বিষয়বস্তুতে চলুন

খালেদা জিয়া

পরীক্ষিত
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
বেগম খালেদা জিয়া
২০১০ সালে খালেদা জিয়া
বাংলাদেশের ৯ম প্রধানমন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১০ অক্টোবর ২০০১  ২৯ অক্টোবর ২০০৬
রাষ্ট্রপতিশাহাবুদ্দিন আহমেদ
একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
জমিরুদ্দিন সরকার (ভারপ্রাপ্ত)
ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ
পূর্বসূরীলতিফুর রহমান (প্রধান উপদেষ্টা)
উত্তরসূরীইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ (প্রধান উপদেষ্টা)
কাজের মেয়াদ
২০ মার্চ ১৯৯১  ৩০ মার্চ ১৯৯৬
রাষ্ট্রপতিশাহাবুদ্দিন আহমেদ (অস্থায়ী)
আবদুর রহমান বিশ্বাস
পূর্বসূরীকাজী জাফর আহমেদ
উত্তরসূরীমুহাম্মদ হাবিবুর রহমান (প্রধান উপদেষ্টা)
৭ম সংসদ নেতা
কাজের মেয়াদ
১০ অক্টোবর ২০০১  ২৯ অক্টোবর ২০০৬
পূর্বসূরীশেখ হাসিনা
উত্তরসূরীশেখ হাসিনা
কাজের মেয়াদ
২০ মার্চ ১৯৯১  ৩০ মার্চ ১৯৯৬
পূর্বসূরীকাজী জাফর আহমেদ
উত্তরসূরীশেখ হাসিনা
জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা
কাজের মেয়াদ
২৯ ডিসেম্বর ২০০৮  ৯ জানুয়ারি ২০১৪
পূর্বসূরীশেখ হাসিনা
উত্তরসূরীরওশন এরশাদ
কাজের মেয়াদ
২৩ জুন ১৯৯৬  ১৫ জুলাই ২০০১
পূর্বসূরীশেখ হাসিনা
উত্তরসূরীশেখ হাসিনা
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন
কাজের মেয়াদ
১০ মে ১৯৮৪  ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
পূর্বসূরীআবদুস সাত্তার
উত্তরসূরীতারেক রহমান
জাতীয় সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
২৯ ডিসেম্বর ২০০৮  ৯ জানুয়ারী ২০১৪
পূর্বসূরীসাঈদ ইস্কান্দার
উত্তরসূরীশিরীন আখতার
নির্বাচনী এলাকাফেনী-১
কাজের মেয়াদ
১ অক্টোবর ২০০১  ২৯ অক্টোবর ২০০৬
পূর্বসূরীজাফর ইমাম
নির্বাচনী এলাকাবগুড়া-৬
কাজের মেয়াদ
২০ মার্চ ১৯৯১  ১৫ জুলাই ২০০১
পূর্বসূরীজাফর ইমাম
উত্তরসূরীসাঈদ ইস্কান্দার
নির্বাচনী এলাকাফেনী-১
বাংলাদেশের ফার্স্ট লেডি
কাজের মেয়াদ
২১ এপ্রিল ১৯৭৭  ৩০ মে ১৯৮১
রাষ্ট্রপতিজিয়াউর রহমান
পূর্বসূরীখোদেজা বেগম
উত্তরসূরীবেগম হামিদা চৌধুরী
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মখালেদা খানম
(১৯৪৬-০৮-১৫)১৫ আগস্ট ১৯৪৬[]
জলপাইগুড়ি, বঙ্গ প্রদেশ, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু৩০ ডিসেম্বর ২০২৫(2025-12-30) (বয়স ৭৯)
এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা, বাংলাদেশ
সমাধিস্থলজিয়াউর রহমানের মাজার
জাতীয়তাবাংলাদেশী
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
৭ দলীয় জোট (১৯৮৩–১৯৯৯)
চার দলীয় জোট (১৯৯৯–২০১২)
বিশ দলীয় জোট (২০১২–২০২২)
দাম্পত্য সঙ্গীজিয়াউর রহমান (বি. ১৯৬০; মৃ. ১৯৮১)
সন্তানতারেক রহমান
আরাফাত রহমান
মাতাতৈয়বা মজুমদার
পিতাইস্কান্দার মজুমদার
আত্মীয়স্বজনমজুমদার–জিয়া পরিবার দেখুন
বাসস্থানশহীদ মইনুল রোডের ৬ নম্বর বাড়ি
ফিরোজা, গুলশান, ঢাকা
পুরস্কারস্বাধীনতা পুরস্কার (২০২৬)
স্বাক্ষর
ডাকনামপুতুল

বেগম খালেদা জিয়া[] (১৫ আগস্ট ১৯৪৬ – ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫)[][] ছিলেন একজন বাংলাদেশি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, যিনি ১৯৯১-১৯৯৬ সাল এবং ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং বেনজির ভুট্টোর পর মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী।[][] তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন ও দলনেত্রী ছিলেন, যা তার স্বামী শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কর্তৃক ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

১৯৭৭ সালে তার স্বামী রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ফার্স্ট লেডি হিসেবে জাতীয়ভাবে পরিচিত হন। ১৯৮১ সালে জিয়াউর রহমান হত্যার শিকার হলে খালেদা রাজনীতিতে যোগ দেন এবং বিএনপির নেতৃত্বে আসেন। ১৯৮২ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর, তিনি গণতন্ত্রের জন্য চলমান আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে সাহায্য করেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচনে বিএনপি জয়ী হলে তিনি প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ১৯৯৬-এর স্বল্পস্থায়ী বিতর্কিত সরকারেও তিনি দায়িত্বপালন করেন, যেখানে অধিকাংশ বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো নির্বাচনটি বর্জন করেছিল। পরবর্তীকালে রাজনৈতিক দলগুলোর যুগপৎ আন্দোলনে তিনি ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এবং পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে। ২০০১ সালে তার দল বিএনপি পুনরায় ক্ষমতায় আসে এবং তিনি ২০০৬ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার মেয়াদকালে দুর্নীতির ধারণা সূচক অনুসারে (২০০১-২০০৫) বাংলাদেশ টানা পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ছিল।[] ফোর্বস সাময়িকীর বিশ্বের ১০০ ক্ষমতাবান নারী নেতৃত্বের তালিকায় ২০০৪ সালে খালেদা ১৪তম হন।[]

২০০৬ সালে তার সরকারের নির্ধারিত শাসনকাল শেষ হওয়ার পর, ২০০৭ সালে নির্ধারিত নির্বাচন রাজনৈতিক সহিংসতা ও অন্তর্দ্বন্দ্বের কারণে বিলম্বিত হলে, সেনাবাহিনী সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে। সেই সরকারের সময়কালে, খালেদা জিয়া তার দুই সন্তান-সহ দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হন।[][][১০] ২০১৮ সালে, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা এবং ২০১৮ সালে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় জিয়াকে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। ২০১৯ সালের এপ্রিলে তাকে কারাগার থেকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। ২০২০ সালের মার্চে মানবিক কারণে তাকে ছয় মাসের জন্য গৃহবন্দি করে মুক্তি দেয় তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকার এবং রাজনীতিতে সব ধরণের সম্পৃক্ততা নিষিদ্ধ করা হয়। পরবর্তীকালে, ২০২৪ সালে হওয়া জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে খালেদা জিয়ার দণ্ড মওকুফ করে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।[১১][১২] ২৭ নভেম্বর ২০২৪, খালেদা জিয়া দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পান।[১৩][১৪] কয়েক বছর ধরে নানা জটিল রোগে দীর্ঘ অসুস্থতার পর, খালেদা জিয়া ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান এবং পরদিন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁর জানাজা, শেষকৃত্য ও দাফন সম্পন্ন হয়।[১৫]

প্রারম্ভিক জীবন

১৯৭৯ সালে খালেদা জিয়া

বেগম খালেদা জিয়ার জন্ম নাম খালেদা খানম পুতুল।[১৬] ১৯৪৬ সালের ১৫ আগস্টে ব্রিটিশ ভারতের বঙ্গ প্রদেশের জলপাইগুড়িতে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন।[১৭][১৮][] তিন বোন এবং দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি তৃতীয়। ভাইয়েরা সবার ছোট। তার পিতামহ হাজী সালামত আলী, মাতামহ জলপাইগুড়ির তোয়াবুর রহমান।[১৯] তার বাবা জনাব ইস্কান্দর মজুমদার এবং মা বেগম তৈয়বা মজুমদার[২০] পরবর্তীতে তারা চলে আসেন দিনাজপুরের মুদিপাড়ায়। আদি পৈতৃকনিবাস অধুনা বাংলাদেশের ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের মজুমদার বাড়ী। বাবা জনাব ইস্কান্দার মজুমদার ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। ইস্কান্দার মজুমদার ১৯১৯ সালে ফেনী থেকে জলপাইগুড়ি যান। বোনের বাসায় থেকে মেট্রিক পাস করেন ও পরে চা ব্যবসায়ে জড়িত হন। ১৯৩৭ সালে জলপাইগুড়িতে বিয়ে করেন। জলপাইগুড়ির নয়াবস্তি এলাকায় ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত বসবাস করেন এবং ১৯৮৪ সালের ১৫ নভেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। মা বেগম তৈয়বা মজুমদার ছিলেন একান্তভাবে একজন গৃহিণী। তিনি বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গেই থাকতেন।[] [২১] খালেদা পাঁচ বছর বয়সে দিনাজপুরের মিশন স্কুলে ভর্তি হন এরপর তিনি দিনাজপুর সরকারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৬০ সালে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন[] একই বছর তিনি জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন।[২২] এরপর থেকে তিনি খালেদা জিয়া বা বেগম খালেদা জিয়া নামে পরিচিতি লাভ করেন।[২৩] তিনি স্বামীর সাথে পশ্চিম পাকিস্তান এ বসবাসের পূর্বে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত দিনাজপুরের সুরেন্দ্রনাথ কলেজে পড়াশোনা করেন।

পরিবার

১৯৭৯ সালে স্বামী জিয়াউর রহমানের সাথে খালেদা জিয়া।

তার স্বামী বাংলাদেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি লেফটেন্যান্ট জেনারেল জিয়াউর রহমান বীরউত্তম। ১৯৬০ সালের আগস্ট মাসে জিয়াউর রহমানের সাথে তার বিয়ে হয়। জিয়া তখন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন ক্যাপ্টেন এবং ডিএফআই (Directorate of Forces Intelligence) এর কর্মকর্তা রূপে দিনাজপুরে কর্মরত ছিলেন। তার এক ভাই মেজর (অবঃ) সাঈদ এস্কান্দার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল থেকে ফেনী-১ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ছিলেন। তার দুই ছেলের মধ্যে বড় তারেক রহমান বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। তার কনিষ্ঠ ছেলে আরাফাত রহমান কোকো ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি মালায়া হাসপাতালে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা যান।[২৪]

১৯৬৫ সালে খালেদা জিয়া স্বামীর সাথে পশ্চিম পাকিস্তানে (বর্তমানে পাকিস্তান) যান। ১৯৬৯ সালের মার্চ পর্যন্ত করাচিতে স্বামীর সাথে ছিলেন। এরপর ঢাকায় চলে আসেন। কিছুদিন জয়দেবপুর থাকার পর চট্টগ্রামে স্বামীর কর্মক্ষেত্র স্থানান্তরিত হলে তার সঙ্গে সেখানে এবং চট্টগ্রামের ষোলশহর অঞ্চলে বসবাস করেন।

১৯৭১ সালে খালেদা জিয়া

মুক্তিযুদ্ধের প্রারম্ভকালে খালেদা জিয়া কিছুদিন আত্মগোপন করে থাকার পর ১৬ মে নৌপথে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় চলে আসেন। তিনি সন্ধ্যার দিকে লঞ্চে করে নারায়ণগঞ্জ এসে পৌঁছান। তার সঙ্গে সেই সময় তার দুই সন্তান—তারেক রহমানআরাফাত রহমান কোকো এবং কর্নেল মাহফুজের স্ত্রী ছিল। সেখান থেকে তার বড় বোন খুরশীদ জাহান এবং বোনের স্বামী মোজাম্মেল হক তাদের একটি জিপে করে ঢাকার খিলগাঁওয়ে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যান। খালেদা জিয়ার ঢাকা আসার এই খবরটি গোয়েন্দা মাধ্যমে ১০ দিনের মাথায় ছড়িয়ে পড়ে। ২৬ মে তাঁর ভগ্নিপতি মোজাম্মেল হক জানতে পারেন যে পাকিস্তানি সেনারা খালেদা জিয়ার অবস্থান সম্পর্কে জেনে গেছে। এর পর থেকেই খালেদা জিয়ার আত্মগোপন শুরু হয়। এক বাড়ি থেকে আরেক বাড়িতে ঘুরতে হয় তাকে। অনেকেই নিপীড়নের ভয়ে তাকে আশ্রয় দিতে রাজি হয়নি। মোজাম্মেল হক ২৮ মে খালেদা জিয়া ও তাঁর দুই ছেলে পিনু ও কোকোকে অন্য একটি জায়গায় সরিয়ে নেন, পরবর্তীতে ৩ জুন আবার অন্য জায়গায় সরিয়ে নেন। এরপর এক অজানা ঠিকানায় খালেদা জিয়া ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উপপরিচালক এস কে আবদুল্লাহর সিদ্ধেশ্বরীর বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। সেখানেই তিনি ২ জুলাই পাকিস্তানি দখলদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত থাকেন।[২৫]

গ্রেপ্তারের পর খালেদা জিয়া ও তার দুই সন্তানকে পুরোনো সংসদ ভবনের একটি কক্ষে রাখা হয়। এরপর সেখান থেকে তাদের ঢাকা সেনানিবাসের একটি বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত তিনি সেখানে আটক ছিলেন। ১৬ ডিসেম্বর সকালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। ঐদিন সকালে তাকে একটি জিপে করে পুরানা পল্টনে তার চাচাশ্বশুরের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।[২৫]

১৯৭১ সালের ২১ আগস্ট জিয়াউর রহমান তার স্ত্রী খালেদা জিয়াকে একটি চিঠি লিখেন। সে সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল জামশেদ পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের জিএইচকিউ ঢাকায় কর্মরত ছিলেন। বেগম খালেদা জিয়া তার অধীনেই আটক ছিলেন। জিয়াউর রহমান যখন পশ্চিম পাকিস্তানের পাঞ্জাব রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন, তখন জামশেদ ছিলেন তার কমান্ডার। জিয়ার লেখা চিঠিটি ‘অধিকৃত’ এলাকা থেকে শাফায়াত জামিল পোস্ট করেন এবং সেটি মেজর জেনারেল জামশেদের কাছে পৌঁছেছিল।[২৫]

পাকিস্তানি সেনাবাহিনী আত্মসমর্পণ করার পর খালেদা জিয়া ও তার দুই ছেলেকে ঢাকা থেকে বিমানযোগে সিলেটের শমশেরনগরে নিয়ে যাওয়া হয়। জিয়াউর রহমানের অনুরোধে জেনারেল অরোরা এ ব্যবস্থার আয়োজন করেন। শমশেরনগর বিমানবন্দরে মেজর চৌধুরী খালেকুজ্জামান ও ক্যাপ্টেন অলি আহমেদ তাদের গ্রহণ করেন এবং একটি স্থানীয় রেস্ট হাউসে নিয়ে যান। শমশেরনগরে খুব অল্প সময় অবস্থান করার পর খালেদা জিয়া ও তার দুই ছেলে জিয়াউর রহমানের সঙ্গে কুমিল্লা সেনানিবাসে চলে যান।[২৫]

প্রাথমিক রাজনৈতিক জীবন

১৯৮১ সালের ৩০ মে এক সামরিক অভ্যুত্থানে জিয়াউর রহমান নিহত হন। এরপর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা কর্মীদের আহ্বানে খালেদা জিয়া ১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি বিএনপিতে যোগ দেন। ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সেনাপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরশাদ বিচারপতি আব্দুস সাত্তারকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। বেগম জিয়া এর বিরোধিতা করেন। ১৯৮৩ সালের মার্চ মাসে তিনি বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান হন।[২৬] ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল দলের বর্ধিত সভায় তিনি প্রথম বক্তৃতা করেন। বিচারপতি সাত্তার অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালের ১০ মে দলের চেয়ারপার্সন নির্বাচনে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার নেতৃত্বেই মূলত বিএনপির পূর্ণ বিকাশ হয়।

এরশাদবিরোধী আন্দোলন

১৯৮৩ সালের বেগম জিয়ার নেতৃত্বে সাত দলীয় ঐক্যজোট গঠিত হয়। একই সময় এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন আরম্ভ হয়। বেগম জিয়া প্রথমে বিএনপিকে নিয়ে ১৯৮৩ এর সেপ্টেম্বর থেকে ৭ দলীয় ঐক্যজোটের মাধ্যমে এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সূচনা করেন। একই সময় তার নেতৃত্বে সাত দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন পনেরো দলের সাথে যৌথভাবে আন্দোলনের কর্মসূচির সূত্রপাত করে। ১৯৮৬ সাল পর্যন্ত পাঁচ দফা আন্দোলন চলতে থাকে। কিন্তু ১৯৮৬ সালের ২১ মার্চ রাতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এরশাদের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নিলে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনে বাধার সৃষ্টি হয়। ১৫ দল ভেঙে ৮ দল ও ৫ দল হয়। ৮ দল নির্বাচনে যায়। এরপর বেগম জিয়ার নেতৃত্বে ৭ দল, পাঁচ দলীয় ঐক্যজোট আন্দোলন চালায় এবং নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে। ১৯৮৭ সাল থেকে খালেদা জিয়া "এরশাদ হটাও" শীর্ষক এক দফার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন। এর ফলে এরশাদ সংসদ ভেঙে দেন। তারপর পুনরায় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের উপক্রম হয়। অবশেষে দীর্ঘ আট বছর অবিরাম, নিরলস ও আপোসহীন সংগ্রামের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি এবং খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। সেই নির্বাচনে খালেদা জিয়া মোট পাঁচটি আসনে অংশ নিয়ে পাঁচটিতেই জয়লাভ করেন।

প্রধানমন্ত্রিত্ব

প্রধানমন্ত্রিত্বের ১ম মেয়াদকাল

১৯৯১ সালের ১৯ মার্চ বেগম খালেদা জিয়া পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন। তার সরকার দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার প্রতিষ্ঠিত করে। ২ এপ্রিল তিনি সংসদে সরকারের পক্ষে এই বিল উত্থাপন করেন। একই দিন তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকার প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ কে স্বপদে ফিরে যাবার ব্যবস্থা করে একাদশ সংশোধনী বিল আনেন। ৬ আগস্ট ১৯৯১ সালের সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে দুটি বিল পাশ হয়।

প্রধানমন্ত্রিত্বের ২য় মেয়াদকাল

১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়। যা পরবর্তীতে ৯৬ এর একদলীয় নির্বাচন হিসেবে গণ্য হয়। সকল বিরোধীদলের আপত্তির পর ও খালেদা জিয়া ও তার দল এই একক নির্বাচন করেন। আওয়ামী লীগ সহ সব বিরোধী দল এই নির্বাচন বয়কট করে। এই সংসদ মাত্র ১৫ দিন স্থায়ী হয়। খালেদা জিয়া এই সংসদের ও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। প্রবল গণ আন্দোলন ও বর্হিবিশ্বের চাপে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিল পাস হয় এবং খালেদা জিয়া পদত্যাগ করেন।

প্রধানমন্ত্রিত্বের ৩য় মেয়াদকাল

২০০৪ সালে ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতির সাথে খালেদা জিয়া
২০০৫ সালে টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী জুনিচিরো কোইজুমি এর সাথে খালেদা জিয়া

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী ঐক্যজোট ও জাতীয় পার্টির সাথে চারদলীয় ঐক্যজোট গঠন করে। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় ঐক্যজোট বিপুল ভোটে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। খালেদা জিয়া এই সংসদেও প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মেয়াদকালে দুর্নীতির ধারণা সূচক অনুসারে (২০০১-২০০৫) বাংলাদেশ টানা পাঁচ বছর বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় এসেছিল।[২৭] ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর এই সংসদের মেয়াদ শেষ হয়।

প্রধানমন্ত্রিত্ব-পরবর্তী জীবন

সেক্রেটারি জন কেরি ঢাকা মার্কিন দূতাবাসে জিয়াকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন

বিরোধীদলীয় নেতৃত্বের ১ম মেয়াদকাল

১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি মোট ১১৬ আসনে জয় লাভ করে, যা সরকার গঠনে যথেষ্ট ছিল না। আওয়ামী লীগ মোট ১৪৭ আসন লাভ করে, তারা জাতীয় পার্টির সমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করে। বিএনপি সপ্তম সংসদে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ বিরোধী দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। বেগম খালেদা জিয়া আওয়ামী লীগের পাঁচ বছর শাসনকালে সংসদে বিরোধী দলনেত্রী ছিলেন।

তিনি ২০০৭ সালের সেপ্টেম্বর ৩ তারিখে দুর্নীতির অভিযোগে পুত্রসহ আটক হন।[২৮] ২০০৮ সালের ১১ই সেপ্টেম্বার তিনি সর্বোচ্চ বিচারালয়ের নির্দেশে মুক্তিলাভ করেন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার কর্তৃক বন্দী হবার পর দীর্ঘ এক বছর সাত দিন কারাগারে অবস্থানকালে তার বিরুদ্ধে চলতে থাকা কোন অভিযোগেরই উল্লেখযোগ্য কোন অগ্রগতি হয়নি এবং চলতে থাকা তদন্তে তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগই প্রমাণিত হয়নি।

বিরোধীদলীয় নেতৃত্বের ২য় মেয়াদকাল

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে, তত্ত্বাবধায়ক সরকার সাধারণ নির্বাচনের আয়োজন করে যেখানে জিয়ার দল আওয়ামী লীগ এবং তার মহাজোটের কাছে হেরে যায় যা সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়েছিল। শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হন, এবং তার দল ২০০৯ সালের প্রথম দিকে সরকার গঠন করে। জিয়া সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা হন।[২৯]

জিয়ার দল একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরিচালিত না হওয়া পর্যন্ত ২০১৪ সালের বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করার একটি অবস্থান নিয়েছিল, কিন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই দাবি প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।[৩০]

মামলা

ফেব্রুয়ারি ২০১৮ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ২ কোটি ১০ লাখ টাকা আত্মসাতের দায়ে তার ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড হয়।[৩১] এরপরই তাকে বন্দী করে ঢাকার নাজিমউদ্দিন রোডের পুরাতন পরিত্যক্ত কেন্দ্রীয় কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়।[৩২] ২০২৪ সালে এই মামলাতেও তিনি খালাস পান।[৩৩]

সেনানিবাসের বাসা ত্যাগ

১৩ নভেম্বর ২০১০ বেগম জিয়া তার ২৮ বছরের আবাসস্থল ছেড়ে যান। তিনি অভিযোগ করেন যে তাকে বলপ্রয়োগে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়েছে। তবে সরকারি পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তিনি স্বেচ্ছায় বাড়ি ত্যাগ করেছেন।[৩৪] স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হিসেবে জিয়াউর রহমানের সাথে শহীদ মইনুল সড়কের ৬ নম্বর বাড়িতে ওঠেন খালেদা জিয়া। ১৯৮১ সালের ৩০ মে রাষ্ট্রপতি জিয়া চট্টগ্রামে এক ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানে নিহত হলে ১২ জুন তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি আবদুস সাত্তার সেনানিবাসের ওই বাড়িটি খালেদার নামে বরাদ্দ দেন।[৩৪]

বিদেশ সফর

২০০৬ সালে খালেদা জিয়ার সাথে ভারতের রাষ্ট্রপতি ড. এ. পি. জে. আবদুল কালাম

২০১২ সালে বেগম খালেদা জিয়া একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফর করেন। আগস্টে তিনি রাজ পরিবারের আমন্ত্রণে সৌদি আরবে যান এবং পবিত্র ওমরাহ পালন করেন।[৩৫] এই সফরে তিনি সৌদি রাজপুত্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী সালমান বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদের সাথে সাক্ষাত করেন। তাদের বৈঠকে দ্বিদেশীয় সম্পর্ক ও সৌদি আরবে বাংলাদেশের শ্রম বাজারের সংকট উত্তরণের বিষয়ে আলোচনা হয়।[৩৫]

অক্টোবরে খালেদা জিয়া চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আমন্ত্রণে গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সফর করেন। সফরকালে তিনি চীনের রাষ্ট্রীয় ও দলীয় ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের সাথে দেখা করেন। চীনের উপ-রাষ্ট্রপতি ও ভবিষ্যত একচ্ছত্র নেতা শি জিনপিংয়ের সাথে বৈঠকে তিনি বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও পদ্মা সেতু নির্মাণে বিনিয়োগের ব্যাপারে আলোচনা করেন।[৩৬][৩৭] বৃহত্তর অঞ্চলের ভূরাজনৈতিক বিষয়াবলিও তাদের আলোচনায় উঠে আসে। শি জিনপিং ছাড়াও খালেদা জিয়া কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিষয়ক প্রধান ওয়াং চিয়ারুইয়ের সাথে দেখা করেন। উল্লেখ্য এ বছরের মাঝামাঝিতে পদ্মা সেতু প্রকল্পের সম্ভাব্য মূল অর্থদাতা বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিবর্গের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ আনলে বিশ্ব ব্যাংককে অনুসরণ করে একাধিক দাতা সংস্থা ঋণদান থেকে সরে দাঁড়ায় ও প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যায়।[৩৬][৩৮]

বেগম জিয়ার চীন সফর সম্পন্ন হওয়ার একদিন পর তার রাজনৈতিক দল বিএনপি ঘোষণা দেয় যে চীনা নেতৃবৃন্দ দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের ক্ষেত্রে চীন সরকারের বিনিয়োগের বিষয়ে খালেদা জিয়াকে নিশ্চিত করেছেন।[৩৯][৪০]

একই মাসে খালেদা জিয়া ভারত সরকারের আমন্ত্রণে ভারত সফরে যান। সফরের শুরুতে তিনি ভারতের কেন্দ্রীয় বিরোধী দলীয় প্রধানবিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজের সাথে বৈঠক করেন।[৪১] সফরকালে তিনি প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়, পররাষ্ট্র মন্ত্রী সালমান খুরশিদ, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিবশংকর মেননপররাষ্ট্র সচিব রঞ্জন মাথাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করেন । খালেদা জিয়ার ভারত সফরের আলোচ্য বিষয়ের মধ্যে ছিল দ্বিদেশীয় সম্পর্ক, সীমান্তে বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশি নাগরিক হত্যা, তিস্তা পানি চুক্তি এবং বৃহত্তর অঞ্চলের ভূরাজনীতি ও নিরাপত্তা।[৪২]

১৮ মে ২০১১ সালে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র দফতরের মন্ত্রী হেনরি বেলিংহাম খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎ করেন।

অসুস্থতা

জিয়া দীর্ঘস্থায়ী কিডনি অবস্থা, পচনশীল যকৃতের রোগ, অস্থির হিমোগ্লোবিন, ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস এবং অন্যান্য বয়সজনিত জটিলতায় ভুগেন। ২০২১ সালের এপ্রিলে খালেদা জিয়া করোনা-ভাইরাসে আক্রান্ত হন। তার বাসা ফিরোজার আরো ৮ জনের করোনা-ভাইরাস শনাক্ত করা হয়।[৪৩] ২০২২ সালে তিনি খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২০২২ সালের ৯ জানুয়ারি জিয়াকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে স্থানান্তর করা হয়।[৪৪] তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যাওয়ার সিধান্ত নেন।[৪৫]

২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি রাতে উন্নত চিকিৎসার জন্য কাতারের আমীরের পাঠানো বিশেষ এয়ার এম্বুলেন্সে তিনি ঢাকা ত্যাগ করেন এবং ৮ জানুয়ারি লন্ডনে পৌঁছান।[৪৬][৪৭][৪৮][৪৯][৫০][৫১] ২৩শে নভেম্বর ২০২৫ তারিখে, খালেদা জিয়াকে 'খুবই গুরুতর' অবস্থায় ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।[৫২][৫৩]

মুক্তি

২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর তিনি মুক্তি পান।[৫৪] ৫ আগস্টের মুক্তির কিছুদিন পর ১৯ আগস্ট ২০২৪ সালে, জিয়ার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, যা ২০০৭ সাল থেকে জব্দ করা হয়েছিল, তা জাতীয় রাজস্ব বোর্ড দ্বারা অবরোধ মুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়।[৫৫]

২০২৫ সালে মুহাম্মদ ইউনূস এর সাথে খালেদা জিয়া

২ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে, সরকার তাকে ভিভিআইপি ঘোষণা করে এবং তার নিরাপত্তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে।[৫৬][৫৭]

পদক ও সম্মাননা

২০১১ সালের ২৪ শে মে নিউ জার্সি স্টেট সিনেটে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ’ফাইটার ফর ডেমোক্রেসি’ পদক প্রদান করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট সিনেট কর্তৃক কোন বিদেশিকে এ ধরনের সম্মান প্রদানের ঘটনা এটাই ছিল প্রথম।[৫৮][৫৯]

পরবর্তীতে ২০১৮ সালের ৩১ জুলাই তাকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সম্মাননা দেয় কানাডিয়ান হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন (সিএইচআরআইও) নামের একটি সংগঠন। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি উক্ত দাবি করার পাশাপাশি কানাডার এই প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া ক্রেস্ট ও সনদপত্র সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করে।[৬০]

২০২৬ সালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের হ্যামট্রামিক সিটি কাউন্সিল জিয়ার সম্মানে "কার্পেন্টার স্ট্রিট" এর নাম পরিবর্তন করে "খালেদা জিয়া স্ট্রিট" রাখে।[৬১][৬২]

২০২৬ সালের মার্চ মাসে, খালেদা জিয়াকে মরণোত্তরভাবে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়।[৬৩][৬৪]

নির্বাচনী ইতিহাস

খালেদা জিয়া ফেনী, বগুড়া, ঢাকা, চট্টগ্রাম, লক্ষ্মীপুর, খুলনা—যেখানেই নির্বাচন করেছেন, সেখানেই তিনি বিজয়ী হয়েছিলেন।[৬৫] দেশের নির্বাচনের ইতিহাসে খালেদা জিয়াই একমাত্র উদাহরণ, যিনি ৫টি সংসদ নির্বাচনে ২৩টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে প্রতিটিতে বিজয়ী হয়েছেন।[৬৬] এমনকি যেসব নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারেনি, সেসব নির্বাচনেও তিনি যতটি আসনে প্রার্থী হয়েছিলেন, তার সব কটিতে জয়ী হয়েছেন।[৬৭]

বছর নির্বাচনী এলাকা দল ভোট % ফলাফল
১৯৯১ বগুড়া-৭ বিএনপি ৮৩,৮৫৪ ৬৬.৯ বিজয়ী
ঢাকা-৭ ৭১,২৬৬ ৫১.৫ বিজয়ী
ঢাকা-৯ ৫৫,৯৪৬ ৬০.৪ বিজয়ী
ফেনী-১ ৩৬,৩৭৫ ৩৮.৭ বিজয়ী
চট্টগ্রাম-৮ ৬৯,৪২২ ৫২.১ বিজয়ী
জুন ১৯৯৬ বগুড়া-৬ ১,৩৬,৬৬৯ ৫৮.৯ বিজয়ী
বগুড়া-৭ ১,০৭,৪১৬ ৭২.১ বিজয়ী
ফেনী-১ ৬৫,০৮৬ ৫৫.৬ বিজয়ী
লক্ষ্মীপুর-২ ৫৯,০৫৪ ৫১.৬ বিজয়ী
চট্টগ্রাম-১ ৬৬,৩৩৬ ৪৮.২ বিজয়ী
২০০১
বগুড়া-৬ ২,২৭,৩৫৫ ৭৮.৯ বিজয়ী
বগুড়া-৭ ১,৪৭,৫২২ ৭৯.০ বিজয়ী
খুলনা-২ ৯১,৮১৯ ৫৭.৮ বিজয়ী
লক্ষ্মীপুর-২ ১,২৩,৫২৬ ৭২.২ বিজয়ী
ফেনী-১ ১,০৩,১৪৯ ৭২.২ বিজয়ী
২০০৮
বগুড়া-৬ ১,৯৩,৭৯২ ৭১.৬ বিজয়ী
বগুড়া-৭ ২,৩২,৭১৬ ৭১.২ বিজয়ী
ফেনী-১ ১,১৪,৪১২ ৬৫.৪ বিজয়ী
সূত্র:[৬৮][৬৯][৭০]

আটক

১৯৮২ সালের ৩ জানুয়ারি বিএনপির প্রাথমিক সদস্য রূপে দলে যোগ দেবার পর থেকে মোট পাঁচ বার তিনি আটক হন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯৮৩ সালের ২৮ নভেম্বর, ১৯৮৪ সালের ৩ মে, ১৯৮৭ সালের ১১ নভেম্বর আটক হন।[৭১]

সেনাসমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় (১ সেপ্টেম্বর ২০০৭) দুর্নীতির মামলায় গ্রেপ্তার হন।প্রায় এক বছরের বেশি সময় কারাগারে ছিলেন।২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে আদালতের নির্দেশে জামিনে মুক্তি পান। [৭২] [৭৩]

শেখ হাসিনা সরকারের আমলে দুর্নীতির মামলা (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা) দেখিয়ে ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।প্রথমে পুরান ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোড কারাগারে বন্দি ছিলেন, পরে স্বাস্থ্যগত কারণে বিএসএমএমইউ হাসপাতালে রাখা হয়।প্রায় দীর্ঘ ২ বছরেরও বেশি সময় তিনি কার্যত কারাগারে ছিলেন। ২৫ মার্চ ২০২০-এ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাকে মুক্তি দেয় (কারাগারের সাজা স্থগিত করে বাসায় চিকিৎসার অনুমতি দেয়)। তবে এটিও পুরোপুরি মুক্তি নয়, আইনি শর্তে গৃহবন্দিত্বের মতো অবস্থা ছিল। ২০২৪ সালের ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত তাকে রাজনৈতিকভাবে বন্দি অবস্থায় রাখা হয়েছিল। [৭৪] [৭৫] [৭৬]

সমালোচনা

আওয়ামী লীগ শাসনামলে জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলা ও নাইকো দুর্নীতি সহ বিভিন্ন মামলায় তার নামে আসে।[৭৭][৭৮] ২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারিতে, খালেদা জিয়া দুর্নীতির দায়ে পাঁচ বছরের কারাবাসের দণ্ডপ্রাপ্ত হন। এতে তিনি প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন একটি এতিমখানা ট্রাস্ট গঠনের সময় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন।[৭৯] ২০২৪ সালের আগস্টে ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর সকল মামলা থেকে তিনি মুক্তি পান।[৮০] রাষ্ট্রপতির আদেশে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।[৮১] রাষ্ট্রপতি পাঁচই অগাস্টের পর খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে থাকা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুইটি দুর্নীতি মামলার সাজা মওকুফ করলেও আদালতের মাধ্যমে এসব মামলা নিষ্পত্তি চান খালেদা জিয়া।[৮২] অতঃপর ২৭ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে তিনি এসব দুর্নীতি মামলা থেকে খালাস পান।[১৩][১৪][৮৩]

২০২৫ সালের ১৫ জানুয়ারি জিয়া এতিমখানা দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে বেকসুর খালাস দিয়ে রায় ঘোষণার সময় আপিল বিভাগ বলেন,

প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে এ মামলা করা হয়েছিল। মামলার বিচার ছিল সম্পূর্ণ ত্রুটিপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এই মামলা দিয়ে খালেদা জিয়াকে সামাজিকভাবে অপমান করার চেষ্টা করা হয়েছে।[৮৪][৮৫]

জন্মতারিখের অসামঞ্জস্য

জিয়া ১৫ ই আগস্টকে তাঁর জন্মদিন হিসাবে দাবি করেছেন, যা বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটি বিতর্কের বিষয়।[৮৬][৮৭] ১৫ই আগস্ট হল সেদিন যেদিন জিয়ার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী শেখ হাসিনার বাবা শেখ মুজিবুর রহমানসহ তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়েছিল। যার ফলে, ১৫ ই আগস্ট আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের জাতীয় শোক দিবস হিসাবে ঘোষণা করা হয় আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে।[৮৬][৮৮][৮৯] জিয়া সরকারের কোন শনাক্তকরণ নথিতেই তার জন্মদিন ১৫ই আগস্ট হিসেবে পাওয়া যায় না।[৮৮][৯০] তার ম্যাট্রিক পরীক্ষার সার্টিফিকেটে ১৯৪৫ সালের ৯ই আগস্টের জন্মের তারিখ তালিকাভুক্ত করা হয়। তার বিবাহের শংসাপত্রে ৫ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ কে জন্মতারিখ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। খালেদা জিয়ার পাসপোর্টে ৫ আগস্ট ১৯৪৬ কে তার জন্ম তারিখ হিসেবে নির্দেশ করে।[৯০][৯১] খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক মিত্র কাদের সিদ্দিকী ১৫ই আগস্টে তাকে জন্মদিন উদ্‌যাপন না করার জন্য অনুরোধ করেছিলেন।[৮৭] সর্বশেষ বেগম খালেদা জিয়া করোনা টেস্টের জন্য তার জন্মদিন ৮ মে ১৯৪৬ উল্লেখ করেছিলেন।[৯২][৯৩] এই বিষয়ে হাইকোর্ট জিয়ার বিরুদ্ধে একটি পিটিশন দায়ের করেছিল। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪ সালে এটি থেকেও তিনি অব্যাহতি পান।[৯৪][৯৫]

মৃত্যু

খালেদা জিয়ার রাষ্ট্রীয় জানাজা
খালেদা জিয়ার কবরে সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার প্রদান

খালেদা জিয়াকে ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে নেয়া হয়।[৯৬] ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫, ভোর ৬ টায় এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।[৯৭] পরের দিন জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ পাশে অবস্থিত মানিক মিয়া এভিনিউতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এযাবৎকালের অন্যতম বৃহত্তম জানাজা শেষে,[৯৮] গার্ড অব অনার দেওয়ার পর জিয়া উদ্যানে তার স্বামী জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে তাকে সমাহিত করা হয়।[৯৯][১০০]

প্রতিক্রিয়া

খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দিচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মোহাম্মদ ইউনূসসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দল, বিশিষ্ট নাগরিক এবং সমাজিক সংগঠন শোক প্রকাশ করে।[১০১] এছাড়াও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও রাষ্ট্র প্রধান শোক জানিয়েছেন।[১০২] তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস[১০৩]

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি,[১০৪] পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, উপপ্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার[১০৫] ,রাষ্ট্রপতি আসিফ আলী জারদারি[১০৬],ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে[১০৭] এবং চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াং, সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান[১০৮][১০৯], কাতারের আমির গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। খালেদা জিয়াকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে তার জানাযায় এসেছিলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুব্রহ্মণ্যম জয়শঙ্কর, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার সরদার আয়াজ সাদিক, শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিজিথা হেরাথ,[১১০] নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা এবং ভুটানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডি. এন. ধুঙ্গেলসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও দেশের প্রতিনিধিরা।[১১১][১১২]

আরও দেখুন

টীকা

  1. জন্মগত নাম: খালেদা খানম পুতুল
  2. খালেদা জিয়ার এসএসসি সার্টিফিকেট, বিবাহ সনদ, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথের নিথি ও পাসপোর্ট সহ বিভিন্ন নথিতে বিভিন্ন জন্মদিন পাওয়া যায়।[][]

তথ্যসূত্র

  1. 1 2 3 4 5 হেলাল উদ্দিন আহমেদ (২০১২)। "জিয়া, বেগম খালেদা"ইসলাম, সিরাজুল; মিয়া, সাজাহান; খানম, মাহফুজা; আহমেদ, সাব্বীর (সম্পাদকগণ)। বাংলাপিডিয়া: বাংলাদেশের জাতীয় বিশ্বকোষ (২য় সংস্করণ)। ঢাকা, বাংলাদেশ: বাংলাপিডিয়া ট্রাস্ট, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটিআইএসবিএন ৯৮৪৩২০৫৯০১ওসিএলসি 883871743ওএল 30677644M
  2. "খালেদার জন্মদিন কবে, রায় আজ"সময় টিভি। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০২২
  3. "'খালেদা জিয়ার আসল জন্মদিন কোনটা?'"জাগো নিউজ। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০২২
  4. "Chronological List of Woman Premier Ministers"। ৪ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১০
  5. "বিশ্বের অদম্য ১০ মুসলিম নারী"। চাঁদপুর নিউজ। ২৭ জুন ২০১৫। ১৫ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত
  6. "আঠারো বছরে দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান"Bangla Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  7. "#14: Begum Khaleda Zia, Prime Minister of Bangladesh"Forbes 100 Most Powerful Women in the World। ২০০৪। ১৪ জুন ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪
  8. "Bangladesh ex-PM son detained"আল জাজিরা। ১৬ এপ্রিল ২০০৭। ১ আগস্ট ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০১৯
  9. "Ex-PM sued on corruption charges in Bangladesh"International Herald Tribune। Associated Press। ২ সেপ্টেম্বর ২০০৭। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  10. Anis Ahmed (৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭)। "Bangladesh ex-PM Khaleda Zia arrested on graft charge"রয়টার্স। ১ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪
  11. প্রতিবেদক, বিশেষ (৬ আগস্ট ২০২৪)। "বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুক্ত"Prothomalo। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  12. bdnews24.com। "যেভাবে মুক্ত হলেন খালেদা জিয়া"যেভাবে মুক্ত হলেন খালেদা জিয়া (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২৫{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  13. 1 2 "চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামি খালাস"বাংলাদেশ প্রতিদিন। ২৭ নভেম্বর ২০২৪। ২৭ নভেম্বর ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
  14. 1 2 "বড়পুকুরিয়া মামলায় খালেদা জিয়াসহ তিনজন খালাস"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ২৭ নভেম্বর ২০২৪।
  15. "পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বেগম খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন | খালেদা জিয়ার প্রস্থান"বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  16. "'বেগম খালেদা জিয়া: হার লাইফ, হার স্টোরি'র মোড়ক উন্মোচন"banglanews24.com। ১৯ নভেম্বর ২০১৮।
  17. Sujan, Moudud Ahmmed (১ জানুয়ারি ২০২৬)। "Khaleda Zia, Bangladesh's first woman PM: A life of power and resistance" [বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া: ক্ষমতা ও প্রতিরোধের এক জীবন]আল জাজিরা (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২৬
  18. "চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া"bnpbd। বিএনপি। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০২৬
  19. Nikhat Ekbal (২০০৯), Great Muslims of undivided India, Kalpaz Publication, Delhi, ১৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ১০ অক্টোবর ২০১৬
  20. "Bogra: Khaleda Zia"bogra.org (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫
  21. "Bogra: Khaleda Zia"bogra.org। ১৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫
  22. "Bogra: Khaleda Zia"bogra.org। ১৬ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫
  23. "খালেদা জিয়া: গৃহবধু থেকে যেভাবে রাজনীতিতে উত্থান হয়েছিল"বিবিসি বাংলা। ১০ মে ২০২২।
  24. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"কালের কণ্ঠ। ২৬ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জানুয়ারি ২০১৫
  25. 1 2 3 4 সালমান তারেক শাকিল (১৫ ডিসেম্বর ২০২৪)। "একাত্তরে খালেদা জিয়ার কারারুদ্ধ সাড়ে ৫ মাস"বাংলা ট্রিবিউন। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  26. Super User। "Bangladesh National Party – BNP – Begum Khaleda Zia"bnpbangladesh.com। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ {{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: |লেখক= প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য)
  27. "আঠারো বছরে দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান"Bangla Tribune। সংগ্রহের তারিখ ২৯ নভেম্বর ২০২৫
  28. "Bangladesh ex-PM Khaleda arrested on graft charge"। ২৯ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭
  29. "সংসদে বিরোধী নেত্রী খালেদা জিয়া"BBC News বাংলা। ২০ মার্চ ২০১২।
  30. Ahmed, Farid। "Bangladesh ruling party wins elections marred by boycott, violence"CNN। ২৭ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০১৯
  31. "খালেদা জিয়ার কারাদন্ড"। ২ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  32. "খালেদা জিয়ার কারাবাসের এক বছর"banglanews24.com। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
  33. "চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া"VOA বাংলা। ২৭ নভেম্বর ২০২৪।
  34. 1 2 "সেনানিবাস আর খালেদার আবাস নয় - রাজনীতি"। বিডিনিউজ২৪.কম। ১৩ নভেম্বর ২০১০। ১৫ নভেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১০
  35. 1 2 "Khaleda going to Saudi Arabia"। BDnews24। ৭ আগস্ট ২০১২। ২২ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১২
  36. 1 2 "CPC, Bangladesh Nationalist Party to further cooperation"Xinhua। ১৮ অক্টোবর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১২
  37. "Khaleda seeks China's help"The Daily Star। ২১ অক্টোবর ২০১২। ১ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১২
  38. "Stalled Padma Bridge Project"। Daily Sun। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১২। ১৫ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১২
  39. "Chinese help for 2nd Padma bridge assured: BNP"। The New Nation। ২৩ অক্টোবর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১২[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  40. "China ready to help build 2nd Padma bridge: BNP"। News Today। ২৩ অক্টোবর ২০১২। ৩১ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১২
  41. "ভারতে বিরোধী নেত্রীর সাথে খালেদা জিয়ার বৈঠক"বিবিসি বাংলা। ২৮ অক্টোবর ২০১২। ৩০ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১২
  42. "Khaleda Zia arrives in the capital, meets Sushma"ডেকান হেরাল্ড। ২৮ অক্টোবর ২০১২। ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ অক্টোবর ২০১২
  43. "খালেদা জিয়ার বাসায় আরো ৮ জন করোনা আক্রান্ত"। ১১ এপ্রিল ২০২১। ১২ এপ্রিল ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ এপ্রিল ২০২১
  44. "Khaleda Zia shifted to cabin from CCU"ঢাকা ট্রিবিউন। ১০ জানুয়ারি ২০২২। ১০ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ জানুয়ারি ২০২২
  45. "খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসা : যাওয়া না যাওয়ায় রাজনীতি কোথায়?"বিবিসি বাংলা। ২২ নভেম্বর ২০২৪।
  46. "লন্ডনে পৌঁছেছেন খালেদা জিয়া, মাকে স্বাগত জানালেন তারেক রহমান"মানবজমিন। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৫
  47. "লন্ডনে পৌঁছেছেন খালেদা জিয়া"দৈনিক ইনকিলাব। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৫
  48. বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম"লন্ডনে খালেদা জিয়া"লন্ডনে খালেদা জিয়া। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৫
  49. "লন্ডন পৌঁছেছেন খালেদা জিয়া"ইত্তেফাক। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৫
  50. "অনেক প্রশ্ন পেছনে রেখে লন্ডন গেলেন খালেদা জিয়া"বিবিসি বাংলা। ৭ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৫
  51. "নিজে গাড়ি চালিয়ে মাকে নিয়ে গেলেন তারেক রহমান"www.kalerkantho.com। ৮ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৫
  52. "খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  53. "ফুসফুস ও হৃদ্‌যন্ত্রে সংক্রমণ, হাসপাতালে ভর্তি খালেদা জিয়া"দ্য ডেইলি স্টার। ২৪ নভেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  54. "খালেদা জিয়া মুক্ত"দ্য ডেইলি স্টার। ৬ আগস্ট ২০২৪।
  55. "খালেদা জিয়ার সব ব্যাংক হিসাব দীর্ঘ ১৭ বছর পর সচল"দৈনিক প্রথম আলো। ১৯ আগস্ট ২০২৪।
  56. "পত্রিকা: 'খালেদা জিয়াকে ভিভিআইপি ঘোষণা, পাবেন এসএসএফ নিরাপত্তা'"বিবিসি বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  57. "খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় এসএসএফের কাজ শুরু"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২ ডিসেম্বর ২০২৫
  58. "New Jersey Senate honours Khaleda"দ্য ডেইলি স্টার। ২৫ মে ২০১১। ৬ জানুয়ারি ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ নভেম্বর ২০১৮
  59. "BNP goes gaga over US honour"। ২৭ মে ২০১১। পৃ. ১। ২৪ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৪
  60. রিপোর্ট, স্টার অনলাইন (৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২)। "খালেদা জিয়াকে 'মাদার অব ডেমোক্রেসি' সম্মাননা দিল কানাডার সিএইচআরআইও"দ্য ডেইলি স্টার Bangla। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০২৩
  61. লাহিড়ী, অমর্ত্য (৮ জানুয়ারি ২০২৬)। "আমেরিকার বুকে খালেদা জিয়ার নামে রাস্তা! বিরল সম্মান বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে"Eisamay Online। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬
  62. "খালেদা জিয়ার নামে যুক্তরাষ্ট্রে একটি সড়কের নামকরণ"বিডি নিউজ। ৮ জানুয়ারি ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৮ জানুয়ারি ২০২৬
  63. "খালেদা জিয়াসহ ১৫ ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার"প্রথম আলো। ৫ মার্চ ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬
  64. "খালেদা জিয়াসহ ১৫ বিশিষ্টজন ও ৫ প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার"যুগান্তর। ৫ মার্চ ২০২৬। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০২৬
  65. "নির্বাচনে কোনো আসনেই পরাজিত হননি খালেদা জিয়া"The Daily Ittefaq। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
  66. "নির্বাচনে অপরাজিত খালেদা জিয়া"এখন টিভি। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
  67. "ভোটে কখনো হারেননি খালেদা জিয়া"Prothom Alo। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫।
  68. "Statistical Report: 7th Jatiya Shangshad Election" (পিডিএফ)Bangladesh Election Commission। পৃ. ৩০৫, ৩১১। ২৩ মার্চ ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০১৮
  69. "Nomination submission List"Bangladesh Election Commission। ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  70. "Parliament Election Result of 1991, 1996, 2001 Bangladesh Election Information and Statistics"Vote Monitor Networks। ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮
  71. দৈনিক নয়াদিগন্ত, ৩ সেপ্টেম্বর ২০০৭ (বিশেষ টেলিগ্রাম)
  72. https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article442079.bdnews
  73. https://www.bbc.com/bengali/articles/cp0mj7m51vpo.amp
  74. https://www.banglatribune.com/politics/291591/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A7%9F-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A7%8B-%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%96%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%A6%E0%A6%BE-%E0%A6%9C%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE
  75. https://www.benarnews.org/bengali/news/bd-politics-03252020151212.html/discussion_reply_form
  76. https://bangla.bdnews24.com/politics/196443fdec76
  77. "খালেদা জিয়ার মামলায় কোন ধারায় কী সাজা?"দৈনিক প্রথম আলো। ১৯ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  78. "নাইকো দুর্নীতি মামলা: খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছালো"বাংলা ট্রিবিউন। ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১। ২৯ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  79. "Clashes as Bangladesh ex-PM jailed"বিবিসি নিউজ (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮। ২৭ মার্চ ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জুন ২০১৮
  80. "সাড়ে ছয় বছর পর মুক্ত খালেদা জিয়া"দৈনিক যুগান্তর। ৭ আগস্ট ২০২৪।
  81. "বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মুক্ত"দৈনিক প্রথম আলো। ৬ আগস্ট ২০২৪।
  82. "খালেদা জিয়া: বিএনপি চেয়ারপার্সনের বিরুদ্ধে যেসব মামলা বিচারাধীন রয়েছে"বিবিসি বাংলা। ১১ নভেম্বর ২০২৪।
  83. "পাঁচ মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া"বাংলাদেশ প্রতিদিন। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
  84. "জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা ছিল প্রতিশোধমূলক: প্রধান বিচারপতি"দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। ১৫ জানুয়ারি ২০২৫।
  85. "মামলাটি বিদ্বেষপূর্ণ, খালেদা জিয়া নির্দোষ ছিলেন: আপিল বিভাগের পর্যবেক্ষণ"বাংলা ট্রিবিউন। ১৫ জানুয়ারি ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৫ জানুয়ারি ২০২৫
  86. 1 2 "15 August isn't Khaleda's birthday: Joy"নতুন বার্তা। ১৫ আগস্ট ২০১৩। ২০ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৩
  87. 1 2 "Stop celebrating August 15 birthday"দ্য ডেইলি স্টার। ২৪ জুলাই ২০১১। ২৯ আগস্ট ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৩
  88. 1 2 "Ex-Bangladesh PM stretches limits of political rivalry with PM Sheikh Hasina by celebrating birthday on August 15"Yahoo News-1। ১৬ আগস্ট ২০১৩। ৭ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৩
  89. "Same old trend"দ্য ডেইলি স্টার। ১৭ আগস্ট ২০১৩। ১৮ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৩
  90. 1 2 "Huge cakes are cut on Khaleda Zia's 'birthday'"বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম। ১৫ আগস্ট ২০১৩। ১৭ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৩
  91. "Khaleda Zia to get passport without finger print, signature soon"The Daily Observer। ৬ মে ২০২১।
  92. "HC hears petition on Khaleda's birthday tomorrow"The Daily Sun। ১৩ জুন ২০১৩। ১৭ আগস্ট ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৩
  93. "Notice to ex-Bangladeshi PM for celebrating b'dday on August 15"Zee News। ১৫ আগস্ট ২০১৩। ১ জুন ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ আগস্ট ২০১৩
  94. "৫ মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া"দৈনিক জনকণ্ঠ। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
  95. "মানহানির পাঁচ মামলায় খালাস পেলেন খালেদা জিয়া"দৈনিক প্রথম আলো। ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
  96. "সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা গেছেন"যমুনা টিভি। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  97. "সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই"। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  98. https://www.bssnews.net/bangla/khaleda-zia-departure/268880
  99. সরকার, সাইফুল সামিন,শুভা জিনিয়া চৌধুরী,মো মাহফুজার রহমান (৩১ ডিসেম্বর ২০২৫)। "রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় স্বামী জিয়াউর রহমানের পাশে খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন"প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)
  100. "রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খালেদা জিয়ার দাফন সম্পন্ন"BBC News বাংলা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  101. "খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  102. "সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মারা গেছেন"যমুনা টিভি। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  103. "খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ও একদিনের সাধারণ ছুটি"। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  104. "খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে নরেন্দ্র মোদির শোক"। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  105. "খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শাহবাজ শরিফ ও ইসহাক দারের শোক"। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  106. "খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্টের শোক"। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  107. "খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের শোক"সমকাল। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  108. "খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সৌদির বাদশাহ-যুবরাজ ও কাতারের আমিরের শোক"। সংগ্রহের তারিখ ৩ জানুয়ারি ২০২৬
  109. "খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে পাকিস্তান, ভারত, চীনসহ বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের শোক"। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫
  110. "খালেদার মৃত্যু: তারেকের হাতে শোকবার্তা পৌঁছে দিলেন শ্রীলঙ্কার পররাষ্ট্রমন্ত্রী"বিডি নিউজ (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  111. "খালেদা জিয়ার জানাজায় যোগ দিলেন বিদেশি কূটনীতিকরা"Banglanews24। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
  112. "খালেদা জিয়ার জানাজায় ৩২ দেশের প্রতিনিধি"একাত্তর। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫

বহিঃসংযোগ

পূর্বসূরী:
বিচারপতি লতিফুর রহমান
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী
(প্রথম বার) মার্চ ২০, ১৯৯১ - ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬
(দ্বিতীয় বার) মার্চ, ১৯৯৬ - এপ্রিল ৩, ১৯৯৬
(তৃতীয় বার) অক্টোবর ১০, ২০০১ - অক্টোবর ২৯, ২০০৬
উত্তরসূরী:
ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ