মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম২২ জানুয়ারী, ১৯৪০
ফেনী জেলা,বাংলাদেশ
মৃত্যু১৮ আগস্ট, ২০১৪
নাগরিকত্ব বাংলাদেশ
জাতীয়তাবাংলাদেশী
রাজনৈতিক দলবিএনপি
যে জন্য পরিচিতরাজনীতিবিদ ও শিল্পপতি
ধর্মমুসলিম

মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন (জন্ম: ২২শে জানুয়ারি ১৯৪০ - ১৮ আগস্ট ২০১৪) একজন বাংলাদেশী ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি এবং রাজনীতিবিদ। তিনি ফেনী-৩ আসন থেকে তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ফেনী জেলার সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ছিলেন।

জন্ম ও শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলায় ২২শে জানুয়ারি, ১৯৪০ সালের মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা এ্যাডভোকেট মরহুম বেলায়েত হোসেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র তিনি। মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ১৯৬০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাণিজ্যে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে তাঁর পদচারণা সপ্তম সংসদ নির্বাচনের আগে। এসময় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৯৭ সাল থেকে দীর্ঘদিন তিনি ফেনী জেলা বিএনপির সভাপতি ও দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। তিনি একটানা তৃতীয় বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। প্রথম বার সপ্তম সংসদে নির্বাচিত হয়ে তিনি জাতীয় সংসদে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন। দ্বিতীয় বার অষ্টম সংসদের নির্বাচিত হয়ে তিনি জাতীয় সংসদের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন এবং তথ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন এবং নবম জাতীয় সংসদের তিনি শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।[১]

ব্যবসায়ীক জীবন[সম্পাদনা]

মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বে-ইর্স্টান লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও কনফিডেন্স বিল্ডার্সের চেয়ারম্যান এবং এমজেড এন্টারপ্রাইজের অংশীদার। তিনি ইসলামী ব্যাংক লিমিটেডের একটানা ২২ বৎসর পর্যন্ত উদ্যোক্তা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

সম্পৃক্ততা[সম্পাদনা]

মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বিভিন্ন ব্যবসায়ী, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

পুরস্কার ও স্বীকৃতি[সম্পাদনা]

জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার কারণে সরকার তাঁকে ১৯৯০ সাল থেকে অদ্যাবধি বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (সিআইপি) এর মর্যাদা প্রদান করে আসছেন।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন ২০১৪ সালের ১৮ আগস্ট সন্ধায় ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]