাশি বি.এ, বি.কম, বি.এস.সি, আই.এ, আই.কম, আই.এস.সি চালু হয়। ১৯৭২-৭৩ সালে সম্মান কোর্সে বাংলা, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, অর্থনীতি, আরবি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, রসায়ন, পদার্থবিদ্যা, গণিত ও হিসাববিজ্ঞান চালু হয়। মাস্টার্স কোর্সে অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান চালু করা হয়। ১৯৭৩-৭৪ সালে মাস্টার্স ও সম্মানে যথাক্রমে ৩১৭ ও ৬১৮ সহ মোট ৩,৭৮৭ জন ছাত্র-ছাত্রী ছিল। শিক্ষক ছিলেন ৯০ জন।[]

বর্তমানে মার্কেটিং ও ফিনান্স নতুন করে মাস্টার্স কোর্স চালু করা হয়েছে। উত্তর বঙ্গে রাজশাহী কলেজের পর একমাত্র সরকারি কলেজ হিসেবে এই কোর্সে গুলোতে মাস্টার্স কোর্স চালু আছে। মার্কেটিং এ নিয়মিত মাস্টার্স সিট সংখ্যা ১০০ জন এবং অনিয়মিত বা প্রাইভেট মাস্টার্স সিট সংখ্যা ৪০০ জন। অনার্স সিজিপিএ এর উপর ভিত্তি করে ভর্তি করা হয়ে থাকে।

বিভাগসমূহ

[সম্পাদনা]
প্রধান ফটক (নতুন ক্যাম্পাস)
বিজ্ঞান অনুষদ
  • পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
  • রসায়ন বিভাগ
  • গণিত বিভাগ
  • উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ
  • প্রাণিবিদ্যা বিভাগ
  • পরিসংখ্যান বিভাগ
  • মনোবিজ্ঞান বিভাগ
  • ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগ
কলা ভবন, নতুন ক্যাম্পাস
কলা অনুষদ
  • বাংলা বিভাগ
  • ইংরেজি বিভাগ
  • ইসলাম শিক্ষা বিভাগ
  • আরবি বিভাগ
  • ইতিহাস বিভাগ
  • ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
  • দর্শন বিভাগ
সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ
  • অর্থনীতি বিভাগ
  • রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ
  • সমাজবিজ্ঞান বিভাগ
  • সমাজকর্ম বিভাগ
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ
  • হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
  • ব্যবস্থাপনা বিভাগ
  • ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগ
  • মার্কেটিং বিভাগ[]

অবকাঠামো

[সম্পাদনা]
পুরাতন ক্যাম্পাস

কলেজের পুরাতন ক্যাম্পাসে ৯টি শ্রেণী কক্ষ, ৪টি গবেষণাগার, ১টি গ্রন্থাগার, অফিস, ছাত্র-ছাত্রী বিশ্রামাগার ও একটি দ্বিতল মসজিদ রয়েছে। নতুন ক্যাম্পাসে রয়েছে ১টি ত্রিতল বিশিষ্ট কলা ভবন, ১টি ৪তলা বিজ্ঞান ভবন, ১টি ৫তলা কমার্স ভবন, ১০তলা সৈয়দ মুজতবা আলী ভবন এবং ১টি দ্বিতল গ্রন্থাগার। এছাড়াও ১টি দ্বিতল অধ্যক্ষ ভবন, ১টি ছাত্র সংসদ ভবন, ১টি দ্বিতল মসজিদ, ১টি রোভার্স স্কাউট ভবন, ১টি শহীদ মিনার এবং ১টি খেলার মাঠ রয়েছে। নতুন ক্যাম্পাসের মোট শ্রেণীকক্ষ ৭১টি, লাইবেরীকক্ষ ৭টি ও গবেষণাগার ১৮টি।[]

ছাত্রাবাস

[সম্পাদনা]

সরকারি আজিজুল হক কলেজের নতুন ক্যাম্পাসে ছাত্রদের জন্য তিতুমীর হল, শের-ই-বাংলা হলশহীদ আকতার আলী মুন হল নামে ৩টি এবং ছাত্রীদের জন্য বেগম রোকেয়া হল নামে ১টি আবাসিক হল রয়েছে। তবে শুধুমাত্র বেগম রোকেয়া হল ব্যতীত ছাত্রদের ৩টি আবাসিক হল ২০০৯ সাল থেকে সম্পূর্ণ বন্ধ।[] মূলত ২০০৯ সালের ২০ ডিসেম্বর হল দখলকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগছাত্রশিবিরের মাঝে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়, যার পরিপ্রেক্ষিতে কলেজ কর্তৃপক্ষ ৩টি হলই বন্ধ ঘোষণা করে।[] এর মাঝে শের-ই-বাংলা হল ইতোমধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া ২০১৮ সালে ছাত্রীদের জন্য আরেকটি নতুন আবাসিক হল নির্মাণ করা হয়েছে।[]

পুরাতন ক্যাম্পাসে ছাত্রদের জন্য ফখরুদ্দিন আহমদ হল নামে একটি হল রয়েছে, যেখানে শুধু উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণির ছাত্ররা থাকতে পারে।

গ্রন্থাগার

[সম্পাদনা]

সরকারি আজিজুল হক কলেজের প্রায় ২২,০০০ পুস্তক সমৃদ্ধ একটি গ্রন্থাগার ভবন রয়েছে। গ্রন্থাগারে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য সুষ্ঠু পরিবেশ বিদ্যমান। সুবিশাল এই গ্রন্থাগারে একাডেমিক বই ছাড়াও রয়েছে দেশী ও বিদেশী সাহিত্যের বই।

সংগঠন

[সম্পাদনা]
রাজনৈতিক
স্বেচ্ছাসেবক
সাংস্কৃতিক
  • সরকারি আজিজুল হক কলেজ সাংস্কৃতিক পরিষদ
  • সমকাল সুহৃদ সমাবেশ
বিতর্ক ক্লাব
  • পুণ্ড্র ডিবেটিং ক্লাব
শিক্ষার্থী সংগঠন
  • ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং ক্যারিয়ার ক্লাব (এফবিসিসি )

উল্লেখযোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থী

[সম্পাদনা]
অধ্যক্ষ
অধ্যাপক
শিক্ষার্থী

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. পারভেজ, আনোয়ার (২৪ নভেম্বর ২০২৪)। "'উত্তরবঙ্গের আলো' হিসেবে পরিচিত যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান"দৈনিক প্রথম আলো। ২৫ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ নভেম্বর ২০২৪
  2. 1 2 এ.কে.এম ছালামতউল্লাহ্ (২০১২)। "আযিযুল হক কলেজ"ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  3. 1 2 সুলতানা, নাসিমা (১১ নভেম্বর ২০২৫)। "সরকারি আ.হ কলেজের উচ্চ মাধ্যমিকের ক্লাস হচ্ছে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে"দৈনিক করতোয়া। সংগ্রহের তারিখ ১১ নভেম্বর ২০২৫{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)
  4. 1 2 "সরকারি আজিজুল হক কলেজ: ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ"আজকের পত্রিকা। ১৭ মে ২০২২। ৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০২৪
  5. 1 2 প্রাণপ্রবাহ' প্রস্পেক্টাস (প্রতিষ্ঠান পরিচিতি) (বাংলা ভাষায়)। বগুড়া: সরকারি আজিজুল হক কলেজ (উচ্চ মাধ্যমিক ভবন)। ২০২৪। পৃ. ১১-১২।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  6. "সরকারি আজিজুল হক কলেজ - ২৭০১"জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। ৭ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ অক্টোবর ২০২৪
  7. রউফ, জে এম (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "এক যুগ ধরে বন্ধ সরকারি আজিজুল হক কলেজের তিন হল"কালের কণ্ঠ{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)
  8. "৫টি আবাসিক হলের ৪টিই বন্ধ"ঢাকা পোস্ট। ২ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০২৫{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)
  9. পারভেজ, আনোয়ার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২)। "৫ কোটি টাকার হল কাজে আসছে না"প্রথম আলো{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]