উজবেকিস্তান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

স্থানাঙ্ক: ৪১° উত্তর ৬৬° পূর্ব / ৪১° উত্তর ৬৬° পূর্ব / 41; 66

উজবেকিস্তান প্রজাতন্ত্র
O‘zbekiston Respublikasi
উয্‌বেকিস্তন্‌ রেস্পুব্লিকাসি
পতাকা রাষ্ট্রীয় প্রতীক[১]
জাতীয় সঙ্গীত: National Anthem of the Republic of Uzbekistan
রাজধানী
এবং বৃহত্তম নগরী
তাশখন্দ
৪১°১৬′ উত্তর ৬৯°১৩′ পূর্ব / ৪১.২৬৭° উত্তর ৬৯.২১৭° পূর্ব / 41.267; 69.217
রাষ্ট্রীয় ভাষাসমূহ উজবেকরুশ
আন্তঃ জাতিগত ভাষা রুশ[২][৩][৪][৫]
জাতীয়তাসূচক বিশেষণ উজবেকিস্তানী[৬]
সরকার প্রজাতন্ত্র
 •  রাষ্ট্রপতি (ভারপ্রাপ্ত) নিগামাতিলা আলদাশেভ
 •  প্রধানমন্ত্রী শ্যাভক্যাত মিরজিয়য়েভ
Independence সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে
 •  Formation 17471 
 •  Declared September 1 1991 
 •  Recognized December 8 1991 
 •  Completed December 25 1991 
আয়তন
 •  মোট ৪,৪৭,৪০০ কিমি (56th)
১,৭২,৭৪২ বর্গ মাইল
 •  পানি (%) 4.9
জনসংখ্যা
 •  ২০১৭ আনুমানিক 32,979,000[৭][৮] (৪২তম)
 •  ঘনত্ব ৭০.৫/কিমি (১৩২তম)
./বর্গ মাইল
মোট দেশজ উৎপাদন
(ক্রয়ক্ষমতা সমতা)
২০১৭ আনুমানিক
 •  মোট $২২২.৭৯২ বিলিয়ন[৯] (৬২)
 •  মাথা পিছু $৭,০২৩[৯] (১২৫তম)
মোট দেশজ উৎপাদন (নামমাত্র) ২০১৭ আনুমানিক
 •  মোট $৬৮.৩২৪ বিলিয়ন[৯] (৬৯ তম)
 •  মাথা পিছু $২,১৫৪[৯] (১৩০ তম)
জিনি সহগ (২০০৩)negative increase 36.8
মাধ্যম · ৯৫তম
মানব উন্নয়ন সূচক (2015)বৃদ্ধি 0.701[১০]
উচ্চ · ১০৫তম
মুদ্রা Uzbekistani soʻm (UZS)
সময় অঞ্চল UZT (ইউটিসি+৫)
 •  গ্রীষ্মকালীন (ডিএসটি) not observed (ইউটিসি+৫)
গাড়ী চালনার দিক right
কলিং কোড +৯৯৮
ইন্টারনেট টিএলডি .uz
ক. Official Uzbek statistics.[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
খ. As the Emirate of Bukhara, Kokand Khanate, and Khwarezm.
UN-Uzbekistan.svg

উজবেকিস্তান (উজবেক ভাষায় O‘zbekiston উয্‌বেকিস্তন্‌) মধ্য এশিয়ার একটি প্রজাতন্ত্র। এর পশ্চিম ও উত্তরে কাজাকিস্তান, পূর্বে কিরগিজস্তান, দক্ষিণ-পূর্বে তাজিকিস্তান, এবং দক্ষিণে আফগানিস্তানতুর্কমেনিস্তান। উজবেকিস্তানের পশ্চিম অংশে দেশটির প্রায় ৩৭% এলাকা নিয়ে স্বায়ত্বশাসিত কোরাকালপোগ প্রজাতন্ত্র অবস্থিত। উজবেকিস্তানের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত তাশখন্দ দেশটির রাজধানী শহর এবং শিল্প ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। উজবেকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণ উজবেক জাতির লোক। উজবেক ভাষা এখানকার রাষ্ট্রীয় ভাষা।

এই ভূমিতেই জন্ম হয়েছিলো দ্বিগ্বিজয়ী তৈমুর লঙ্গের

১৯২৪ থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত উজবেকিস্তান সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীন উজবেক সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র নামে পরিচিত ছিল। ১৯৯১ সালে এটি স্বাধীনতা লাভ করে। ১৯৯২ সালে সংবিধান সংশোধন করে এটিকে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ও গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়। কিন্তু তা স্বত্ত্বেও সোভিয়েত আমলে প্রচলিত কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণের বিভিন্ন রূপ আজও দেশটির আর্থ-রাজনৈতিক কাঠামোয় রয়ে গেছে। যদিও সংবিধানে বহুদলীয় ব্যবস্থার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, দেশটির সাবেক রাষ্ট্রপতি ইসলম ক্যারিমভ (উজবেকে Islom Karimov ইস্‌লম্‌ ক্যারিমভ়্‌) এক ধরনের স্বৈরশাসনের প্রবর্তন করেছেন, যাতে বিরোধী মতের প্রতি সহনশীলতা প্রদর্শিত হয় না। করিমভ বাজার সংস্কারের ব্যাপারেও ধীরে চলো নীতি গ্রহণ করেছেন। ফলে এখনও অর্থনীতির অনেক ক্ষেত্রে সরকারের শক্ত নিয়ন্ত্রণ আছে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

জারশাসিত উজবেকিস্তান[সম্পাদনা]

রুশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে বর্তমান উজবেকিস্তান বুখারা আমিরাত, খিভা খানাত এবং কোকান্দ খানাতের মধ্যে বিভক্ত ছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে উজবেকিস্তান রুশ সাম্রাজ্যের অন্তর্গত হয়। এসময় প্রচুরসংখ্যক রুশ এ অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে। ১৯১২ সালের হিসাব অণুযায়ী, জারশাসিত উজবেকিস্তানে বসবাসকারী রুশদের সংখ্যা ছিল ২,১০,৩০৬ জন।[১১] প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে রুশ কর্তৃপক্ষ উজবেকিস্তানসহ কেন্দ্রীয় এশিয়া থেকে সৈন্য সংগ্রহ করার প্রচেষ্টা চালালে এ অঞ্চলব্যাপী বিদ্রোহ দেখা দেয়। ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় জারতন্ত্রের পতন ঘটে এবং রাশিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এমতাবস্থায় রুশ সরকার উজবেকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।

সোভিয়েত উজবেকিস্তান[সম্পাদনা]

১৯২০ সালের মধ্যে কেন্দ্রীয় এশিয়ায় রুশ কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়, এবং কিছু প্রতিরোধ সত্ত্বেও উজবেকিস্তানসহ সমগ্র মধ্য এশিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯২৪ সালের ২৭ অক্টোবর উজবেক সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে হিটলারের নেতৃত্বাধীন জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করলে ১৪,৩৩,২৩০ জন উজবেক সৈন্য সোভিয়েত রেড আর্মির পক্ষে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেয়। ২,৬৩,০০৫ জন উজবেক সৈন্য যুদ্ধ চলাকালে নিহত হন এবং ৩২,৬৭০ জন নিখোঁজ হন।[১২]

স্বাধীনতা[সম্পাদনা]

১৯৯১ সালের ৩১ আগস্ট সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনকালে উজবেকিস্তান স্বাধীনতা ঘোষণা করে। ১ সেপ্টেম্বরকে উজবেকিস্তানের জাতীয় স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করা হয়।

রাজনীতি[সম্পাদনা]

উজবেকিস্তানের রাজনীতি একটি রাষ্ট্রপতিশাসিত প্রজাতন্ত্র কাঠামোয় সংঘটিত হয়। রাষ্ট্রপতি হলেন একাধারে রাষ্ট্রের প্রধান ও সরকারপ্রধান। রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা সরকারের উপর ন্যস্ত। আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সরকার এবং দ্বিকাক্ষিক আইনসভা উভয়ের উপর ন্যস্ত। উজবেকিস্তানে সরকারী পদপ্রাপ্তি রাজনৈতিক দলের সদস্যপদ নয়, বরং কে কোন গোত্রের, তার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।

প্রশাসনিক অঞ্চলসমূহ[সম্পাদনা]

ভূগোল[সম্পাদনা]

উজবেকিস্তানের ভূ-সংস্থানিক মানচিত্র

উজবেকিস্তানের ৮০% এলাকা সমতল মরুভূমি। দেশের পূর্বভাগে রয়েছে সুউচ্চ পর্বতমালা যেগুলি ৪,৫০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত উঠে গেছে। উজবেকিস্তানের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত তিয়ান শান পর্বতমালার পশ্চিম পাদদেশ নিয়ে গঠিত। উজবেকিস্তানের উত্তরের নিম্নভূমি কিজিল কুম নামের এক বিশাল মরুভূমি, যা দক্ষিণ কাজাকিস্তানেও প্রসারিত হয়েছে। ফের্গানা উপত্যকা উজবেকিস্তানের সবচেয়ে উর্বর অঞ্চল; এটি কিজিল কুম মরুভূমির ঠিক পূর্বে অবস্থিত এবং উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমে পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত। সির দরিয়া নদী এই অঞ্চলটিকে কিজিল কুম মরুভূমি থেকে পৃথক করেছে। আমু দরিয়া অপর গুরুত্বপূর্ণ নদী।

উজবেকিস্তানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। ১৯৬৬ সালে এমনই এক ভূমিকম্পে রাজধানী তাশখন্দের বেশির ভাগ অংশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

বুখারার বিবি খৈয়ম মসজিদের গম্বুজ

উজবেকিস্তান প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সভ্যতাকে সংযুক্তকারী বিখ্যাত রেশম পথের উপর অবস্থিত। উজবেকিস্তানের জাদুঘরগুলোতে প্রায় ২০ লক্ষের মত প্রত্নবস্তু রয়েছে, যেগুলি মধ্য এশিয়ায় প্রায় ৭০০০ বছর ধরে বসবাসকারী বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে। অনেক পর্যটক এই সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্বন্ধে জানার উদ্দেশ্যে উজবেকিস্তান ভ্রমণ করেন। এছাড়াও যারা সক্রিয় পর্যটনে আগ্রহী, তাদের জন্য উজবেকিস্তানের পাহাড়গুলি চড়া এবং তুষারাবৃত পাহাড়গুলিতে স্কি করার সুব্যবস্থা আছে। উজবেকিস্তানের ২য় বৃহত্তম শহর সমরকন্দ রেশম পথের মধ্যস্থলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানকার অধিবাসীরা মূলত তাজিক। ৩২৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহান আলেকজান্ডার এটি বিজয় করেন। সমরকন্দের প্রধান আকর্ষণ রেগিস্তান নামের এলাকা, যার চারপাশ ঘিরে আছে অনেকগুলি প্রাচীন মাদ্রাসা। এছাড়াও এখানে অনেক বিখ্যাত মসজিদ ও স্মৃতিস্তম্ভ আছে।

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

উজবেকিস্তানের প্রধান ভাষা হল উজবেক ভাষা (উত্তর উপভাষাটি)। এতে উজবেকিস্তানের প্রায় তিন-চতুর্থাংশ লোক কথা বলেন। প্রায় ১৪% লোক রুশ ভাষায় এবং প্রায় ৪% লোক তাজিকি ভাষায় কথা বলেন। এছাড়া পার্শ্ববর্তী দেশগুলিতে থেকে আগত অনেকগুলি ভাষা, যেমন তুর্কমেন, কাজাককিরঘিজ ভাষা এখানে প্রচলিত।

উজবেক ভাষা বিংশ শতাব্দীর শুরুতে আরবি লিপিতে লেখা হত। সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ হবার পর লেনিনের অধীনে এটি লাতিন লিপিতে লেখা শুরু হয়। কিন্তু স্তালিন ক্ষমতা দখলের পর ১৯৪০-এর দশক থেকে এটি সিরিলীয় লিপিতে লেখা হতে থাকে। ১৯৯১ সালে উজবেকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করলে প্রাক্তন সোভিয়েত দেশগুলির থেকে রাষ্ট্রীয় স্বাতন্ত্র্য্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে উজবেক সরকার ১৯৯৩ সালে উজবেক ভাষা সরকারিভাবে আবার লাতিন লিপিতে লেখার আদেশ জারি করে। উজবেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ধাপে ধাপে এই লিপি সংস্কার বাস্তবায়ন করা হয় এবং ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি এই সংস্কার সম্পূর্ণ হবে বলে ধারণা করা হয়। কিন্তু এই লিপি সংস্কার সিরিলীয় লিপিতে অভ্যস্ত বয়স্ক ও প্রবাসী উজবেকদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। তাছাড়া এতে দেশটির নবীন প্রজন্মের সিরিলীয় লিপিতে লেখা ইতিহাস থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার সম্ভাবনা আছে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

উজবেকিস্তান ইউরেনিয়াম উৎপাদনে বৈষয়িকভাবে সপ্তম।[১৩][১৪][১৫]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Constitution of the Republic of Uzbekistan"। ksu.uz। ২৭ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৫ 
  2. Юрий Подпоренко (২০০১)। "Бесправен, но востребован. Русский язык в Узбекистане"। Дружба Народов। ১৩ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১৬ 
  3. Шухрат Хуррамов (১১ সেপ্টেম্বর ২০১৫)। "Почему русский язык нужен узбекам?"। 365info.kz। ১ জুলাই ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১৬ 
  4. Евгений Абдуллаев (২০০৯)। "Русский язык: жизнь после смерти. Язык, политика и общество в современном Узбекистане"। Неприкосновенный запас। ২৩ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১৬ 
  5. А. Е. Пьянов। "СТАТУС РУССКОГО ЯЗЫКА В СТРАНАХ СНГ"। 2011। ২৮ মে ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৭ মে ২০১৬ 
  6. CIA World Factbook, Uzbekistan
  7. "Население Узбекистана превысило 32 млн человек" (Russian ভাষায়)। Gazeta.uz। ১৬ জানুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০১৭ 
  8. Number of permanent population of Uzbekistan makes up 32.12 million people। Uzdaily.com। ১৯ জানুয়ারি ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জানুয়ারি ২০১৭ 
  9. Uzbekistan. International Monetary Fund
  10. "2016 Human Development Report" (PDF)। United Nations Development Programme। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০১৫ 
  11. Shlapentokh, Vladimir; Sendich, Munir; Payin, Emil (1994) The new Russian diaspora: Russian minorities in the former Soviet republics. p. 108. আইএসবিএন ১-৫৬৩২৪-৩৩৫-০.
  12. Chahryar Adle, Madhavan K.. Palat, Anara Tabyshalieva (2005). "Towards the Contemporary Period: From the Mid-nineteenth to the End of the Twentieth Century". UNESCO. p.232. আইএসবিএন ৯২৩১০৩৯৮৫৭
  13. Supply of Uranium Archived ৯ মে ২০০৮, at the Wayback Machine.. World Nuclear Association. August 2012.
  14. Uranium resources Archived ২২ মে ২০০৮, at the Wayback Machine.. European Nuclear Society
  15. The World Mineral Statistics dataset: 100 years and counting Archived ২০ অক্টোবর ২০১৩, at the Wayback Machine.. British Geological Survey

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]