আকীদা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

আকীদা (আরবি: عقيدة‎‎, বহুবচন: আরবি: عقائد‎‎, আকা'ইদ, কখনো কখনো উচ্চারন করা হয় আকীইদাহ,আকিদাহ আকি'দা ) এটা একটা ইসলামিক শব্দ যার অর্থ 'কিছু মূল ভিত্তির উপর বিশ্বাস' । কোন ধর্মীয় বিশ্বাস ব্যবস্থা , বা ধর্মবিশ্বাস ,আকীদা এর উদাহরণ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে । যদিও এই শব্দটির বিশেষ ব্যবহার রয়েছে মুসলিম ইতিহাস এবং ধর্মতত্ত্বে , সেইসব বিষয় এর দিকে নির্দেশ করে যেসব ইসলামি বিষয়ে মুসলমানরা দৃঢ় বিশ্বাস রাখে । এটা ইসলামিক শিক্ষার একটা শাখা যা ইসলামী দৃঢ় বিশ্বাসের প্রধান স্তম্ভগুলোর বর্ণনা করে ।

ভূমিকা[সম্পাদনা]

'প্রথম' ইসলামি দৃঢ় বিশ্বাসের স্তম্ভ প্রসঙ্গে লিখেন ইমাম আবু হানিফা যা সর্বজনগৃহীতভাবে তখন থেকে প্রচলিত আছে। এটা সে যুগের প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর হিসাবে লিখিত হয়েছিল এবং ফিকহুল আকবর নামে সুপরিচিত ছিল।[১][২]আল-আশ'আরী এর ফিকহ্ আকবর [৩] এবং আশ-সাফে'ঈ[৪] এর ফিকহ্ আকবর।

বিশ্বাসের ছয়টি স্তম্ভ[সম্পাদনা]

ইসলামি দৃঢ় বিশ্বাস বা বিশ্বাসের ছয়টি স্তম্ভ এসেছে কুরআনসুন্নাহ থেকে (আরকান আল-ঈমান)[৫]। যা সব মুসলমানদের দ্বারা গৃহীত হয়েছে।

সুন্নিদের বিশ্বাসের ছয়টি স্তম্ভ হল 
  1. আল্লাহকে বিশ্বাস, তিনিই এক,একক, একমাত্র এবং স্বতন্ত্র সত্তা যিনি সর্বোচ্চ মহান ও সমস্ত সম্মান, প্রশংসা, ইবাদতের যোগ্য।
  2. ফেরেস্তাগণকে বিশ্বাস।
  3. আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক প্রেরিত কিতাবসমূহকে বিশ্বাস (কুরআন সহ)।
  4. আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক প্রেরিত সকল নবী এবং রাসুলকে বিশ্বাস।
  5. কেয়ামতের দিনকে বিশ্বাস এবং শেষ বিচার এর মাধ্যমে মৃত্যুর পরের জীবনকে বিশ্বাস।
  6. তাকদীর ভাগ্যকে বিশ্বাস করা।

প্রথম পাঁচটি ইসলামি বিশ্বাস কুরআনের এই আয়াতটির উপর ভিত্তি করে:

"হে মুমিনগণ, তোমরা ঈমান আন আল্লাহর প্রতি, তাঁর রাসূলের প্রতি এবং সে কিতাবের প্রতি যা তিনি তাঁর রাসূলের উপর নাযিল করেছেন এবং সে কিতাবের প্রতি যা তিনি পূর্বে নাযিল করেছেন। আর যে আল্লাহ, তাঁর ফেরেশতাগণ, তাঁর কিতাবসমূহ, তাঁর রাসূলগণ এবং শেষ দিনকে অস্বীকার করবে, সে ঘোর বিভ্রান্তিতে বিভ্রান্ত হবে।"(সূরা নিসা ৪: আয়াত ১৩৬)

"যে শত্রু হবে আল্লাহর, তাঁর ফেরেশতাদের, তাঁর রাসূলগণের, জিবরীলের ও মীকাঈলের তবে নিশ্চয় আল্লাহ কাফিরদের শত্রু।"(সূরা বাকারা ২: আয়াত ৯৮)।

"ভালো কাজ এটা নয় যে, তোমরা তোমাদের চেহারা পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ফিরাবে; বরং ভালো কাজ হল যে ঈমান আনে আল্লাহ, শেষ দিবস, ফেরেশতাগণ, কিতাব ও নবীগণের প্রতি এবং যে সম্পদ প্রদান করে তার প্রতি আসক্তি সত্ত্বেও নিকটাত্মীয়গণকে, ইয়াতীম, অসহায়, মুসাফির ও প্রার্থনাকারীকে এবং বন্দিমুক্তিতে এবং যে সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং যারা অঙ্গীকার করে তা পূর্ণ করে, যারা ধৈর্যধারণ করে কষ্ট ও দুর্দশায় ও যুদ্ধের সময়ে। তারাই সত্যবাদী এবং তারাই মুত্তাকী।"(সূরা বাকারা ২: আয়াত ১৭৭)

"রাসূল তার নিকট তার রবের পক্ষ থেকে নাযিলকৃত বিষয়ের প্রতি ঈমান এনেছে, আর মুমিনগণও। প্রত্যেকে ঈমান এনেছে আল্লাহর উপর, তাঁর ফেরেশতাকুল, কিতাবসমূহ ও তাঁর রাসূলগণের উপর, আমরা তাঁর রাসূলগণের কারও মধ্যে তারতম্য করি না। আর তারা বলে, আমরা শুনলাম এবং মানলাম। হে আমাদের রব! আমরা আপনারই ক্ষমা প্রার্থনা করি, আর আপনার দিকেই প্রত্যাবর্তনস্থল।"(সূরা বাকারা ২: আয়াত ২৮৫)

সুন্নি ও শিয়া দৃষ্টিভঙ্গি অনুসারে, ঈমান থাকার প্রকৃত অর্থ হল বিশ্বাসের এই ছয়টি স্তম্ভের উপর বিশ্বাস থাকা।

তাওহীদ[সম্পাদনা]

তাওহীদ হল ইসলামে একেশ্বরবাদ ধারণার দৃষ্টিভঙ্গি[৬]। এটা ইসলাম ধর্মের সর্বোচ্চতম মৌলিক ধারণার দৃষ্টিভঙ্গি যা ধারণ করে যে ঈশ্বর (আল্লাহ) এক, একক ও একমাত্র (ওয়া'হিদ) এবং স্বতন্ত্র সত্তা (আ'হাদ), এবং তিনিই শুধুমাত্র ও একমাত্র যিনি সর্বোচ্চ মহান ও সমস্ত সম্মান, প্রশংসা, ইবাদতের যোগ্য[৭]। কিন্তু খ্রিস্টানদের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে আলাদা ,যারা যীশুর উপাসনা বা ইবাদত করে।

ঈমান[সম্পাদনা]

ইসলামিক ধর্মতত্ত্বে ঈমান হল বিশ্বাসীর (মুমিন) দৃঢ় বিশ্বাস [৮]

হাদিসে জিবরাইলে[সম্পাদনা]

হাদিসে জিবরাইলে ইসলামের প্রধান পাঁচ স্তম্ভ (তাওহীদ, সালাত/নামাজ, 'সাওম/রোযা,যাকাত, 'হজ্জ্ব') সম্পর্কে বলা হয়েছে।"হে আল্লাহর রাসুল (বার্তাবাহক),ইসলাম কি?"এই প্রশ্নের উত্তরে তা বর্ণিত হয়েছে [কিতাবুল ঈমান অধ্যায় :: সহিহ মুসলিম :: খন্ড ১ :: হাদিস ১] আবু খায়সামা যুহায়র ইবন হারব (র)…..ইয়াহইয়া ইবন ইয়া’মার (র) থেকে বর্ণনা করেন । তিনি (ইয়াহইয়া ইবন ইয়া’মার) বলেন, সর্বপ্রথম ‘কাদর’ সম্পর্কে বসরা শহরে মাবাদ আল জুহানী কথা তোলেন । আমি (ইয়াহইয়া ইবন ইয়া’মার) এবং হুমায়দ ইবন আব্দুর রহমান আল হিমায়রী হজ্জ অথবা উমরা আদায়ের জন্য মক্কা মু’আযযামায় আসলাম। আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছিলাম যে, যদি রাসুলুল্লাহ (সাঃ)-এর কোন সাহাবীর সাক্ষাৎ পাই তাহলে তাঁর কাছে এসব লোক তাকদীর সস্পর্কে যা বলে বেড়াচ্ছে, সে বিষয়ে জিজ্ঞেস করতাম। সৌভাগ্যক্রমে মসজিদে নববীতে আমরা আবদুল্লাহ ইবন উমর ইবন খাত্তাব (রাঃ)-এর দেখা পাই। আমরা তাঁর কাছে গিয়ে একজন তাঁর ডানপাশে এবং আর একজন বামপাশে বসলাম। আমার মনে হলো, আমার সাথী চান যে, আমিই কথা বলি। আমি আরয করলাম, হে আবু আবদুর রহমান! আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ)-এর কুনিয়াত ছিল আবু আবদুর রহমান। আমার দেশে এমন কতিপয় লোকের আবির্ভাব হয়েছে যারা কুরআন পাঠ করে এবং ইলমে দীন সম্পর্কে গবেষণা করে।……তিনি তাদের অবস্হা সস্পর্কে আরো কিছু উল্লেখ করেন এবং বলেন যে, তারা মনে করে তাকদীর- বলতে কিছু নেই । সবকিছু তাৎক্ষনিকভাবে ঘটে। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বললেন, তাদের সাথে তোমাদের দেখা হলে বলে দিও যে, তাদের সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই এবং আমার সঙ্গে তাদেরও কোন সম্পর্ক নেই। আল্লাহর কসম! যদি এদের কেউ উহুদ পাহাড় পরিমাণ সোনার মালিক হয় এবং তা আল্লাহর রাস্তায় খরচ করে, তাকদীরের প্রতি ঈমান না আনা পর্যন্ত আল্লাহ তা কবুল করবেন না। তারপর তিনি বললেন, আমাকে আমার পিতা উমর ইবন খাত্তাব (র.) হাদীস শুনিয়েছেন যে, একদা আমরা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর খিদমতে ছিলাম। এমন সময় একজন লোক আমাদের কাছে এসে হাযির হলেন। তাঁর পরিধানের কাপড় ছিল সাদা ধবধবে, মাথার কেশ ছিল কাল কুচকুচে। তাঁর মধ্যে সফরের কোন চিহ্ন ছিল না। আমরা কেউ তাঁকে চিনি না। তিনি নিজের দুই হাঁটু নবী করীম (সা.)-এর দুই হাঁটুর সাথে লাগিয়ে বসে পড়লেন আর তার দুই হাত নবী (সা.)-এর দুই উরুর উপর রাখলেন। তারপর তিনি বললেন, হে মুহাম্মদ! আমাকে ইসলাম সস্পর্কে অবহিত করুন। রাসুলুল্লাহ (সা.) বললেনঃ ইসলাম হলো, তুমি এ কথার সাক্ষ্য প্রদান করবে যে, আল্লাহ ব্যতীত কোন ইলাহ নেই এবং নিশ্চয়ই মুহাম্মাদ (সা.) আল্লাহর রাসুল, নামায কায়েম করবে, যাকাত আদায় করবে, রামাযানের রোযা পালন করবে এবং বায়তুল্লাহ পৌছার সামর্থ্য থাকলে হজ্জ পালন করবে। আগন্তুক বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন। তার কথা শুনে আমরা বিষ্মিত হলাম যে,তিনিই প্রশ্ন করেছেন আর তিনিই-তা সত্যায়িত করছেন। আগন্তুক বললেন, আমাকে ঈমান সম্পর্কে অবহিত করুন। রাসুল (সা.) বললেনঃ ঈমান হলো আল্লাহর প্রতি, তার ফেরেশতাদের প্রতি, তার কিতাবসমূহের প্রতি, তার রাসুলগণের প্রতি এবং আখিরাতের প্রতি ঈমান আনবে, আর তাকদিরের ভালমন্দের প্রতি ঈমান রাখবে। আগন্তুক বললেন, আপনি ঠিকই বলেছেন। তারপর বললেন, আমাকে ইহসান সম্পর্কে অবহিত করুন। রাসুল (সা.) বললেনঃ ইহসান হলো, এমনভাবে ইবাদত-বন্দেগী করবে যেন তুমি আল্লাহকে দেখছ, যদি তুমি তাকে নাও দেখ, তাহলে ভাববে তিনি তোমাকে দেখছেন। আগন্তুক বললেন, আমাকে কিয়ামত সস্পর্কে অবহিত করুন। রাসুল (সা.) বললেনঃ এ বিষয়ে প্রশ্নকারীর চাইতে যাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে তিনি অধিক অবহিত নন। আগন্তুক বললেন, আমাকে এর আলামত সস্পর্কে অবহিত করুন । রাসুল (সা.) বললেনঃ তা হলো এই যে, দাসী তার প্রভুর জননী হবে; আর নগ্নপদ দরিদ্র মেষপালকদের বিরাট বিরাট অট্টালিকার প্রতিযোগিতায় গর্বিত দেখতে পাবে। উমর ইবন খাত্তাব (রা.) বললেন যে, পরে আগন্তুক প্রস্হান করলেন। আমি বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করলাম। তারপর রাসুল (সা.) আমাকে বললেন, হে উমর! তুমি জান, এই প্রশ্নকারী কে? আমি আরয করলাম, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই সম্যক জ্ঞাত আছেন। রাসুল (সা.) বললেনঃ তিনি জিবরাঈল। তোমাদের তিনি দীন শিক্ষা দিতে এসেছিলেন।

নামাজ/সালাত[সম্পাদনা]

সালাত ইসলাম ধর্মে অন্যতম আনুষ্ঠানিক ইবাদতের অনুশীলন। এটা মুসলমানদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ, এটা ইসলাম ধর্মের প্রধান পাঁচটি স্তম্ভের গুরুত্বপূর্ণ একটিকে নির্দেশ করে।

রোযা[সম্পাদনা]

ইসলাম ধর্মে রোযার সময়কাল হল 'রমজান মাস', যা ইসলাম ধর্মের প্রধান পাঁচটি স্তম্ভের একটি, তবে রোযা শুধুমাত্র এই মাসেই সীমাবদ্ধ নয়।

যাকাত[সম্পাদনা]

হজ্জ্ব[সম্পাদনা]

অন্যান্য অংশগুলো[সম্পাদনা]

অতিরিক্তভাবে কিছু মুসলিম জিহাদ, দাওয়াহ্ কে আকিদার অংশ হিসাবে বিবেচনা করেন।

জিহাদ[সম্পাদনা]

'জিহাদ', এর অর্থ হল কঠিন শ্রম, কিছু অর্জন এর জন্য কোন ব্যক্তির সংগ্রাম, কষ্ট যন্ত্রণা ভোগ করা, নিজেকে কঠিন শ্রমের মধ্যে রাখা বা ফেলা। এটা দ্বারা প্রকৃতভাবে ঐসব ব্যক্তিকে বোঝায় যারা শারীরিক, মানসিক ও অর্থনৈতিকভাবে (জান ও মাল দিয়ে) আল্লাহর রাস্তায় সংগ্রাম (যুদ্ধ) করে।

দাওয়াত[সম্পাদনা]

'দাওয়াহ্ এর অর্থ ইসলাম ধর্মের দিকে আমন্ত্রণ বা ধর্মপ্রচার। দাওয়াহ্ এর সাহিত্যিক অর্থ হল একটি সমন,তলব জারি করা বা একটি আমন্ত্রণ (তৈরীর) কর্মকাণ্ড। ক্রিয়ার সক্রিয় পার্টিসিপেল হিসাবে শব্দটির বেশকিছু অর্থ রয়েছে যেমন তলব করা বা আমন্ত্রণ করা। একজন মুসলিম যিনি দাওয়াহ্ এর অনুশীলন করেন, ধর্মীয় কর্মী হিসেবেই হোক বা স্বেচ্ছাসেবক সম্প্রদায় ভিত্তিক কর্মকাণ্ডই হোক ,তাকে বলা হই দা'ঈ(দা'ঈী)(داعي বহুবচন দুয়া'হ্, gen: দুয়া'ত دعاة). একজন দা'ঈ হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি উপদেশের (সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজের নিষেধ) মাধ্যমে মানুষকে ইসলামের দিকে ডাকেন ইসলামকে বোঝার জন্য। অনুরূপভাবে তারাও মানুষকে ইসলামি দৃঢ় বিশ্বাসের দিকে ,আল্লাহর ইবাদতের দিকে(আমল), ইসলামি জীবনব্যাবস্থার দিকে আমন্ত্রণ করেন (ডাকেন)[৯] ইসলাম ধর্মের দিকে আমন্ত্রণ বা দাওয়াতের গুরুত্ব বোঝাতে কুরআনে বলা হয়েছে : "আর তার চেয়ে কার কথা উত্তম, যে আল্লাহর দিকে দাওয়াত দেয়, সৎকর্ম করে এবং বলে, অবশ্যই আমি মুসলিমদের অন্তর্ভুক্ত’?"(৪১:৩৩)[১০]

আখিরাত/পরকাল[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধ: ইসলামে পরকাল

'পরকাল' শব্দটি দ্বারা বোঝানো হয় শেষ অবস্থা বা মৃত্যুর পরের অবস্থা [১১][১২][১৩][১৪] এবং ইসলামি বিশ্বাসে পরকাল দ্বারা বোঝায় ক্ষণস্থায়ী এই পার্থিব দুনিয়ার সমাপ্তি এবং তাতে কি ঘটবে সে সম্বন্ধের ব্যাপার[১৫][১৬] বিশ্বাসীদের (মুমিন, ঈমানদার বান্দাদের) জন্য নির্ধারিত স্থান জান্নাত নামে এবং অবিশ্বাসীদের (কাফের, মুশরিক) জন্য নির্ধারিত স্থান জাহান্নাম নামে পরিচিত।[১৭]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Glasse, Cyril (2001).New Encyclopedia of Islam (Revised Edition ed.). Rowman & Littlefield Publishers. p.105.
  2. [২]
  3. আল-ফিকহ্ আল-আকবর II আল-নানয়ী'র ধারাভাষ্যসহ
  4. Glasse, Cyril (2001).New Encyclopedia of Islam(Revised Edition ed.). Rowman & Littlefield Publishers. p.105.
  5. Joel Beversluis (ed.).Sourcebook of the World's Religions: An Interfaith Guide to Religion and .... New World Library. pp.68–9.
  6. (From the article on Tawhid in Oxford Islamic Studies Online)
  7. "Allah". Encyclopædia Britannica Online. Retrieved 2008-05-28
  8. Farāhī, Majmū‘ah Tafāsīr, 2nd ed. (Faran Foundation, 1998), 347.
  9. "Oxford Islamic Studies Online". Oxfordislamicstudies.com. 2008-05-06. Retrieved 2012-09-19
  10. (Quran 41:33)(http://www.usc.edu/org/cmje/religious-texts/quran/verses/041-qmt.php#041.033
  11. (Quran 71:18) http://www.usc.edu/org/cmje/religious-texts/quran/verses/071-qmt.php#071.018
  12. (Quran 31:34) http://www.usc.edu/org/cmje/religious-texts/quran/verses/031-qmt.php#031.034
  13. (Quran 74:47) http://www.usc.edu/org/cmje/religious-texts/quran/verses/074-qmt.php#074.047
  14. (Quran 2:8) http://www.usc.edu/org/cmje/religious-texts/quran/verses/002-qmt.php#002.008
  15. ("Major Signs before the Day of Judgment". Shaykh Ahmad Ali.) http://www.inter-islam.org/faith/Majorsigns.html
  16. ("Signs of Qiyaamah".) http://www.inter-islam.org/faith/Signs-Of-Qiyaamah.htm
  17. (Hasson, Isaac. Last Judgment. Encyclopaedia of the Qur'an.)