ইসলামের প্রসার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

নবী মুহাম্মদ (সা)-এর ওফাতের পরের বছরগুলোতে আরব সম্রাজ্যের বিস্তৃতিই খিলাফত প্রতিষ্ঠার সূচনা করেছিল ।

জানুয়ারি ২০১৫ এর হিসাব অনুসারে , পৃথিবীতে মুসলমানদের সংখ্যা ২ বিলিয়ন [১][২]। পৃথিবীতে গড়ে প্রতি চারজন ব্যক্তির মধ্যে একজন মুসলমান [৩] , যা ইসলামকে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মে পরিনত করেছে [৪]

ধর্মান্তর[সম্পাদনা]

প্রথম ধাপ: প্রাথম খলিফা ও উমাইয়াগণ (610–750 CE)[সম্পাদনা]

দ্বিতীয় ধাপ: আব্বাসীয়গণ (750–1258)[সম্পাদনা]

এশিয়া মাইনর, বলকান অঞ্চল, এবং ভারতীয় উপমহাদেশে তুর্কীয় বিজয় অভিযানের প্রাক্কালে ইসলামের প্রসার অব্যাহত ছিল[৫]

আব্বাসীয় খিলাফত বিশ্বের প্রাচীনতম কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে পরিচিত , যেমন বাইতুল হিকমাহ (প্রজ্ঞার ঘর)
আব্বাসীয় খিলাফত বিশ্বের প্রাচীনতম কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা হিসাবে পরিচিত , যেমন বাইতুল হিকমাহ (প্রজ্ঞার ঘর)

চতুর্থ ধাপ: উসমানীয় সাম্রাজ্য: 1299 - 1924[সম্পাদনা]

উসমানীয় সাম্রাজ্যের শাসনাধীন মধ্য ইউরোপের রাজ্যসমূহ।1683 CE.
উসমানীয় সাম্রাজ্যের শাসনাধীন মধ্য ইউরোপের রাজ্যসমূহ1683 CE

অঞ্চল অনুসারে[সম্পাদনা]

ফিলিস্তিন[সম্পাদনা]

পারস্য ও ককেশাস[সম্পাদনা]

তুরস্ক[সম্পাদনা]

দক্ষিণ এশিয়া[সম্পাদনা]

দক্ষিণ এশিয়ায় সালতানাত ও সাম্রাজ্যসমূহের পতাকা[সম্পাদনা]

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া[সম্পাদনা]

পূর্ব ভারতীয় দীপপুঞ্জে সালতানাতসমূহের পতাকা[সম্পাদনা]

মধ্য এশিয়া ও ইউরো[সম্পাদনা]

আফ্রিকা[সম্পাদনা]

উত্তর আফ্রিকা[সম্পাদনা]

দক্ষিণ আফ্রিকা[সম্পাদনা]

পূর্ব আফ্রিকা[সম্পাদনা]

পশ্চিম আফ্রিকা[সম্পাদনা]

ইউরোপ[সম্পাদনা]

তারিক বিন জিয়াদ (আরবি: طارق بن زياد‎, জন্ম: ৬৭০- মৃত্যু: ৭২০) ৭১১ থেকে ৭১৮ সাল পর্যন্ত ভিসিগথ শাসিত হিস্পানিয়ায় মুসলিম বিজয় অভিযানের একজন সেনানায়ক। ইবেরিয়ান ইতিহাসে তাকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সেনা কমান্ডার হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উমাইয়া খলিফা প্রথম আল ওয়ালিদের আদেশে তিনি একটি বিরাট বাহিনীকে মরক্কোর উত্তর উপকূল থেকে নেতৃত্ব দেন। জিব্রাল্টারে তিনি তার সৈন্যসমাবেশ করেন। জিব্রাল্টার নামটি আরবি জাবাল তারিক ( جبل طارق ) থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এর অর্থ "তারিকের পাহাড়"। তারিক বিন জিয়াদের নামে এটির নামকরণ হয়।

হিস্পানিয়া / আন্দালুস[সম্পাদনা]

এক সময়কার গ্রেট মস্ক অব কর্ডোবা'র অভ্যন্তর (মিহরাব) , বর্তমানে কর্ডোবা'র প্রধান গির্জা । ইসলামি স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ উদাহরণগুলোর মধ্যে ৭৪২ সালে নির্মিত উমাইয়া ধাঁচের এই স্থাপত্যটি অন্যতম , যা আল-আন্দালুসের অন্যান্য মসজিদের নকশাকে প্রভাবিত করেছিল
এক সময়কার গ্রেট মস্ক অব কর্ডোবা'র অভ্যন্তর (মিহরাব) , বর্তমানে কর্ডোবা'র প্রধান গির্জা । ইসলামি স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ উদাহরণগুলোর মধ্যে ৭৪২ সালে নির্মিত উমাইয়া ধাঁচের এই স্থাপত্যটি অন্যতম , যা আল-আন্দালুসের অন্যান্য মসজিদের নকশাকে প্রভাবিত করেছিল

বলকান[সম্পাদনা]

খিলাফতের যুগ নবী (সা:) এর অধীনে সম্প্রসারণ ৬২২–৬৩২/১-১১ হিজরী রাশিদুন খিলাফতের অধীনে সম্প্রসারণ ৬৩২–৬৬১/১১-৪০ হিজরী উমাইয়া খিলাফতের অধীনে সম্প্রসারণ ৬৬১–৭৫০/৪০-১২৯ হিজরী
খিলাফতের সম্প্রসারণ, ৬২২-৭৫০
  মুহাম্মদ (সা) এর অধীনে সম্প্রসারণ ৬২২–৬৩২/১-১১ হিজরী
  রাশিদুন খিলাফতের অধীনে সম্প্রসারণ ৬৩২–৬৬১/১১-৪০ হিজরী
  উমাইয়া খিলাফতের অধীনে সম্প্রসারণ ৬৬১–৭৫০/৪০-১২৯ হিজরী

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

টীকা[সম্পাদনা]

  1. "Executive Summary"The Future of the Global Muslim Population। Pew Research Center। সংগ্রহের তারিখ ২২ ডিসেম্বর ২০১১ 
  2. "Table: Muslim Population by Country | Pew Research Center's Religion & Public Life Project"। Features.pewforum.org। ২০১১-০১-২৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-০৭-২৩ 
  3. Hallaq, Wael (২০০৯)। An introduction to Islamic lawCambridge University Press। পৃষ্ঠা 1। আইএসবিএন 9780521678735 
  4. "রিলিজিওন & পাবলিক লাইফ"পিউ রিসার্চ সেন্টার। সংগ্রহের তারিখ ১৬ এপ্রিল ২০১৬ 
  5. Goddard, pg.126-131

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]