গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত
সৈকত
গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকতের স্কাইলাইন
স্থানাঙ্ক: ২২°৩৬′৪০.০৯″ উত্তর ৯১°৩৭′৩২.০৫″ পূর্ব / ২২.৬১১১৩৬১° উত্তর ৯১.৬২৫৫৬৯৪° পূর্ব / 22.6111361; 91.6255694
দেশবাংলাদেশ বাংলাদেশ
বিভাগচট্টগ্রাম
উপজেলাসীতাকুণ্ড
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+৬)

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলায় নদীর মোহনায় অবস্থিত। এটি মুরাদপুর সৈকত নামেও পরিচিত।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এই সৈকতটিতে আগে মানুষের সমাগম হতো না। কারণ এটির সম্পর্কে ওতো বেশি জানতো না। ২০১৪ সালে চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (চুয়েট) কিছু ছাত্র ঘুরতে এসে তা ফেসবুক, ইউটিউবে আপলোড করেন। এরপরই সৈকতটির ব্যাপারে সবাই জানতে পারেন। বর্তমানে এখানে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়।[২]

অবস্থান[সম্পাদনা]

গুলিয়াখালী সমুদ্র সৈকত এটি সীতাকুণ্ডের সীতাকুণ্ড বাজার থেকে ৫ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত।

প্রাকৃতিক নৈসর্গ[সম্পাদনা]

প্রকৃতি ও গঠনগত দিক থেকে এটি অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। এর একদিকে দিগন্ত জোড়া জলরাশি, অন্যদিকে কেওড়া বন দেখা যায়। কেওড়া বনের মাঝ দিয়ে বয়ে যাওয়া খালের চারদিকে কেওড়া গাছের শ্বাসমূল দেখা যায়। এই বন সমুদ্রের অনেকটা গভীর পর্যন্ত চলে গেছে। এর পরিবেশ সোয়াম্প ফরেস্ট ও ম্যানগ্রোভ বনের মত। সৈকত জুড়ে সবুজ গালিচার বিস্তীর্ণ ঘাস একে অন্যান্য সমুদ্র সৈকত থেকে করেছে অন্যন্য। এই সবুজের মাঝ দিয়েে এঁকে বেঁকে গেছে সরু নালা। নালাগুলো জোয়ারের সময় পানিতে ভরে উঠে। পাখি, ঢেউ আর বাতাসের মিতালীর অনন্য অবস্থান দেখা যায় এই সমুদ্র সৈকতে।

পর্যটন কেন্দ্র[সম্পাদনা]

সৈকতটি এখনো সরকারী ভাবে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেনি। তবে বর্তমানে প্রচন্ড মানুষের সমাগম হয়। যা স্থানীয় মানুষদের অর্থনীতিতে অবদান রাখছে। আগে সৈকতে বোট ভাড়া/গাড়ি পার্কিং এর কোন সু-ব্যবস্থা ছিল না। সাম্প্রতিক কালে কতৃপক্ষ তা বেঁধে দিয়েছেন। তবে ট্যুরিস্ট পুলিশ না থাকায় রাতে সৈকতটি নিরাপদ নয়।[২]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "যেন বিন্দু বিন্দু দ্বীপ"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-১২-০৭ 
  2. "এ যেন শিল্পীর তুলিতে আঁকা"। প্রথম আলো। ১৩ নভেম্বর ২০১৯। সংগ্রহের তারিখ ২৪ আগস্ট ২০২০