বিংশ শতাব্দী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সহস্রাব্দ: ২য় সহস্রাব্দ
শতাব্দী:
সময়রেখা:
দশক:
বিষয়শ্রেণীসমূহ: জন্মমৃত্যু
সংস্থাপনাবিলুপ্তি সংস্থাপনা

২০শ শতাব্দী গ্রেগরীয় পঞ্জিকা অনুসারে ১৯০১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সময়কাল। এটি গত ২য় সহস্রাব্দের দশম ও শেষ শতাব্দী। ১ জানুয়ারি ১৯০১ সালে এটি শুরু হয় এবং ৩১ ডিসেম্বর ২০০০ সালে শেষ হয়।[১] ২০শ শতাব্দী ছিল একটি ঘটনাবহুল শতাব্দী যা আধুনিক যুগকে সংজ্ঞায়িত করেছিল। ষষ্ঠ গণবিলুপ্তি, স্প্যানিশ ফ্লু মহামারী,প্রথম বিশ্বযুদ্ধ,দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ,পারমাণবিক অস্ত্র, পারমাণবিক শক্তি,মহাকাশ অনুসন্ধান,জাতীয়তাবাদবিউপনিবেশায়ন, স্নায়ুযুদ্ধ ও স্নায়ুযুদ্ধ-পরবর্তী সংঘাত এবং প্রযুক্তিগত অগ্রগতি পৃথিবীর রাজনৈতিক ও সামাজিক কাঠামোকে পুনর্নির্মাণ করেছে।

অ্যাপোলো ১৭ থেকে দেখা পৃথিবীর চিত্র।বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে মানবজাতি সর্বপ্রথম মহাকাশ অনুসন্ধান করেছিল।

অন্যান্য বিষয়সমূহের মধ্যে রয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থা ও সাংস্কৃতিক সমজাতীয়করণের মাধ্যমে উদীয়মান পরিবহন ও যোগাযোগ প্রযুক্তির উন্নয়ন; দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি , বিশ্ব জনসংখ্যা বৃদ্ধি,পরিবেশগত অবনতি সম্পর্কে সচেতনতা, পরিবেশগত বিলুপ্তি এবং তৃতীয় শিল্প বিপ্লবের সূচনা। এসময় অটোমোবাইল,বিমান এবং গৃহস্থালী যন্ত্রপাতির ব্যবহার সাধারণ হয়ে ওঠে; একই সাথে ভিডিও এবং অডিও রেকর্ডিং। বিদ্যুৎ উৎপাদন, যোগাযোগ এবং স্বাস্থ্য প্রযুক্তিতে বিরাট অগ্রগতির ফলে বিশ্বব্যাপী তাৎক্ষণিক কম্পিউটার যোগাযোগ এবং জীবনের বংশানুগত পরিবর্তনসাধন সম্ভব হয়।বিশ্বযুদ্ধ, স্নায়ুযুদ্ধ ও বিশ্বায়নের ফলে এমন একটি বিশ্ব তৈরি হয়েছিল যেখানে মানুষ মানব ইতিহাসের অন্য যেকোনা সময়ের তুলনায় অধিক ঐক্যবদ্ধ ছিল। উদাহরণস্বরূপ এসময় আন্তর্জাতিক আইন ও আন্তর্জাতিক ত্রাণ চালু এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এসময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপীয় দেশগুলোর বিধ্বস্ত অর্থনীতির পুনর্গঠন এবং এসব দেশে সোভিয়েত কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোকে ১৩ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যা মার্শাল প্ল্যান নামে পরিচিত। ২০শ শতাব্দীর শেষার্ধ জুড়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যকার প্রতিদ্বন্দ্বিতা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি করেছিল। এর ফলে বিভিন্ন ধরনের সশস্ত্র প্রক্সি আঞ্চলিক সংঘাতের সৃষ্টি হয়; পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তারের ফলে সর্বব্যাপী বিপদের উদ্ভব হয়। ১৯৯১ সালে ইউরোপীয় জোটের পতনের পরে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনকে পশ্চিমারা কমিউনিজমের সমাপ্তি হিসাবে ঘোষণা করেছিল। যদিও এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ পৃথিবীর প্রতি ছয়জন মানুষের মধ্যে একজন কমিউনিস্ট শাসনের অধীনে বসবাস করত যাদের অধিকাংশই চীনের অধিবাসী । চীন অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক শক্তি হিসাবে দ্রুত ক্রমবর্ধমান ছিল।

সংক্ষিপ্ত বিবরণ[সম্পাদনা]

ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের মানচিত্র (1910 অনুযায়ী)। চূড়ান্ত পর্যায়ে , এটি ছিল ইতিহাসের বৃহত্তম সাম্রাজ্য ।

কালানুক্রমিক ইতিহাস[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Twentieth Century's Triumphant Entry". The New York Times. January 1, 1901