বিষয়বস্তুতে চলুন

মির্জাপুর শাহী মসজিদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মির্জাপুর শাহী মসজিদ
মির্জাপুর শাহী মসজিদের সামনের দেয়ালে রয়েছে লতাপাতার নকশাখচিত ছোট আকৃতির তিনটি দরজা
ধরনপ্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন
অবস্থানআটোয়ারী উপজেলা
অঞ্চলপঞ্চগড় জেলা
পরিচালকবর্গবাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর
মালিকবাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর

মির্জাপুর শাহী মসজিদ হল বাংলাদেশের পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারী উপজেলায় অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন।[১] এটি আটোয়ারী উপজেলার মির্জাপুর নামক গ্রামে অবস্থিত বলে এর নামকরণ করা হয়েছে মির্জাপুর শাহী মসজিদ। [২]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

মসজিদের নির্মাণকাল সম্পর্কে কোথাও সাল বা তারিখ লিখিত হয়নি। মসজিদের শিলালিপি ঘেঁটে প্রত্নতত্ত্ববিদগণ ধারণা করেন যে, মসজিদটি সম্ভবত ১৬৫৬ সালে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে মসজিদটি কে নির্মাণ করেছেন তা নিয়ে ঐতিহাসিক মতপার্থক্য রয়েছে। কেউ মনে করেন, মালিক উদ্দিন নামে মির্জাপুর গ্রামেরই এক ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেন। এই মালিক উদ্দিন মির্জাপুর গ্রামও প্রতিষ্ঠা করেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। আবার কেউ মনে করেন, দোস্ত মোহাম্মদ নামে জনৈক ব্যক্তি মসজিদটির নির্মাণ কাজ শেষ করেন। তবে প্রত্নতত্ত্ববিদগণ ধারণা করেন যে, মুঘল শাসক শাহ সুজার শাসনামলে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়েছিল।[৩]

অবকাঠামো

[সম্পাদনা]

মসজিদটির দৈর্ঘ্য ৪০ ফুট এবং প্রস্থ ২৫ ফুট। মসজিদটির সামনের দেওয়ালে বিভিন্ন ধরণের চিত্রাঙ্কন ও কারুকার্য রয়েছে। এর উপরে একই সারিতে তিনটি গম্বুজ রয়েছে এবং প্রতিটি গম্বুজের কোণায় একটি করে মিনার রয়েছে। মসজিদটিতে ফারসি ভাষার একটি শিলালিপি রয়েছে, যা থেকেই ধারণা করা হয়, এটি মুঘল আমলে নির্মিত হয়েছিল।

লোককাহিনী অনুসারে, একটি ভূমিকম্পে মসজিদটির কিছু অংশ ভেঙ্গে যায় এবং পরিবর্তীতে ইরান থেকে মসজিদটি সংস্কারের জন্য লোক নিয়ে আসা হয়।

চিত্রশালা

[সম্পাদনা]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ "ঐতিহাসিক নিদর্শন মির্জাপুর শাহী মসজিদ - daily nayadiganta"।
  2. ↑ রহমান, রাজিউর। "পঞ্চগড়ে মোগল স্থাপত্য মির্জাপুর শাহী মসজিদ"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ৮ এপ্রিল ২০২৩।
  3. ↑ "মির্জাপুর শাহী মসজিদ"। www.panchagarh.gov.bd (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ জুলাই ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫।