রাজশাহী কলেজ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাজশাহী কলেজ
Rajshahi college logo.svg
স্থাপিত ১৮৭৩
ধরন সরকারি
অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ হবিবুর রহমান
অ্যাকাডেমিক স্টাফ ২৪
প্রশাসনিক স্টাফ ২৫৭+
ছাত্র ২৬,০০০+
স্নাতক বিএসএস (পাস), বিএসসি (পাস), বিবিএস (পাস), বিএ (সম্মান), বিএসএস (সম্মান), বিএসসি (সম্মান), বিবিএস (সম্মান), বিবিএ (সম্মান)
স্নাতকোত্তর এমএ, এমএসএস, এমএসসি, এমবিএস ও এমবিএ
অন্যান্য ছাত্র উচ্চ মাধ্যমিক
অবস্থান রাজশাহী, বাংলাদেশ বাংলাদেশ
অন্তর্ভুক্তি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
ওয়েবসাইট www.rc.edu.bd

রাজশাহী কলেজ বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এটি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।

১৮৭৩ সালে এই কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকা কলেজচট্টগ্রাম কলেজ এর পরে রাজশাহী কলেজ বাংলাদেশের ৩য় প্রাচীনতম কলেজ। বাংলাদেশে এই কলেজ হতেই সর্বপ্রথম মাস্টার্স ডিগ্রি প্রদান করা শুরু হয়। কলেজটি রাজশাহী শহরের কেন্দ্রস্থলে কলেজ রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল এর পাশে অবস্থিত। এই প্রাচীন কলেজের পাশে অবস্থিত হবার কারণে স্কুলটির নাম কলেজিয়েট রাখা হয়েছিলো । এটি বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ‍্যালয়ের অধীনে মাস্টার্স ও সম্মান ডিগ্রি প্রদান করে থাকে। ১৯৯৬ সাল থেকে এই কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরে ছাত্র নথিভুক্ত করা বন্ধ করা হলেও বর্তমানে ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে পুনরায় ভর্তি করা হচ্ছে।

পরিচ্ছেদসমূহ

ইতিহাস ও পটভূমি[সম্পাদনা]

১৮৮৪ সালে নির্মিত ফুলার ভবন

শিক্ষানগরী হিসেবে রাজশাহী মহানগরীর গোড়াপত্তন হয় ১৮২৮ সালে বাউলিয়া ইংলিশ স্কুল প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে।[১] প্রতিষ্ঠানটি তদানীন্তন পূর্ব বাংলায় আধুনিক শিক্ষার ইতিহাসে পথপ্রদর্শক হয়ে উঠেছিল। মূলত ইংরেজি শিক্ষার প্রতিস্থাপনা ও প্রসারকল্পে সে সময় রাজশাহীতে কর্মরত ইংরেজ কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় বাউলিয়া ইংলিশ স্কুল। সেদিনের সে ক্ষুদ্র ‘বাউলিয়া ইংলিশ স্কুল’ ১৮৩৬ সালে প্রাদেশিক সরকার জাতীয়করণ করলে এ স্কুলটি রাজশাহী জিলা (বা জেলা) স্কুল নামে পরিচিত (এই বিদ্যালয় রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল হিসাবে এখন পরিচিত)। সে স্কুলের ছাত্রদের উচ্চতর শিক্ষার জন্য একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়ায় রাজশাহী অঞ্চলের অধিকাংশ বিশিষ্ট নাগরিকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা ও আবেদনের প্রেক্ষিতে ১৮৭৩ সালে জেলা স্কুলকে উচ্চ মাধ্যমিক কলেজের মর্যাদা দেয়া হয় এবং একই বছর ৫ জন হিন্দু ও ১ জন মুসলমান ছাত্রসহ মাত্র ছয় জন ছাত্র নিয়ে কলেজিয়েট স্কুলের সঙ্গে চালু হয় উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর সমমানের এফ. এ (ফার্স্ট আর্টস) কোর্স।[২] ১৮৭৮ সালে এই কলেজকে প্রথম গ্রেড মর্যাদা দেয়া এবং “রাজশাহী কলেজ” নামে নামকরণ করার সাথে সাথে একে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়-এর অধিভুক্ত করে এখানে বি.এ. কোর্স চালু করা হলে উত্তরবঙ্গের সর্বপ্রথম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ কলেজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় রাজশাহী কলেজ। ১৮৮১ সালে এই কলেজে স্নাতকোত্তর শ্রেণীর উদ্বোধন করা হয় এবং ১৮৮৩ সালে যোগ হয় বি.এল কোর্স।[২] ১৯০৯ সালে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন আইনে কলেজ তার চাহিদা মেটাতে না পারলে মাস্টার্স কোর্স ও বি.এল. কোর্সের অধিভুক্তি বাতিল করা হয়।[২]

রাজশাহী কলেজ বিএনসিসি ইউনিট এবং বিএনসিসি বি কোম্পানীর সদর দপ্তর

রাজশাহী শহরে পাশ্চাত্য শিক্ষা বিস্তারে ভূস্বামী রাজা, জমিদার এবং বিত্তশালীদের ভূমিকা ছিলো উল্লেখযোগ্য। এদের মধ্যে দুবলাহাটির জমিদার হরনাথ রায় চৌধুরী, দীঘাপতিয়ার রাজা প্রমথনাথ রায়, রাজা প্রমোদ রায় ও বসন্ত রায়; পুঠিয়ার রাণী শরৎসুন্দরী দেবী ও হেমন্ত কুমারী দেবী; বলিহারীর কুমার শরবিন্দু রায়; খান বাহাদুর এমাদ উদ্দীন আহমেদ, কিমিয়া-ই-সাদাত এর অনুবাদক মীর্জা মোঃ ইউসুফ আলী, হাজী লাল মোহাম্মদ, নাটোরের জমিদার পরিবারের খান বাহাদুর রশীদ খান চৌধুরী, খান বাহাদুর এরশাদ আল খান চৌধুরী ও বঙ্গীয় আইন পরিষদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার আশরাফ আলী খান চৌধুরী ছিলেন অগ্রগণ্য।[৩] এছাড়া নাটোরের খান চৌধুরী জমিদার পরিবার রাজশাহী শহরের হেতেম খাঁ এলাকার তাঁদের পারিবারিক বাসস্থান চৌধুরী লজ রাজশাহী কলেজে অধ্যয়নরত প্রায় বিশ জন গরিব মুসলমান ছাত্রের জন্য বিনা ভাড়ায় থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা করেন। তদানীন্তন পশ্চাৎপদ মুসলমান সমাজের শিক্ষার উন্নয়নে তাদের এই ভূমিকা ছিলো তাৎপর্যপূর্ণ।[৩]

ব্রিটিশ স্থপত্য শৈলীতে নির্মিত প্রশাসনিক ভবন

কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন হরগোবিন্দ সেন, যিনি রাজশাহী জিলা স্কুলের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি পাঁচ বছর (১৮৭৩-১৮৭৮) এই কলেজের অধ্যক্ষ্যের দায়িত্বে ছিলেন। ১৮৭৫ সালে প্রথম ব্যাচের এফ.এ পরীক্ষায় উপস্থিত ছাত্রদের মধ্যে মাত্র দুইজন পাশ করে। সরকার কলেজটি উঠিয়ে দিতে চেয়েছিল কিন্তু রাজশাহী এসোসিয়েশন এর শক্ত প্রচেষ্টায় এই কলেজকে আপগ্রেড করে বি.এ. কোর্স প্রবর্তনের কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। রাজশাহী এসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দিঘাপতিয়ার রাজা প্রমথনাথ রায় বাহাদুর রাজশাহী কলেজে ডিগ্রি কোর্স প্রবর্তনের জন্য রাজশাহী এসোসিয়েশন এর মাধ্যমে সরকারকে ১৫০,০০০ টাকা দেন। কলেজ অক্টোবর ১৮৭৭ সালে ডিগ্রী প্রোগ্রামের অনুমোদন পায় এবং ১৮৭৮ সালে বি.এ. কোর্স চালু হয়। এফ. টি. ডাওডিং ১৮৭৯ সালে অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন।[২]

১৯০৪ সালে ফী ছাড়া সংস্কৃত বিষয়ে শিক্ষাদানের জন্য রাজশাহী কলেজ প্রশাসনের অধীনে মহারাণী হেমন্তকুমারী সংস্কৃত কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। বলিহারের কুমার শরদিন্দ্বু রায় এর আর্থিক সহায়তায় ১৯১০ সালে রাজা কৃষ্ণেন্দু হল নির্মিত হয়। ১৯১৫ সালে কলেজ কর্তৃপক্ষ ৫৭,১৪৫ টাকা ব্যয়ে পদার্থবিজ্ঞান ভবন নির্মান করে। রাজশাহী এসোসিয়েশনের উদ্যোগ এবং অধ্যক্ষ কুমুদিনীকান্ত ব্যানার্জির প্রচেষ্টায় মোট ৬টি হোস্টেল নির্মিত হয়ঃ ১৯২২ সালে ৩,৫৩,৮৬৩ টাকা ব্যয়ে ৫টি এবং ১৯২৩ সালে ৭৮,০০০ টাকা ব্যয়ে ১টি দ্বিতল ছাত্রাবাস ভবন নির্মিত হয়। ১৯২৫-২৬ সেশনে ৮৬,৮০৯ টাকা খরচে আর্টস বিল্ডিং এবং ১৯২৭ সালে কলেজের দক্ষিণ পার্শ্বে পদ্মা নদীর ধারে অধ্যক্ষের জন্য বাসভবন নির্মান করা হয়। এভাবে ধীরে ধীরে প্রায় ৩৫ একর জায়গার উপর অন্যান্য ভবন নির্মিত হয়।[২]

১৮৮৮ সালে প্রখ্যাত দানবীর হাজী মুহম্মদ মহসীন-এর আর্থিক অনুদানে নির্মিত হাজী মুহম্মদ মহসীন ভবন

১৮৮৪ সালে রাজশাহী কলেজ চত্বরে মাদ্রাসা ভবন নির্মিত হয়। ১৯৩০ সালে মাদ্রাসা অন্যত্র স্থানান্তরিত হলে ঐ বছরই ১৯০৯ সালে নির্মিত ফুলার ছাত্রাবাসটি কলেজকে হস্তান্তর করা হয়। দিঘাপতিয়ার রাজা বসন্তকুমার রায়ের আর্থিক সহায়তায় রাজশাহী কলেজ প্রশাসনের অধীনে ১৯৩৬ সালে এগ্রিকালচারাল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে যায় এবং ভবনটি কলেজের একটি ছাত্রাবাসে পরিণত হয়।

রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাস

কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অধিভুক্ত হয়ে কলেজে ১৮৮১ সালে এমএ কোর্স এবং ১৮৮৩ সালে থেকে স্নাতক ল কোর্স চালু হয়। কয়েক বছরের মধ্যেই রাজশাহী কলেজ থেকে আটজন ছাত্র এম.এ. এবং ষাটজন ছাত্র বি.এল. ডিগ্রী অর্জন করে। কিন্তু কলেজ এম.এ. এবং বি.এল. কোর্সর জন্য প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হলে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৯০৯ সাল থেকে এম.এ. ও বি.এল. কোর্স স্থগিত রাখে। পূর্ব পাকিস্তানে রাজশাহী কলেজ প্রথমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এ অধিভুক্ত হয় এবং পরে ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অধিভুক্ত হয়। এই কলেজে আই.কম., বি.কম. (পাস) এবং বি.কম. (সম্মান) কোর্স যথাক্রমে ১৯৫২, ১৯৫৪ এবং ১৯৬১ সালে চালু হয়। ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত হলে এর অধীনে এই কলেজে ১৯৯৪ সালে মাস্টার স্তরের কোর্স পুনরায় চালু হয়। ১৯৯৬ সাল থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের কোর্স বন্ধ থাকলেও এই অঞ্চলের উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের মেধাবী শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করে ২০০৯-১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে পুনরায় চালু করা হয়। বর্তমানে রাজশাহী কলেজে ২২টি বিষয়ে সম্মান কোর্স এবং ২১টি বিষয়ে মাস্টার কোর্স চালু রয়েছে। কলেজের ২৪৯ শিক্ষকের মধ্যে ৫৬ নারী শিক্ষক রয়েছেন।[২]

ভবন সমূহ[সম্পাদনা]

প্রথম বিজ্ঞান ভবন, রাজশাহী কলেজ

প্রতিষ্ঠার শুরুতে রাজশাহী কলেজের কোন নিজস্ব ভবন ছিল না। রাজশাহী এসোসিয়েশন এর নেতৃবৃন্দ কলেজের প্রথম ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেন। একজন দক্ষ ইংরেজ প্রকৌশলীর পরিকল্পনায় ১৮৮৪ সালে ৬১,৭০০ টাকা ব্যয়ে বর্তমান প্রশাসন ভবনটি নির্মিত হয়। গাঢ় লাল বর্ণের দোতলা ভবনটি কালের গ্রাস জয় করে নগরীর প্রধান ও প্রাচীনতম সড়কের পাশে আজও মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। ভবনটি একটি ব্রিটিশ ভারতীয় ঔপনিবেশিক স্থাপত্যের ভাল উদাহরণ। রাজশাহী অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক ১৮৯৪ সালে পি.এন. ছাত্রাবাস (কলেজের প্রথম ছাত্রাবাস) নির্মিত হয়। রায় বাহাদুর কুমুদিনীকান্ত বন্দ্যোপাধ্যায় অধ্যক্ষ (১৮৯৭-১৯১৯, ১৯২০-১৯২৪) হিসেবে দায়িত্ব পালন কালে কলেজের উন্নয়নে ব্যাপক ভুমিকা রাখেন। পুঁঠিয়ার রাণী হেমন্তকুমারীর অর্থায়নে ১৯০২ সালে হেমন্তকুমারী হোস্টেল নির্মিত হয়।[৪]

অধ্যক্ষ (১৮৯৭-১৯১৯, ১৯২০-১৯২৪) রায় বাহাদুর কুমুদিনীকান্ত বন্দোপাধ্যায় এর স্মৃতির উদ্দেশ্যে রাজশাহী কলেজ প্রশাসনিক ভবনের দ্বিতীয় তলায় স্মৃতি স্মারক

ঔপনিবেশিক আমলের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুরোনো বাড়ীগুলো হলো ফুলার ছাত্রাবাস, জীববিজ্ঞান জীববিজ্ঞান ভবন, রসায়ন ভবন, পদার্থবিজ্ঞান ভবন, প্রাক্তন মুসলিম ছাত্রাবাস ইত্যাদি। নবীনতর অর্থাৎ 1950 সালের পর যে সকল ভবন নির্মিত হয়েছে সেগুলোর মধ্যে লাইব্রেরী ভবন, কলা ভবন এবং অডিটোরিয়াম অন্তর্ভুক্ত। তাছাড়া ১৯৯০ সালে একটি নতুন বিজ্ঞান ভবন নির্মিত হয়েছে।[২]

সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে রাজশাহী কলেজে গড়ে উঠেছে পাঁচটি বিজ্ঞান ভবন, দুইটি কলাভবন, ইরেজি বিভাগের জন্য একটি পৃথক ভবন; পুকুরের পশ্চিম পাড়ে রয়েছে গ্যালারি ভবন। গ্যালারি ভবন ১৮৮৮ সালে নির্মিত হয়ে প্রথমে রাজশাহী মাদ্রাসা নামে এবং পরে ১৭নং গ্যালারি হিসাবে পরিচিতি পায়। প্রখ্যাত দানবীর হাজী মুহম্মদ মহসীন-এর আর্থিক অনুদানে নির্মিত এই ভবনটি বর্তমানে হাজী মুহম্মদ মহসীন ভবন নামে পরিচিত। ১৯০৯ সালে নির্মিত হয় কলেজেরে অন্যতম একটি সুন্দর স্থাপনা মোহামেডান ফুলার হোস্টেল। বর্তমানে ভবনটি কলেজের বাংলা, ব্যবস্থাপনা, হিসাববিজ্ঞান, উর্দু, সংস্কৃত, দর্শন, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি এবং অর্থনীতি বিভাগের কার্যালয় হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। কলেজের সম্মুখ চত্বরে আছে একটি শহীদ মিনার এবং শহীদ মিনারের পশ্চিমে অবস্থিত লাইব্রেরি ও অডিটোরিয়াম ভবন।[২]

খরস্রোতা পদ্মা নদীর উত্তরে হযরত শাহ মখদুম (রহঃ) এর মাজার-এর পূর্ব পাশে নির্মিত হয় অধ্যক্ষের দোতলা বাসভবন। এই ভবনটিতে উপমহাদেশের প্রখ্যাত শিক্ষাবিদগণ বসবাস করে গেছেন। কলেজের বর্তমান অধ্যক্ষ মহোদয় এর বাসভবন হিসেবে এটিকে ব্যাবহার করা হয়। ব্রিটিশ স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত ভবনটি এখনও স্বমহিমায় অক্ষত রয়েছে। অধ্যক্ষের বাসভবনের পূর্বপ্রান্তে শিক্ষকদের জন্য রয়েছে দুটি তিন তলা আবাসিক ভবন। ছাত্রদের জন্য বিভাগপূর্ব কালে ছয়টি ব্লক নিয়ে একটি ছাত্রাবাস নির্মিত হয়। বিভাগোত্তর কালে এই ছাত্রাবাসের আরেকটি ব্লক নির্মিত হয় কলেজের উত্তর দিকে দুটি ছাত্রীনিবাস নির্মিত হয়েছে।

ভবন সমূহে বিভিন্ন বিভাগ এবং কার্যালয়ের অবস্থান:[৫]

  • প্রশাসন ভবন - অধ্যক্ষের কার্যালয়, উপাধ্যক্ষের কার্যালয়, শিক্ষক মিলনায়তন, সভাকক্ষ, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ, প্রধান সহকারীর কক্ষ, হিসাব শাখা, ক্যাশ শাখা, ছাত্রী কমনরুম।
  • লাইব্রেরী ভবন - অডিটোরিয়াম, মিউজিয়াম (ঐতিহ্যে রাজশাহী কলেজ), স্টোর রুম, দক্ষীনে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরী, উত্তরে ব্যাংক বুথ, ছাত্রসংসদ কার্যালয়।
  • হাজী মুহাম্মদ মহসীন ভবন - গণপূর্ত স্টাফ অফিস-১০৮, রোভার ডেন-১০৯, ১১০, জিমনেসিয়াম-১০৬, শ্রেণিকক্ষ-১০১ (১৭ নং গ্যালারি), ঘন্টাঘর-১০২, শ্রেণিকক্ষ-১০৩ (বিএসসিসি), শরীরচর্চা গোডাউন।
  • কলা ভবন -
  • রাষ্ট্রবিজ্ঞান ভবন -
  • ফুলার ভবন -
  • প্রথম বিজ্ঞান ভবন -
  • পদার্থবিজ্ঞান ভবন - নিচতলায় বিভাগীয় কার্যালয় - পদার্থবিজ্ঞান ও ল্যাবরেটরি , দোতলায় পদার্থবিজ্ঞানের বিভাগীয় ল্যাবরেটরি ।
  • রসায়ন ভবন -
  • দ্বিতীয় বিজ্ঞান ভবন -
  • তৃতীয় বিজ্ঞান ভবন -
  • ইংরেজী ভবন -

আবাসিক হলসমূহ[সম্পাদনা]

মুসলিম ছাত্রাবাস[সম্পাদনা]

১৯২২ সালে সময়ের প্রয়োজনে রাজশাহী কলেজ মুসলিম ছাত্রাবাসের যাত্রা শুরু হয়। ছাত্রাবাসে মোট ০৭ টি ভবন রয়েছে, ভবনগুলো ০৭ জন বীরশ্রেষ্ঠদের নামানুসারে রাখা হয়েছে। এই ছাত্রাবাসেই ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশের প্রথম শহীদ মিনারটি অবস্থিত। ছাত্রাবাসটি পরিচালনার জন্য প্রধান তত্ত্বাবধায়কের কার্যালয় নামে একটি অফিস রয়েছে। ছাত্রাবাসটি পরিচালনার জন্য প্রধান তত্ত্বাবধায়ক ও ০২ জন তত্ত্বাবধায়ক দায়িত্ব পালন করছেন। ছাত্রাবাসের অফিসিয়াল কাজ করার জন্য ০৩ জন অফিস সহকারী ও ০১ জন এম.এল.এস.এস. রয়েছে। এছাড়া ২১ (একুশ) জন ডাইনিং কর্মচারী ও বিভিন্ন দায়িত্বে কর্মরত ০৬(ছয়)জন কর্মচারীসহ মোট ৩১ (একত্রিশ)জন কর্মচারী রয়েছে।

হিন্দু ছাত্রাবাস[সম্পাদনা]

কলেজের হিন্দু ছাত্রদের আবাসিক সুব্যবস্থার জন্য একটি হিন্দু ছাত্রাবাস আছে৷ ছাত্রাবাসটির নাম “মহারাণী হেমন্ত কুমারী হিন্দু ছাত্রাবাস”৷ যেটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৯৯ সালে৷ রাজশাহী কলেজ প্রতিষ্ঠায় অবদানকারী মহিয়সী নারী মহারাণী হেমন্ত কুমারী দেবী’র নামে ছাত্রাবাসটির নামকরন করা হয়৷

ছাত্রীনিবাস[সম্পাদনা]

রাজশাহী কলেজ ১৮৭৩ সালে যাত্রা শুরু করার পর এর ছাত্র-ছাত্রী উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। অনেক দূর দূরান্ত থেকে আসা ছাত্রীদের কষ্ট লাঘবের জন্য ১৯৬৬ সালে রাজশাহী কলেজের অদুরে ছাত্রীদের থাকার সুবিধার জন্য অফিস বিল্ডিং, তত্ত্বাবধায়কের বাসভবন সহ একটি দোতলা বিল্ডিং নির্মাণ করা হয় যার নাম মেইন বিল্ডিং এবং এর মাধ্যমে ছাত্রীনিবাসের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে মেইন বিল্ডিং চারতলা করা হয়। ছাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পর্যায়ক্রমে তাদের আবাসন সমস্যা নিরসনের লক্ষে নিউব্লক, উত্তরা বিল্ডিং, বলাকা ও রহমতুন্নেছা বিল্ডিং তৈরী করা হয়।

ছাত্রীনিবাস সুষ্ঠভাবে পরিচালনার জন্য একজন প্রধান তত্ত্বাবধায়ক, দুই জন তত্ত্বাবধায়ক এবং অফিস সহকারী, পিয়ন/আয়া, নৈশ প্রহরী ও সুইপার সহ মোট একত্রিশ (৩১)জন কর্মচারী কর্মরত রয়েছে। ছাত্রীদের বিনোদন ও শিক্ষার মান উন্নয়নের জন্য তিনটি ছাত্রী কমন রুম রয়েছে। কমন রুমে টেলিভিশন দেখা, পেপার পড়া ও খেলাধুলার ব্যবস্থা আছে। ছাত্রীদের প্রত্যেকটি বিল্ডিংয়ে প্রার্থনার জন্য আলাদা রুমের ব্যবস্থা রয়েছে।

সুবিধা এবং বৈশিষ্ট্যসমূহ[সম্পাদনা]

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

রাজশাহী কলেজ গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দূর্লভ পুঁখি

রাজশাহী কলেজের প্রসিদ্ধির অন্যতম কারণ হলো এর গ্রন্থাগার যাতে পুরাতন মূল্যবান ও সাম্প্রতিক সংষ্করনের বই, জার্ণাল এবং সাময়িকির প্রাচুর্য রয়েছে এবং এটি আন্তর্জাতিক খ্যাত মুদ্রিত তথ্য প্রাপ্তির নির্ভরযোগ্য উৎস। কলেজ লাইব্রেরীতে অনেক দূর্লভ বই, গেজেট, এনসাইক্লোপিডিয়া এবং পাণ্ডুলিপি রয়েছে এবং প্রাচীন পাণ্ডুলিপির অনেকগুলিই পুঁথি-তে সমৃদ্ধ। বর্তমানে (১৩/০২/২০১৩) কলেজ লাইব্রেরীতে বইয়ের সংখ্যা মোট ৭৭,৯৪৯।[২]

গবেষণাগার[সম্পাদনা]

কলেজে বিজ্ঞান বিভাগের প্রত্যেকটিতে নিজস্ব গবেষণাগার রয়েছে যা পরীক্ষন করার জন্য আধুনিক ও আদি যন্ত্রপাতি দ্বারা সজ্জিত।

প্রকাশনা[সম্পাদনা]

রাজশাহী কলেজের নিয়মিত ভাবে জনপ্রিয় বার্ষিকী ও সাময়িকী প্রকাশের ঐতিহ্য বিদ্যমান। উপরন্তু বর্তমানে বিশেষ এবং গবেষণা সমৃদ্ধ জার্ণালের প্রকাশনা এই ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধতর করেছে।

অডিটোরিয়াম[সম্পাদনা]

স্বাস্থ্যকেন্দ্র[সম্পাদনা]

জিমনেসিয়াম[সম্পাদনা]

গ্যারেজ[সম্পাদনা]

বোটানিক্যাল গার্ডেন ও ন্যাচারাল একুরিয়াম[সম্পাদনা]

খেলার মাঠ[সম্পাদনা]

বিএনসিসি[সম্পাদনা]

রোভার স্কাউট[সম্পাদনা]

পরিবহন ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

খেলাধুলা ও শরীর চর্চা[সম্পাদনা]

মসজিদ ও ধমীয় অনুষ্ঠান[সম্পাদনা]

অধ্যক্ষের বাসভবন[সম্পাদনা]

টিচার্স কোয়ার্টার[সম্পাদনা]

ব্যাংক বুথ[সম্পাদনা]

ক্যান্টিন[সম্পাদনা]

রাজশাহী কলেজ ক্যান্টিন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের পূর্বদিকে অবস্থিত । এখানে ছাত্রছাত্রীদের জন্য নানাবিধ খাবারের ব্যাবস্থা আছে ।

ছাত্রদের কমনরুম[সম্পাদনা]

রাজশাহী কলেজ এ রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের নিচতলায় একটি ছাত্র কমনরুম রয়েছে । এটি সাধারণ কার্যদিবসে সকাল নয়টা থেকে দুপুর দুইটা পর্যন্ত খোলা থাকে । ক্লাসের অবসরে ছাত্ররা এখানে নানান ধরনের ইনডোর গেমসে অংশ নেয় । কমনরুমে টেবিল টেনিস, ক্যারাম , দাবা খেলার ব্যাবস্থা আছে । এছাড়াও কমনরুমে দৈনিক সংবাদপত্র রাখা হয়ে থাকে । শরীরচর্চা শিক্ষক কমনরুমের তদারকি করেন ।

টিচার্স ক্লাব[সম্পাদনা]

শহীদ মিনার[সম্পাদনা]

ফলাফল, মেধাবৃত্তি ও পুরস্কার[সম্পাদনা]

বিদেশী ভাষা প্রশিক্ষন বেন্দ্র[সম্পাদনা]

ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (আইসিটি)[সম্পাদনা]

ইন-হাউস ট্রেইনিং[সম্পাদনা]

নথিভুক্ত শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

১৮৭৩ সালে ১ এপ্রিল মাত্র ছয় জন ছাত্র নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও অতিদ্রুত সব অনিশ্চয়তা ও প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে কলেজটি দেখা পায় সোনালী ভবিষ্যতের। ১৮৭৮ সালেই এর ছাত্র সংখ্যা একশ তে উন্নীত হয়। প্রতিবছরই ছাত্রসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ১৯০০ সালে দুইশ, ১৯১০ সালে চারশ, ১৯২০ সালে আটশো এবং ১৯২৪ সালে উন্নীত হয় অনধিক এক হাজার জনে। ১৮৭৩ সালে মুসলমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ থাকলেও পরবর্তী ৫ বছর তা অপরিবর্তিত থাকে, কিন্তু এই সংখ্যা ১৯১৬ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ১৫৬ জনে এবং ১৯২৪ সালে ২১৫ জন। ১৯৩১ সালে প্রথম ছাত্রী ভর্তি করা হয়।[২]

পরবর্তীতে মুসলমান শিক্ষার্থীদের সংখ্যা বাড়তে থাকে এবং ১৯৪৭ সালে মুসলমান শিক্ষার্থীর সংখ্যা হিন্দু শিক্ষার্থীদের ছাড়িয়ে যায়। ১৯৭০ সালে কলেজে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১,৮৪০ জন যার মধ্যে ৩০০ জন ছাত্রী। স্বাধীনতার পর এই সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৯০ সালে দাঁড়ায় ৪,৭৩২ জনে যার মধ্যে ছাত্রীর সংখ্যা ছিল ১,৩৫২ জন।[৬] কলেজের ছাত্রসংখ্যা ২০০০ সালে বেড়ে দাঁড়ায় ৮,০০০ এবং ২০১৬ সালে শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২৬০০০ এর অধিক।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

রাজশাহী কলেজ ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ[সম্পাদনা]

ভাষা আন্দোলনকে উৎসর্গ করে শহীদদের স্মরণে প্রথম শহীদ মিনার[৭]। ১৯৭৩ সালে এটিকে পুনঃস্থাপন করা হয়।

জাতির সামাজিক ও রাজনৈতিক সকল সংকটে রাজশাহী কলেজের শিক্ষক এবং ছাত্র ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে। তারা স্বদেশী আন্দোলনে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলন কালে ঢাকা-য় ছাত্র হত্যাকাণ্ডের পরপরই রাজশাহী কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ভাষা আন্দোলন-এ যুক্ত হয় এবং ভাষা আন্দোলনকে উৎসর্গ করে শহীদদের স্মরণে একটি শহীদ মিনার নির্মান করেন যাকে সম্ভবত দেশের প্রথম শহীদ মিনার মনে করা হয় । ১৯৬৯ সালে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভটি ১৯৭১ সালে পাক হানাদার বাহিনী ধ্বংস করে ফেলে। এটি পুনঃস্থাপন করতে বর্তমান স্মৃতিস্তম্ভটি ১৯৭৩ সালে নির্মান করা হয়। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীরা সক্রিয়ভাবে ১৯৬২ এবং ১৯৬৯ ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁরা বিপুল সংখ্যায় যোগ দিয়ে মহান সাহস এবং বীরত্বের সঙ্গে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করতে সহায়তা করেন।

বর্তমান শিক্ষা পরিষদ[সম্পাদনা]

সম্প্রতি এই প্রতিষ্ঠানে ২২ জন অধ্যাপক, ৫৭ সহযোগী অধ্যাপক, ৮০ জন সহকারী অধ্যাপক ও ৮২ জন প্রভাষক সমন্বয়ে শিক্ষা পরিষদ বিদ্যমান।[৮]

বর্তমান অনুষদ ও বিভাগসমূহ[সম্পাদনা]

রাজশাহী কলেজে পঠিত বর্তমান অনুষদ ও বিভাগসমূহ -

কলা অনুষদ

  • বাংলা বিভাগ
  • ইংরেজি বিভাগ
  • আরবি ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
  • ইতিহাস বিভাগ
  • ইসলামের ইতিহাস বিভাগ
  • দর্শন বিভাগ
  • সংস্কৃত বিভাগ
  • উর্দু বিভাগ

সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ

  • রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগ
  • অর্থনীতি বিভাগ
  • সমাজ বিজ্ঞান বিভাগ
  • সমাজ কর্ম বিভাগ

বিজ্ঞান অনুষদ

  • পদার্থ বিভাগ
  • রসায়ন বিভাগ
  • গণিত বিভাগ
  • পরিসংখ্যান বিভাগ
  • প্রাণীবিদ্যা বিভাগ
  • উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ
  • মনোবিজ্ঞান বিভাগ
  • ভূগোল বিভাগ

ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ

  • ফিন্যান্স এ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগ
  • হিসাববিজ্ঞান বিভাগ
  • মার্কেটিং বিভাগ
  • ব্যবস্থাপনা বিভাগ

উল্লেখযোগ্য প্রাক্তন ও বর্তমান অনুষদ[সম্পাদনা]

প্রাক্তন অনুষদ (ফ্যাকাল্টি)[সম্পাদনা]

  • অধ্যাপক শ্রী কুমার ব্যানার্জী
  • অধ্যাপক সুনীতি কুমার ভট্টাচার্য
  • ড. পিভি শাস্ত্রী
  • ড. কুদরত-ই-খুদা
  • হুমায়ুন কবির
  • অধ্যাপক আবু হেনা
  • অধ্যাপক সৌরেন মজুমদার
  • অধ্যাপক ক্ষেমেশচন্দ্র দে
  • ড. স্নেহময় দত্ত
  • অধ্যাপক বি.সি. কুণ্ডু
  • ড. গোলাম মকসুদ হিলালী
  • অধ্যাপক কবীর চৌধুরী
  • ড. এ. আর. মল্লিক
  • প্রফেসর এম. শামস উল হক
  • ড. আবদুল্লাহ আল মুতী শরফুদ্দীন
  • ড. এম. এ. বারী
  • ড. কাজী আব্দুল মান্নান
  • ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল

প্রাক্তন ছাত্র (অ্যালামনাই)[সম্পাদনা]

চিত্রমালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Information of Rajshahi City"। Rajshahi City Corporation। 
  2. ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ ২.৪ ২.৫ ২.৬ ২.৭ ২.৮ ২.৯ "Brief History Rajshahi College"Brief History (English)Rajshahi College 
  3. ৩.০ ৩.১ "Education Institute of Rajshahi City"Rajshahi College। Rajshahi City Corporation। 
  4. "রাজশাহী কলেজ,রাজশাহী"। বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
  5. প্রসপেক্টাস ২০১৬, রাজশাহী কলেজ - প্রকাশকাল ১ জানুয়ারি ২০১৬
  6. সংযোগ নিরন্তর - রাজশাহী কলেজ এইচ এস সি ব্যাচ ১৯৮০-৮২ পুনর্মিলণী - ২০১৫
  7. Administrator। "Bhasha Andolon (Bangladesh language movement 1948-1952) part 11 - Shaheed Minar, Shaheed Dibosh, Amar Bhaier Rokte Rangano, songs & poems of Ekushey - History of Bangladesh"Londoni 
  8. "Academic Council"