সোনাইমুড়ি উপজেলা
| সোনাইমুড়ি | |
|---|---|
| উপজেলা | |
মানচিত্রে সোনাইমুড়ি উপজেলা | |
| স্থানাঙ্ক: ২৩°২′১৮″ উত্তর ৯১°৬′৩০″ পূর্ব / ২৩.০৩৮৩৩° উত্তর ৯১.১০৮৩৩° পূর্ব | |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| বিভাগ | চট্টগ্রাম বিভাগ |
| জেলা | নোয়াখালী জেলা |
| সরকার | |
| • উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান | খন্দকার রুহুল আমিন (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ) |
| আয়তন | |
| • মোট | ১৭০.৪২ বর্গকিমি (৬৫.৮০ বর্গমাইল) |
| জনসংখ্যা (২০১১)[১] | |
| • মোট | ২,৯০,৮৪৬ |
| • জনঘনত্ব | ১,৭০০/বর্গকিমি (৪,৪০০/বর্গমাইল) |
| সাক্ষরতার হার | |
| • মোট | ৫৫.৭৭% |
| সময় অঞ্চল | বিএসটি (ইউটিসি+৬) |
| পোস্ট কোড | ৩৮২৭ |
| প্রশাসনিক বিভাগের কোড | ২০ ৭৫ ৮৩ |
| ওয়েবসাইট | দাপ্তরিক ওয়েবসাইট |
সোনাইমুড়ি উপজেলা বাংলাদেশের নোয়াখালী জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা, এটি ২০০৫ সালে গঠিত হয়েছে। বেগমগঞ্জ উপজেলা ভেঙ্গে সোনাইমুড়ি উপজেলা গঠিত হয়েছে।
অবস্থান ও আয়তন
[সম্পাদনা]- ↑ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন ২০১৪)। "এক নজরে সোনাইমুড়ী উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০১৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
আয়তন ১৭০.৪২ বর্গ কিমি। অবস্থান: ২৩°০২´ থেকে ২৩°০৬´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯১°০০´ থেকে ৯১°১৩´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ। এ উপজেলার উত্তরে কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিণে বেগমগঞ্জ উপজেলা, পূর্বে সেনবাগ উপজেলা, পশ্চিমে চাটখিল উপজেলা ও লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা।
প্রশাসনিক এলাকা
[সম্পাদনা]
সোনাইমুড়ি উপজেলায় বর্তমানে ১টি পৌরসভা ও ১০টি ইউনিয়ন রয়েছে। সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম সোনাইমুড়ি থানার আওতাধীন।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]ঐতিহ্যবাহী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
[সম্পাদনা]- দেওটি হেমায়াতুল ইসলাম কওমি মাদ্রাসা
প্রতিষ্ঠাতা:-হাজি সাবেরুল্লাহ কাসেমী (রহ.) প্রতিষ্ঠাকাল ১৯১৪-১৯১৮ ইং। অবস্থান: সোনাইমুড়ী উপজেলার দেওটি ইউনিয়নের আমিশাপাড়া-মুহুরীগঞ্জ সড়কের পাশে অবস্থিত। অত্র মাদ্রাসায় বর্তমানে মেশকাত( ফাজিল) পর্যন্ত পাঠদান করানো হয়।
প্রাচীন নিদর্শনাদি ও প্রত্নসম্পদ
[সম্পাদনা]- বজরা শাহী জামে মসজিদ (১১৫৩ হিজরী),
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ রুহুল আমিন স্মৃতি জাদুঘর।
- ঐতিহ্যবাহী রামগোপালের দিঘী,ঘোষকামতা (১৭০০ খ্রিঃ)।
- গান্ধী আশ্রম, জয়াগ
মুক্তিযুদ্ধের ঘটনাবলি
[সম্পাদনা]১৯৭১ সালে এ উপজেলা ২ নং সেক্টরের অধীন ছিল। ২১ এপ্রিল সোনাইমুড়ি রেলস্টেশনের আউটার সিগনালের কাছে এবং ১১ মে সোনাইমুড়ির বগাদিয়া নামক স্থানে পাকবাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ লড়াইয়ে প্রায় ২০ জন পাকসেনা নিহত হয়। এছাড়াও এ লড়াইয়ে ২ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ৭ ডিসেম্বর এ উপজেলা শত্রুমুক্ত হয়।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
[সম্পাদনা]
=== মসজিদ === ১৬৫ টি +
উল্লেখযোগ্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান:
- বজরা শাহী জামে মসজিদ,
- সোনাইমুড়ি কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ,
- মুসলিমগঞ্জ বাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ,
- মোরশেদ আলম জামে মসজিদ,
- বরকত উল্যাহ বুলু জামে মসজিদ,
- নদনা জামে মসজিদ,
- উত্তর শাকতলা জামে মসজিদ
- মোল্লাপারা জামে মসজিদ,
- বটতলী বাজার শাহী জামে মসজিদ,
- পশ্চিম নাটেশ্বর মিয়ন হাজী শাহী জামে মসজিদ।
=== মন্দির === ৮০ টি
- সোনাইমুড়ী ঐতিহ্যবাহী কালিবাড়ী দেবালয়, সোনাইমুড়ী বাজার সংলগ্ন।
- শ্রী শ্রী বারাহীদেবীর মন্দির, আমিশাপাড়া।
- আলোকেশ্বরী কালিবাড়ী,আলোকপাড়া।
জনসংখ্যার উপাত্ত
[সম্পাদনা]মোট জনসংখ্যা ২৯৮৮৪৬; পুরুষ ১৪৯০২৯, মহিলা ১৪১৮১৭। মুসলিম ২৮১৩৬৫, হিন্দু ১৫৩০৯, বৌদ্ধ ২২৫, খ্রিস্টান ৩৫ এবং অন্যান্য ৪৫।
শিক্ষা
[সম্পাদনা]শিক্ষার হার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড় হার ৫৫.৭৭%; পুরুষ ৫৬.২৪% ও মহিলা ৫৫.৩২%। কলেজ ৪, মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৩৩, প্রাথমিক বিদ্যালয় ১১৪, কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয় ৬, মাদ্রাসা ১৯। উল্লেখযোগ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান: সোনাইমুড়ি সরকারি কলেজ (১৯৭০), ইস্টার্ন কলেজ (২০২০),ঘোষকামতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (১৯১০),সোনাইমুড়ি সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৭), বজরা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় (১৯১৮), সোনাইমুড়ি হামিদিয়া আলিয়া মাদ্রাসা (১৯২৬)। বড় গাও ইসলামিয়া মাদ্রাসা ১৯৭৩ । সোনাইমুড়ী আইডিয়াল স্কুল।মারকাজ আমির হামজা রাঃ ২০০৫ ।লাইফ শাইন স্কুল ২০০৮।[১]
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব
[সম্পাদনা]- বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন -বীরশ্রেষ্ঠ পদকপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধা
- মোরশেদ আলম - চেয়ারম্যান বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ
- মোহাম্মদ আবুল খায়ের - চেয়ারম্যান আবুল খায়ের গ্রুপ
- এম এ হাসেম - চেয়ারম্যান পারটেক্স গ্রুপ
- মাহবুব উদ্দিন খোকন - সভাপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি
- জসিম উদ্দিন - (এফ বি সি সি আই) সভাপতি এন্ড ভাইস চেয়ারম্যান বেঙ্গল গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজ ও আরটিভি
- আহমদ নজীর, সাবেক সংসদ সদস্য, বিশিষ্ট সাংবাদিক, লেখক ও গবেষক
- এইচ. এম. ইব্রাহিম - সাবেক সংসদ সদস্য
- কামরুল আহসান, বাংলাদেশ সরকারের সচিব এবং বর্তমানে রাশিয়ায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত। ইতিপূর্বে সিংগাপুর ও কানাডায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
- গোলাম মোস্তফা (মুক্তিযোদ্ধা) - বীর মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযুদ্ধ সংগঠক
- মোজাফফর আহমদ (বীর বিক্রম) -বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা
- জিয়াউল হক পলাশ -(কাবিলা) অভিনেতা ও পরিচালক
- শবনম বুবলি - চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
নদনদী
[সম্পাদনা]নোয়াখাল নদী এই উপজেলায় অবস্থিত একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৬০ কিলোমিটার।[২]
অর্থনীতি
[সম্পাদনা]জনগোষ্ঠীর আয়ের প্রধান উৎস কৃষি ২৭.৩২%, অকৃষি শ্রমিক ২.০৬%, শিল্প ০.৬৩%, ব্যবসা ১৬.৪৬%, পরিবহন ও যোগাযোগ ৩.৬০%, চাকরি ১৮.১৫%, নির্মাণ ১.২৯%, ধর্মীয় সেবা ০.৩৮%, রেন্ট অ্যান্ড রেমিটেন্স ১৪.৩৮% এবং অন্যান্য ১৫.৭৩%। হাটবাজার ও মেলা হাটবাজার ৩০, মেলা ২। সোনাইমুড়ি বাজার, থানার হাট, কামারের হাট, নদনা বাজার, নান্দিয়াপাড়া বাজার কাশিপুর হাট, শান্তির হাট, লালমিয়ার হাট, জয়াগ বাজার, বজরা স্টেশন বাজার, মুসলিমগঞ্জ বাজার, সোনাপুর বাজার, বাংলা বাজার, পশ্চিম নাটেশ্বর, দিঘিরজান বাজার, বটতলী বাজার ও আমিশাপাড়া বাজার উল্লেখযোগ্য।
শিল্প ও কলকারখানা চালকল, বরফকল, করাতকল, বিস্কুট কারখানা, ওয়েল্ডিং কারখানা।
কুটিরশিল্প স্বর্ণশিল্প, লৌহশিল্প, মৃৎশিল্প, সুচিশিল্প, দারুশিল্প, বাঁশের কাজ, বেতের কাজ।
কৃষি
[সম্পাদনা]কৃষিভূমির মালিকানা ভূমিমালিক ৬০.৩৮%, ভূমিহীন ৩৯.৬৯%। প্রধান কৃষি ফসল ধান, সুপারি, সরিষা, ডাল, শাকসবজি। বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় ফসলাদি তিল, তিসি, অড়হর, চীনা। প্রধান ফল-ফলাদিব আম, কাঁঠাল, নারিকেল, কলা, জাম, পেয়ারা, পেঁপে, সুপারি। মোল্লাপারা বাজার
যোগাযোগ ব্যবস্থা
[সম্পাদনা]যোগাযোগ বিশেষত্ব পাকারাস্তা ৯৬.৫৪ কিমি, কাঁচারাস্তা ৭৩২.৩৯ কিমি। সোনাইমুড়ী রেল স্টেশন এর মাধ্যমে রেল যোগাযোগ। বিলুপ্ত বা বিলুপ্তপ্রায় সনাতন বাহন পাল্কি, ঘোড়ার গাড়ি, মহিষের গাড়ি।
নোয়াখালী, লক্ষীপুর ও রামগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা বিভিন্ন দূরপাল্লার গন্তব্যের বাসসমূহ সোনাইমুড়ী বিরতি দেয়। এছাড়া ও স্বল্প পাল্লার কিছু বাস নোয়াখালী, কুমিল্লা, লাকসাম লক্ষ্মীপুর, রামগঞ্জ ও হাজীগঞ্জ আলাদা রুটে চলাচল করে।
এছাড়া সোনাইমুড়ি রেলওয়ে স্টেশন হতে ঢাকাগামী ট্রেন ছেড়ে যায়, যা লাকসাম, কুমিল্লা, আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ভৈরব, নরসিংদী, ঢাকা বিমানবন্দর রেলওয়ে স্টেশন, ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন সহ ইত্যাদি অঞ্চলকে রেল নেটওয়ার্কে যুক্ত করেছে। উল্লেখযোগ্য কিছু পরিবহন ব্যবস্হা
রেল
[সম্পাদনা]ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী এবং (নোয়াখালী রেলওয়ে স্টেশন) থেকে ঢাকাগামী একজোড়া ট্রেন সোনাইমুড়ি রেলওয়ে স্টেশন এ বিরতি দেয়। ট্রেনগুলো হলো-
১. উপকূল এক্সপ্রেস: এটি একটি আন্তনগর ট্রেন। সোনাইমুড়ি রেলওয়ে স্টেশন থেকে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় সকাল ০৬:৪৩ মিনিটে। অপরদিকে সোনাইমুড়ী থেকে নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায় সন্ধ্যা ০৭:৩০।
২. ঢাকা / নোয়াখালী এক্সপ্রেস: এটি একটি সেমি লোকাল ট্রেন। যা খুবই স্বল্পমূল্যে নোয়াখালী থেকে ঢাকা এবং ঢাকা থেকে নোয়াখালী যাতায়াতে জনগণকে সুবিধা দেয়। এটি ঢাকার উদ্দেশ্যে সোনাইমুড়ি রেল স্টেশন থেকে রাত ০৯:৪০ এবং নোয়াখালীর উদ্দেশ্যে রাত ০৩:০০ টায় ছেড়ে যায়। বর্তমানে এটি সাময়িক বন্ধ।
৩. সমতট এক্সপ্রেস: বর্তমানে সাময়িক বন্ধ আছে।
৪. নোয়াখালী কমিউটার: কুমিল্লা রেলওয়ে স্টেশন থেকে নোয়াখালী রেলওয়ে স্টেশন এবং নোয়াখালী রেল স্টেশন থেকে কুমিল্লা রেল স্টেশন চলাচল করতো। বর্তমানে এটি বন্ধ রয়েছে।
স্বল্প দূরত্বের বাস
[সম্পাদনা]১. উপকূল এক্সক্লুসিভ প্রাইভেট লিমিটেড - এটি সোনাইমুড়ী বাইপাস ও সোনাইমুড়ী চৌরাস্তা দুটি কাউন্টারে থামে। এই বাসটির দুটি রুট রয়েছে যার মধ্যে একটি কুমিল্লা-লক্ষীপুর-কুমিল্লা আরেকটি নোয়াখালী-কুমিল্লা-নোয়াখালী। দুই রুটের বাসই সোনাইমুড়ীর দুটি কাউন্টারেই যাওয়া এবং আসা দুই সময়ই থামে।
২. জননী এন্টারপ্রাইজ - এটি নোয়াখালী (সোনাপুর) থেকে লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ এবং ফিরতি পথে রামগঞ্জ থেকে সোনাপুর রুটে চলাচল করে। উভয় পথেই এটি সোনাইমুড়ি বাজার কাউন্টারে যাত্রাবিরতি করে।
৩. জননী প্লাস - এটি চৌমুহনী বাজার বাস ডিপো থেকে চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ পর্যন্ত যায় এবং হাজীগঞ্জ থেকে চৌমুহনী বাজার পর্যন্ত আসে। উভয় পথেই বাসটি সোনাইমুড়ী বাজার জননী কাউন্টারে বিরতি দেয়। যা সোনাইমুড়ি উপজেলার সাথে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে জনসাধারণকে যাতায়াত সুবিধা দেয়।
দূরপাল্লার বাস সার্ভিস
[সম্পাদনা]নোয়াখালী(সোনাপুর), লক্ষীপুর ও রামগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকা, গাজীপুর, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, রাজশাহী, নীলফামারী, রংপুরসহ বিভিন্ন গন্তব্যের দূরপাল্লার বাসগুলো সোনাইমুড়ী বাইপাস কাউন্টারে যাত্রাবিরতি করে। উল্লেখযোগ্য বাসসমূহ এবং রুট নিচে উল্লেখ করা হলো:
- ঢাকাগামী:
১. ইকোনো সার্ভিস (লক্ষীপুর বাস টার্মিনাল থেকে ছাড়ে)
২. হিমালয় পরিবহন (রামগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে ছাড়ে)
৩. জোনাকি সার্ভিস (লক্ষীপুর থেকে ছাড়ে)
৪. ঢাকা এক্সপ্রেস বাস (লক্ষীপুর থেকে ছাড়ে)
৫. নীলাচল পরিবহন (সোনাপুর থেকে ছাড়ে)
৬. আল-বারাকা এক্সক্লুসিভ (রামগঞ্জ থেকে ছাড়ে)
৭. সারা এক্সপ্রেস (সোনাপুর থেকে ছাড়ে)
৮. লাল সবুজ পরিবহন (সোনাপুর থেকে ছাড়ে)
৯. হিমাচল পরিবহন (সোনাপুর থেকে ছাড়ে)
১০. একুশে এক্সপ্রেস (সোনাপুর থেকে ছাড়ে)
১১. গ্রীন এশিয়া (সোনাপুর থেকে ছাড়ে)
১২. মিয়ামি এয়ারকোন (লক্ষীপুর থেকে ছাড়ে)
- চট্টগ্রামগামী:
১. স্বাধীন বাংলা
২. নীলাচল পরিবহন (সাময়িক বন্ধ)
৩. রয়েল কোচ (সাময়িক বন্ধ)
৪. লাল সবুজ পরিবহন (নির্দিষ্ট দিনে চলাচল করে)
চট্টগ্রামগামী সবগুলো বাসই রামগঞ্জ বাস টার্মিনাল থেকে ছেড়ে আসে।
- কক্সবাজারগামী:
১. স্বাধীন বাংলা বাস (রামগঞ্জ থেকে প্রতিদিন সকাল এবং রাতে মোট দুটি বাস ছেড়ে আসে এবং সোনাইমুড়ী বাজার কাউন্টারে বিরতি দেয়)
২. লাল সবুজ (রামগঞ্জ ও হাজীগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসে এবং সোনাইমুড়ী বাইপাস কাউন্টারে বিরতি দেয়)
- সিলেটগামী:
১. সাগরিকা পরিবহন : সিলেট হয়ে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত
২. বিআরটিসি
৩. লাল সবুজ পরিবহন: সিলেট এবং জাফলং
- রংপুরগামী:
১. স্বাধীন বাংলা বাস সার্ভিস: সোনাইমুড়ী বাজারে কাউন্টার রয়েছে।
২. তোহা ক্লাসিক
- রাজশাহীগামী:
১. RP স্পেশাল - সোনাইমুড়ী বাইপাসে কাউন্টার রয়েছে।
২. গ্রামীণ ট্রাভেলস - সোনাইমুড়ী বাইপাসে কাউন্টার রয়েছে।
৩. লাল সবুজ পরিবহন - সোনাইমুড়ী বাইপাসে কাউন্টার রয়েছে।
৪. সামি জনি পরিবহন - সোনাইমুড়ী বাইপাসে কাউন্টার রয়েছে।
৫. রইছ পরিবহন - সোনাইমুড়ী বাইপাসে কাউন্টার রয়েছে।
জনপ্রতিনিধি
[সম্পাদনা]| সংসদীয় আসন | জাতীয় নির্বাচনী এলাকা[৩] | সংসদ সদস্য[৪][৫][৬][৭][৮] | রাজনৈতিক দল |
|---|---|---|---|
| ২৬৮ নোয়াখালী-১ | চাটখিল উপজেলা এবং সোনাইমুড়ি উপজেলা (বারগাঁও, অম্বরনগর নাটেশ্বর ও বজরা ইউনিয়ন ব্যতীত) | এইচ এম ইব্রাহিম | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ |
| ২৬৯ নোয়াখালী-২ | সোনাইমুড়ি উপজেলার বারগাঁও, অম্বরনগর, নাটেশ্বর ও বজরা ইউনিয়ন এবং সেনবাগ উপজেলা | মোরশেদ আলম | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ |
| ক্রম নং. | পদবী | নাম | রাজনৈতিক দল |
|---|---|---|---|
| ০১ | উপজেলা চেয়ারম্যান | খন্দকার রুহুল আমিন | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ |
| ০২ | ভাইস চেয়ারম্যান | মোঃ নিজাম উদ্দিন সুজন | |
| ০৩ | মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান | আয়েশা আক্তার |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ http://bn.banglapedia.org/index.php?title=সোনাইমুড়ি_উপজেলা
- ↑ ম ইনামুল হক, বাংলাদেশের নদনদী, অনুশীলন ঢাকা, জুলাই ২০১৭, পৃষ্ঠা ১৫৮।
- ↑ "Election Commission Bangladesh - Home page"। www.ecs.org.bd।
- ↑ "বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জানুয়ারি ১, ২০১৯" (পিডিএফ)। ecs.gov.bd। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। ১ জানুয়ারি ২০১৯। ২ জানুয়ারি ২০১৯ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জানুয়ারি ২০১৯।
- ↑ "সংসদ নির্বাচন ২০১৮ ফলাফল"। বিবিসি বাংলা। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল"। প্রথম আলো। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "জয় পেলেন যারা"। দৈনিক আমাদের সময়। ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
- ↑ "আওয়ামী লীগের হ্যাটট্রিক জয়"। সমকাল। ২৭ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
ছাতারপাইয়া বাজার