তেতুলিয়া উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৬°২৩′উত্তর ৮৮°১৫′পূর্ব / ২৬.৩৮° উত্তর ৮৮.২৫° পূর্ব / 26.38; 88.25

তেতুলিয়া উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
তেতুলিয়া
বিভাগ
 - জেলা
রংপুর বিভাগ
 - পঞ্চগড় জেলা
স্থানাঙ্ক ২৬°২৩′উত্তর ৮৮°১৫′পূর্ব / ২৬.৩৮° উত্তর ৮৮.২৫° পূর্ব / 26.38; 88.25
আয়তন ১৮৯.১২ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০১১)
 - ঘনত্ব
১,২৪,০৪১জন[১]
 - ৬৫৬ বর্গকিমি
ওয়েবসাইট: উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট

তেতুলিয়া বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার অন্তর্গত বাংলাদেশের সর্বউত্তরের একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, পূর্বে পঞ্চগড় সদর উপজেলা

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

তেতুলিয়া উপজেলায় সাতটি ইউনিয়ন আছে। ইউনিয়ন গুলো হচ্ছেঃ- ১নং বাংলাবান্ধা ইউনিয়ন, ২নং তিরনইহাট ইউনিয়ন, ৩নং তেতুলিয়া ইউনিয়ন ৪নং শালবাহান ইউনিয়ন, ৫নং বুড়াবুড়ি ইউনিয়ন, ৬নং ভজনপুর ইউনিয়ন, এবং ৭নং দেবনগর ইউনিয়ন[২]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এ উপজেলা বাংলাদেশের প্রাচীনতম থানার গুলোর মধ্য একটি থানা। ইংরেজ আমলে এ থানা ভারতের জলপাইগুড়ির অধীনে ছিল। [৩] প্রশাসন তেতুলিয়া থানা সৃষ্টি ১৮৫৭ সালে এবং থানাকে উপজেলা রুপান্তর করা হয় ১৯৯৩ সালে। ৭টি ইউনিয়ন ২৪২টি গ্রাম নিয়ে তেতুলিয়া গঠিত।

আয়তন[সম্পাদনা]

তেতুলিয়ার আয়তন ১৮৯.১২ বর্গকিলোমিটার।

প্রাচীন নিদর্শন ও দর্শনীয় স্থান[সম্পাদনা]

ভজন পুর ও তেতুলিয়া মধ্যবর্তী বুড়াবুড়ি নামক স্থানে একটি দূর্গের ভগ্নাংশের, ভদ্রেশ্বর মন্দির, শিবমন্দির ও গ্রিক ভাস্কর্ষ রীতিতে নির্মিত দুটি সমাধিসম্ভ। থানার সীমানা ঘেসে চলে যাওয়া মহানন্দা নদীর তীরে দাড়িয়ে কাঞ্চনজঙ্গা পর্বত দেখা যায়। এছাড়া এই উপজেলায় বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর অবস্থিত।[৪]

বাংলাদেশের তেল বিতর্ক ও তেতুলিয়া[সম্পাদনা]

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম জ্বালানি তেলের খনির অবস্থান উত্তরাঞ্চলের সর্বউত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেতুলিয়া উপজেলার শালবাহান গ্রাম। ১৯৮৬-৮৭ অর্থবছরে সন্ধান মেলে জ্বালানি কেরোসিন তেলের খনির। সে সময় পেট্রোলিয়াম ডেভেলপমেন্ট প্রকল্পের অধীনে অনুসন্ধান চালানো হয় দেশের উত্তরের নীলফামারী, দিনাজপুর, কুড়িগ্রাম ও পঞ্চগড় জেলায়। পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়া উপজেলায় ৫ হাজার পয়েন্ট গভীরে এ খনির অবস্থান নিশ্চিত করা হয়। পরবর্তীতে ফরাসি কোম্পানি অনুসন্ধান চালায়। টানা দু’বছর ধরে অনুসন্ধান শেষে বিশেষজ্ঞ দল নিশ্চিত হয় তেতুলিয়া উপজেলায় ৯০০ মিটার গভীরে রয়েছে উত্তোলনযোগ্য জ্বালানি তেল। শালবাহান এলাকার কূপ খননের জন্য শেল (পেট্রোলিয়াম কোম্পানি) বিদেশী কোম্পানি ফরাসল-এর সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে খনির কূপ খনন কাজ শুরু করে। ১৯৮৮-৮৯ সালের জাতীয় বাজেটে ৩৫ কোটি টাকা বাজেট বরাদ্দ দেয়া হয়। ১৯৮৮ সালের ১০ এপ্রিল তৎকালীন রাষ্ট্রপ্রধান এরশাদ আনুষ্ঠানিকভাবে খনির তেল উত্তোলনের কাজ উদ্বোধন করেন। অজ্ঞাতকারণে এক সপ্তাহের মধ্যেই খনি থেকে তেল উত্তোলন বন্ধ করে দেয়া হয়। কেউ কেউ দাবী করেন ভারতের চাপের মুখে তৎকালীন সরকার এ কুপ হতে তেল উত্তোলন বন্ধ করে দেয়। [৫][৬]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে তেতুলিয়া"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ১ জানুয়ারী, ২০১৫ 
  2. তেতুলিয়া তথ্য বাতায়ন
  3. জাতিসংঘ পাতা
  4. [১]
  5. সাপ্তাহিক এর ওয়েব পেইজ
  6. RAW in Bangladesh

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]


পঞ্চগড় জেলা Flag of Bangladesh
উপজেলা/থানাঃ তেঁতুলিয়া | বোদা | দেবীগঞ্জ | আটোয়ারী | পঞ্চগড় সদর