মক্কা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মক্কা
مكّة المكرمة
মক্কা আল মুকাররাম্মাহ
মক্কায় হারাম শরীফে প্রার্থনারত একজন মুসলিম
মক্কায় হারাম শরীফে প্রার্থনারত একজন মুসলিম
নাম: উম্ম আল কুউরা (মায়ের গ্রাম)
স্থানাঙ্ক: ২১°২৫′০″ উত্তর ৩৯°৪৯′০″ পূর্ব / ২১.৪১৬৬৭° উত্তর ৩৯.৮১৬৬৭° পূর্ব / 21.41667; 39.81667
দেশ Flag of Saudi Arabia.svg সৌদি আরব
প্রদেশ মক্কা প্রদেশ
মক্কার নির্মাণ +২০০০ বি.সি.
প্রতিষ্ঠিত ইব্রাহিম
সৌদি আরবে যোগ দিয়েছে ১৯২৪
সরকার
 • মেয়র ওসামা আল-বার
 • প্রদেশের প্রশাসক খালিদ আল ফয়সাল
জনসংখ্যা (২০০৭)
 • শহর ১৭,০০,০০০
 • শহুরে ২০,৫৩,৯১২
 • মেট্রো ২৫,০০,০০০
  মক্কার পৌরসভার হিসাব অনুসারে[১]
সময় অঞ্চল AST (ইউটিসি+৩)
ওয়েবসাইট মক্কা পুরসভা


মক্কা[২] (আরবি: مكة‎ˈmɛkkɛ/), পূর্ণ নাম: মাক্কাহ্‌ আল মুকার্‌রামাহ্‌, আরবি: مكة المكرمة ম্যাক্ক্যাল্‌মুক্যার্‌র‌্যাম্যা /ˈmɛkkɛlmuˈkɛrrɛmɛ/) সৌদি আরবের হেজাজের একটি শহর ও মক্কা প্রদেশের রাজধানী। সমুদ্রতল থেকে ২৭৭ মিটার (৯০৯ ফুট) উপরে একটি সংকীর্ণ উপত্যকায় শহরটি অবস্থিত, যা জেদ্দা শহর থেকে ৭০ কিলোমিটার (৪৩ মাইল) দূরে।২০১২ সালের হিসেব অনুযায়ী এখানে প্রায় ২ মিলিয়ন মানুষ বসবাস করেন। কিন্তু শহরটিতে এর প্রায় ৩ গুন মানুষ হিজরী জিলহজ্জ্ব মাসে হজ্জ্ব করতে আসেন।

মক্কা ইসলাম ধর্মের পবিত্রতম নগরী হিসেবে স্বীকৃত। এই শহরে মুহাম্মদ (সাঃ) এর জন্ম এবং এখানেই তিনি কুরআনের প্রথম ওহী লাভ করেন (বিশেষভাবে, হেরা গুহায় যা শহর থেকে ৩ কিলোমিটার দূরে)। মুসলিমরা প্রতি বছর হজ্জ্ব ও উমরাহ পালনের জন্য এখানে আসেন। মক্কার প্রাণকেন্দ্রে কাবা অবস্থিত। ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী কাবা হলো পৃথিবীর প্রথম মসজিদ। মুসলিমরা প্রতিদিন পাঁচ বার নামায আদায়ের সময় এই কাবার দিকে মুখ ঘুরিয়ে রাখেন। এটি তাদের প্রার্থনার সময় দিক নির্দেশ করে। দীর্ঘদিন এই শহর মুহাম্মদ (সাঃ)এর বংশধররা শাসন করেছে। ১৯২৫ সালে ইবনে সৌদ এর মাধ্যমে সৌদি আরব রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হলে সৌদ বংশ মক্কার দায়িত্ব লাভ করে। বর্তমানেও উক্ত রাজবংশ মক্কা শাসন করছে। আধুনিক যুগে এসে শহর বহুগুন সম্প্রসারিত হয়েছে। এর অবকাঠামো, রাস্তা-ঘাট, নাগরিক সুবিধা ইত্যাদির অনেক উন্নতি লক্ষ্য করা যায়। বিশ্বের চতুর্থ উচ্চতম ভবন মক্কা রয়েল ক্লক টাওয়ার এই শহরেই অবস্থিত। উক্ত ভবনের মেঝের আয়তন সারা বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম। শহর সম্প্রসারণের কারনে অনেক ঐতিহাসিক কাঠামো এবং প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, যেমন আজিয়াদ দুর্গ হারিয়ে গেছে। প্রতি বছর ১৫ মিলিয়ন মুসলিম মক্কা শহর ভ্রমণ করে। ফলশ্রুতিতে শহরটি সারা বিশ্বের অন্যতম প্রধান বিশ্বজনীন শহরে পরিণত হয়েছে। এই শহরে অমুসলিমদের প্রবেশ নিষিদ্ধ। [৩] [৪][৫]

পরিচ্ছেদসমূহ

মক্কা শব্দের ব্যুৎপত্তি ও ব্যাবহার[সম্পাদনা]

আরবি 'مكة' শব্দের অনুবাদ ইংরেজিতে‎‎ "Mecca" হিসেবে পরিচিত। [৬][৭] তবে সৌদি সরকার এই বানানরীতি ব্যাবহার করেনা। তারা এই শহরের ইংরেজি নাম করেছে 'Makkah', যা আরবি মূল শব্দের উচ্চারণের সবচেয়ে কাছাকাছি। গত শতকের আশির দশকে সৌদি সরকার এই বানান চালু করে, কিন্তু তবুও তা বিশ্বজুড়ে ব্যাবহারের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তা লাভ করেনি। মক্কার আনুষ্ঠানিক নাম হলো مكة المكرمة (বাংলাঃ মক্কা-আল-মোকাররমা, ইংরেজিঃ Makkah al-Mukarramah বা Makkatu l-Mukarramah)। এর অর্থ সম্মানিত মক্কা। তবে ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয় পবিত্র শহর মক্কা হিসেবে। ইংরেজিতে‎‎ "Mecca" শব্দের অর্থ হলো এমন একটি জায়গা যা অনেক মানুষকে আকর্ষণ করে। বাস্তবেও এই শহর সারা বিশ্বের মুসলিমদের আকর্ষণ করে। [৬][৬]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

প্রাচীন ইতিহাস[সম্পাদনা]

সামূদ জাতির শিলালিপি[সম্পাদনা]

ইসলামী ঐতিহ্য[সম্পাদনা]

মুহাম্মদ (সাঃ) এবং মক্কা বিজয়[সম্পাদনা]

মধ্যযুগীয় ও প্রাক-আধুনিক সময়[সম্পাদনা]

বিদ্রোহ[সম্পাদনা]

সৌদি আরব রাষ্ট্র[সম্পাদনা]

ঐতিহাসিক ভবন ধ্বংস[সম্পাদনা]

তীর্থযাত্রা[সম্পাদনা]

তীর্থযাত্রার ঘটনা[সম্পাদনা]

ভূগোল[সম্পাদনা]

নিকটাঞ্চলীয় ভূগোল[সম্পাদনা]

জলবায়ু[সম্পাদনা]

বিশেষত্ব[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

স্বাস্থ্য সেবা[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

খাদ্য[সম্পাদনা]

জনমিতি[সম্পাদনা]

মক্কা নগরীতে খুবই ঘন জনবসতি। মক্কার দীর্ঘ মেয়াদের স্থায়ী বাসিন্দারা পুরাতন শহরে বাস করে এবং অনেকেই হজ্বের কাজ করে যা স্থানীয়ভাবে হজ্বশিল্প নামে পরিচিত। সোদি আরবের হজ্ব মন্ত্রী আইয়াদ মাদানী বলেন, "আমাদের হজ্ব প্রস্তুতি কখনোই শেষ হয় না।"[৮]

বছরজুড়েই হজ্বযাত্রীরা শহরে আসতে থাকেন উমরা হজ্ব পালন করতে। প্রতিবছর গড়ে ৪০ লক্ষ্য মুসলমান মূল হজ্বে অংশ নিতে মক্কা নগরীতে জমায়েত হয়।[৯]

প্রধানত মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য এবং আফ্রিকা থেকে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠী মুসলমানেরা হজ্বের উদ্দেশ্যে আসেন। হজ্বযাত্রীদের কেউ কেউ থেকে যান এবং শহরের বাসিন্দা হয়ে যান। বার্মার থেকে যাওয়া লোকেরা এখানে সব থেকে পুরাতন এবং তারা একটি সম্প্রদায় গড়ে তুলতে পেরেছে যাদের সংখ্যা আড়াই লক্ষের কাছাকাছি।[১০] বিগত ৫০ বছরে শত সহস্র কাজ করতে আসা অভিবাসী এখানে জমায়েত হয়েছে।

সৌদি আরবের সাধারণ আইনে অমুসলিমদের মক্কা নগরীতে প্রবেশাধিকার নেই।[৪] জালিয়াতির মাধ্যমে প্রবেশের চেষ্টা করলে গ্রেফতার এবং শাস্তি হতে পারে।[১১] আহমাদিয়াদেরও প্রবেশাধিকার নেই কারণ সাধারণ মুসলমানেরা তাদেরকে অমুসলমান হিসেবে বিবেচনা করে।[১২] যদিও অনেক অমুসলিম এবং আহমাদিয়া শহরটি ভ্রমণ করেছেন। নিবন্ধিত তথ্যানুসারে প্রথম অমুসলিম হচ্ছে লুডোভিকো ডি ভার্থেমা, তিনি ১৫০৩ সালে মক্কা ভ্রমণ করেন।[১৩] ১৫১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে শিখ ধর্মের প্রবর্তক গুরু নানক সাহিব মক্কা ভ্রমণ করেন।[১৪] বিখ্যাতদের একজন হচ্ছেন রিচার্ড ফ্রান্সি বুর্টন,[১৫] যিনি আফগানিস্তান থেকে কাদিরিয়া সুফির ছদ্মবেশে ১৮৫৩ সালে মক্কা ভ্রমণ করেন। সৌদি সরকার আল কোরআনের নবম সুরার ২৮ নম্বর আয়াত দ্বারা তাদের নিজেদের অবস্থান সমর্থন করে।

শিক্ষা[সম্পাদনা]

জীবাশ্মবিজ্ঞান[সম্পাদনা]

২০১০ সালে সাদানিয়াস ফসিল আবিষ্কারের ফলে মক্কা নগরী প্রাইমেট ইভোলিউশন এর বিচারে জীবাশ্মবিজ্ঞানের গুরুত্বপূর্ণ সাইটে পরিণত হয়েছে। সাদানিয়াসদের প্রাইমেট হিসেবে বিবেচনা করা হয় যারা পুরাতন বিশ্বের বানর এবং এপসদের পূর্বপুরুষ ছিলো। জীবাশ্ম প্রাপ্তির স্থানটি বর্তমানে লোহিত সাগরের কাছে অবস্থিত যা ২৮ মিলিয়ন এবং ২৯ মিলিয়ন বছর আগে জংগলাকীর্ণ ছিলো।[১৬]

জীবাশ্মবিজ্ঞানীরা এই এলাকায় আরো জীবাশ্ম পাওয়ার আশায় গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে।[১৭]

টেলিযোগাযোগ[সম্পাদনা]

সৌদি শাসনামলে মক্কা নগরীর টেলিকমিউনিকেশন ব্যবস্থা বিকশিত হয়। বাদশাহ আব্দুল আজিজ আল সউদ সুশাসনের মাধ্যম হিসেবে দেখতেন। হেজাজের আলীর শাসনামলে নগরীতে মাত্র ২০ টি টেলিফোন ছিলো, ১৯৩৬ সালে তা এক লাফে বেড়ে দাঁড়ায় ৪৫০ এ যা দেশের মোট টেলিফোনের অর্ধেক। ১৯৮৫ সালে অন্যান্য শহরের মত মক্কাও আধুনিক টেলিফোন, টেলেক্স, বেতার এবং টেলিভিশন যোগাযোগব্যবস্থা অর্জন করে।[১৮]

হাশিমী সাম্রাজ্যকালে নির্দিষ্টসংখ্যক বেতার যোগাযোগব্যবস্থা স্থাপন করা হয়। ১৯২৯ সালে অত্র অঞ্চলের বিভিন্ন শহরে ওয়্যারলেস ষ্টেশন বসানো হয়। একটি নেটওয়ার্ক তৈরী হয় যা ১৯৩২ সালে পূর্নাংগ ভাবে চালু হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে বিদ্যমান নেটওয়ার্ক এর ব্যপকহারে বর্ধন ও উন্নয়ন সাধন হয়। সেই সময় হজ্বযাত্রীদের নির্দেশনা দিতে বেতার পরিসেবা ব্যবহৃত হতে থাকে। ১৯৫০ সালে আরাফাত দিবস থেকে সম্প্রচার শুরু হয় এবং ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত এই ধারা বাড়তেই থাকে। সেই সময়ে রেডিও মক্কা ছিলো মধ্যপ্রাচ্যের সব থেকে শক্তিশালী স্টেশন যার ক্ষমতা ছিলো ৫০ kW। পরে ৪৫০ kW এ উন্নীত হয়। প্রথম দিকে।সংগীত প্রচার করা না।হলেও আস্তে আস্তে সম্প্রচার শুরু হয়।[১৮]

পরিবহন[সম্পাদনা]

আকাশপথ[সম্পাদনা]

Hajj terminal

মক্কায় ছোট আকারে মক্কা পূর্ব বিমানবন্দর অবস্থিত হলেও কোন উড়োজাহাজ পরিসেবা চালু না থাকায় শহরের কেন্দ্র থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরে জেদ্দায় অবস্থিত বাদশাহ আব্দুল আজিজ আন্ত:র্জাতিক বিমানবন্দরের উপর নির্ভর করতে হয়। অধিক সংখ্যক হজ্বযাত্রী পরিবহনের সুবিধার্থে এই বিমানবন্দরে বিশেষ ভাবে নির্মিত টার্মিনাল রয়েছে যেখানে একই সাথে ৪৭ খানা বিমান ওঠানামা করতে পারে এএবং হজ্ব মৌসুমে প্রতিঘন্টায় ৩৮০০ জন হজ্বযাত্রীকে অভ্যর্থনা জানাতে পারে।[১৯]

রেলপথ[সম্পাদনা]

আল মাশায়ের আআল মুগাদ্দেসসাহ মেট্রো[সম্পাদনা]

আল মাশায়ের আআল মুগাদ্দেসসাহ মেট্রো হচ্ছে মক্কা শহরের একটি মেট্রো লাইন যা ২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর চালু হয়।[২০] এই ১৮.১ কিলোমিটার বিস্তৃত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা হজ্ব মৌসুমে হজ্বযাত্রীদের আরাফাত পর্বত, মুজদালিফা এবং মিনায় নেওয়া হয়।[২১]

মক্কা মেট্রো[সম্পাদনা]

Mecca Metro Route Map

মক্কা মেট্রো অফিশিয়ালি মক্কা মাস রেইল ট্রান্সপোর্ট নামে পরিচিত, শহরের মধ্য চার লেনের রেল লাইন।[২২] এটি হজ্বমৌসুমে হজ্বযাত্রীদের পরিবহণকারী আল মাশায়ের আল মুগাদ্দেসসাহ'র সাথে যুক্ত হবে।

আন্ত:শহর[সম্পাদনা]

সৌদি আরবে একটি উচ্চগতির রেললাইন নির্মান চলছে। এটা ৪৪৪ কিলোমিটার বিস্তৃত হবে যা মক্কা এবং মদিনা শহরকে সংযুক্ত করবে।[২৩] লাইনটি চালু হলে মক্কা থেকে মদিনার পথে যাত্রার সময় ২ ঘন্টা কম লাগবে।[২৪] স্পেনের একটি বিজিনেস কনসোর্টিয়াম এটা নির্মান করবে।[২৫]

স্থলপথ[সম্পাদনা]

Entry Gate of Mecca on Jaddah Makkah Highway

মক্কা নগরীকে সংযুক্তকারী কিছু আন্তঃনগর হাইওয়ে হচ্ছে:[২৬][২৭]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Population"Statistical Yearbook 47 (2011)। Central Department Of Statistics & Information। সংগৃহীত ১৫ নভেম্বর ২০১৩ 
  2. Rarely, Bakkah.
  3. Fattah, Hassan M.Islamic Pilgrims Bring Cosmopolitan Air to Unlikely City, The New York Times (20 January 2005).
  4. Peters, Francis E. (১৯৯৪)। The Hajj: The Muslim Pilgrimage to Mecca and the Holy Places। Princeton University Press। পৃ: ২০৬। আইএসবিএন 0-691-02619-X 
  5. Esposito, John L. (২০১১)। What everyone needs to know about IslamOxford University Press। পৃ: ২৫। আইএসবিএন 9780199794133। "Mecca, like Medina, is closed to non-Muslims" 
  6. Ham, Anthony; Brekhus Shams, Martha & Madden, Andrew (২০০৪)। Saudi Arabia (illustrated সংস্করণ)। Lonely Planet। আইএসবিএন 1-74059-667-6 
  7. Long, David E. (২০০৫)। Culture and Customs of Saudi Arabiaআইএসবিএন 978-0313320217 
  8. "A new National Geographic Special on PBS 'Inside Mecca'"। Anisamehdi.com। সংগৃহীত ৬ এপ্রিল ২০১০ 
  9. "Makkah al-Mukarramah and Medina"। Encyclopædia Britannica. Fifteenth edition 23। ২০০৭। পৃ: 698–699। 
  10. "After the hajj: Mecca residents grow hostile to changes in the holy city"। The Guardian। ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৬। সংগৃহীত ২৩ অক্টোবর ২০১৬ 
  11. "Saudi embassy warns against entry of non-Muslims in Mecca"। ABS-CBN News। ১৪ মার্চ ২০০৬। আসল থেকে ২৬ এপ্রিল ২০০৬-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২৭ এপ্রিল ২০০৮ 
  12. Robert W. Hefner; Patricia Horvatich (১৯৯৭-০১)। Islam in an Era of Nation-States: Politics and Religious Renewal in Muslim Southeast Asia। University of Hawai'i Press। পৃ: ১৯৮। আইএসবিএন 9780824819576। সংগৃহীত ৫ জুন ২০১৪ 
  13. "The Lure Of Mecca"। Saudi Aramco World। সংগৃহীত ৬ এপ্রিল ২০১০ 
  14. Dr Harjinder Singh Dilgeer says that Mecca was not banned to non-Muslim till nineteenth century; Sikh History in 10 volumes, Sikh University Press, (2010–2012), vol. 1, pp. 181–82
  15. "Sir Richard Francis Burton: A Pilgrimage to Mecca, 1853"। Fordham.edu। সংগৃহীত ৬ এপ্রিল ২০১০ 
  16. Sample, Ian (১৪ জুলাই ২০১০)। "Ape ancestors brought to life by fossil skull of 'Saadanius' primate"। London: Guardian (UK)। 
  17. Laursen, Lucas (২০১০)। "Fossil skull fingered as ape–monkey ancestor"। Natureডিওআই:10.1038/news.2010.354 
  18. "Makka – The Modern City", Encyclopaedia of Islam
  19. "Saudi terminal can receive 3,800 pilgrims per hour"Al Arabiya। ২৮ আগস্ট ২০১৪। 
  20. "Hajj pilgrims take the metro to Makkah"Railway Gazette International। ১৫ নভেম্বর ২০১০। [অকার্যকর সংযোগ]
  21. "Mecca metro contracts signed"Railway Gazette International। ২৪ জুন ২০০৯। সংগৃহীত ২৫ জুন ২০০৯ [অকার্যকর সংযোগ]
  22. "Jeddah and Makkah metro plans approved"Railway Gazette International। ১৭ আগস্ট ২০১২। 
  23. "High speed stations for a high speed railway"Railway Gazette International। ২৩ এপ্রিল ২০০৯। 
  24. "Al Rajhi wins Makkah – Madinah civils contract"Railway Gazette International। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৯। 
  25. El consorcio español firma el contrato del Ave a la Meca el 14 de enero | Economía | EL PAÍS. El País. (9 January 2012). Retrieved 2013-02-03.
  26. "Roads". saudinf.com.
  27. "THE ROADS AND PORTS SECTORS IN THE KINGDOM OF SAUDI ARABIA". saudia-online.com. 5 November 2001

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]