হিজরত
| তারিখ | ৬২২ |
|---|---|
| অবস্থান | আরব উপদ্বীপ |
| অন্যনাম | মুহাম্মাদ এর[১][২] দেশত্যাগ; নবী মুহাম্মাদের দেশান্তর[৩] |
| অংশগ্রহণকারী | ইসলামের নবী মুহাম্মাদ এবং তার অনুসারীরা |
| ফলাফল | মদীনা শহরের নামকরণ (পুরাতন নাম: ইয়াসরিব); আস ও খাজরাজ গোত্রের ইসলাম গ্রহণ; মুহাম্মাদের রাজনৈতিক নেতা হওয়া এবং মুসলমানদের ঐক্য প্রতিষ্ঠা |
হিজরত[ক], (টেমপ্লেট:Lang-Ar), যেটিকে হেজিরা নামেও ডাকা হয় (মধ্যযুগীয় ল্যাটিন থেকে), ছিল একটি যাত্রা—যেখানে ইসলামের নবী মুহাম্মদ ও তাঁর অনুসারীরা মক্কা থেকে মদিনার উদ্দেশে গমন করেন।[৬][৭] হিজরতের ঘটনাটি চান্দ্র হিজরি[খ] ও সৌর হিজরি পঞ্জিকার সূচনা বর্ষ (ইপক) হিসেবেও চিহ্নিত। এই তারিখ জুলিয়ান পঞ্জিকা অনুসারে ১৬ জুলাই ৬২২ সালের সমতুল্য।[৮][৯][গ]
মুহাম্মদের ইসলাম প্রচারের প্রাথমিক পর্যায়ে তাঁর অনুসারীরা মূলত ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও আত্মীয়দের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। অধিকাংশ কুরাইশ গোত্রের সদস্য প্রথমে তাঁর কার্যক্রমের প্রতি উদাসীন ছিলেন, কারণ তারা ধর্মীয় সমাবেশে আগ্রহী ছিল না। তাই শুরুতে তারা তাঁর প্রতি তেমন বিরোধিতা করেনি। তবে যখন মুহাম্মদ তাদের প্রচলিত বিশ্বাসের বিরোধিতা শুরু করেন, তখন উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।[১২][১৩][১৪][১৫]
৬২২ সালের মে মাসে, মদিনার আউস ও খাজরাজ নামক দুটি গোত্রের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মিনার অদূরে আল-আকাবাহ নামক স্থানে দু'বার সাক্ষাৎ করার পর, মুহাম্মদ গোপনে মক্কা ত্যাগ করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বন্ধু, শ্বশুর এবং সহচর আবু বকর।[১৬]
উৎপত্তি
[সম্পাদনা]Hijrah শব্দটি আরবি هجرة শব্দের রোমানীকরণ, যার অর্থ 'প্রস্থান করা', 'অন্যত্র গমন করা' বা 'সরে যাওয়া'।[৪][৫] এই শব্দটি গঠিত হয়েছে হ-জ-র (H-J-R) শিকড় থেকে। এই শিকড়ের প্রথম স্তরের ক্রিয়া হাজারা (hajara) অর্থ 'বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থেকে কাউকে বিচ্ছিন্ন করা; সম্পর্ক এড়িয়ে চলা'। তৃতীয় স্তরের ক্রিয়া হাজারা (hājara) বোঝায় 'পারস্পরিক সম্পর্কের বিচ্ছেদ এবং গমন'। এই শব্দটি প্রায়শই ভুলভাবে এবং যথাযথ প্রেক্ষাপট ছাড়াই 'আত্মীয়তা বা সম্পর্ক ছিন্নকরণ' হিসেবে অনুবাদ করা হয়েছে।[৪] ১৭৫৩ সাল থেকে ইংরেজিতে এই শব্দটি 'একটি নির্দিষ্ট স্থান থেকে গণপ্রস্থান' অর্থে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।[১৭]
পটভূমি
[সম্পাদনা]মদিনার পরিস্থিতি
[সম্পাদনা]মক্কা থেকে প্রায় ২৬০ মাইল (৪২০ কিলোমিটার) উত্তরে অবস্থিত মদিনা ছিল একটি সবুজ-শ্যামল ওয়াহি অঞ্চল।[১৮] মুসলিম সূত্র অনুযায়ী, এই শহরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন কিছু ইহুদি, যারা রোমানদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ থেকে বেঁচে গিয়েছিলেন।[১৯] আরব গোত্রগুলোর কৃষিকাজের সঙ্গে খুব একটা সম্পর্ক না থাকলেও, ইহুদিরা চাষাবাদে দক্ষ ছিল এবং তারা ওয়াহির জমিতে চাষ করত।[১৯] শহরটিতে বেশ কিছু ছোট ইহুদি গোত্রের পাশাপাশি তিনটি প্রধান ইহুদি গোত্র ছিল: বানু কায়নুকা, বানু নদির এবং বানু কুরাইজা।[২০] সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ আরব থেকে কিছু আরব গোত্র শহরটিতে এসে ইহুদি জনগণের পাশেই বসতি স্থাপন করে।[১৯] এই আরব গোত্রগুলোর মধ্যে বানু আউস ও বানু খাজরাজ ছিল উল্লেখযোগ্য, যাদের সম্মিলিতভাবে 'বানু কায়লা' বলা হতো।[২১] ৬২০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বে, এই দুই আরব গোত্র প্রায় একশ বছর ধরে পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধরত ছিল।[১৮] তারা প্রতিটি পক্ষই ইহুদি গোত্রগুলোর সমর্থন পেতে চেয়েছিল, যা মাঝে মাঝে ইহুদিদের মধ্যেও দ্বন্দ্ব সৃষ্টি করত।[১৮]
মুহাম্মদ ও বানু আউস ও বানু খাজরাজের সাক্ষাৎ
[সম্পাদনা]৬২০ খ্রিস্টাব্দে, নিজের শহরবাসীদের মধ্যে নতুন অনুসারী পাওয়ার সব আশা ছেড়ে দিয়ে, মুহাম্মদ তাঁর প্রচার কার্যক্রম সীমিত করেন শুধু তাদের মধ্যেই যারা মেলা বা হজের জন্য মক্কা আসতেন।[২২] এই প্রচেষ্টার সময়, তিনি বানু খাজরাজ গোত্রের ছয়জন সদস্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যারা মক্কায় হজ পালনের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। এই ছয় ব্যক্তি তাঁদের নিজ এলাকায় ইহুদিদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছিলেন এবং ইহুদিরা পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে, শিগগিরই একজন নবী আসবেন, এবং তাঁর সাহায্যে ইহুদিরা প্রতিশোধ নেবে। মুহাম্মদের বাণী শুনে তারা একে অপরকে বলল, “এটাই সেই নবী, যার কথা ইহুদিরা আমাদের সতর্ক করেছিল; তাঁকে পেয়ে যাওয়ার আগেই আমাদের তাঁর অনুসারী হয়ে যেতে হবে।” এরপর তারা ইসলাম গ্রহণ করে মদিনায় ফিরে যায় এবং তাদের এই সাক্ষাতের বিবরণ সবার সঙ্গে ভাগ করে। তারা আশা করেছিল, খাজরাজ ও আউস—যারা বহুদিন ধরে দ্বন্দ্বে লিপ্ত ছিল—তারা ইসলাম গ্রহণ করলে এবং মুহাম্মদকে নেতা হিসেবে গ্রহণ করলে একতা প্রতিষ্ঠিত হবে।[২৩][২৪]
৬২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে, আগের পাঁচজন নতুন মুসলমান আবার মুহাম্মদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।[২৫][পৃষ্ঠা নম্বর প্রয়োজন] তাঁদের সঙ্গে আরও সাতজন নতুন মুসলমান ছিলেন, যাঁদের মধ্যে দুজন বানু আউস গোত্রের। এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় মক্কার উত্তরে অবস্থিত আল-আকাবাহ পাহাড়ি পথের কাছে, বাণিজ্য পথ সংলগ্ন এলাকায়। এই বৈঠকে তাঁরা মুহাম্মদের সঙ্গে একটি অঙ্গীকার করেন, যেটিকে বলা হয় “নারীদের অঙ্গীকার”।[২৬][২৭] একে এভাবে ডাকা হয়েছিল, কারণ এতে ইসলাম রক্ষায় যুদ্ধ করার কোনো শর্ত ছিল না। অঙ্গীকারের মূল বিষয় ছিল মূর্তি ত্যাগ করা এবং একমাত্র আল্লাহর উপাসনা ও মুহাম্মদকে নেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া। মুহাম্মদ তাঁদের সঙ্গে মুসআব ইবন উমায়ের-কে মদিনায় পাঠান ইসলাম প্রচারের জন্য।[২৮][২৯]
৬২২ সালের হজ মৌসুমে মুহাম্মদ আবার আল-আকাবায় মদিনার মুসলমানদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন;[২৮] এবার উপস্থিত ছিল ৭৫ জন, যাঁদের মধ্যে দুজন ছিলেন নারী।[৩০] মুহাম্মদের চাচা আল-আব্বাস তাঁকে সঙ্গ দেন এবং শুরুতেই একটি বক্তব্য দেন, যাতে তিনি মুহাম্মদকে "তাঁর আত্মীয়দের মধ্যে সবচেয়ে সম্মানিত ব্যক্তি" বলে বর্ণনা করেন। এটি ছিল একটি বিরোধপূর্ণ অবস্থান, কারণ মুহাম্মদ তখন আবু লাহাব, আবু জাহল এবং অন্যান্য কুরাইশ নেতাদের তীব্র বিরোধিতার মুখে ছিলেন। আল-আব্বাস আরও বলেন যে, মুহাম্মদ অন্য সব প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে শুধু মদিনার লোকদের গ্রহণ করেছেন—যা ঐকান্তিকতা ও গুরুত্ব আরোপের উদ্দেশ্যে বলা হলেও প্রকৃত ইতিহাস অনুযায়ী, মদিনাবাসীরা ছিলেন তাঁর কাছে শেষ পক্ষ যাঁদের তিনি আহ্বান জানান।[৩১]
পরবর্তীতে মুহাম্মদ নিজেই বক্তব্য দেন এবং তাঁদের আনুগত্য কামনা করেন। তিনি বলেন, যেন তাঁকে তাঁদের নারী ও সন্তানের মতো রক্ষা করা হয়।[৩২][২৪] একজন প্রতিনিধি, আল-বারা, তৎক্ষণাৎ রাজি হয়ে বলেন, তাঁদের যুদ্ধদক্ষতা রয়েছে। কিন্তু অপরজন, আবু আল-হাইছাম, উদ্বেগ প্রকাশ করেন যে, যদি তাঁরা অঙ্গীকার করে ইহুদিদের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেন, তবে মুহাম্মদ ভবিষ্যতে তাঁদের বিজয় অর্জনের পর নিজ গন্তব্যে ফিরে যেতে পারেন। মুহাম্মদ তাঁকে আশ্বস্ত করেন যে, তিনি এখন তাঁদের একজন এবং শান্তি ও যুদ্ধে তাঁদের ভাগ্যই তাঁর ভাগ্য হবে।[৩১][৩৩] এরপর ১২ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত হন—যাঁদের মধ্যে ৩ জন ছিলেন আউস গোত্র থেকে এবং ৯ জন খাজরাজ গোত্র থেকে—যাঁরা এই চুক্তির বাস্তবায়ন তদারকি করবেন।[৩০] যখন তাঁরা মুহাম্মদের কাছে আনুগত্যের বিনিময়ে কী পুরস্কার পাবেন জানতে চান, তিনি শুধু বলেন, "জান্নাত"। পরে তাঁরা শপথ নেন, যেটি “যুদ্ধের অঙ্গীকার” হিসেবেও পরিচিত।[৩৪][৩৫][৩১]
হিজরত
[সম্পাদনা], ইসলামের ইতিহাসে প্রথম মসজিদ, যা মদিনার প্রান্তে অবস্থিত। এটি ইসলামের নবী মুহাম্মদ মদিনায় আগমনের সময় প্রতিষ্ঠা করেন]]
অঙ্গীকারসমূহ গ্রহণের অল্প কিছু সময় পর, মুহাম্মদ তাঁর মক্কান অনুসারীদের মদিনাতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেন। এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া প্রায় তিন মাস ধরে চলেছিল। যাতে তিনি একা মদিনায় না পৌঁছান এবং তাঁর অনুসারীরা পেছনে থেকে না যান, সে কারণে মুহাম্মদ নিজে মক্কায় থেকে যান। তিনি তাঁদের দেখভাল করতেন এবং যারা যেতে দ্বিধা করছিলেন তাদের উৎসাহিত করতেন।[৩০] কুরাইশদের কেউ কেউ তাদের আত্মীয়দের চলে যেতে নিরুৎসাহিত করার চেষ্টা করেছিল,[৩৬][৩৭] কিন্তু শেষপর্যন্ত মক্কায় কোনো মুসলমান অবশিষ্ট ছিল না।[৩৬] মুহাম্মদ এই হিজরতকে কুরাইশদের দ্বারা তাঁর এবং তাঁর অনুসারীদের বহিষ্কার হিসেবে বিবেচনা করেছিলেন।[৩৭]
ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, পরিস্থিতির ক্রমবিকাশ দেখে কুরাইশ নেতাদের একজন—মুহাম্মদের শৈশবের বন্ধু এবং পরবর্তীতে শত্রু হয়ে ওঠা আবু জাহল—প্রস্তাব দেন, মুহাম্মদকে হত্যা করতে হবে, এবং তা করা হবে কুরাইশের প্রতিটি গোত্র থেকে একজন প্রতিনিধির দ্বারা যৌথভাবে। ফেরেশতা জিবরাঈলের মাধ্যমে মুহাম্মদ এই ষড়যন্ত্রের খবর পান এবং তিনি তাঁর চাচাতো ভাই আলি-কে নিজের বিছানায় শুয়ে থাকতে বলেন, তাঁর সবুজ হাদরামি চাদর দিয়ে নিজেকে ঢেকে রাখতে বলেন, এবং আশ্বস্ত করেন যে এতে তাঁর কোনো ক্ষতি হবে না।[৩৮] এরপর মুহাম্মদ আবু বকরকে সঙ্গে নিয়ে সাওর পাহাড়ে যান, যা মক্কার দক্ষিণে প্রায় এক ঘণ্টার পথ, এবং সেখানে একটি গুহায় আত্মগোপন করেন।[৩৯] আবু বকরের সন্তান ও দাসরা, যারা তখনও মক্কায় ছিলেন, নিয়মিত তাঁদের জন্য খাবার নিয়ে যেতেন।[৪০] তিন দিন আত্মগোপনে থাকার পর তাঁরা উটের পিঠে মদিনার উদ্দেশে রওনা দেন। এই উটগুলি আবু বকর আগেই কিনে রেখেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন এক গাইড, আবদুল্লাহ ইবন উরাইক্বত, যিনি তখনও অমুসলিম ছিলেন।[৩৯]
পরবর্তী ঘটনা ও ঐতিহ্য
[সম্পাদনা]মক্কায় নির্যাতনের শিকার হয়ে মুহাম্মদের সঙ্গে মদিনায় হিজরতকারী মুসলমানরা চরম দারিদ্র্যের মুখোমুখি হন। তাঁদের মক্কায় রেখে আসা সম্পদ ও মালামাল কুরাইশরা জব্দ করে নেয়।[৪১] ৬২৩ সালের জানুয়ারি থেকে, মুহাম্মদ লাল সাগরের পূর্ব উপকূলবর্তী পথ ধরে চলা মক্কান কাফেলাগুলোর ওপর একাধিক অভিযানের নেতৃত্ব দেন। এর ফলে বিভিন্ন আরব গোত্রের সদস্যরা একত্রিত হতে থাকেন, এবং সময়ের দাবি অনুযায়ী তাদের মধ্যে ঐক্য গড়ে ওঠে। এই ঐক্যের ভিত্তি ছিল মূলত আত্মীয়তার বন্ধন।[৪১][৪২][৪৩]
দ্বিতীয় রাশিদুন খলিফা ওমর ইবন আল-খাত্তাব ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দে (অথবা হিজরতের ১৭তম বছরে) ইসলামের ইতিহাসে হিজরতের বছরটিকে ইসলামি বর্ষপঞ্জির প্রথম বছর হিসেবে নির্ধারণ করেন। পরবর্তীতে এটি লাতিনে রূপান্তরিত হয়ে Anno Hegirae নামে পরিচিত হয়, যার সংক্ষিপ্ত রূপ আজও হিজরি তারিখ নির্দেশ করতে ব্যবহৃত হয়।[৪৪] শেরার্ড বুমন্ট বার্নাবি বলেন: “ইতিহাসবিদদের সাধারণ মত হল, মুহাম্মদ আরব বর্ষের তৃতীয় মাস, রবিউল আউয়াল-এর শুরুতেই মক্কা ত্যাগ করেন। তবে নির্দিষ্ট দিন নিয়ে মতভেদ রয়েছে। ইবন ইসহাক-এর মতে, এটি ছিল মাসের প্রথম অথবা দ্বিতীয় দিন।”[৪৫]
আল বীরুনি, ইবন সা'দ এবং ইবন হিশাম-সহ অনেক ইসলামি ইতিহাসবিদ ও পণ্ডিত এই তারিখগুলি নিয়ে বিস্তারে আলোচনা করেছেন।[৪৬]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Dates of Epoch-Making Events", The Nuttall Encyclopaedia. (Gutenberg version)
- ↑ Mahomet is an archaism used for Muhammad..(SM). See Medieval Christian view of Muhammad for more information.
- ↑ হিজরত শব্দের অর্থ
- 1 2 3 (Schacht et al. 1998, পৃ. 366)
- 1 2 (Holt et al. 1978, পৃ. 40)
- ↑ Shaikh, Fazlur Rehman (২০০১)। Chronology of Prophetic Events। London: Ta-Ha Publishers Ltd.। পৃ. ৫১–৫২।
- ↑ Marom, Roy (শরৎ ২০১৭)। "Approaches to the Research of Early Islam: The Hijrah in Western Historiography"। Jamma'a। ২৩: vii।
- ↑ Burnaby, Sherrard Beaumont (১৯০১)। Elements of the Jewish and Muhammadan calendars। পৃ. ৩৭৩–৫, ৩৮২–৪।
- ↑ Dershowitz, Nachum; Reingold, Edward (২০১৮)। "Table 1.2 Epochs for various calendars"। Calendrical Calculations (Third সংস্করণ)। O'Reilly। পৃ. ১৭। আইএসবিএন ৯৭৮১১০৮৫৪৬৯৩৫। ওসিএলসি 1137352777।
- ↑ al-Biruni, The chronology of ancient nations, অনুবাদ: C. Edward Sachau (১০০০/১৮৭৯) পৃ. ৩২৭।
- ↑ "NASA phases of the moon 601–700"। ৮ অক্টোবর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Buhl ও Welch (1993), পৃ. 364।
- ↑ Lewis (2002), পৃ. 35–36।
- ↑ Muranyi (1998), পৃ. 102।
- ↑ Gordon (2005), পৃ. 120-121।
- ↑ Moojan Momen (1985), An Introduction to Shi'i Islam: History and Doctrines of Twelver Shi'ism, Yale University Press, New edition 1987, পৃ. ৫।
- ↑ "Definition of HEGIRA"। www.merriam-webster.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ অক্টোবর ২০২০।
- 1 2 3 Holt et al. (1978), পৃ. 39।
- 1 2 3 Gil (1997), পৃ. 11।
- ↑ Rodgers (2012), পৃ. 54।
- ↑ Gibb et al. (1986), পৃ. 514।
- ↑ Fontaine (2022), পৃ. 244।
- ↑ Rodinson (2021), পৃ. 142–3।
- 1 2 Peters (2021), পৃ. 211।
- ↑ Rodgers (2012)।
- ↑ "THE FIRST AQABAH PLEDGE"। IslamBasics.com (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪।
- ↑ Gabriel, Richard A. (২২ অক্টোবর ২০১৪)। Muhammad: Islam's First Great General (ইংরেজি ভাষায়)। University of Oklahoma Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮০৬১-৮২৫০-৬।
- 1 2 Rodgers (2012), পৃ. 47।
- ↑ Rodinson (2021), পৃ. 143–4।
- 1 2 3 Rodinson (2021), পৃ. 144।
- 1 2 3 Rodgers (2012), পৃ. 48।
- ↑ Fontaine (2022), পৃ. 245।
- ↑ Peters (1994), পৃ. 212।
- ↑ Glubb (2001), পৃ. 144।
- ↑ Gabriel (2007), পৃ. 61।
- 1 2 Fontaine (2022), পৃ. 246।
- 1 2 Rodgers (2012), পৃ. 49।
- ↑ Peters (1994), পৃ. 186–7।
- 1 2 Rodinson (2021), পৃ. 145।
- ↑ Rodgers (2012), পৃ. 51।
- 1 2 John Esposito, Islam, Expanded edition, Oxford University Press, pp. 4–5.
- ↑ William Montgomery Watt, Muhammad at Mecca, Oxford, 1953, pp. 16–18.
- ↑ Rue, Loyal D. (২০০৫)। Religion is Not about God: How Spiritual Traditions Nurture Our Biological Nature and what to Expect when They Fail। Rutgers University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-০৮১৩৫৩৫১১১। পৃ. ২২৪।
- ↑ Shamsi, F. A. (১৯৮৪)। "The Date of Hijrah"। Islamic Studies। ২৩ (3): ১৮৯–২২৪। জেস্টোর 20847270।
Shamsi, F. A. (১৯৮৪)। "The Date of Hijrah"। Islamic Studies। ২৩ (4): ২৮৯–৩২৩। জেস্টোর 20847277। - ↑ Sherrard Beaumont Burnaby, Elements of the Jewish and Muhammadan calendars (1901)।
- ↑ কসিন দ্য পার্সেভাল ১৮৪৭ সালে যা লিখেছিলেন, তা ১৯০১ সালে শেরার্ড বুমন্ট বার্নাবি Elements of the Jewish and Muhammadan calendars গ্রন্থে উল্লেখ করেন (লন্ডন: ১৯০১), পৃ. ৩৭৪–৭৫।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- Incident of the cave ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৭ নভেম্বর ২০১৬ তারিখে
- IslamiCity.com article on the Hijrah
- Articles, audios on the Hijrah
- ↑ আরবি: الهجرة, যার আদি অর্থ ছিল 'আত্মীয়তা বা সামাজিক সম্পর্ক ছিন্নকরণ'[৪][৫]
- ↑ পশ্চিমে সাধারণভাবে এটিকেই ‘ইসলামিক ক্যালেন্ডার’ বলা হয়, যদিও মুসলমানরা উভয় হিজরি পঞ্জিকাই ব্যবহার করে।
- ↑ স্থির হিজরি পঞ্জিকার ১ মহররম পড়েছিল শুক্রবার, ১৬ জুলাই ৬২২ খ্রিস্টাব্দে, যা জুলিয়ান পঞ্জিকা অনুসারে সেই দিনের সমতুল্য। ইসলামি দিন শুরু হয়েছিল তার আগের সূর্যাস্তে, অর্থাৎ ১৫ জুলাই সন্ধ্যায়। এই জুলিয়ান তারিখটি মধ্যযুগীয় মুসলিম জ্যোতির্বিদেরা তাঁদের তালিকাভুক্ত ইসলামি পঞ্জিকা ব্যবহার করে অতীতে গণনা করে নির্ধারণ করেছিলেন, যার প্রতিটি চান্দ্র বছরে ৩০ ও ২৯ দিনের মাসগুলি পর্যায়ক্রমে থাকত এবং প্রতি ৩০ বছরে ১১টি অধিবর্ষ দিন (লিপ ডে) যোগ করা হত। উদাহরণস্বরূপ, আল-বীরুনি তাঁর The Chronology of Ancient Nations গ্রন্থে এই তারিখ উল্লেখ করেছেন (খ্রিস্টীয় ১০০০ সাল)।[১০] যদিও এই তারিখ ইসলামি যুগ গণনার জন্য মধ্যযুগীয় মুসলিম জ্যোতির্বিদ বা আধুনিক গবেষকরা ব্যবহার করেননি, তবে চাঁদের একটি সরু অর্ধচন্দ্র ১৫ জুলাই সূর্যাস্তের পর দৃশ্যমান হওয়ার সম্ভাবনা ছিল (যদি মেঘ না থাকত), যা ১৪ জুলাই সকালের খালি চাঁদের প্রায় ১.৫ দিন পর।[১১]
<ref> ট্যাগ রয়েছে, কিন্তু এর জন্য কোন সঙ্গতিপূর্ণ <references group="lower-alpha"/> ট্যাগ পাওয়া যায়নি