কিশানগঞ্জ জেলা
| কিশানগঞ্জ জেলা কিষাণগঞ্জ ضلع کشن گنج | |
|---|---|
| বিহারের জেলা | |
বিহারে কিশানগঞ্জের অবস্থান | |
| দেশ | ভারত |
| রাজ্য | বিহার |
| প্রশাসনিক বিভাগ | পূর্ণিয়া |
| সদরদপ্তর | কিশানগঞ্জ |
| সরকার | |
| • লোকসভা কেন্দ্র | কিশানগঞ্জ |
| • বিধানসভা আসন | বাহাদুরগঞ্জ, ঠাকুরগঞ্জ, কিশানগঞ্জ, কোচাধামান, অমৌর, বইসি |
| আয়তন | |
| • মোট | ১,৮৮৪ বর্গকিমি (৭২৭ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০১১) | |
| • মোট | ১৬,৯০,৯৪৮ |
| • জনঘনত্ব | ৯০০/বর্গকিমি (২,৩০০/বর্গমাইল) |
| জনতাত্ত্বিক | |
| • সাক্ষরতা | ৫৭.০৪% |
| • লিঙ্গানুপাত | ৯৪৬ |
| প্রধান মহাসড়ক | ৩১ নং জাতীয় সড়ক |
| ওয়েবসাইট | দাপ্তরিক ওয়েবসাইট |
কিশানগঞ্জ জেলা হল ভারতের বিহার রাজ্যের ৩৯টি জেলার অন্যতম। এই জেলার সদর শহর হল কিশানগঞ্জ। কিশানগঞ্জ জেলা বিহারের পূর্ণিয়া বিভাগের অন্তর্গত।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মুঘল শাসনকালে কিশানগঞ্জ নেপালের অংশ ছিল। সেই সময় এই অঞ্চলটির নাম ছিল নেপালগড়। মুঘল সেনাপতি মহম্মদ রেজা এই অঞ্চল দখল করে এই অঞ্চলের নাম বদলে রাখা হয় আলমগঞ্জ। পরে এখানকার নাম বদলে রাখা হয় কিশানগঞ্জ।
কিশানগঞ্জ অবিভক্ত পূর্ণিয়া জেলার একটি প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ মহকুমা ছিল। স্থানীয় সমাজকর্মী, রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক, ব্যবসায়ী ও কৃষকদের দীর্ঘ সতের বছরের আন্দোলনের পর ১৯৯০ সালের ১৪ জানুয়ারি কিশানগঞ্জ জেলা গঠিত হয়।[১]
ভূগোল
[সম্পাদনা]কিশানগঞ্জ জেলার আয়তন ১,৮৮৪ বর্গকিলোমিটার (৭২৭ বর্গমাইল)।[২] কিশানগঞ্জ জেলার পশ্চিম দিকে অররিয়া জেলা, দক্ষিণপশ্চিম দিকে পূর্ণিয়া জেলা, পূর্ব দিকেপশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলা এবং উত্তর দিকে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিং জেলা ও নেপাল রাষ্ট্র অবস্থিত। পশ্চিমবঙ্গের ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সংকীর্ণ ভূখণ্ড কিশানগঞ্জ জেলাটিকে বাংলাদেশ রাষ্ট্র থেকে বিচ্ছিন্ন করে রেখেছে।[৩]
এই জেলার প্রধান নদনদীগুলি হল মহানন্দা, কাঁকই, মেচি, ডঙ্ক, রতুয়া ও রমজান সুধানি।[১]
অর্থনীতি
[সম্পাদনা]২০০৬ সালে ভারত সরকারের পঞ্চায়েত মন্ত্রক দেশের ২৫০টি সর্বাধিক অনগ্রসর জেলার তালিকায় কিশানগঞ্জ জেলার নাম অন্তর্ভুক্ত করে।[৪] বিহারের যে ৩৬টি জেলা অনগ্রসর অঞ্চল অনুদান তহবিল কর্মসূচির অধীনে অনুদান পেয়ে থাকে, এই জেলা তার মধ্যে অন্যতম।[৪]
বিভাগ
[সম্পাদনা]কিশানগঞ্জ জেলা একটি মাত্র মহকুমা নিয়ে গঠিত। সেটি হল কিশানগঞ্জ মহকুমা। এই মহকুমাটি আবার সাতটি ব্লকে বিভক্ত। যথা: বাহাদুরগঞ্জ, দিঘলবাঁক, কিশানগঞ্জ, কোচাধামান, পোথিয়া, তেরহাগাছা ও ঠাকুরগঞ্জ।
শিক্ষা
[সম্পাদনা]২০১৪ সালের ৩০ জানুয়ারি সনিয়া গান্ধী আলিগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের কিশানগঞ্জ শিক্ষাপ্রাঙ্গনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।[৫]
জনপরিসংখ্যান
[সম্পাদনা]২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে, কিশানগঞ্জ জেলার জনসংখ্যা ১,৬৯০,৯৪৮।[৬] এই জেলার জনসংখ্যা গিনি-বিসসাউ রাষ্ট্র[৭] বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইডাহো রাজ্যের জনসংখ্যার প্রায় সমান।[৮] জনসংখ্যার হিসেবে ভারতের ৬৪০টি জেলার মধ্যে এই জেলার স্থান ২৯৩তম।[৬] এই জেলার জনঘনত্ব ৮৯৮ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার (২,৩৩০ জন/বর্গমাইল)।[৬] ২০০১-২০১১ দশকে এই জেলার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ৩০.৪৪%।[৬] কিশানগঞ্জের লিঙ্গানুপাতের হার প্রতি ১০০০ পুরুষে ৯৪৬ জন মহিলা[৬] এবং সাক্ষরতার হার ৫৭.০৪%।[৬]
কিশানগঞ্জ জেলার অধিবাসীদের সংখ্যাগরিষ্ঠ গ্রামবাসী। এই জেলার জনসংখ্যার প্রায় ৭০% ইসলাম ধর্মাবলম্বী।[৬] কিছু হিন্দুও এখানে বাস করেন যাঁরা সুরজপুরি সম্প্রদায়ভুক্ত। এছাড়া কয়েকটি ছোটো ছোটো সাঁওতাল অধ্যুষিত অঞ্চলও আছে।[৯][১০]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "Kishanganj District (Bihar)"। Kishanganj district administration। ১৪ নভেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১০।
- ↑ Srivastava, Dayawanti et al. (ed.) (২০১০)। "States and Union Territories: Bihar: Government"। India 2010: A Reference Annual (54th সংস্করণ)। New Delhi, India: Additional Director General, Publications Division, Ministry of Information and Broadcasting (India), Government of India। পৃ. ১১১৮–১১১৯। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-২৩০-১৬১৭-৭। সংগ্রহের তারিখ ১১ অক্টোবর ২০১১।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|শেষাংশ1=প্যারামিটারে সাধারণ নাম রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "Kishanganj district map"। Maps of India। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১০।
- 1 2 Ministry of Panchayati Raj (৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯)। "A Note on the Backward Regions Grant Fund Programme" (পিডিএফ)। National Institute of Rural Development। ৫ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ http://timesofindia.indiatimes.com/city/patna/Sonia-to-lay-foundation-of-AMU-Kishanganj-unit-today/articleshow/29571536.cms
- 1 2 3 4 5 6 7 "District Census 2011"। Census2011.co.in। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১।
- ↑ US Directorate of Intelligence। "Country Comparison:Population"। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ অক্টোবর ২০১১।
Guinea-Bissau 1,596,677 July 2011 est.
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|উক্তি=এর 14 নং অবস্থানে line feed character রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "2010 Resident Population Data"। U. S. Census Bureau। ২৩ আগস্ট ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১১।
Idaho 1,567,582
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|উক্তি=এর 6 নং অবস্থানে line feed character রয়েছে (সাহায্য) - ↑ "The Socio-Economic and Political Scenario of Kishanganj District"। Azad India Foundation। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১০।
- ↑ "Kishanganj: Bihar's most backward district in quest for AMU centre"। TwoCircles.net। সংগ্রহের তারিখ ৮ অক্টোবর ২০১০।