ইসলামের রাজনৈতিক দিক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

ইসলামের রাজনৈতিক দিক মূলত কোরআন, সুন্নাহ (ইসলামী নবী মুহাম্মদ-এর বানী ও জীবনাচরণ), ইসলামের ইতিহাস ও বিভিন্ন রাজনৈতিক আন্দোলন সংগ্রাম থেকে উদ্ভূত।

ঐতিহ্যগতভাবে ইসলামে রাজনৈতিক ধারণাসমূহের মধ্যে নির্বাচিত নেতৃত্ব একটি বিশেষ গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। নবী মুহাম্মদ এর পর যারা ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থায় নেতৃত্বদানের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন তাদেরকে খলিফা বলা হয়। ইসলামী রাজনৈতিক চিন্তায় রাষ্ট্র পলিচালনার জন্য ইসলামী আইন বা শরিয়া সর্বাধিক গুরুত্বপুর্ণ। শরিয়া আইন অনুসারে নির্বাচিত শাসকবৃন্দ জনগণের সাথে বিভিন্ন বিষয়ে শুরা বা পরামর্শ সাপেক্ষে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।[১]

১৯২৪ সালে উসমানীয় (অটোমান) সাম্রাজ্যের পতনের পর মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিরাট পরিবর্তন সূচিত হয়।[২] উনবিংশ ও বিংশ শতাব্দীতে মুসলিম বিশ্বের রাজনীতিতে বিবেচ্য বিষয় ছিলো পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদের বিরোধিতা করা এবং ইসলামী রাষ্ট্রসমূহে শরিয়া আইন বাস্তবায়ন করা। ছয় দিনের যুদ্ধে (সিক্স ডে ওয়ার) আরব বাহিনীর পরাজয়, স্নায়ু যুদ্ধের সমাপ্তি ও সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত রাশিয়ার পতন ইত্যাদি রাজনৈতিক ঘটনাবলি ইসলামী আন্দোলন সংগ্রামের আবেদনকে বেগবান করেছে। সেক্যুলার রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতি অনাস্থাস্বরূপ মুসলিম বিশ্বের ইসলামী রাজনৈতিক দলগুলো আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রাক-আধুনিক ইসলাম[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক আন্দোলন হিসাবে ইসলামের ভিত্তি ইসলামিক নবী মুহাম্মদ এবং তার উত্তরসূরিদের জীবন ও সময়গুলিতে খুঁজে পাওয়া যায়। ৬২২ খ্রিস্টাব্দে নিজ নবুয়াতের দাবির স্বীকৃতি হিসাবে মুহাম্মদকে মদীনা শহরে শাসন করার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। এ সময় আউস এবং খাজরাজ গোত্রের স্থানীয় আরব উপজাতিরা এই শহরটিতে আধিপত্য বিস্তার করেছিল এবং তাতে নিয়মিত সংঘাত সংঘর্ষ চলমান ছিল। মদিনার অধিবাসীরা মুহাম্মাদের মাঝে একজন নিরপেক্ষ বহিরাগত দেখতে পেয়েছিল যে সংঘাতটি সমাধান করতে পারে। মুহাম্মদ এবং তাঁর অনুসারীরা এভাবে মদিনায় চলে যায়, যেখানে মুহাম্মদ মদীনার সনদ খসড়া করেছিলেন। এই দলিলটি মুহাম্মদ কে শাসকে পরিণত করে এবং তাকে আল্লাহর নবী হিসাবে স্বীকৃতি দেয়। মুহম্মদ তাঁর শাসনকালে কুরআন ও নিজ কর্মের উপর ভিত্তি করে আইন প্রতিষ্ঠা করে, যাকে মুসলমানরা শরিয়া বা ইসলামী আইন হিসাবে বিবেচনা করে, যাকে বর্তমান সময়ের ইসলামী আন্দোলনগুলো প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। মুহাম্মদ একটি বিস্তৃত অনুসারী দল ও সেনাবাহিনী অর্জন করেছিলেন এবং কূটনীতি ও সামরিক বিজয়ের সংমিশ্রণের মাধ্যমে তার শাসন প্রথমে মক্কা শহরে এবং এরপর আরব উপদ্বীপের মাধ্যমে প্রসারিত হয়।

বর্তমানে বহু সংখ্যাগরিষ্ঠ ইসলামপন্থী বা ইসলামী গণতান্ত্রিক দল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রায় প্রতিটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রেই বিদ্যমান। অনেক জঙ্গি ইসলামী গোষ্ঠীও বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে কাজ করছে। পাশাপাশি কিছু অমুসলিম ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কতিপয় জঙ্গিবাদী ইসলামী গোষ্ঠীর রাজনৈতিক ও ধর্মীয় দর্শনের বর্ণনা দেওয়ার জন্য "ইসলামিক মৌলবাদ" নামক একটি বিতর্কিত শব্দের উদ্ভাবন করেছেন। এই উভয় পরিভাষাই (ইসলামী গণতন্ত্র এবং ইসলামী মৌলবাদ) পৃথক ইতিহাস, মতাদর্শ এবং দৃষ্টিকোণের অধিকারী বিভিন্ন দল-উপদলের এক বিশাল গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করে।

কুরআন[সম্পাদনা]

যদিও কুরআন রাজনীতি নিয়ে কোন কথা বলেনি, তবে এতে নিপীড়িতদের (মুস্তাদ'আফীন), দেশত্যাগ (হিজরত), মুসলিম সম্প্রদায় (উম্মাহ) এবং ঈশ্বরের পথে লড়াই করার (জিহাদ) ধারণার উল্লেখ রয়েছে, যার রাজনৈতিক প্রভাব থাকতে পারে।[৩] কুরআনের বেশ কয়েকটি আয়াতে (যেমন কুরআন ৪: ৯৮) মুস্তাদ'আফিন ("দুর্বল বলে বিবেচিত", "সম্বলহীন" বা "নিপীড়িত") সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে, যেমনঃ কীভাবে ফেরাউনের মত লোকেরা তাদেরকে শোষণ করে, ঈশ্বর কীভাবে তাদের সাথে ন্যায়বিচার করা হোক বলে আশা করেন এবং তারা যে দেশ থেকে অত্যাচারিত হয় সেখান থেকে কীভাবে তারা দেশত্যাগ করতে পারে (কুরআন ৪: ৯৯)। নবী ইব্রাহীম "আপন পালনকর্তার উদ্যেশ্যে দেশত্যাগ" করেছিলেন (কুরআন ২৯: ২৬)। কুরআনে অবিশ্বাসীদের (কুফফার) বিরুদ্ধে যুদ্ধের আদেশ দেওয়া হয়েছে এবং ঐশী সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, যদিও (কিছু) আয়াতে বলেছে যে এই আদেশটি হয়তবা তখনকার জন্য যখন অবিশ্বাসীরা যুদ্ধ শুরু করে এবং চুক্তি ও সমঝোতা করে তখন যুদ্ধের অবসান ঘটানো যেতে পারে। এছাড়াও কুরআনে বিজয়ীদের মাঝে যুদ্ধলব্দ সামগ্রীর যথাযথ বিভাজনের জন্যও কিছু আয়াত রয়েছে। পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শত্রু বা "প্রতারকদের" "( মুনাফিকুন ) বিরুদ্ধে যুদ্ধেরও আদেশ দেওয়া হয়েছে।[৩] কিছু আদেশ নবীর জীবদ্দশার পরবর্তীতে আর বিস্তৃত হয়নি, যেমন আল্লাহ ও তার নবীর সঙ্গে ঝগড়া করা বা নবীকে কথা বলার সময় তার সঙ্গে চিৎকার করে বা উঁচু গলায় কথা বলা।[৪] ইসলামের রাজনৈতিক শিক্ষা সীমিত হওয়ার কারণ হল, কুরআনে "কোন আনুষ্ঠানিক ও অব্যাহত কর্তৃত্বের কাঠামো"র ব্যপারে উল্লেখ করা হয়নি, এতে কেবল নবীকে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে[৪] আর এর মূলভাবের রাজনৈতিক ব্যবহার ছিল সে সময় অত্যন্ত সীমিত যখন কিনা বিভিন্ন শহর আর দেশ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত এক বিস্তৃত কৃষক-সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চলের শাসনকার্য পরিচালনাই যে ইসলামের সাফল্য হতে পারে তা মরুভূমির যাযাবর মানুষের ধারণাতীত ছিল।[৫]

মদিনার ইসলামী রাষ্ট্র[সম্পাদনা]

ইসলামী নবী মুহাম্মাদ মদিনার সংবিধানের খসড়া তৈরি করেছিলেন। এতে মুহাম্মাদ ও ইয়াস্রিবের (পরবর্তীতে মদিনা) সকল গুরুত্বপূর্ণ গোত্র ও পরিবারের মধ্যে একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি বিধিবদ্ধ হয়েছিল, যার মধ্যে মুসলিম, ইহুদি, খ্রিস্টান[৬] ও পৌত্তলিকরা অন্তর্ভুক্ত ছিল।[৭][৮][৯] এই সংবিধান প্রথম ইসলামী রাষ্ট্রের মূলভিত্তি গঠন করেছিল। এই দস্তাবেজটি মদিনার আওস ও খাজরাজ গোত্রের মধ্যে চলমান তিক্ত আন্তঃগোত্রীয় লড়াইয়ের একটি আশানুরূপ সমাপ্তি আনয়নের প্রকাশ্য প্রচেষ্টাস্বরূপ লিখিত হয়েছিল। এতে মদিনার মুসলিম, ইহুদি খ্রিস্টান ওঁ পৌত্তলিক সম্প্রদায়সমূহের অধিকার ও কর্তব্যসমূহ সংক্ষেপে নির্ধারণ করার মাধ্যমে তাদেরকে উম্মত নামক একক সম্প্রদায়ের অধীনে নিয়ে আসা হয়।[১০]


প্রাথমিক খিলাফত ও রাজনৈতিক আদর্শ[সম্পাদনা]

মুহাম্মদের মৃত্যুর পর, তার সম্প্রদায়ের একজন নতুন নেতা নিয়োগ করার প্রয়োজন পড়ে, যার ফলে খলিফা পদবির উৎপত্তি ঘটে, যার অর্থ হল "উত্তরসূরি"। একারণে, পরবর্তীকালে ইসলামী সাম্রাজ্যগুলো খিলাফত নামে পরিচিত ছিল। উমাইয়া সাম্রাজ্য বেড়ে ওঠার সময় ইসলামের অভ্যন্তরে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক বিকাশ ছিল সুন্নি এবং শিয়া মুসলমানদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক বিভক্তি; খেলাফতের উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধের জেরে এই বিভাজনের সূত্রপাত ঘটেছিল। সুন্নি মুসলমানরা বিশ্বাস করতেন যে, খিলাফত হবে নির্বাচনভিত্তিক এবং যে কোন মুসলিম যোগ্যতাভিত্তিক নির্বাচনের মাধ্যমে এই পদবির অধিকারী হতে পারে। অন্যদিকে শিয়াগণ বিশ্বাস করতেন যে, খলীফাগণ নবীর বংশধরদের মধ্য থেকে হওয়া উচিত এবং এ কারণে তাদের মতে, আলী ছাড়া বাদবাকি সমস্ত খলিফা ছিলেন খলিফা পদবির অবৈধ দখলদার।[১১] তবে, মুসলিম বিশ্বের অধিকাংশ স্থানেই সুন্নি সম্প্রদায় বিজয়ী হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে এবং একইভাবে আধুনিক ইসলামী রাজনৈতিক আন্দোলনসমূহের (ইরান ছাড়া) অধিকাংশই সুন্নি চিন্তাধারার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।


নির্বাচন বা সরাসরি নিয়োগ[সম্পাদনা]

শাফেয়ী মাজহাবের মুসলিম ফকীহ আল-মাওয়ারদী লিখেছেন যে, খলিফা হওয়া উচিত কুরাইশ বংশীয়। আশআরী ইসলামী পন্ডিত ও মালিকি আইনবিদ আবু বকর আল বাকিলনি, লিখেছেন যে, মুসলমানদের নেতা কেবল সংখ্যাগরিষ্ঠের মধ্যে থেকে হওয়া উচিত। সুন্নি হানাফি ফিকহের প্রতিষ্ঠাতা আবু হানিফা আন-নুমান লিখেছেন যে, নেতা অবশ্যই সংখ্যাগরিষ্ঠ থেকে হতে হবে।[১২]


মজলিশ আশ-শূরা[সম্পাদনা]

খেলাফতের আইনসভা, সর্বাধিক উল্লেখযোগ্যভাবে রাশিদুন খিলাফতের আইনসভা আধুনিক বিবেচনায় গণতান্ত্রিক ছিল না, সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা মোহাম্মদের উল্লেখযোগ্য এবং বিশ্বস্ত সহযোগীদের (সাহাবীদের) এবং বিভিন্ন গোত্র প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি পরিষদের হাতে ন্যাস্ত ছিল (তাদের বেশিরভাগই ছিল নিজ গোত্রের নির্বাচিত বা বাছাইকৃত ব্যক্তি)।[১৩]


ক্ষমতার পৃথকীকরণ[সম্পাদনা]

প্রথমদিকের ইসলামি খেলাফতে, মুহাম্মদের রাজনৈতিক কর্তৃত্বের একজন উত্তরসূরি হিসেবে রাষ্ট্রপ্রধান আকারে খলিফাগণের অবস্থান তৈরি হয়েছিল , যারা সুন্নী অনুসারে জনগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের দ্বারা আদর্শ পদ্ধতিতে নির্বাচিত হতেন,[১৪] যেমনটি আবু বকরের নির্বাচন, উসমানের নির্বাচন এবং খলিফা হিসাবে আলির ক্ষেত্রে হয়েছিল। পরে রশিদুন খালিফাদের পর ইসলামিক স্বর্ণযুগের খলিফাদের সময়ে গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণের পরিমাণ অনেক কম ছিল, কিন্তু যেহেতু ইসলামে "ধর্মপরায়ণতা ও পুণ্যের ভিত্তি ছাড়া অন্য কোন ক্ষেত্রে কেউ কারও চেয়ে শ্রেষ্ঠ নয় ", এবং মুহাম্মদের আদর্শ ছিল জনগণের সঙ্গে সলাপরামর্শ করা, তাই পরবর্তীকালে ইসলামী শাসকরা প্রায়শই তাদের রাজকার্যের বিষয়ে জনগণের সাথেপরামর্শ করতেন।[১৫]


আনুগত্য ও বিরোধিতা[সম্পাদনা]

পণ্ডিত মোজান মোমেনের বক্তব্যমতে, "কুরআনের অন্যতম প্রধান একটি বিষয় যা নিয়ে অনেক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ রয়েছে" যার বিষয়বস্তু হল, দায়িত্ব কার হাতে থাকবে, তার ভিত্তি হল নিম্নোক্ত আয়াতটি

"হে বিশ্বাসীগণ! আল্লাহ ও রাসূলকে মেনে চলো এবং তাদেরকে মেনে চল যাদেরকে তোমাদের মধ্য থেকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে (ঊলা' আল-আমর) " (কুরআন ৪:৫৯)।

সুন্নিদের কাছে, ঊলা' আল-আমর হল শাসকগণ (খলিফা ও রাজা-বাদশাহগণ) কিন্তু শিয়াদের কাছে এই কথার অর্থ হল ইমামগণ।"[১৬]

শরিয়াহ ও প্রশাসনিক-ব্যবস্থা (সিয়াসা)[সম্পাদনা]

মধ্যযুগের শেষের দিক থেকে, সুন্নি ফিকহে সিয়সা শারিয়াহর মতবাদকে বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা শুরু হয়, যার আক্ষরিক অর্থ শরিয়াহ অনুসারে শাসনব্যবস্থা এবং কখনও কখনও একে ইসলামী আইনের রাজনৈতিক মাত্রাও বলা হয়ে থাকে। এর লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থার ব্যবহারিক চাহিদার সঙ্গে ইসলামী আইনের মেলবন্ধন ঘটানো।[১৭]

শিয়া প্রথা[সম্পাদনা]

খারেজি প্রথা[সম্পাদনা]

আধুনিক যুগ[সম্পাদনা]

ইউরোপীয় উপনিবেশবাদের প্রতিক্রিয়া[সম্পাদনা]

১৯ শতকের সময়কালে, মুসলিম বিশ্বের ইউরোপীয় উপনিবেশকরণের পাশাপাশি একই সময়ে ফরাসিদের আলজেরিয়া বিজয় (১৮৩০), ভারতে মুঘল সাম্রাজ্যের পতন (১৮৫৭), ককেশাস (১৮২৮)ও মধ্য এশিয়ায় (১৮৩০-১৮৯৫) রুশ বহিরাক্রমণ সংঘটিত হয়, এবং বিংশ শতাব্দীতে চূড়ান্তভাবে উসমানীয় সাম্রাজ্যের পতন ও বিলুপ্তি ঘটে (১৯০৮-১৯২২)।


ইসলামী রাষ্ট্রের আধুনিক রাজনৈতিক আদর্শ[সম্পাদনা]

গণতন্ত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যতা[সম্পাদনা]

সাধারণ মুসলিম দৃষ্টিভঙ্গি[সম্পাদনা]

ইসলামী রাজনৈতিক তত্ত্বসমূহ[সম্পাদনা]

২০শ ও ২১শ শতক[সম্পাদনা]

সমসাময়িক আন্দোলনসমূহ[সম্পাদনা]

ইসলামের কিছু সাধারণ রাজনৈতিক স্রোতধারার মধ্যে রয়েছে:

সুন্নি ও শিয়াদের মধ্যকার পার্থক্যসমূহ[সম্পাদনা]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. [১] Abu Hamid al-Ghazali quoted in Mortimer, Edward, Faith and Power: The Politics of Islam, Vintage Books, 1982, p.37
  2. [২] Feldman, Noah, Fall and Rise of the Islamic State, Princeton University Press, 2008, p.2
  3. Cook, Michael (১৯৮৩)। Muhammad। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 51–60। আইএসবিএন 0192876058 
  4. Cook, Michael (১৯৮৩)। Muhammad। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 56–7। আইএসবিএন 0192876058 
  5. Cook, Michael (১৯৮৩)। Muhammad। Oxford University Press। পৃষ্ঠা 59। আইএসবিএন 0192876058 
  6. R. B. Serjeant, "Sunnah Jāmi'ah, pacts with the Yathrib Jews, and the Tahrīm of Yathrib: analysis and translation of the documents comprised in the so-called 'Constitution of Medina'", Bulletin of the School of Oriental and African Studies (1978), 41: 1-42, Cambridge University Press.
  7. See:
    • Reuven Firestone, Jihād: the origin of holy war in Islam (1999) p. 118;
    • "Muhammad", Encyclopedia of Islam Online
  8. Watt, William Montgomery. Muhammad at Medina
  9. R. B. Serjeant. "The Constitution of Medina." Islamic Quarterly 8 (1964) p.4.
  10. Serjeant (1978), page 4.
  11. Lewis, Bernard, The Middle East : a Brief History of the last 2000 Years, Touchstone, (1995), p.139
  12. Process of Choosing the Leader (Caliph) of the Muslims: The Muslim Khilafa: by Gharm Allah Al-Ghamdy ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১১-০৭-০৭ তারিখে
  13. Sohaib N. Sultan, Forming an Islamic Democracy ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০০৪-১০-০১ তারিখে
  14. Encyclopedia of Islam and the Muslim World (2004), vol. 1, p. 116-123.
  15. Judge Weeramantry, Christopher G. (১৯৯৭)। Justice Without FrontiersBrill Publishers। পৃষ্ঠা 135। আইএসবিএন 90-411-0241-8 
  16. Momen, Moojan, Introduction to Shi'i Islam, Yale University Press, 1985 p.192
  17. Bosworth, C.E.; Netton, I.R.; Vogel, F.E. (২০১২)। "Siyāsa"। P. Bearman; Th. Bianquis; C.E. Bosworth; E. van Donzel; W.P. Heinrichs। Encyclopaedia of Islam (2nd সংস্করণ)। Brill। ডিওআই:10.1163/1573-3912_islam_COM_1096 (সদস্যতা প্রয়োজনীয়)


উৎস[সম্পাদনা]

The following sources generally prescribe to the theory that there is a distinct 20th-century movement called Islamism:

  • "Children of Abraham: An Introduction to Islam for Jews" Khalid Duran with Abdelwahab Hechiche, The American Jewish Committee and Ktav, 2001
  • "The Islamism Debate" Martin Kramer, 1997, which includes the chapter The Mismeasure of Political Islam
  • "Liberal Islam: A Sourcebook", Charles Kurzman, Oxford University Press, 1998
  • "The Challenge of Fundamentalism: Political Islam and the New World Disorder", Bassam Tibi, Univ. of California Press, 1998

The following sources challenge the notion of an "Islamist movement":

These authors in general locate the issues of Islamic political intolerance and fanaticism not in Islam, but in the generally low level of awareness of Islam's own mechanisms for dealing with these, among modern believers, in part a result of Islam being suppressed prior to modern times.

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

On democracy in the Middle East, the role of Islamist political parties and the War on Terrorism:

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Awqaf cabinet departments