বিষয়বস্তুতে চলুন

সামুদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সামুদ
ثَمُوْد
প্রাচীন আরব গোত্র
নৃগোষ্ঠীআরব
নিসবাআল-সামূদি
অবস্থানহিজরাহ, উত্তরের হেজাজ
ভাষাসামুদিক, পুরাতন আরবি
ধর্মআরবীয় বহু-ঈশ্বরবাদ

সামুদ (আরবি: ثَمُود) ছিল একটি প্রাচীন গোত্র বা গোত্রসমষ্টি, যারা ইসলাম-পূর্ব আরব[] অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে, আরব উপদ্বীপের এক অংশে বসবাস করত। তাদের নাম পাওয়া যায় সমসাময়িক মেসোপটেমিয়াক্লাসিকাল শিলালিপিতে, পাশাপাশি খ্রিষ্টপূর্ব অষ্টম শতক থেকে শুরু করে খ্রিষ্টীয় পঞ্চম শতক পর্যন্ত আরবি লেখনিতেও দেখা যায়। এই সময়কালে তারা রোমান অক্সিলিয়ারি বাহিনী হিসেবেও কাজ করেছে। পরবর্তীকালে তারা ইসলাম-পূর্ব আরবি কবিতা ও ইসলামী যুগের উৎসগুলোতে স্মরণীয় হয়ে ওঠে, যার মধ্যে কোরআন অন্যতম। তারা বিশেষভাবে উল্লেখিত হয় রুওয়াফা শিলালিপিতে, যা প্রায় ১৬৫–১৬৯ খ্রিষ্টাব্দে নির্মিত একটি মন্দিরে আবিষ্কৃত হয়েছে। এই মন্দিরটি স্থানীয় দেবতা ʾlhʾ-এর সম্মানে নির্মিত হয়েছিল।

ইসলামী উৎস অনুযায়ী, সামুদ ছিল একটি প্রাচীন আরব গোত্র যারা অতীতে বিলুপ্ত হয়ে যায়।[] কোরআনে সামুদ গোত্রের নাম ২৬ বার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে তাদেরকে একটি প্রাচীন বহু-ঈশ্বরে বিশ্বাসী জাতি হিসেবে দেখানো হয়েছে যারা আল্লাহর নবী সালেহ-কে অস্বীকার করায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।[] কোরআনে সামুদের ঘটনা বিদ্রোহ এবং ধ্বংসপ্রাপ্ত জাতির এক চিত্র হিসেবে উপস্থাপিত হয়, যেটা আদ, লুত এবং নূহ এর মতো অন্যান্য জাতির সঙ্গেও তুলনা করা হয়। সালেহ যখন সামুদ জাতিকে এক আল্লাহর উপাসনায় ডাকেন, তারা একটি নিদর্শন দাবি করে। সালেহ তাদেরকে একটি অলৌকিক উটনী দেখান। কিন্তু তারা এই উটনীকে আহত করে; ফলে আল্লাহ তাদের ধ্বংস করেন, কেবল সালেহ ও তার অনুসারীরা রক্ষা পান। এই কাহিনী ইসলামি ব্যাখ্যামূলক সাহিত্যে আরও বিস্তারিতভাবে বিবৃত হয়েছে। কিছু সূত্র সামুদদের অবস্থান হিজরাহ অঞ্চলে নির্ধারণ করে, আবার কিছুতে তাদেরকে নাবাতীয়দের সঙ্গে তুলনা করা হয়।[] ইসলামী বংশানুক্রম অনুযায়ী, সামুদ ছিল "আসল আরব" গোত্রগুলোর অন্তর্ভুক্ত, যারা "আরবীকৃত আরবদের" থেকে পৃথক।[]

সম্ভবত বিভিন্ন, এমনকি একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কহীন কিছু গোষ্ঠী "সামুদ" নাম গ্রহণ করেছিল। তারা পুরাতন আরবি ভাষায় কথা বলত বলে ধারণা করা হয়।[][] "সামুদিক" লিপি নামক যে পরিভাষা ব্যবহৃত হয়, তা এই গোত্রের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত নয়; এটি প্রাচীন আরবের কিছু অপর্যাপ্তরূপে অধ্যয়নকৃত লেখনীর সমষ্টিগত নাম।

সামুদের রাজ্য

مملكة ثمود
খ্রিষ্টপূর্ব ৮ম শতক–খ্রিষ্টীয় ৫ম শতক
সামুদের অবস্থান
রাজধানীহিজরাহ
প্রচলিত ভাষাপুরাতন আরবি
ধর্ম
আরবীয় বহু-ঈশ্বরবাদ
সরকাররাজতন্ত্র
ইতিহাস 
 প্রতিষ্ঠা
খ্রিষ্টপূর্ব ৮ম শতক
 বিলুপ্ত
খ্রিষ্টীয় ৫ম শতক
বর্তমানে যার অংশসৌদি আরব

ইসলাম-পূর্ব উৎস

[সম্পাদনা]

প্রাচীন নিকট প্রাচ্য

[সম্পাদনা]

সামুদ নামটি আসিরিয়ার রাজা সারগন দ্বিতীয় (৭২২–৭০৫ খ্রিষ্টপূর্ব) এর বার্ষিক পুথি-তে পাওয়া যায়, যা দুর-শারুকিন-এ খোদিত ছিল।[] সেখানে "তা-মু-দি" নামে তাদের উল্লেখ আছে, যাদের সঙ্গে এফাহ, "ইবাদিদি" ও "মারসিমানি" জাতিরাও ছিল। তাদেরকে "দূরবর্তী মরুভূমির আরবরা যারা কোনও শাসক বা কর্মকর্তাকে চিনত না এবং কখনো কোন রাজাকে কর দেয়নি" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। সারগন তার বার্ষিক পুথিতে দাবি করেন যে তিনি এই গোত্রগুলোকে পরাজিত করে সামারিয়াতে জোরপূর্বক স্থানান্তরিত করেন।[] তবে ইতিহাসবিদ ইসরায়েল এফ’আল এই বিবরণকে সন্দেহের চোখে দেখেন, কারণ এত দীর্ঘ যাত্রাপথের অভিযানকে এত সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণনা করা অস্বাভাবিক। এছাড়াও লুটতরাজের কোনো উল্লেখ নেই। এফ’আল ধারণা করেন, সম্ভবত সামুদ ও অন্যান্য আরব গোত্র সারগনের সঙ্গে বাণিজ্যের জন্য চুক্তি করেছিল, যা আসিরীয় ইতিহাসকাররা জমা প্রদান হিসেবে অতিরঞ্জিতভাবে উপস্থাপন করেন।[১০]

বাবিলনের ষষ্ঠ শতকের রাজা নাবোনিদুস এর লেখা একটি চিঠিতে "তে-মু-দা-আ আর-বা-আ-আ", সম্ভবত "সামুদি আরব" নামে এক ব্যক্তির উল্লেখ আছে, যাকে একাধিক ট্যালেন্ট রূপা দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়। ধারণা করা হয়, এই ব্যক্তি হয়তো বাবিল রাজদরবারের একজন বণিক বা কর্মকর্তা ছিলেন।[১১]

সামুদ জাতির অসংখ্য পাথুরে লেখা ও চিত্র আতলাব পর্বত ও মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে বিভিন্ন সময় আবিষ্কার হয়েছে। [১২][১৩]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

আসিরিয়ার রাজা সারগন-II এর খ্রিস্টপূর্ব ৭১৫-এর লিপিই সামুদ জাতি সম্পর্কে সবচেয়ে পুরোনো প্রমাণ, যেখানে তাদেরকে আসিরীয়দের আয়ত্তে থাকা মধ্য ও পূর্ব আরবের লোকজনদের অংশ বলে উল্লেখ করা হয়। ইসলামিক ইতিহাসে সামুদ জাতির ইতিহাস তারও আরও অনেক আগের, যেখানে তাদের পূর্বপুরুষ বলা হয় ইরাম ও আদ জাতিকে। .[১৪]

গ্রিক ও রোমান

[সম্পাদনা]

সামুদের উল্লেখ গ্রিক ঐতিহাসিক দলিলগুলিতেও পাওয়া যায়। আগাথারকিডিস (খ্রিষ্টপূর্ব ২য় শতক) তাঁর অনেরিথ্রিয়ান সাগর সম্পর্কিত লেখায় সামুদের কথা বলেন, যা পরবর্তীতে উদ্ধৃতির মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সামুদি আরবরা তৎকালীন সময়ে আরব উপদ্বীপের উপকূলে, আকাবা উপসাগরের দক্ষিণে একটি "পাথুরে এবং বিস্তীর্ণ তটরেখা" অঞ্চলে বসবাস করত।[১৫][১৬]

দিওদোরুস সিকুলুস, একজন ১ম শতকের খ্রিষ্টপূর্ব গ্রিক ইতিহাসবিদ, তাঁর বিব্লিওথেকা হিস্টোরিকা গ্রন্থে "আরব উপসাগর" (বর্তমান লাল সাগর) বর্ণনা করতে গিয়ে সামুদের উল্লেখ করেন: "এই উপকূল জুড়ে বসবাসকারী আরবদের সামুদেনি বলা হয়; এবং পরবর্তী উপকূল বিস্তৃত একটি উপসাগর দ্বারা পরিবেষ্টিত, যার চারপাশে ছড়িয়ে থাকা দ্বীপগুলো ইকিনাডেস দ্বীপপুঞ্জের মতো দেখতে।" এই উপকূল সম্ভবত ইয়েমেনের কাছাকাছি।[১৭][১৮]

প্লিনি দ্য এল্ডার, প্রথম শতকের রোমান ইতিহাসবিদ, সামুদের অবস্থান "বাক্লানাজা" নামক একটি অজ্ঞাতভিত্তিক অভ্যন্তরীণ শহরে নির্ধারণ করেন বলে মনে হয়, যদিও তার বিবরণ কিছুটা অস্পষ্ট। পটলেমি, দ্বিতীয় শতকের ভূগোলবিদ, উল্লেখ করেন যে "থামুদিতাই" গোত্রটি লাল সাগরের উপকূল বরাবর এবং "থামুদেনোই" উত্তর-পশ্চিম আরবের অভ্যন্তরে বসবাস করত — উভয়ই সম্ভবত সামুদের প্রতি ইঙ্গিত করে। তাঁর সমসাময়িক ইউরেনিয়াস বিশ্বাস করতেন যে সামুদরা নাবাতীয়দের প্রতিবেশী ছিল।[১৯] সামুদরাও বাইজেন্টাইন সেনাবাহিনীতে সহযোগী সৈন্য হিসেবে যোগ দেয়, এবং নোটিটিয়া ডিজনিটাটুম গ্রন্থে দুইটি সামুদি যোদ্ধাদের ইউনিটের কথা বলা হয়েছে, একটি মিশরে ও অন্যটি প্যালেস্টাইনে কর্মরত ছিল।[]

ইসলাম-পূর্ব আরবীয় শিলালিপি

[সম্পাদনা]

সামুদের নাম ইসলাম-পূর্ব আরবীয় উৎসে খুব কমই পাওয়া যায়। তবে সাফাইতিক লিপিতে খোদাই করা দুটি শিলালিপিতে (প্রথম খ্রিষ্টপূর্ব শতক থেকে চতুর্থ খ্রিষ্টীয় শতকের মধ্যে যেকোনো সময়ে) "গাশম ও সামুদের মধ্যে যুদ্ধের বছর [সনাত হারব গাশম আল থামুদ]" উল্লেখ রয়েছে।[২০] এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম হলো আল-রুওয়াফা নামক স্থানে একটি মন্দির, যা ১৬০-এর দশকে সামুদরাই নির্মাণ করেছিল।[২১] এই মন্দিরের রুওয়াফা শিলালিপি নামে পরিচিত দ্বিভাষিক (প্রাচীন গ্রিক ও নাবাতীয় আরামাইক) শিলালিপিতে বলা হয়েছে যে, এটি "রোবাসু সামুদের" এক পুরোহিত শাআদত কর্তৃক দেবতা ʾlhʾ-এর উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়, এবং রোমান সরকারের সহায়তায়।[২২] "রোবাসু" সম্ভবত বর্তমান আল-রুওয়াফার প্রাচীন নাম।[২৩] এই সামুদরা ছিল রোমান সাম্রাজ্যের অক্সিলিয়ারি সৈন্য, যেহেতু শিলালিপিতে স্পষ্টভাবে লেখা আছে:

সমগ্র বিশ্বের শাসকদের মঙ্গলার্থে... মার্কাস অরেলিয়াস অ্যান্থোনিনাসলুসিয়াস অরেলিয়াস ভেরাস, যারা আর্মেনিয়দের বিজয়ী। এই মন্দিরটি সামুদের গোত্রীয় ইউনিট দ্বারা নির্মিত হয়েছে, তাদের নেতাদের দ্বারা, যেন এটি তাদের হাতেই প্রতিষ্ঠিত হয় এবং চিরকাল তাদের উপাসনার স্থান হিসেবে থাকে... অ্যান্টিস্টিয়াস অ্যাডভেনটাস, গভর্নরের সহায়তায়।[২৪]

ইসলাম-পূর্ব আরবি কবিতা

[সম্পাদনা]

সামুদের উল্লেখ ইসলাম-পূর্ব আরবি কবিতায় পাওয়া যায়। যদিও তারা সম্ভবত চতুর্থ খ্রিষ্টীয় শতক পর্যন্ত টিকে ছিল, তখনকার কবিরা তাদের একটি বিলুপ্ত জাতি হিসেবে উল্লেখ করেন। তাদের নাম একধরনের অস্থায়িত্ব ও ধ্বংসের প্রতীক ছিল।[২৫] ইমরু' আল-কায়েস-এর প্রতি সমর্পিত একটি কবিতায় একটি হত্যাযজ্ঞস্থলের বর্ণনা দিয়ে তা সামুদের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।[]

আরেকটি কবিতা উমাইয়া ইবনে আবি আস-সালত-এর নামে সংরক্ষিত, যিনি মুহাম্মদ-এর সমসাময়িক ছিলেন। সেখানে সামুদের কাহিনী ও উটনীর বর্ণনা আছে, কিন্তু সালেহের কোনো উল্লেখ নেই। বরং, এই কাহিনীতে একটি "অভিশপ্ত আহমার" উটনীটিকে হত্যা করে এবং উটনীর বাচ্চাটি একটি পাথরের উপর দাঁড়িয়ে সামুদদের অভিশাপ দেয়, যার ফলে গোত্রটি ধ্বংস হয়। কেবল একজন খুঁড়িয়ে হাঁটা নারী বেঁচে যায়, যিনি ধ্বংসের বার্তা বহন করেন।[২৬] তবে এই কবিতাটির প্রামাণ্যতা নিয়ে বিতর্ক আছে।[২৭]

ইসলামী উৎস

[সম্পাদনা]

সামুদের নাম কোরআন-এ ২৩ বার এসেছে, এবং তা একধরনের নৈতিক শিক্ষা হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে, যেখানে আল্লাহর পক্ষ থেকে পাপাচারী জাতিগুলোর ধ্বংসের বর্ণনা আছে—এটি কোরআনের একটি কেন্দ্রীয় বিষয়।[২৮] কোরআন অনুযায়ী, সামুদরা পূর্ববর্তী আদ গোত্র-এর উত্তরসূরি, যাদেরকেও তাদের পাপের জন্য ধ্বংস করা হয়েছিল। তারা মাটি কেটে গুহার মতো ঘর নির্মাণ করে বসবাস করত। আল্লাহ সালেহ নবীকে তাদের সতর্ক করার জন্য পাঠান, যাতে তারা এক আল্লাহর উপাসনা করে। কিন্তু তারা সালেহকে একজন সাধারণ মানুষ বলে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি নিদর্শন দাবি করে। এরপর আল্লাহ একটি দুধারু উটনী পাঠান এবং সালেহ বলেন, কেউ যেন উটনীকে ক্ষতি না করে এবং তাকে কূপ থেকে পানি পান করতে দেয়। কিন্তু সামুদের লোকেরা তার হ্যামস্ট্রিং কেটে দেয় বা কোনোভাবে আহত করে। তখন আল্লাহ তাদের ধ্বংস করেন, শুধু সালেহ ও কিছু ন্যায়পরায়ণ লোক ছাড়া। আল্লাহর ধ্বংসের উপায়গুলো ছিল বজ্রপাত, ঝড়, প্রচণ্ড শব্দ বা ভূমিকম্প। কিছু ব্যাখ্যাকারী বলেন, সেই 'শব্দ' এত উচ্চমাত্রার ছিল যে তা ভূমিকম্প সৃষ্টি করেছিল। সুরা আন-নামল-এ একটি বর্ণনায় বলা হয়েছে, সামুদের মধ্যে নয়জন দুর্বৃত্ত ছিল যারা এই ধ্বংসের জন্য সরাসরি দায়ী ছিল।[কুরআন ২৭:৪৮–৫১] এই কাহিনী সদোম শহরের ধ্বংসের ইহুদি বিবরণের অনুরূপ।[২৯]

অন্তর্ধান

[সম্পাদনা]

কুরআনের বর্ণনা মতে, হিজর নগরীর অধিবাসীদের একসঙ্গে ধ্বংস করে দেওয়া হয়। ইরশাদ হয়েছে,[৩০][৩১]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Hoyland 2001, পৃ. 68।
  2. Retsö 2003, পৃ. 34–37।
  3. 1 2 Mackintosh-Smith 2019, পৃ. 29।
  4. Firestone 2006
  5. Mackintosh-Smith 2019, পৃ. 30।
  6. Macdonald 2015, পৃ. 48।
  7. 1 2 Hoyland 2001, পৃ. 69।
  8. Eph'al 1982, পৃ. 36।
  9. Eph'al 1982, পৃ. 105।
  10. Eph'al 1982, পৃ. 105–107।
  11. Eph'al 1982, পৃ. 189।
  12. "Thamūd"ব্রিটেনিকা বিশ্বকোষ অনলাইন
  13. এফা'ল, ইসরায়েল (১৯৮২)। The Ancient Arabs: Nomads on the Borders of the Fertile Crescent, 9th-5th centuries B.C.। ব্রিল। আইএসবিএন ৯৬৫২২৩৪০০১
  14. হাসমা, এম. টিএইচ., সম্পাদক (১৯১৩–১৯৩৬)। ইজে ব্রিলের প্রথম ইসলামিক বিশ্বকোষ। ইজে ব্রিল।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: তারিখ বিন্যাস (লিঙ্ক)
  15. Retsö 2003, পৃ. 297–299।
  16. Macdonald 2015, পৃ. 46।
  17. "LacusCurtius • Diodorus Siculus — Book III Chapters 35–48"penelope.uchicago.edu। সংগ্রহের তারিখ ২ মে ২০২৪
  18. E. H. Warmington, M. A. (১৯৩৪)। Greek Geography। Internet Archive। London & Toronto।
  19. Macdonald 2015, পৃ. 46–47।
  20. Macdonald 2015, পৃ. 47।
  21. Macdonald 2015, পৃ. 49।
  22. Macdonald 2015, পৃ. 54–56।
  23. Macdonald 2015, পৃ. 54।
  24. Hoyland 2001, পৃ. 68–69।
  25. Hoyland 2001, পৃ. 224।
  26. Sinai 2011, পৃ. 407।
  27. Sinai 2011, পৃ. 407–410।
  28. Firestone 2006, পৃ. 252।
  29. Firestone 2006, পৃ. 253।
  30. কুরআন ১১:৬১–৬৯ (অনুবাদ করেছেন পিকথাল)
  31. কুরআন ২৬:১৪১–১৫৮ (অনুবাদ করেছেন পিকথাল)

আরো পড়ুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]