বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বাংলাদেশের পাওয়ার প্ল্যান্ট 

বাংলাদেশের ব্যাবহার উপযোগী বিদ্যুৎ খাতসমূহ এক হয়ে জাতীয় গ্রিড সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যা সেপ্টেম্বর ২০১৮-এ উৎপাদন ক্ষমতা ১৬,৫২৫ মেগাওয়াট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের জ্বালানি খাত দ্রুত বাড়ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ২.৪ গিগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন রূপপুর পারমাণবিক শক্তি প্ল্যান্ট নির্মাণ শুরু করেছে যা ২০২৩ সাল নাগাদ কার্যক্রম শুরু করবে বলে আশা করা হচ্চছে।[১] কিন্তু এখনও বাংলাদেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ শক্তি খরচের পরিমাণ খুবই কম বলে মনে করা হয়। বাংলাদেশে স্বল্প পরিমাণে তেল ও কয়লা মজুদ আছে, কিন্তু খুব বড় পরিমাণে প্রাকৃতিক গ্যাস সম্পদ মজুদ আছে। এদেশে বাণিজ্যিক শক্তি হিসেবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক গ্যাস (প্রায় ৬৬%) ব্যবহৃত হয়, অন্যান্য ব্যবহারের মধ্যে রয়েছে তেল, জলবিদ্যুৎ ও কয়লা।

বিদ্যুৎ হল বেশিরভাগ দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রধান উৎস। জানুয়ারি ২০১৭ পর্যন্ত বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উতপাদন ক্ষমতা (ক্যাপটিভ পাওয়ার সহ) হল ১৫,৩৫১ মেগাওয়াট।[২] ২০১৫ সাল পর্যন্ত শহরের ৯২% ও গ্রামের ৬৭% মানুষ তাদের আলোর উৎস হিসেবে বিদ্যুৎ পায়। বাংলাদেশে গড়ে প্রায় ৭৭.৯% মানুষ বিদ্যুৎ এর আওতাভুক্ত।[৩] বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের প্রধান সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে, অনেক বেশি সিস্টেম লস, প্লান্টগুলো তৈরি হতে বেশি সময় লাগে, প্লান্ট এর কর্মদক্ষতা কমে যাওয়া, ব্লাক আউট এবং প্লান্টের মেরামতের জন্য টাকার অভাব। সর্বোপরি, কখনই এই প্লান্টগুলো চাহিদা মেটাতে পারেনি। অবাণিজ্যিক শক্তির উৎস যেমন জ্বালানী কাঠফসলের অবশিষ্টাংশ দেশের মোট চাহিদার প্রায় অর্ধেক মেটায়।

২০১৪ সালের ২ নভেম্বার সারা দেশে একসাথে ব্লাক আউট হয়ে গিয়েছিল, যা ঠিক করতে ১ দিন লেগে যায়। ভারতের ট্রান্সমিশন লাইনে সমস্যার কারনে এটি হয়, "যা জাতীয় পাওয়ার গ্রিড এর ব্যারথতার প্রমান দেয়" এবং এটি "পুরন গ্রিড অবকাঠামো ও খারাপ বাবস্থাপনার" কারনে সমালোচিত হয়। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে তদন্ত দলের দেয়া প্রতিবেদনে বিদ্যুৎ বাবস্থাপনা দুর্গতি এবং খারাপ ট্রান্সমিশন ও বিতরন অবকাঠামোর খারাপ অবস্থাকে কারন হিসেবে বলা হয়েছে।[৪][৫]

শক্তির উৎস[সম্পাদনা]

২০১১ সাল পর্যন্ত, প্রাকৃতিক গাসের ৭৯টি কুপের মধ্যে বর্তমানে ২৯টি কুপ থেকে প্রায় ২০০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস প্রতিদিন উত্তলন করা হয়। এটাও কম পরে যায় কারন মোট চাহিদা হল দৈনিক ২৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস, এই চাহিদার পরিমাণ প্রতিবছর ৭% করে বারতেছে। প্রকৃতপক্ষে, দেশের মোট চাহিদার দুই-ত্রিতিয়াংশ গ্যাস দিয়ে পুরন করা হয়। এই প্রভাবশালী খাত থেকে গ্যাস পাওয়ার প্লান্টে ৪০% , শিল্পকারখানায় ১৭%, ক্যাপটিভ পাওয়ারে ১৫%, ঘরবাড়ির বাবহারে ১১%, সার উৎপাদনে আরও ১১%, ৫% সিএনজিতে, এবং ১% বাকি অন্যান্য বাণিজ্যিক ও কৃষি কাজে ববহারের জন্য সরবরাহ করে।

সিএনজিতে বছরে প্রায় ০.৮ বিলিয়ন ডলার বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হয় এবং এটি রাস্তায় চলা বেশির ভাগ যানবাহনে ব্যবহার করা হয়। এই সিএনজি ছাড়াও লিকুইফাইড পেট্রোলিয়াম গাস (এলপিজি) এর চাহিদা রয়েছে .০.১ মিলিয়ন টন। এছাড়াও দেশ প্রতিবছর ৩.৫ মিলিয়ন টন তেল আমদানি করে থাকে, আরও প্রায় ২ মিলিয়ন টন ডিজেল আমদানি করা হয় সারাদেশের বিভিন্ন তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনার জন্য। এই অতিরিক্ত পেট্রোলিয়াম ও কয়লা আমদানিতে প্রতিবছর দেশের মোট জিডিপির ২% খরচ হয়ে যায়। এই অতিরিক্ত ব্যয় দেশের অন্যান্য খাতে উন্নয়ন ও নতুন চাকরি তৈরিকে বাধা গ্রস্থ করে। জ্বালানি খাতে বড় ধরনের কারন গুলোর মদ্ধে রয়েছে অনেক দিন ধরে এই খাতকে অবহেলা, অনুপযুক্ত বাস্তবায়ন, কমদক্ষতার অভাব এবং পরিকল্পনার অভাব। এই বিষয়কে আর খারাপ অবস্থায় নিয়ে গেছে, ২০২০ সালের মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাসের মজুত শেষ হওয়ার খবর। শুধুমাত্র কয়লা খননই এখন উন্নয়ন পর্যায়ে আছে, কয়লার যে মজুত আছে তা ৭৮ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে উত্তলন সুরু করা যাবে। [৬]

২০০৬ সালে দিনাজপুর জেলার ফুলবাড়িতে ওপেন-পিট পদ্ধতিতে কয়লা উত্তোলন এর উদ্যোগ এর পরিবেশ সংক্রান্ত প্রতিক্রিয়ার কারণে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পরে এবং এতে ৬ জনের মৃত্যু ও প্রায় ১০০ জনের উপর আহত হয়।[৭] সে সময় সরকার এই প্রজেক্ট বন্ধ করে দেয় এবং এশিয়া এনার্জির সাথে চুক্তি বাতিল করে। যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের বাক্তিগত জগাজগের কারণে ২০০৯ সালের ডিসেম্বর মাসে তা আবার চালু হয়।[৮] ২০১০ সালের অক্টোবর মাসে কয়লা উত্তোলনের বিরুদ্ধে ফুলবাড়ি অভিমুখে সপ্তাহব্যাপী লংমার্চ করা হয়, বিক্ষোভকারীদের আর একটি জোট লন্ডনে গ্লোবাল কোয়েল রিসোর্সের সাথে বৈঠক করে।[৯]

নবায়নযোগ্য শক্তি[সম্পাদনা]

বাংলাদেশে গ্রাম্য পরিবার গুলোতে ১৫ মেগাওয়াট সৌর শক্তির ধারন খমতা রয়েছে এবং কুতুবদিয়াফেনিতে ১.৯ মেগাওয়াট বায়ু শক্তি রয়েছে। বাংলাদেশ ২০১৫ সালের মধ্যে ৫% এবং ২০২০ দালের মধ্যে ১০% নবায়নযোগ্য উৎস যেমন বায়ু, বর্জ্য এবং সৌর শক্তি থেকে আসা শক্ত বাবহারের পরিকল্পনা করেছে। ভূ তাপশক্তিকে কিভাবে ব্যবহার করা যায় সে বিষয়ে গবেষকদের সাথে আলোচনা হয়েছে। .[১০][১১] গবেশনার পর ভূতাত্ত্বিকরা ভূ তাপশক্তির জন্য উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলকে প্রস্তাব করে। [১২][১৩]

সাম্প্রতিক পরিকল্পনাসমূহ[সম্পাদনা]

বর্তমান সরকারের আমলে সাড়ে চার বছরের মধ্যে ৫,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে লোডসেডিংকে সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আসার জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রণালয়কে ৪০০ বিলিয়ন টাকা (৫.৮৮ বিলিয়ন ডলার) বরাদ্দ দেয়া হয়। পরিকল্পনা অনুসারে, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ২০০৯ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। পিডিবি ২০১০ সালের জানুয়ারি থেকে জুনের মধ্যে বেসরকারি উদ্দগে তৈরি হওয়া ফারনেস-তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ১,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কিনবে। ২০১১ সালে বাংলাদেশ সরকার ৮০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ফারনেস-তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করবে। পিডিবির একজন উচ্চপদস্ত করমকরতা বলেন, এ জন্য পিডিবিকে আদর্শ জায়গা খুঁজতে বলা হয়েছে। ওই করমকরতা আরও বলেন,এর পাশাপাশি সরকার ২০১২ সালের মধ্যে আরও একটি ৭০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ডিজেল বা ফার্নেস তেল ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য চুক্তি করবে। এছাড়াও রাজশাহী ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ প্রজেক্ট এর মধ্যমে আরও চারটি ৫০০ মেগাওয়াট সম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হবে। এই সব প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জন্য সরকার প্রাথমিকভাবে ৬০ বিলিয়ন টাকার (১ বিলিয়ন ডলার) তহবিল সংরহের চেষ্টা করছে। বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় সরকারি বাজেট থেকে পিপিপি এর জন্য ২০ বিলিয়ন টাকা বরাদ্দ নেয়ার চেষ্টা করছে। ২০০৯ সালের ২৯ জুন পিডিবির চেয়ারম্যান এএসএম আলমগির কাবির নিউ নেশন পত্রিকাকে বলেন, "আমরা যদি ৬০ বিলিয়ন টাকা তহবিল সংরহ করতে পারি, তবে পিপিপি এর জন্য ৪০০ বিলিয়ন টাকা সংগ্রহ করে তা থেকে সাড়ে চার বছরের মধ্যে ৫০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করাও সম্ভব"। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়কে লোডশেডিং সহনীয় মাত্রায় নিয়ে আসার জন্য পিডিবি প্লান বাস্তবায়ন করার অনুমতি দেন। এসময় প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ ও জ্বালানী বিষয়ক উপদেষ্টা ডাঃ তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী মন্ত্রী শামসুল হক টুকু , পিডিবির চেয়ারম্যান এএসএম আলমগির কাবির উপস্থিত ছিলেন।

অপ্রতুলতা ও অবকাঠামো[সম্পাদনা]

২০১৪ সালের একটি খবর সুরু হয় এভাবেঃ

বাংলাদেশ সবচেয়ে উষ্ণ শক্তি বৃদ্ধির এক দেশ বলে বিবেচিত হয়। ১৬৬ বিলিয়ন মানুষের এক-ত্রিতিয়াংশের বেশি বিদ্যুৎ সুবিধা পায় না, যেখানে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা মাত্র প্রায় ১১,৫০০ মেগাওয়াট ।[৫]

বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বিতরনের ক্ষেত্রে, সমন্বয়হীনতার কারণে উচ্চ মাত্রায় লোডশেডিং হয় যার কারণে শিল্প উৎপাদনে ও অরথনইতিক করমকান্দ বাহত হয়, সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখাগেছে, বিদ্যুৎ হীনতার কারণে শিল্প খাতে প্রায় ১ বিলিয়ন টাকার ক্ষতি হয় যা বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধিকে ০.৫% কমিয়ে দেয়। বিদ্যুৎ পরিবহন সিস্টেমের আপ্রতুলতা একটা বড় সমস্যা। সুধুমাত্র পরিবহন ও বিতরন লক্সানের কারণে মোট উৎপাদনের এক-তৃতীয়াংশ ক্ষতি হয়, যার পরিমান প্রায় ২৪৭ বিলিয়ন ডলার।

২০১১ সালে বিদ্যুৎ গ্রিড সিস্টেমকে দিজিতাল মিটারিং এ উন্নত করার প্রস্তাব করা হয় এবং ২০১৫ সালের মধ্যে ৫% এবং ২০২০ দালের মধ্যে ১০% নবায়নযোগ্য শক্তি বাবহারের কথা জাতীয় নবায়নযোগ্য শক্তি নীতি ২০০৮ এ বলা হয়। আমেরিকান প্রকৌশলী সানওয়ার সানি বলেন যে শহরকে অবসসই জোনিং আরিয়া তে ভাগ করা দরকার জাতে মানুষ আরও আত্মনির্ভরশীল হয়ে ওঠে এবং ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাবওয়ের বাবস্থা করলে তা আরও কারজকর হবে, কারন পিক আওয়ার এ লোডশেডিং হলে সবাই খতিগ্রস্থ হবে না। এটা বিদ্যুৎ খাতকে পাওয়ার কাট এর প্রভাব থেকে রক্ষা করবে এবং স্থায়িত্ব দিবে। তিনি প্রস্তাব করেন, রেডিও ট্রান্সমিটার দিয়ে অনেক দূর থেকে অনুমতিহীন রেডিও ব্যান্ড এর সাহায্যে টুওয়ে যোগাযোগ বাবস্থায় এবং পরিবাহিত কোডের মাধ্যমে কেন্দ্র থেকে কিছু নির্বাচিত কোঅরডিনেট এর সাহায্যে মাইক্রো গ্রিড সার্কিট ব্রেয়াকার ব্যবহার করে বিদ্যুৎ এর পরিবহন মাত্রা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ ও ডিজিটাল মিটারিং ব্যবহার করা যায়। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফিড-ইন-টারিফ (এফআইটি) ও সম্ভব, যেহেতু দূর থেকে শক্তির ব্যবহার পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং বাক্তিগতভাবে শক্তি উৎপাদন এবং বিদ্যুৎ কম লাগে এমন যন্ত্র বাবহারে সবাইকে উৎসাহিত করা জেতে পারে। তিনি বলেন, "এই খাতে আরও বিনিয়োগ করতে হবে, যা আরও প্রকৌশলীর ও টেকনিশিয়ানের কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং সরকারকেও এ বিষয়ে চাপ প্রয়গ করা দরকার"। থিংক ট্যাঙ্ক যেমন, সৌর শক্তি সোসাইটি, নবায়নযোগ্য শক্তি ইন্সিটিউট, এছাড়াও ইউরোপিইয়ান ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট সংস্থাগুলো এই খাতে সাহায্য করতে পারে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ মন্ত্রনালয়ের সচিব বলেন এ বিষয়ে সরকারের কন পরিকল্পনা নেই। [১৪]

পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ ঢাকা থেকে ২০০ কিমি উত্তর-পশ্চিম দিকে পাবনা জেলার রুপপুরে ২,০০০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা করেছে। পরিকল্পনা মতে এর কাজ সুরু হবে ২০২০ সালে, এটি হবে বাংলাদেশের প্রথম পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।

বিদ্যুৎ শক্তি পরিবহন নেটওয়ার্ক[সম্পাদনা]

বিদ্যুৎ শক্তি বিতরন সুবিধা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসুত্র[সম্পাদনা]

  1. "Nuclear Power in Bangladesh"world-nuclear.org। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৭ 
  2. "Key Statistics"Bangladesh Power Development Board। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০১৪ 
  3. "Source of Light in Bangladesh : 2015"। সংগ্রহের তারিখ ৮ জুন ২০১৭ 
  4. "Nasrul: Lack in electricity management caused blackout – Dhaka Tribune"dhakatribune.com। সংগ্রহের তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  5. "Nationwide blackout in Bangladesh ends – LA Times"Los Angeles Times। ২ নভেম্বর ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০১৪ 
  6. Sunny 2011, পৃ. 136
  7. Randeep Ramesh, "Six killed in protests over UK mining firm in Bangladesh", The Guardian, 29 August 2006, accessed 25 March 2013
  8. "WikiLeaks cables: US pushed for reopening of Bangladesh coal mine", The Guardian, 21 December 2010
  9. "Massive protest in London" আর্কাইভকৃত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ওয়েব্যাক মেশিনে., BanglaNews24, 10 December 2010, accessed 25 March 2013
  10. Md. A. Akbar, “An assessment of the geothermal potential of Bangladesh”, United Nations University, Geothermal Training Programme, Orkustofnun, Grensasvegur 9, IS-108 Reykjavik, Iceland, Reports 2011, Number 5.
  11. Das, Vivekananda (এপ্রিল ২০১৭)। "A Study on the Prospect of Geothermal Energy in Bangladesh" (PDF)Global Journals Inc. (USA)17: 33–37। 
  12. D.K. Guha, H. Henkel, and B. Imam, “Geothermal potential in Bangladesh - results from investigations of abandoned deep wells,” Proceedings of the World Geothermal Congress 2010, Bali, Indonesia, April 2010.
  13. M. Rahman, “Geothermal potential resources in Thakurgaon district, northern Bangladesh,” Bangladesh Journal of Geology, 25:13-30, 2006.
  14. Faisal Mahmud (২০ আগস্ট ২০১১)। "Experts for microgrids to ease power woes"The Independent। ২৪ এপ্রিল ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৩১ মার্চ ২০০৮ 
  • Sunny, Sanwar (২০১১)। Green Buildings, Clean Transport and the Low Carbon Economy: Towards Bangladesh's Vision of a Greener Tomorrow। Germany: LAP Publishers। আইএসবিএন 978-3-8465-9333-2 
  • Islam, 2003 M. Islam, Energy efficiency potentials in the power sector of Bangladesh. 2003 Renewable Energy Information Network (REIN), Local Government Engineering Department (LGED), Bangladesh (2003).
  • Alam et al., 2004 M.S. Alam, E. Kabir, M.M. Rahman and M.A.K. Chowdhury, Power sector reform in Bangladesh: electricity distribution system, Energy 29 (2004), pp. 1773–1783

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]