দাজ্জাল
| আল-মাসিহুদ দাজ্জাল | |
|---|---|
| পূর্ণ নাম | আল-মাসিহুদ দাজ্জাল |
| ছদ্মনাম | খ্রীষ্টারি |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম খ্রিষ্টধর্ম ইয়াহুদি ধর্ম |
দজ্জাল বা দাজ্জাল (আরবি: المسيح الدجّال, প্রতিবর্ণীকৃত: আল-মাসীহ আদ-দাজ্জাল; সিরীয়: ܡܫܝܚܐ ܕܓܠܐ, প্রতিবর্ণী. মসিহা দগ্গাল) হলো ইসলামি পরিভাষা অনুসারে, কিয়ামতের পূর্বে আবির্ভূত হওয়া এক মহা প্রতারকের নাম।[১][২][৩][৪] সে নিজেকে ‘ঈশ্বর’ বা ‘ঐশ্বরিক শক্তির অধিকারী ব্যক্তিত্ব’ বলে দাবি করবে এবং তার ঈশ্বরত্ব প্রমাণের জন্য বহু অলৌকিক কর্মকাণ্ড দেখাবে। অনেক মানুষ তাকে বিশ্বাস করে পথভ্রষ্ট হবে।[৫][৬] সাধারণত পূর্বাঞ্চলের খোরাসান[৭][৮] বা সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যবর্তী কোনো এলাকা থেকে তার আগমন ঘটবে।[৯] দাজ্জাল চরিত্রটি খ্রিষ্টান পরলোকতত্ত্বে বর্ণিত খ্রিষ্টারি চরিত্রের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।[১০]
নাম
[সম্পাদনা]দাজ্জাল (دجال) শব্দটি আরবি دجل বিশেষণের অতিশায়ন যার অর্থ মিথ্যা বা প্রতারণা।[১১] এর অর্থ প্রতারক এবং সুরিয়ানি ভাষায় শব্দটির সমরূপ হল দগ্গালা (ܕܓܠܐ)।[১২] আল-মাসিহ আদ-দাজ্জাল শব্দবন্ধটির অর্থ প্রতারক মসিহ যার দ্বারা শেষ জমানার একজন প্রতারককে বোঝানো হয়। দাজ্জাল এক অশুভ সত্তা যে প্রকৃতি মসীহের ছদ্মবেশ ধারণ করবে।
বর্তমান অবস্থান
[সম্পাদনা]মুহাম্মাদ (সা.) দাজ্জালের অবস্থান পূর্ব দিকে বলে উল্লেখ করেছেন।[১৩]
শুনে রাখো! সে আছে সাম দেশের সাগরে (ভূমধ্য সাগরে) অথবা আরব সাগরে। তা নয় সে আছে পূর্ব দিকে। সে আছে পূর্ব দিকে। সে আছে পূর্ব দিকে। এই বলে তিনি পূর্ব দিকে ইঙ্গিত করে দেখালেন।
ফাতেমা বিনতে কায়েস বলেনঃ ‘‘আমি এই হাদীছটি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামএর নিকট থেকে মুখস্থ করে রেখেছি’’।[১৪]
কাতারভিত্তিক ফতোয়াপ্রদানের ওয়েবসাইট ইসলামওয়েবের ২৭৫৭৯ নং ফতোয়ায় বলা হয়েছে, ولا تعارض بينه وبين الأول، إذ أن خراسان إقليم واسع يشتمل على عدة بلدان منها أصبهان “প্রথমোক্ত হাদিসের সাথে এই হাদিসের কোনো বৈপরীত্য নেই। কেননা খোরাসান একটি প্রশস্ত অঞ্চল, যা অনেকগুলো ভূখণ্ডকে ধারন করে। এসবের মধ্যে এসফাহন (Isfahan) অন্যতম।” [১৫]
বর্তমান যুগের বিশিষ্ট মুহাদ্দিস ও ফিলিস্তিনি মুহাক্কিক, আল্লামা মাশহুর হাসান আলে সালামান হাফিযাহুল্লাহ (জন্ম: ১৯৬০ হি.) বলেছেন, دلت أحاديث وآثار كثيرة صحيحة على خروج الدجال من (خُراسان) و (أصبهان)، وهبوطه (خوز) و(كرمان) -وهي جميعًا الآن في (إيران) “অসংখ্য বিশুদ্ধ হাদিস ও বর্ণনা থেকে প্রতীয়মান হয়েছে, দাজ্জাল খোরাসান ও এসফাহন থেকে বের হবে এবং অবতরণ করবে খুজেস্তান ও কারমান এলাকাদ্বয়ে। উল্লিখিত সবগুলো এলাকাই বর্তমানে ইরানে অবস্থিত।” [১৬]
বৈশিষ্ট্য
[সম্পাদনা]দাজ্জালের উত্থানের সাথে বেশ কয়েকটি স্থান যুক্ত, তবে সাধারণত, সে সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যবর্তী পথ দিয়ে বের হবে বলে হাদিসে উল্লেখ আছে।[৯] সাধারণত তার এক চোখ অন্ধ বলে বর্ণনা করা হয়; কোন চোখ অন্ধ তা অনিশ্চিত কেননা কোন হাদিসে বাম চোখ অন্ধ আবার কোন হাদিসে ডান চোখ অন্ধের কথা বলা হয়েছে। তবে তার দুটি চোখই ত্রুটিপুর্ন বলে বিবেচিত হয় - অন্তত - একটি পুরোপুরি অন্ধ এবং অন্যটি বেরিয়ে আছে।[১৭][১৮][১৯][২০]সে মক্কা ও মদিনা ব্যতীত প্রত্যেক শহরে প্রবেশ করে সমগ্র বিশ্ব ভ্রমণ করতে পারবে।[২১][২২] একজন মিথ্যা মসীহ হিসেবে, এটা বিশ্বাস করা হয় যে অনেকে তার দ্বারা প্রতারিত হবে এবং তার দলে যোগ দেবে, তাদের মধ্যে ইহুদি, বেদুইন, তাঁতি, যাদুকর ও জারজ সন্তানেরা বেশি থাকবে।[২৩] এছাড়াও তাকে শয়তানদের একটি বাহিনী সহায়তা করবে। তা সত্ত্বেও, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সমর্থক হবে ইহুদিরা, যাদের কাছে তিনি ঈশ্বরের অবতার বলে বিবেচিত হবেন।[২৪] দাজ্জাল অলৌকিক কাজ করতে সক্ষম হবে, যেমন অসুস্থদের নিরাময় করা, মৃতদেরকে জীবিত করা (যদিও কেবল মাত্র যখন তার শয়তান অনুসারীদের দ্বারা সমর্থিত মনে করবে), পৃথিবীর গাছপালা বৃদ্ধি করা, গবাদি পশুসমৃদ্ধ হওয়া, এবং সূর্যের চলাচল বন্ধ করে দেয়া।[২৫] তাঁর অলৌকিক ঘটনাগুলো ঈসা (আঃ) দ্বারা সম্পাদিত অলৌকিক ঘটনাগুলোর অনুরূপ। পরিশেষে সে ঈসা (আঃ) এর হাতে নিহত হবে। দাজ্জাল গলতে শুরু করবে যখন ঈসা (আঃ)-কে দেখতে পাবে। তারপর বর্তমান ইসরায়েলের বাবে লুদ নামক স্থানে ঈসা (আঃ) দাজ্জালকে বর্শা দিয়ে হত্যা করবেন বলে অনেক বর্ণনায় এসেছে। দাজ্জালের প্রকৃতি অস্পষ্ট। যদিও তার জন্মের প্রকৃতি ইঙ্গিত করে যে প্রথম প্রজন্মের অ্যাপোক্যালিপ্টিক্স তাকে মানুষ হিসাবে বিবেচনা করত, তবে তাকে ইসলামিক ঐতিহ্যে মানব আকারে শয়তান (শায়তান) হিসাবেও চিহ্নিত করা হয়।[২৬]
সুন্নি দৃষ্টিভঙ্গি
[সম্পাদনা]সুন্নি মুসলমানদের বিশ্বাস অনুযায়ী দাজ্জাল একজন মানুষ এবং যখন দাজ্জাল উপস্থিত হবে, তখন সে চল্লিশ দিন থাকবে - প্রথম দিন হবে একটি বছরের মতো, পরবর্তী দিন একটি মাসের মতো, তার পরবর্তী দিন সপ্তাহের মতো এবং তার বাকি দিনগুলি স্বাভাবিক দিনের মতো। [২৭]দাজ্জালের আবির্ভাবের কিছু সময় পরে, ঈসা (আঃ) দামেস্কের পূর্ব দিকের একটি সাদা মিনারের উপর অবতরণ করবেন ,[২৮] মনে করা হয় সিরিয়ার দামেস্কের উমাইয়া মসজিদে অবস্থিত। তিনি আকাশ থেকে নেমে আসবেন দুটি পোশাক পরে হালকাভাবে জাফরান দিয়ে রঙ করা এবং তার হাত দুটি ফেরেশতার কাধে থাকবে। যখন সে মাথা নিচু করবে তখন মনে হবে যেন তার চুল থেকে জল প্রবাহিত হচ্ছে, যখন সে মাথা তুলবে, তখন মনে হবে যেন তার চুলরূপালী মুক্তো দিয়ে পুঁতি করা হয়েছে। তাঁর শ্বাস যতদূর তিনি দেখতে পাবেন ততদূর পৌঁছাবে। প্রত্যেক অবিশ্বাসী এতে মারা যাবে।[২৯]
এরপর দাজ্জালকে ইসরায়েলের শহর লোদের গেটে (বাবে লুদ) ধাওয়া করা হবে যেখানে তাকে 'ইসা ইবনে মরিয়ম (আঃ)' ধরে হত্যা করবেন। [৩০] তারপর তিনি ক্রুশ ভাঙবেন, শূকরকে হত্যা করবেন, জিজিয়া বিলুপ্ত করবেন এবং সমস্ত জাতির মধ্যে শান্তি স্থাপন করবেন। [৩১] ঈসা (আঃ) এর শাসন ন্যায়সঙ্গত হবে এবং সবাই তাঁর কাছে এক সত্য (ইসলাম) ধর্মের মাঝে প্রবেশ করবে।
হাদিস
[সম্পাদনা]আব্দুল্লাহ ইবন উমার (রা.) বলেন,
নবী (স.) লোক সমাবেশে দাঁড়ালেন এবং মহান আল্লাহর প্রশংসা করলেন। এরপর তিনি দাজ্জাল প্রসঙ্গে বললেনঃ তার সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে সতর্ক করছি। এমন কোন নবী নেই যিনি তাঁর কাওমকে এ বিষয়ে সতর্ক করেননি। তবে তার সম্পর্কে আমি তোমাদের এমন একটি কথা বলব যা কোন নবীই তাঁর জাতিকে বলেননি। তা হল যে, সে কানা হবে আর আল্লাহ্ অবশ্যই কানা নন।[৩২][৩৩]
আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত : রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন:
আমি কি তোমাদেরকে দাজ্জাল সম্পর্কে একটি কথা বলব না? সে কথাটি অতীতের কোন নবীই তার সম্প্রদায়কে বলেননি। আর তা হলো, নিশ্চয় সে (দাজ্জাল) হবে কানা। সে জান্নাত ও জাহান্নামের সাদৃশ্য সাথে নিয়ে আসবে। তখন সে যা বলবে জান্নাত, প্রকৃতপক্ষে তা হবে জাহান্নাম। তার সম্পর্কে আমি তোমাদেরকে সাবধান করছি যেমন নূহ আলাইহিস তাঁর সম্প্রদায়কে তার সম্পর্কে সাবধান করেছিলেন।[৩৪][৩৫]
হুযায়ফাহ (রাঃ), নবী (সা.) হতে বর্ণনা করেন,
দাজ্জাল নিজের সাথে পানি ও আগুন নিয়ে বের হবে। মানুষ দৃশ্যত যা পানি ধারণা করবে, মূলত তা হবে জ্বলন্ত আগুন। আর মানুষ যা আগুন ধারণা করবে, বাস্তবে তা হবে ঠাণ্ডা মিষ্টি পানি। অতএব তোমাদের যে কেউ সেই দাজ্জালের যুগ পাবে, সে যেন যা আগুন দেখতে পায় তাতে প্রবেশ করে। কেননা তা হবে সুস্বাদু মিষ্ট পানি।[৩৬][৩৭]
আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত :
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন কোন নবী প্রেরিত হন নি যিনি তার উম্মাতকে এই কানা মিথ্যাবাদী সম্পর্কে সতর্ক করেননি। জেনে রেখো, সে কানা, আর তোমাদের রব কানা নন। আর তার দুই চোখের মাঝখানে কাফির كَافِرٌ শব্দটি লিপিবদ্ধ থাকবে।[৩৮][৩৯]
আবু বকর সিদ্দিক রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, الدجال يخرج مِن أَرْضِ بِالْمَشْرِقِ يَقَالُ لَهَا خَرَاصَانَ يَتَبَعْهُ أَقْوَام گان وجوههم المجان المطرقة "দাজ্জাল পশ্চিম দিকের 'খোরাসান' নামক ভূখণ্ড থেকে আত্মপ্রকাশ করবে। এমন কতক জাতি তার অনুসরণ করবে, যাদের মুখমণ্ডল হবে চামড়া-মোড়ানো ঢালের মতো।"
— [তিরমিজি, হা: ২২৩৭; ইবনু মাজাহ, হা: ৪০৭২; সনদ: সহিহ]
আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, يَخْرَجَ الأَجالَ مِن يَهُودِيةِ أَصْبَهَانَ، مَعَهُ سَبْعُون ألقا من اليهود ، عليهم السيجان "দাজ্জাল এসফাহনের 'ইয়াহুদিয়া' এলাকা থেকে বের হবে। তার সাথে থাকবে লম্বা চাদরপরিহিত সত্তর হাজার ইহুদি।”
— [আহমাদ, হা: ১৩৩৪৪; মুসনাদুল বাযযার, হাঃ ৬৪১৬; ফাতহুল বারি, খণ্ড: ১৩; পৃষ্ঠা: ৩২৮; সনদ: সহিহ (তাহকিক: ইবনু হাজার), হাসান (তাহকিক: শুয়াইব আরনাউত)]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "ফিতনাসমূহ ও কিয়ামতের নিদর্শনাবলী | iHadis.com"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ সহীহ মুসলিম, হাদিস নং : ৭১৭৭
- ↑ সহীহ মুসলিম, হাদিস নং : ৭১৭৮
- ↑ "মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) | হাদিস: ৫৪৬৭"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং: ৫৪৬৯
- ↑ "আল-ফিকহুল আকবর"। দাজ্জাল। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ সুনান ইবনু মাজাহ, হাদিস নং: ৪০৭২
- ↑ মিশকাতুল মাসাবিহ, হাদিস নং: ৫৪৮৭
- 1 2 "মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) | হাদিস: ৫৪৭৫"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ David Cook Studies in Muslim Apocalyptic The Darwin Press, Inc. Princeton, New Jersey আইএসবিএন ০৮৭৮৫০১৪২৮ p. 94
- ↑ Wahiduddin Khan (২০১১)। The Alarm of Doomsday। Goodword Books। পৃ. ১৮।
{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতিতে খালি অজানা প্যারামিটার রয়েছে:|1=(সাহায্য) - ↑ David Cook Studies in Muslim Apocalyptic The Darwin Press, Inc. Princeton, New Jersey আইএসবিএন ০৮৭৮৫০১৪২৮ p. 93
- ↑ "সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) | হাদিস: ৭১১৯"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ সহীহ মুসলিম,হাদিস নং : ৭১১৯
- ↑ [দ্রষ্টব্য: www.islamweb.net/amp/ar/fatwa/9715]
- ↑ [শাইখ মাশহুর কৃত আল-ইরাক ফি আহাদিসি ওয়া আসারিল ফিতান, খণ্ড: ১; পৃষ্ঠা: ১৬৯; মাকতাবাতুল ফুরকান (দুবাই) কর্তৃক প্রকাশিত; প্রকাশকাল: ১৪২৫ হি./২০০৪ খ্রি. (১ম প্রকাশ)]
- ↑ A, Moulana Muhammad (২২ মে ২০১৮)। "Description of Dajjal's eyes"। Hadith Answers (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২১।
- ↑ "Sahih Muslim 169e - The Book of Tribulations and Portents of the Last Hour - Sunnah.com - Sayings and Teachings of Prophet Muhammad (صلى الله عليه و سلم)"। sunnah.com। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২১।
- ↑ "Sahih Muslim 2934a - The Book of Tribulations and Portents of the Last Hour - Sunnah.com - Sayings and Teachings of Prophet Muhammad (صلى الله عليه و سلم)"। sunnah.com। সংগ্রহের তারিখ ১০ জুলাই ২০২১।
- ↑ "দাজ্জালের কোন চোখ কানা? ডান চোখ নাকি বাম চোখ?"। response-to-anti-islam। ৮ জুন ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ Abu-Rabi', Ibrahim (১৫ এপ্রিল ২০০৮)। The Blackwell Companion to Contemporary Islamic Thought (ইংরেজি ভাষায়)। John Wiley & Sons। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০৫১-৭৮৪৮-৮।
- ↑ সহীহ বুখারী,হাদিস নং : ১৮৭৯ | সহীহ মুসলিম,হাদিস নং : ৭১১৯
- ↑ "সহীহ মুসলিম | হাদিস: ২৯৪৪"। সংগ্রহের তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ Cook, David (২০০২)। Studies in Muslim apocalyptic। Princeton, N.J.: Darwin Press। আইএসবিএন ০-৮৭৮৫০-১৪২-৮। ওসিএলসি 50143403।
- ↑ Cook, David (২০০২)। Studies in Muslim apocalyptic। Princeton, N.J.: Darwin Press। আইএসবিএন ০-৮৭৮৫০-১৪২-৮। ওসিএলসি 50143403।
- ↑ Cook, David (২০০২)। Studies in Muslim apocalyptic। Princeton, N.J.: Darwin Press। আইএসবিএন ০-৮৭৮৫০-১৪২-৮। ওসিএলসি 50143403।
- ↑ "Sunan Abi Dawud 4321 - Battles (Kitab Al-Malahim) - Sunnah.com - Sayings and Teachings of Prophet Muhammad (صلى الله عليه و سلم)"। sunnah.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২১।
- ↑ "Sunan Abi Dawud 4321 - Battles (Kitab Al-Malahim) - Sunnah.com - Sayings and Teachings of Prophet Muhammad (صلى الله عليه و سلم)"। sunnah.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২১।
- ↑ "Sahih Muslim 2937a - The Book of Tribulations and Portents of the Last Hour - Sunnah.com - Sayings and Teachings of Prophet Muhammad (صلى الله عليه و سلم)"। sunnah.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২১।
- ↑ "Sunan Abi Dawud 4321 - Battles (Kitab Al-Malahim) - Sunnah.com - Sayings and Teachings of Prophet Muhammad (صلى الله عليه و سلم)"। sunnah.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২১।
- ↑ "Sunan Ibn Majah 4077 - Tribulations - Sunnah.com - Sayings and Teachings of Prophet Muhammad (صلى الله عليه و سلم)"। sunnah.com। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুলাই ২০২১।
- ↑ সহীহ বুখারী,হাদিস নং : ৩০৫৭
- ↑ সহীহ বুখারী,হাদিস নং : ৭১২৭
- ↑ সহীহ বুখারী,হাদিস নং : ৩৩৩৮
- ↑ সহীহ মুসলিম,হাদিস নং : ২৯৩৬
- ↑ সহীহ বুখারী,হাদিস নং : ৭১৩০
- ↑ সহীহ মুসলিম,হাদিস নং : ২৯৩৫
- ↑ সহীহ বুখারী,হাদিস নং : ৭১৩১
- ↑ সহীহ মুসলিম,হাদিস নং : ২৯৩৩
| ইসলাম বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |