বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির
| বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির | |
|---|---|
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির | |
সাংগঠনিক পতাকা | |
| সভাপতি | নুরুল ইসলাম সাদ্দাম |
| মহাসচিব | সিবগাতুল্লাহ সিবগা |
| মুখপাত্র | আজিজুর রহমান আজাদ[১] |
| প্রতিষ্ঠা | ৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ |
| পূর্বসূরী | পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘ (সংগঠন কর্তৃক অস্বীকৃত) |
| সদর দপ্তর | ৪৮/১-এ পুরানা পল্টন, ঢাকা-১০০০ |
| ভাবাদর্শ |
|
| আন্তর্জাতিক অন্তর্ভুক্তি | আইজেটি • এএফএমআই • আইআইএফএসও • ওয়ামি • এসআইও |
| জাতীয় অন্তর্ভুক্তি | বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী |
| সংবাদপত্র | ছাত্র সংবাদ; ইয়ুথ ওয়েব; পার্সপেক্টিভ |
| সাময়িকী | কিশোরকণ্ঠ (দাবিকৃত) |
| ওয়েবসাইট | shibir |
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির (যা কেবল ছাত্রশিবির বা শিবির নামেও পরিচিত) বাংলাদেশের একটি ইসলামপন্থী রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন।[২] সংগঠনটি ৬ই ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।[৩] এটিকে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কার্যত ছাত্র সংগঠন হিসেবে গণ্য করা হয়।[৪] ইসলামী ছাত্রশিবিরের পূর্বসূরি ছিল পূর্ব পাকিস্তান ইসলামী ছাত্র সংঘ,[৫] যেটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকাণ্ডের জন্য বিতর্কিত।[৬][৭][৮] শিবিরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মীর কাসেম আলী, যিনি পূর্বে ছাত্রসংঘের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।[৯][১০] তবে সংগঠনটি ছাত্রসংঘের উত্তরসূরিতা ও সংশ্লিষ্টতা অস্বীকার করে।[১১]
ছাত্রশিবির ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ ও তাদের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের দ্বারা নিপীড়নের শিকার হয় এবং সংগঠনটির কার্যক্রম কার্যত নিষিদ্ধ ছিল।[১২][১৩][১৪][১৫] সেসময় সংগঠনটির নেতাকর্মীরা অপ্রকাশ্য রাজনীতি এবং ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় থাকার অভিযোগ রয়েছে।[১৬][১৭][১৮] ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বলে মনে করা হয়।[১৯] বিপ্লবের পর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার সংগঠনটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে। এর পর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভের মাধ্যমে সংগঠনটি দেশব্যাপী আলোচনায় আসে।[২০][২১]
ইতিহাস
১৯৭১ এর পূর্বে জামায়াতের তৎকালীন ছাত্রসংস্থার নাম ছিল ইসলামী ছাত্রসংঘ[৫] বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর, ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৩৮ ধারা অনুযায়ী রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ধর্মের অপব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।[২২] জামায়াতে ইসলামীসহ এর ছাত্রসংগঠনের রাজনীতির মূল উপজীব্য যেহেতু ধর্ম, সেহেতু বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে জামায়াতসহ এর ছাত্রসংগঠনের সাংগঠনিক অস্তিত্ব দৃশ্যত বিলীন হয়ে যায়।[২৩]
শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের পর ১৯৭৬ সালের ৩রা মে রাষ্ট্রপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম কর্তৃক একটি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ নম্বর ধারা বাতিল করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।[২৪] এরপর ১৯৭৭ সালে "বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির" প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৭৭ সালের ৬ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে শিবির প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মীর কাশেম আলী এবং প্রতিষ্ঠাকালীন দলটির সদস্য ছিলো মাত্র ছয় জন। সংগঠনের নীতি অনুসারে এদের কার্যক্রম পাঁচটি দফার উপর প্রতিষ্ঠিত।[২৫]
আশির দশকে ইসলামী ছাত্রশিবির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সক্রিয় হতে থাকে। এ সময়ে বেশকিছু সহিংসতা ও হত্যার ঘটনাও ঘটে।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এর মধ্যে ১৯৮২ সালের ১১ই মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগঠনটির নবীন বরণ অনুষ্ঠানে হামলা চালানো হয়। হামলায় শিবিরের কর্মী সাবিবর আহমদ, আবদুল হামিদ, আইয়ুব আলী, আবদুল জাববার নিহত হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এই ঘটনার জন্য ছাত্রলীগ, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন ও ছাত্র মৈত্রীকে দায়ী করা হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] তাই শিবির প্রতিবছর এই দিনটিকে “শহিদ দিবস” হিসেবে পালন করে।[২৬] ১৯৮৯ সালে হামলায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন ছাত্রদল নেতা নিহত হন, যার জন্য ছাত্রশিবিরকে অভিযুক্ত করা হয়। এই ঘটনার জেরে পরবর্তীতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ।[২৭] এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা ঐকমত্যের ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরকে রাজনীতি না করতে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।[২৭] তবে প্রায় ৩৫ বছর পর ২৯ অক্টোবর ২০২৪ সালে ইসলামী ছাত্রশিবির এক বিবৃতিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়নি বলে দাবি করে।[২৮] ২০১০ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের সাথে ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে ফারুক হত্যার ঘটনায় ছাত্রশিবির অভিযুক্ত হলে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আতংক ছড়িয়ে পড়ে।[২৯] তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জানায় পরিবেশ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোন সাংগঠনিক তৎপরতা চালাতে পারবে না৷[৩০]
০১ আগস্ট ২০২৪ কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।[৩১] জামায়াতে ইসলামীর সাথে এই ছাত্র সংগঠনটিও নিষিদ্ধ হয়। তারপর অসহযোগ আন্দোলনে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়, ২৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে নতুন অন্তর্বতী সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জামায়াতের উপর অর্পিত নিষেধাজ্ঞা বাতিল করে।[৩২][৩৩]
২০২৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের বিজয়ের মাধ্যমে সংগঠনটি দেশব্যাপী আলোচনায় আসে।[৩৪][৩৫] এরপর জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী, চট্টগ্রাম এবং ২০২৬ সালের ৬ জানুয়ারি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনেও তারা নিরঙ্কুশ জয়লাভ করে। বিশ্লেষকদের মতে, দীর্ঘ দেড় দশক ক্যাম্পাসগুলোতে গণতান্ত্রিক চর্চার অনুপস্থিতি, প্রতিষ্ঠিত ছাত্র সংগঠনগুলোর প্রতি সাধারণ শিক্ষার্থীদের নেতিবাচক মনোভাব এবং প্রতিকূল সময়ে শিবিরের গোপন সাংগঠনিক কাঠামো এই বিজয়ের নিয়ামক হিসেবে কাজ করেছে। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ছদ্মবেশে সাংগঠনিক তৎপরতা অব্যাহত রাখা এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পৃক্ততা তাদের এই নির্বাচনী সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।[৩৬]
কেন্দ্রীয় সভাপতি এবং সেক্রেটারি জেনারেলবৃন্দের তালিকা
| ক্রম | সভাপতি[৩৭] | সেক্রেটারি জেনারেল | দায়িত্ব গ্রহণ | দায়িত্ব সমাপ্তি |
|---|---|---|---|---|
| ০১ | মীর কাশেম আলী | ড. আব্দুল বারী (প্রথম সেশন)
মুহাম্মদ কামারুজ্জামান (দ্বিতীয় সেশন) |
ফেব্রুয়ারি ১৯৭৭ | অক্টোবর ১৯৭৮ |
| ০২ | মুহাম্মদ কামারুজ্জামান | মাওলানা আবু তাহের | অক্টোবর ১৯৭৮ | অক্টোবর ১৯৭৯ |
| ০৩ | মাওলানা আবু তাহের | এনামুল হক মঞ্জু | অক্টোবর ১৯৭৯ | অক্টোবর ১৯৮১ |
| ০৪ | মুহাম্মদ এনামুল হক মঞ্জু | আহমদ আব্দুল কাদের বাচ্চু | অক্টোবর ১৯৮১ | জানুয়ারি ১৯৮২ |
| ০৫ | আহমদ আব্দুল কাদের বাচ্চু | ফরিদ আহমদ রেজা | জানুয়ারি ১৯৮২ | মে ১৯৮২ |
| ০৬ | মুহাম্মদ সাইফুল আলম খান মিলন | মোহাম্মদ তাসনিম আলম | মে ১৯৮২ | অক্টোবর ১৯৮৩ |
| ০৭ | মুহাম্মদ তাসনিম আলম | ডা. সৈয়দ আব্দুল্যাহ মোহাম্মদ তাহের | জানুয়ারি ১৯৮৪ | জানুয়ারি ১৯৮৬ |
| ০৮ | ডা. সৈয়দ আব্দুল্যাহ মোহাম্মদ তাহের | শামসুল ইসলাম | জানুয়ারি ১৯৮৬ | জানুয়ারি ১৯৮৮ |
| ০৯ | শামসুল ইসলাম | ড. আমিনুল ইসলাম মুকুল | জানুয়ারি ১৯৮৮ | জানুয়ারি ১৯৯০ |
| ১০ | ডা. আমিনুল ইসলাম মুকুল | ড. আবু জাফর মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ | জানুয়ারি ১৯৯০ | জানুয়ারি ১৯৯২ |
| ১১ | আবু জাফর মোহাম্মদ ওবায়দুল্লাহ | ব্যারিস্টার হামিদুল ইসলাম আযাদ | জানুয়ারি ১৯৯২ | জানুয়ারি ১৯৯৩ |
| ১২ | ব্যারিস্টার হামিদুল ইসলাম আযাদ | রফিকুল ইসলাম খান | জানুয়ারি ১৯৯৩ | জানুয়ারি ১৯৯৪ |
| ১৩ | রফিকুল ইসলাম খান | মুহাম্মদ শাহজাহান | জানুয়ারি ১৯৯৪ | জানুয়ারি ১৯৯৬ |
| ১৪ | মুহাম্মদ শাহজাহান | মঞ্জুরুল ইসলাম ভূইয়া (প্রথম সেশন)
মুহাম্মদ মতিউর রহমান আকন্দ (দ্বিতীয় সেশন) |
জানুয়ারি ১৯৯৬ | জানুয়ারি ১৯৯৮ |
| ১৫ | মুহাম্মদ মতিউর রহমান আকন্দ | আ স ম মামুন শাহীন (প্রথম সেশন) এহসানুল মাহাবুব জুবায়ের (দ্বিতীয় সেশন) | জানুয়ারি ১৯৯৮ | জানুয়ারি ২০০০ |
| ১৬ | এহসানুল মাহবুব জুবায়ের | নুরুল ইসলাম বুলবুল | জানুয়ারি ২০০০ | জানুয়ারি ২০০১ |
| ১৭ | নুরুল ইসলাম বুলবুল | মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম (প্রথম সেশন)
মজিবুর রহমান মঞ্জু (দ্বিতীয় সেশন) |
জানুয়ারি ২০০১ | জানুয়ারি ২০০৩ |
| ১৮ | মজিবুর রহমান মঞ্জু [৩৮] | মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন | জানুয়ারি ২০০৩ | জানুয়ারি ২০০৪ |
| ১৯ | মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন | ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ | জানুয়ারি ২০০৪ | জানুয়ারি ২০০৬ |
| ২০ | ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ[৩৯] | মো.জাহিদুর রহমান | জানুয়ারি ২০০৬ | জানুয়ারি ২০০৮ |
| ২১ | মো. জাহিদুর রহমান | ড. রেজাউল করিম | জানুয়ারি ২০০৮ | জানুয়ারি ২০০৯ |
| ২২ | ড. মুহাম্মাদ রেজাউল করিম | এডভোকেট শিশির মনির (প্রথম সেশন)
ডা. ফখরুদ্দীন মানিক (দ্বিতীয় সেশন) |
জানুয়ারি ২০০৯ | জানুয়ারি ২০১১ |
| ২৩ | ডা. ফখরুদ্দীন মানিক | মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন | জানুয়ারি ২০১১ | জানুয়ারি ২০১২ |
| ২৪ | মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন | মোহাম্মদ আবদুল জব্বার | জানুয়ারি ২০১২ | জানুয়ারি ২০১৪ |
| ২৫ | মোহাম্মাদ আব্দুল জাব্বার | আতিকুর রহমান | জানুয়ারি ২০১৪ | ডিসেম্বর ২০১৫ |
| ২৬ | আতিকুর রহমান | ইয়াছিন আরাফাত | ডিসেম্বর ২০১৫ | ডিসেম্বর ২০১৬ |
| ২৭ | ইয়াছিন আরাফাত | ড. মোবারক হোসাইন | ডিসেম্বর ২০১৬ | জানুয়ারি ২০১৯ |
| ২৮ | ড. মোবারক হোসাইন | সিরাজুল ইসলাম | জানুয়ারি ২০১৯ | ডিসেম্বর ২০১৯ |
| ২৯ | সিরাজুল ইসলাম | সালাহউদ্দীন আইউবী | ডিসেম্বর ২০১৯ | ডিসেম্বর ২০২০ |
| ৩০ | সালাহউদ্দিন আইউবী | হাফেজ রাশেদুল ইসলাম | ডিসেম্বর ২০২০ | ডিসেম্বর ২০২১ |
| ৩১ | হাফেজ রাশেদুল ইসলাম | রাজিবুর রহমান পলাশ | ডিসেম্বর ২০২১ | ডিসেম্বর ২০২২ |
| ৩২ | রাজিবুর রহমান পলাশ | মঞ্জুরুল ইসলাম | ডিসেম্বর ২০২২ | ডিসেম্বর ২০২৩ |
| ৩৩ | মঞ্জুরুল ইসলাম | জাহিদুল ইসলাম | ডিসেম্বর ২০২৩ | ডিসেম্বর ২০২৪ |
| ৩৪ | জাহিদুল ইসলাম | নুরুল ইসলাম সাদ্দাম | ডিসেম্বর ২০২৪ | ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ |
| ৩৫ | নুরুল ইসলাম সাদ্দাম[৪০] | সিবগাতুল্লাহ সিবগাহ[৪০] | ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫ | বর্তমান |
তহবিল
শিবির সদস্যরা তাদের সংগঠন পরিচালনার অর্থ তাদের কর্মী, সাথী, সদস্য ও শুভাকাঙ্খীদের নিকট থেকে মাসিকভাবে আদায় করে থাকে। তাদের সাংগঠনিক প্রকাশনীর মুনাফা ও শরিয়াত অনুমোদিত অন্যান্য খাত হলো বায়তুলমালের অন্যতম আয়ের উৎস।[৪১][৪২][৪৩] তবে শরিয়াত অনুমোদিত অন্যান্য খাতের অর্থের হিসাব আলাদা রেখে শরিয়ত নির্ধারিত পন্থায় ব্যয় করা হয়।[৪৪][৪৫]
বিতর্ক
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
১৯৭১ সালে, ছাত্রশিবিরের পূর্বসূরি, ইসলামী ছাত্র সংঘের,[৪৬] সদস্যদের বিরুদ্ধে আল-বদর গঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার এবং ১৯৭১ সালের হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। জামায়াতের কিছু সদস্য আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত ও মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছিল।[৪৭][৪৮][৪৯][৫০][৫১]
রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত আক্রমণ
এই ছাত্র সংগঠনটি অন্যান্য ছাত্র সংগঠনের সাথে সহিংস সংঘর্ষে জড়িত ছিল,[৪২][৫২] এবং বিভিন্ন উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডের সাথে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে।[৫৩] এই দলটি বাংলাদেশ এবং আন্তর্জাতিকভাবে বেশ কিছু বড় ইসলামী সংগঠনের সাথে যুক্ত।[৫৩] শিবির কর্মীদের বিরুদ্ধে বিরোধী রাজনৈতিক সংগঠনের লোকদের রগ কাটার অভিযোগ রয়েছে।[৫৪][৫৫][৫৬][৫৭] যদিও ছাত্রশিবিরের রগ কাটার বিষয়ে কোনো তথ্য-প্রমাণ নেই বলে দাবি করেন ছাত্রশিবির নেতৃবৃন্দ।[৫৮]
সশস্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত
ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালে, যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিরক্ষা গবেষণা সংস্থা আইএইচএস জেন'স "আইএইচএস জেন'স ২০১৩ গ্লোবাল টেররিজম অ্যান্ড ইনসার্জেন্সি অ্যাটাক ইনডেক্স" শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে, যেখানে ছাত্রশিবির ২০১৩ সালে সবচেয়ে সক্রিয় অ-রাষ্ট্রীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীর তালিকায় তৃতীয় স্থানে ছিল।[৫৯]
ছাত্রশিবির প্রতিবেদনটির ফলাফলের বিরুদ্ধে নিন্দা জানিয়ে প্রতিবাদ করে। তারা নিজেদেরকে একটি অসশস্ত্র সংগঠন হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিবেদনটির উৎস নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং ছাত্রশিবির বলেছিল: "তারা প্রতিবেদনটিতে কোনো একটি ঘটনাও উল্লেখ করেনি, যা আমাদের সশস্ত্র আক্রমণে জড়িত থাকার প্রমাণ দিতে পারে।"[৬০]
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটাক্ষ
২০২৪ সালের ডিসেম্বরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের মাসিক ম্যাগাজিন ‘ছাত্র সংবাদ’-এর এক প্রবন্ধে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটাক্ষ করা হয়। প্রবন্ধে বলা হয় ‘সে সময়ে অনেক মুসলিম না বুঝে মুক্তিযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছিল, এটা তাদের ব্যর্থতা ও অদূরদর্শিতা ছিল। আল্লাহ তাদের ক্ষমা করুন।’[৬১] এটি নিয়ে পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিতর্ক ওঠে। বিতর্কের প্রেক্ষিতে ছাত্রসংবাদ দুঃখ প্রকাশ করে ও এটিকে ‘লেখকের দায়’ আখ্যা দিয়ে অনলাইন ও প্রিন্ট কপি প্রত্যাহার করে নেয়।[৬২] প্রবন্ধের লেখক আহমেদ আফগানী জানান, গবেষণার ভিত্তিতে তিনি সঠিক লিখেছেন। লেখা প্রত্যাহার নিয়ে ভাবছেন না।[৬২]
অন্যান্য
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফেসবুকে স্ট্যাটাসকে কেন্দ্র করে ছাত্র শিবিরের বিরুদ্ধে সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে এক শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতন ও পায়ের রগ কেটে দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে। হামলায় শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।[৬৩][৬৪][৬৫][৬৬] এ ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘোষণা করে[৬৭][৬৮] এবং স্থানীয় জামায়াত হামলায় ছাত্রশিবিরের কিছু কর্মীর জড়িত থাকার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে।[৬৯] তবে, ছাত্রশিবির অভিযোগ অস্বীকার করে[৭০] এবং জামায়াতের বক্তব্যের নিন্দা জানায়।[৭১]
গুমের শিকার
১৯৮২ সালের মার্চ মাসে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির ও বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলোর মধ্যে সংঘর্ষে চারজন শিবির সদস্য নিহত হন।[৭২] ২০১২ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি রাত ১টার দিকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আল ফিকহ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আল-মুকাদ্দাস (২২) এবং দাওয়াহ ও ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্স প্রার্থী মুহাম্মাদ ওয়ালিউল্লাহ (২৩) কে নিজেদের র্যাব-৪ ও ডিবি পুলিশের সদস্য হিসেবে পরিচয় দিয়ে ঢাকার সাভার থেকে গ্রেফতার করে এবং পরবর্তীতে তারা গুম হন বলে অভিযোগ রয়েছে।[৭৩][৭৪][৭৫] তারা উভয়ই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের সদস্য ছিলেন[৭৬] এবং ৪ ফেব্রুয়ারি তাদের র্যাব ও ডিবি পুলিশের সদস্যদের দ্বারা আটক করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করা হয়। তাদের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি এবং তাদের অবস্থান সম্পর্কেও কিছু জানা যায়নি। র্যাব এক বিবৃতিতে এই দুই ব্যক্তিকে আটক করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে। তবে বিভিন্ন সূত্রের রিপোর্ট ও তৎকালীন সময়ে র্যাব কর্তৃক সংঘটিত গুমের ঘটনার প্রবণতা, এক্ষেত্রে র্যাবের এই অস্বীকৃতির উপর সন্দেহের সৃষ্টি করে।[৭৭][৭৮][৭৯] অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠন এই ইস্যুতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে এবং জরুরি পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।[৮০] ২০১৩ সালের ৫ এপ্রিল রাত ২টা ২৫ মিনিটে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৫ এর সদস্যরা চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঙ্গারিয়াপাড়া গ্রামের মুহাম্মাদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং মুসাম্মাত নুরজাহান বেগমকে রাজশাহী জেলার রাজপাড়া থানার অন্তর্গত বিল-শিমলা মহল্লার ১৭৫ নং বাড়ি থেকে আটক করেন। পরে, পরিবারের সদস্যরা র্যাব-৫ এর অফিসে যোগাযোগ করলে র্যাব জানায় যে আনোয়ারুলকে তাদের দ্বারা আটক করা হয়নি। আনোয়ারুলের পরিবারের সদস্যরা র্যাবের সদস্যদের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ আনেন। তদন্তে জানা যায়, আনোয়ারুল রাজশাহী কলেজের গণিত বিভাগের শেষ বর্ষের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন। তাছাড়া, তিনি রাজশাহী জেলার বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরের দপ্তর সম্পাদক ছিলেন।[৮১]
২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর ছাত্রশিবিরের ছয় নেতাকর্মীর গুমের অভিযোগে তাদের পরিবারের সদস্যরা র্যাব ও ডিবির বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে উল্লেখিত শিবির নেতারা হলেন শাহ মো: ওয়ালীউল্লাহ, মো: মোকাদ্দেস আলী, হাফেজ জাকির হোসেন, জয়নাল আবেদীন, রেজোয়ান হুসাইন এবং মু. কামরুজ্জামান। শিবিরের আইন বিষয়ক সহ-সম্পাদক আমানুল্লাহ আল জিহাদী জানান, পরিবারের সদস্যরা ৬ আগস্ট র্যাব সদর দপ্তরে গুম হওয়া নেতাদের সন্ধান চেয়েছিলেন, কিন্তু এখনও কোনো তথ্য পাননি।[৮২][৮৩]
দমন-পীড়ন
২০১০ সাল থেকে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে একাধিকবার দমন-পীড়ন পরিচালিত হয়েছে।[৮৪] পূর্ববর্তী আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার বলেছিল, জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং পুলিশের উপর হামলা বন্ধ করা জরুরি, কিন্তু অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এটিকে রাজনৈতিক দমন-পীড়ন হিসেবে দেখেছে।[৮৫] ২০১০ সাল থেকে, ছাত্রাবাসে এলোপাতাড়ি তল্লাশি চালিয়ে সেখানে থাকা শিবির সমর্থকদের আটক করা হয়। ২০১০ সালে, সরকারি সংস্থাগুলোকে বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিবিরের উপস্থিতি শনাক্ত করতে এবং তাদের প্রভাব দূর করতে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম পরিচালনার নির্দেশ দেয়।[৮৬] এ সময় গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে সাধারণ শিবির সদস্য এবং হামলায় জড়িত সন্দেহভাজনদের পৃথক করার কোনো চেষ্টা করা হয়নি, এবং তাদের আইনি পরামর্শ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল[৮৫] ৪ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে বাংলাদেশ পুলিশ চট্টগ্রাম শহরে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সদর দপ্তরে অভিযান চালায় এবং পরে ৯০ জন শিবির সদস্যের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক উদ্ধারের মামলাও দায়ের করে।[৮৭] এটি সাম্প্রতিক সময়ে শিবিরের বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় দমন-পীড়ন ছিল। যদিও সংগঠনটি ঘটনার সাথে নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করে এবং মামলার বিরুদ্ধে জোরালো প্রতিবাদ জানায়।[৮৮]
আরও দেখুন
তথ্যসূত্র
- ↑ "শিবিরের কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন, পদ পেলেন যারা"। Jugantor। সংগ্রহের তারিখ ২৬ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ Osella, Filippo; Osella, Caroline (১৬ মে ২০১৩)। Islamic Reform in South Asia (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। আইএসবিএন ৯৭৮১১০৭০৩১৭৫৩।
- ↑ "বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের গৌরবোজ্জল ইতিহাস'"। www.shibiriu.org। ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬।
- ↑ "২৮ দিনের মাথায় উঠে গেল জামায়াত-শিবিরের নিষেধাজ্ঞা"। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- 1 2 উদিসা ইসলাম (১৭ ডিসেম্বর ২০১৫)। "এই শিবিরই সেই ছাত্রসংঘ"। বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "মুজাহিদ: আল বদর থেকে জামায়াত"। BBC News বাংলা। ১৭ জুলাই ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "নিজামীর বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগ"। BBC News বাংলা। ২৮ মে ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "মুহাম্মদ কামারুজ্জামান: একাত্তরের কর্মকাণ্ডেই যার পরিচিতি"। BBC News বাংলা। ৮ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২৮ অক্টোবর ২০২৫।
- ↑ "শহীদ মীর কাসেম আলীঃ এক স্বপ্নদ্রষ্টার প্রতিচ্ছবি"।
- ↑ "কে এই মীর কাসেম"।
- ↑ "Shibir was reborn at DU mosque in 1977"। thedailystar.net।
- ↑ "আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ৫৩ আসামীর বিরুদ্ধে ইসলামী ছাত্র শিবিরের মামলা"। voabangla.com। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০২৫।
- ↑ "আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ছাত্রশিবিরের আরও ৭ নেতাকর্মীর অভিযোগ"। kalbela.com। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০২৫।
- ↑ "সাড়ে ১৬ বছরে জামায়াতের শীর্ষ ১১ ও শিবিরের ৫০০ নেতাকর্মীকে হত্যা"। জাগো নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০২৫।
- ↑ "রংপুরে ১২ বছর পর দলীয় কার্যালয়ে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা"। dhakapost.com। সংগ্রহের তারিখ ৬ মে ২০২৫।
- ↑ "শিবিরের ঢাবি শাখার সেক্রেটারির পদ ছিল ছাত্রলীগেও"। The Daily Ittefaq। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "ছাত্রলীগ পরিচয়ে নির্যাতনের অংশীদার হতেন 'ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা'"। rtvonline.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "'নিজেদের ছাত্রলীগ প্রমাণ করতে নির্যাতন করতেন শিবিরের নেতা-কর্মীরা', দিলেন অনেকের পরিচয়"। The Daily Ittefaq। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (৩১ ডিসেম্বর ২০২৪)। "জুলাই অভ্যুত্থানে সহযোদ্ধার ভূমিকায় ছিল ছাত্রশিবির: সারজিস আলম"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "২৮ পদের ২৩টিতেই ছাত্রশিবিরের জয়"। Jugantor। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ আহমেদ, বায়েজিদ। "ছাত্রশিবিরের অভাবনীয় জয় যেসব কারণে"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "জামায়াতে ইসলামী: ব্রিটিশ ভারত থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ, জামায়াতের নিষিদ্ধ হওয়ার ইতিহাস"। বিবিসি বাংলা। ১ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "জামায়াতে ইসলামী: ব্রিটিশ ভারত থেকে স্বাধীন বাংলাদেশ, জামায়াতের নিষিদ্ধ হওয়ার ইতিহাস"। বিবিসি বাংলা। ১ আগস্ট ২০২৪। ৪ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "জামায়াত ইসলামী: স্বাধীনতা যুদ্ধে বিরোধীতাকারী দলটি বাংলাদেশের রাজনীতিতে যেভাবে প্রতিষ্ঠিত হলো"। বিবিসি বাংলা। ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "About"। Shibir.org.bd। ২৯ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ "১১ মার্চ শিবিরের শহীদ দিবস: যা ঘটেছিলো এই দিনে"। Analysis BD। ১১ মার্চ ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
- 1 2 "ছাত্রশিবির হঠাৎ প্রকাশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে , 'অস্বস্তিতে' বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন"। বিবিসি বাংলা। ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪। ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ প্রতিনিধি (৩০ অক্টোবর ২০২৪)। "জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও প্রকাশ্যে ইসলামী ছাত্রশিবির"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২৭ জুলাই ২০১৯)। "ফারুক হত্যা মামলায় সাঈদীসহ ১০৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন"। দৈনিক প্রথম আলো। ২ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবির নিষিদ্ধ – DW – 11.02.2010"। dw.com। ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ↑ প্রতিবেদক, বিশেষ (১ আগস্ট ২০২৪)। "অবশেষে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করল সরকার"। Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের আদেশ প্রত্যাহার"। মানবজমিন। ২৮ আগস্ট ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০২৪।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক) - ↑ "জামায়াত নিষিদ্ধের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে প্রজ্ঞাপন"। দ্য ডেইলি স্টার Bangla। ২৮ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "২৮ পদের ২৩টিতেই ছাত্রশিবিরের জয়"। Jugantor। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ আহমেদ, বায়েজিদ। "ছাত্রশিবিরের অভাবনীয় জয় যেসব কারণে"। প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "ছাত্র সংসদ নির্বাচন: ডাকসু থেকে জকসু, পাঁচটি বিশ্ববিদ্যালয়েই শিবির প্রার্থীদের জয়ের কারণ কী?"। BBC News বাংলা। ৮ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেল"। shibir.org.bd। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ http://www.abparty.org/ ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ১৮ এপ্রিল ২০২১ তারিখে জন আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গঠনে নবগঠিত দল আমার বাংলাদেশ পার্টির প্রধান আহ্বায়ক
- ↑ "শিবিরের সাবেক সভাপতি ড.শফিকুল ইসলাম মাসুদ আবারও আটক"। www.campustimes.press। ২০ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪।
- 1 2 আমার দেশ। "শিবিরের নতুন সভাপতি সাদ্দাম, সাধারণ সম্পাদক সিবগাতুল্লাহ"। আমার দেশ। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ডিসেম্বর ২০২৫।
- ↑ Mahmud, Tarek (১৩ সেপ্টেম্বর ২০১১)। "Shibir collects tolls from the hostel residents in 2 Ctg colleges"। New Age। Dhaka। ৬ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩।
- 1 2 Ali, Anwar (৩ মার্চ ২০১০)। "Shibir rented out RU hall seats"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৪ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ ধারা ৩৬। "সংবিধান"। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। ৪ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ "About | Bangladesh Islami Chhatrashibir"। bangla.shibir.org.bd। ১৫ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জুলাই ২০২১।
- ↑ ইসলামী ছাত্রশিবির, বাংলাদেশ (২০২৪)। সংবিধান। ঢাকা: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির পাবলিকেশন।
- ↑ "Islami Chhatra Shibir"। Terrorism Research & Analysis Consortium। ১৪ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ Habib, Haroon (১৭ জুলাই ২০১৩)। "Jamaat secretary-general gets death penalty for war crimes"। The Hindu। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Kamaruzzaman led Razakar, Al-Badr and Al-Shams: witness"। New Age (Bangladesh)। Dhaka। ২৭ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ Adhikary, Tuhin Shubhra (১০ মে ২০১৩)। "Key man of Al-Badr"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৬ জুন ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Mirpur butcher Molla must die, says SC"। bdnews24.com। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৩। ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ "Mojaheed indicted for genocide, crimes against humanity"। New Age (Bangladesh)। ১৭ অক্টোবর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭।
- ↑ "Islami Chhatra Shibir"। Priyo News। ২৯ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জানুয়ারি ২০১৩।
- 1 2 "Terrorist Organization Profile: Islami Chhatra Shibir (ICS)"। National Consortium for the Study of Terrorism and Responses to Terrorism। ২৭ জুলাই ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০১৩।
- ↑ "Shibir 'cuts' BCL leader's tendon"। bdnews24.com। ৩১ অক্টোবর ২০১৩। ৩ নভেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ "Shibir men cut Rajshahi BCL leader's tendon"। দ্য ডেইলি স্টার। ১৮ ডিসেম্বর ২০১৩। ১৯ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ "Shibir cadres cut tendons of RU BCL leader"। ঢাকা ট্রিবিউন। ২৩ আগস্ট ২০১৩। ১৫ অক্টোবর ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ "RU BCL activist's foot chopped off"। bdnews24.com। ২৯ এপ্রিল ২০১৪। ২৯ এপ্রিল ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৪।
The Jamaat-Shibir activists are known to cut tendons of their rivals.
- ↑ "রগ কাটার সব অপরাধ ছাত্রলীগের, শিবিরের নামে নথি নেই: ফরহাদ"। Banglanews24.com। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ Zaman, Sheikh Shahariar (২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪)। "Shibir a top non-state armed group: IHS Jane's"। ঢাকা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ১৮ এপ্রিল ২০১৪।
- ↑ "Shibir protests IHS ranking"। ঢাকা ট্রিবিউন। ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৪।
- ↑ "মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক, ছাত্রসংবাদের অনলাইন ও প্রিন্ট কপি প্রত্যাহার"। একাত্তর টিভি। ২৯ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- 1 2 "ছাত্রশিবিরের প্রকাশনায় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটাক্ষ"। দৈনিক সমকাল। ২৯ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ "ফেসবুক কমেন্টের জেরে শিবির কর্মীরা আমাকে মারধর করেছে"। thedailycampus.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "শিক্ষার্থীকে রাতভর নির্যাতন শিবিরের"। Jugantor। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "এমসি কলেজের শিক্ষার্থীকে নির্যাতনের অভিযোগ শিবিরের বিরুদ্ধে"। মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "ফেসবুকে কমেন্টের জেরে সিলেটে শিবিরের হামলার শিকার জুলাই বিপ্লবের কর্মী রিয়াদ"। দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ Mishuk; Television, Jamuna (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)। "শিক্ষার্থীর ওপর শিবিরের হামলায় বৈষম্যবিরোধীদের কর্মসূচি"। Jamuna Television (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)। "এমসি কলেজে শিবিরের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে পেটানোর অভিযোগ"। dhakapost.com। সংগ্রহের তারিখ ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ Channel24। "এমসি কলেজের শিক্ষার্থীর ওপর হামলা, শিবিরকে দায়ী করে জামায়াতের দুঃখ প্রকাশ"। Channel 24 (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ "এমসি কলেজের ঘটনায় শিবিরের বিবৃতি"। আরটিভি। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "এমসি কলেজের ঘটনা নিয়ে জামায়াতের বক্তব্যের নিন্দা ছাত্রশিবিরের"। বাংলা নিউজ ২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫।
- ↑ "Rajshahi Univ: A death trap?"। BDNews24 (ইংরেজি ভাষায়)। ৩ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "Two persons were disappeared after being arrested at Savar allegedly by RAB and DB Police"। Odhikar (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২৮ জুলাই ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ "Bangladesh: Enforced disappearance of Messrs. Al Mukaddas and Mohammad Waliullah" (ইংরেজি ভাষায়)। ২৩ মে ২০১২। ৫ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "Two 'missing' IU students still untraced"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ "Students still missing after one and a half years since arrest"। Progress Bangladesh (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "PM's intervention sought to find out two missing IU students"। The Daily Observer (Bangladesh)। ৭ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ "PM's intervention sought as two IU students remain missing for 5 years"। The New Nation (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ "2 missing after being 'picked up' by Rab"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১২। ৭ আগস্ট ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "Urgent Action Authorities Told to Respond About Detainees" (পিডিএফ)। Amnesty International। ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১২। ১ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ আগস্ট ২০২০।
- ↑ ""Odhikar - Arrest and enforced disappearance of Mohammad Anwarul Islam by Rapid Action Battalion (RAB) members""। odhikar.org (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১০ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ আগস্ট ২০১৭।
- ↑ "ছাত্রশিবিরের ৬ কর্মী 'গুম', ট্রাইব্যুনালে র্যাব-ডিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ"। বিডিনিউজ২৪। ২৩ অক্টোবর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "শিবিরের ৬ কর্মী গুম: ট্রাইব্যুনালে র্যাব-ডিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ"। জাগো নিউজ ২৪। ২৩ অক্টোবর ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ Islam, Md Saidul (মার্চ ২০১১)। "'Minority Islam' in Muslim Majority Bangladesh"। Journal of Muslim Minority Affairs। ৩১ (1): ১৩৩–১৩৪। ডিওআই:10.1080/13602004.2011.556893। আইএসএসএন 1360-2004। ২৩ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৬।
- 1 2 "Bangladesh: politically motivated arbitrary arrests hamper impartial investigation of campus violence" (পিডিএফ)। Amnesty International। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১০। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৭।
- ↑ "Bangladesh Cracks Down on Islami Chhatra Shibir"। VOA। ৫ মে ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০১৯।
- ↑ "Case filed against 90 Chittagong Shibir men over explosives recovery"। ঢাকা ট্রিবিউন। ৪ নভেম্বর ২০১৮। ২২ মার্চ ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৯।
- ↑ isteharbd (৩ নভেম্বর ২০১৮), Latest Update of Police Attack at Shibir Office in Chittagong বিস্ফোরণ এর ব্যাপারে শিবিরের বক্তব্য, ৫ মার্চ ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ২২ মার্চ ২০১৯