আরাফাতের পাহাড়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
জাবালে রহমত পাহাড় (আরাফাতের পাহাড়)
Jabal-e-Rehmat Mount.jpg
জাবালে রহমত পাহাড়ে হজ দিন ক্ষমা প্রার্থণায় নিমগ্ন হাজী
সর্বোচ্চ সীমা
উচ্চতা৪৫৪ মিটার (১,৪৯০ ফুট)
সুপ্রত্যক্ষতা[রূপান্তর: একটি সংখ্যা প্রয়োজন]
বিচ্ছিন্নতা[রূপান্তর: একটি সংখ্যা প্রয়োজন]
স্থানাঙ্কস্থানাঙ্ক: ২১°২১′১৭.৩৯″ উত্তর ৩৯°৫৯′১.৯৯″ পূর্ব / ২১.৩৫৪৮৩০৬° উত্তর ৩৯.৯৮৩৮৮৬১° পূর্ব / 21.3548306; 39.9838861
নামকরণ
স্থানীয় নামجَبَل عَرَفَات  (আরবি)
ভূগোল
জাবালে রহমত পাহাড় (আরাফাতের পাহাড়) সৌদি আরব-এ অবস্থিত
জাবালে রহমত পাহাড় (আরাফাতের পাহাড়)
জাবালে রহমত পাহাড় (আরাফাতের পাহাড়)
Jabal 'Arafat
জাবালে রহমত পাহাড় (আরাফাতের পাহাড়) এশিয়া-এ অবস্থিত
জাবালে রহমত পাহাড় (আরাফাতের পাহাড়)
জাবালে রহমত পাহাড় (আরাফাতের পাহাড়)
Jabal 'Arafat
অবস্থানMakkah Region, Hejaz,  সৌদি আরব
আরাফাতের পাহাড়
আরাফাতের ময়দানে হাজিদের প্রার্থনা

আরাফাতের পাহাড় (আরবি: جبل عرفات‎‎) সৌদি আরবের মক্কার পূর্ব দিকে আরাফাতে অবস্থিত একটি পাহাড়। একে জাবালে রহমত (রহমতের পাহাড়) বলেও উল্লেখ করা হয়। রাসূল মুহাম্মদ (সা) এখানে দাঁড়িয়ে হজযাত্রীদের সামনে বিদায় হজের ভাষণ দিয়েছিলেন। পাহাড়টি গ্রানাইটে গঠিত এবং উচ্চতা প্রায় ৭০ মি।


জিলহজের ৯ তারিখ আরাফাতের দিন হাজিরা আরাফাতে অবস্থান করেন এবং আল্লাহর কাছে নিজের পাপের কারণে ক্ষমা চান।

হজ[সম্পাদনা]

জিলহজ সূর্যাস্তের মাধ্যমে আরাফাতের কার্যক্রম সমাপ্ত হয়। এরপর হজযাত্রীরা মুজদালিফার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। মুজদালিফায় মাগরিবইশার নামাজ একত্রে পড়া হয়।

পাহাড়ের আশপাশের সমতল ভূমিকে আরাফাতের ময়দান বলা হয়। কখনো কখনো আরাফাতের পাহাড়ের মাধ্যমে সমগ্র এলাকাকে বোঝানো হয়। হজের সাথে সংশ্লিষ্টতার কারণে এই স্থান মুসলিমদের নিকট খুব গুরুত্বপূর্ণ। হজ করতে ইচ্ছুক কোনো ব্যক্তি আরাফাতে উপস্থিত হতে ব্যর্থ হলে শরিয়া অনুযায়ী তার হজ হয় না।

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]