হাম্বলি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মুসলিম বিশ্বের মানচিত্র। হাম্বলি (গাঢ় সবুজ)।

হাম্বলি মাযহাব সুন্নি ইসলামের অন্যতম চারটি মাযহাবের মধ্যে একটি। এটা ইরাকি আলেম ইমাম আহমদ বিন মুহাম্মাদ বিন হাম্বল আবদুল্লাহ আল-শাইবানীর নামে নামকরণ করা হয়েছে, আর প্রাতিষ্ঠানিরূপ দিয়েছেন ইমাম আহমদ ইবন হাম্বলের ছাত্ররা। চারটি মাযহাবের মধ্যে, হাম্বলি মাযহাবের অনুসারী সংখ্যাই সবচেয়ে কম। বাংলাদেশেও এ মাযহাবের অনুসারী সংখ্যা খুব কম। হাম্বলি মাযহাবকে ক্ষেত্রবিশেষ আহলে সুন্নাহ বা আসারি বলেও পরিচয় দেওয়া হয়।

এ মাযহাবটি বর্তমানে সৌদি আরবে প্রতিষ্ঠিত, যেখানে এর অধিকাংশ অনুসারী রয়েছে। তবে এ ছাড়াও কাতার, মিশর, সিরিয়াতেও এ মাযহাবের অনেক অনুসারী রয়েছে। অধুনা পশ্চিমাদেশ, কাশ্মির, এমনকি বাংলাদেশেও এ মাযহাবের অনুসারী পাওয়া যায়, যদিও বাংলাদেশে এর সংখ্যা এখনও খুব কম।

স্বকীয় নিয়ম[সম্পাদনা]

  • অযু: যে ৭টি বিষয় অযু ভেঙ্গে দেয় তার মধ্যে অন্যতম একটা হলো শারিরীক চাহিদাবশত বিপরীত লিঙ্গের কারও ত্বক স্পর্শ করা, যেটা অনেকটা মালেকি মাযহাবের সাথে মিলে যায়। অন্যদিকে শাফেয়ি মাযহাবে বিপরীত লিঙ্গের কাওকে স্পর্শ করলেই অযু ভেঙ্গে যায়, যেখানে হানাফি মাযহাবে শুধুমাত্র কাওকে স্পর্শ করলে অযু ভাঙ্গে না।
  • রুকু: রুকুতে যাওয়ার আগে এবং রুকু থেকে দাঁড়ানোর সময় হাত তুলা (রাফউল ইয়াদাইন) সুন্নত, যেখানে শাফেয়ি মাযহাবের সাথে সাদৃশ্য রয়েছে। এবং রুকু থেকে দাঁড়ানোর পর নামাযরত ব্যক্তি চায়লে আগের মত হাত বাঁধতে পারে। যেখানে অন্য মাযহাবে হাত দু পাশে ছেড়ে দাঁড়ানোই নিয়ম।
  • তাশাহুদ: আল্লাহর নাম উচ্চারণের সময় আঙুল উঠাতে ও নামাতে হয়।
  • তাসমিয়া বা বিসমিল্লাহ বলা: ওযু, গোসল ও তয়াম্মুমে বিসমিল্লাহ বলা এ মাযহাবে ওয়াজিব বলে বিবেচিত।
  • কোন ওজর ব্যতীত, পুরুষের জন্য জামাতে নামায পড়া ওয়াজিব বলে বিবেচিত।

প্রসিদ্ধ আলিমগণ[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]