ঘোড়ামারা নদী
| ঘোড়ামারা নদী | |
বাংলাদেশ-ভারতের আন্তঃসীমান্ত নদী ঘোড়ামারা | |
| দেশসমূহ | বাংলাদেশ, ভারত |
|---|---|
| রাজ্য | পশ্চিমবঙ্গ |
| অঞ্চল | রংপুর বিভাগ |
| জেলাসমূহ | পঞ্চগড় জেলা, জলপাইগুড়ি জেলা |
| উৎস | পশ্চিমবঙ্গ |
| মোহনা | করতোয়া নদী |
| - স্থানাঙ্ক | ২৬°১৪′০৯″ উত্তর ৮৮°৪১′০১″ পূর্ব / ২৬.২৩৫৭৬৬° উত্তর ৮৮.৬৮৩৫৫৬° পূর্ব |
| দৈর্ঘ্য | ২৩ কিলোমিটার (১৪ মাইল) |
ঘোড়ামারা নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী।[১] নদীটির দৈর্ঘ্য বাংলাদেশ অংশে ১৩ কিলোমিটার, প্রস্থ প্রায় ১০০ মিটার যা ঘোড়ামারা ঘাটে পরিমাপকৃত। এবং এখানে নদীর গভীরতা ৪ মিটার। নদী অববাহিকার আয়তন ৬৫ বর্গকিলোমিটার।[২] বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক ঘোড়ামারা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৩৭।[৩]
প্রবাহ
[সম্পাদনা]ঘোড়ামারা নদী ভারতের জলপাইগুড়ি জেলা হতে পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং সেই জেলার দেবীগঞ্জ উপজেলার, করতোয়া নদীতে পতিত হয়েছে।[২]
পানি প্রবাহ
[সম্পাদনা]এই নদীর পানিপ্রবাহ সারা বছরই থাকে। ফেব্রুয়ারি-মার্চে পানির প্রবাহ সবচেয়ে কমে যায়। তখন প্রবাহের পরিমাপ ২.৪৫ ঘনমিটার/সেকেন্ড হয়। জুন-জুলাই মাসে পানিপ্রবাহ বেশি হয়। তখন এই প্রবাহ ৪৯৪ ঘনমিটার/সেকেন্ড হয়। এই নদীতে জোয়ার-ভাটার প্রভাব নেই। সাধারণত বন্যায় নদীর দুকুল প্লাবিত হয় না। নদীটির উপর ঘোড়ামারা সেতু আছে একটি।[২]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "আন্তঃসীমান্ত_নদী"। বাংলাপিডিয়া। ১৬ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০১৪।
- 1 2 3 ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠ্তি.১৯৫।
- ↑ মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী"। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি (প্রথম সংস্করণ)। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃ. ১১১। আইএসবিএন ৯৮৪-৭০১২০-০৪৩৬-৪।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ উপসর্গ পরীক্ষা করুন (সাহায্য);|সংগ্রহের-তারিখ=এর জন্য|ইউআরএল=প্রয়োজন (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার|আইএসবিএন-ত্রুটি-উপেক্ষা-করুন=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
