নবদ্বীপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
নবদ্বীপ
প্রাচ্যের অক্সফোর্ড
শহর
নাম: বিশ্বের আধ্যাত্মিক রাজধানী
নবদ্বীপ পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
নবদ্বীপ
নবদ্বীপ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে নবদ্বীপের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°২৫′ উত্তর ৮৮°২২′ পূর্ব / ২৩.৪২° উত্তর ৮৮.৩৭° পূর্ব / 23.42; 88.37স্থানাঙ্ক: ২৩°২৫′ উত্তর ৮৮°২২′ পূর্ব / ২৩.৪২° উত্তর ৮৮.৩৭° পূর্ব / 23.42; 88.37
দেশ  ভারত
রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ
জেলা নদিয়া
প্রতিষ্ঠিত ১০৬৩ (খ্রিস্টাব্দ)
সরকার
 • ধরন পৌরসভা
 • শাসক নবদ্বীপ পৌরসভা
আয়তন
 • মোট ৯৮.০১ কিমি (৩৭.৮৪ বর্গমাইল)
উচ্চতা ১৪ মিটার (৪৬ ফুট)
জনসংখ্যা (২০১১)
 • মোট ১,৭৫,৪৭৪
 • ঘনত্ব ১৮০০/কিমি (৪৬০০/বর্গমাইল)
ভাষা
 • সরকারী বাংলা, ইংরেজি
সময় অঞ্চল আইএসটি (ইউটিসি+৫:৩০)
পিন ৭৪১৩০২
টেলিফোন ডোক ০৩৪৭২
যানবাহন নিবন্ধন ডব্লুবি ৫২ (WB 52)
লোকসভা কেন্দ্র রাণাঘাট
বিধানসভা কেন্দ্র নবদ্বীপ

নবদ্বীপ ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নদিয়া জেলার একটি সুপ্রাচীন শহর ও পৌরসভা এলাকা। নবদ্বীপ চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্য বিখ্যাত। নবদ্বীপ পৌরসভা ১৮৬৯ সালে স্থাপিত। বাংলায় সেন রাজাদের আমলে (১১৫৯ - ১২০৬) নবদ্বীপ ছিল রাজধানী। ১২০২ সালে রাজা লক্ষ্মণ সেনের সময় বখতিয়ার খিলজি নবদ্বীপ জয় করেন[১] যা বাংলায় মুসলিম সাম্রাজ্যের সূচনা করে। নবদ্বীপ ছিল সেই সময়ে বিদ্যালাভের পীঠস্থান ও একে বলা হত বাংলার অক্সফোর্ড[২]

নামকরণ[সম্পাদনা]

নবদ্বীপ নামের উৎস সম্বন্ধে নানা ধারনা প্রচলিত আছে। নবদ্বীপ ও নদিয়া এই দুটি নামই এই জনপদে প্রচলিত। এই শহর বহু বার বৈদেশিক আক্রমণের শিকার হয়েছে, যার ফলে উচ্চারণের বিকৃতির মাধ্যমে নদিয়া ও নবদ্বীপ সম্পর্কযুক্ত হতে পারত, যদিও তা হয় নি। নবদ্বীপ, 'নূদীয়া' 'নওদিয়া'বা 'নদীয়াহ' হয়েছে ভাষান্তরের জন্য। রজনীকান্ত চক্রবর্তী স্পষ্ট জানিয়েছেন, "মিনহাজউদ্দিন সিরাজির গ্রন্থে নবদ্বীপকে নওদিয়ার বলা হইয়াছে। নওদিয়ার শব্দে নূতন দেশ।"[৩] নূতন দেশ বলতে এখানে গঙ্গাবিধৌত পলিসঞ্জাত নুতন দ্বীপকেই বোঝান হয়েছে।

কবি কর্ণপুর তাঁর ‘চৈতন্য চরিতামৃতাম্’ মহা কাব্যে নবদ্বীপকে ‘নবীন দ্বীপং’ বলে উল্লেখ করেছেন।[৪] ষোড়শ শতাব্দীতে নুলো পঞ্চানন বলেছেন, ‘কহেন রাজা কাহার কথা অভিলাশ। নব নব দ্বীপপুঞ্জ নবদ্বীপে প্রকাশ।’[৫] লক্ষ্মণ সেনের সমসাময়িক এডু মিশ্র নবদ্বীপ সম্বন্ধ্যে বলেছেন, ‘গঙ্গাগর্ভোস্থিত দ্বীপ দ্বীপপূঞ্জৈবর্হিধৃত। প্রতিচ্যাং যস্য দেশস্য গঙ্গাভাতি নিরন্তরম।’

নবদ্বীপ নামটির প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় কৃত্তিবাস ওঝার রামায়াণে।[৬] তিনি অবশ্য নদিয়া এবং নবদ্বীপ দুটি নামই উল্লেখ করেছেন-‘গঙ্গারে লইয়া জান আনন্দিত হইয়া আসিয়া মিলিল গঙ্গা তীর্থ যে নদীয়া। সপ্তদ্বীপ মধ্যে সার নবদ্বীপ গ্রাম। একঅরাত্রি গঙ্গা তথা করিল বিশ্রাম।।’ মৃত্যুঞ্জয় মণ্ডলের মতে গঙ্গা গর্ভোত্থিত নতুন দ্বীপটি সংস্কৃতজ্ঞ পণ্ডিতদের সুসংবদ্ধ উচ্চারণে হয়ে ছিল ‘নবদ্বীপ’। পরে ত্রয়োদশ শতাব্দীর প্রারম্ভে বখতিয়ার খলজি নবদ্বীপ জয় করার পর ফার্সি-ভাষায় নবদ্বীপ অর্থে নতুন দ্বীপ কথাটির ভাষান্তর ঘটিয়ে ‘নদিয়া’ করেছেন মাত্র।[৭] অষ্টাদশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে নরহরি চক্রবর্তী (ঘনশ্যাম দাস) প্রচার করলেন নবদ্বীপ হচ্ছে নয়টি দ্বীপের সমষ্টি। তিনি বলেন- ‘দ্বীপ নাম শ্রাবণে সকল দুঃখ ক্ষয়। গঙ্গা পূর্ব-পশ্চিম তিরেতে দ্বীপ নয়। পুরবে অন্তদ্বীপ, শ্রীসীমন্তদ্বীপ হয়। গোদ্রুমদ্বীপ, শ্রীমধ্যদ্বীপ চতুষ্টয়। কোলদ্বীপ, ঋতু, জহ্নু, মোদদ্রুম আর। রুদ্রদ্বীপ এই পঞ্চ পশ্চিমে প্রচার।।’ নরহরি চক্রবর্তীর পূর্বে রচিত বিশাল বৈষ্ণব-সাহিত্যের কথাও নবদ্বীপকে নয়টি দ্বীপের সমষ্টি বলা হয়নি। তিনিই প্রথম নয়টি স্থানকে দ্বীপ হিসাবে চিহ্নিত করে প্রচার করেন।[৮]

নদিয়ার নামকরণ প্রসঙ্গে কান্তিচন্দ্র রাঢ়ী একটি কিংবদন্তির উল্লেখ করেছেন। তিনি লিখেছেন যে, ভাগীরথী তীরস্থ নবসৃস্ট চরভূমিতে এক তান্ত্রিক প্রতিদিন সন্ধ্যায় ন’টি দিয়া (প্রদীপ) জ্বালিয়ে তন্ত্র-সাধানা করতেন। দূর থেকে দেখে লোকে এই দ্বীপটিকে ন’দিয়ার চর বলত। আর সেই থেকেই নাকি লোকমুখে ‘নদিয়া’ নামের প্রচলন করে।[৬]

ভৌগলিক অবস্থান[সম্পাদনা]

নবদ্বীপের অক্ষাংশ ২৩.৪২° উত্তর এবং দ্রাঘিমা ৮৮.৩৭° পূর্ব।[৯] সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে গড় উচ্চতা ১৪ মিঃ(৪৬ ফুট)। ভাগীরথীজলঙ্গী নদীর উদ্ভেদে এবং ভাগীরথীর পশ্চিম পাড়ে[১০] এর অবস্থান।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভারতের ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে নবদ্বীপ শহরের জনসংখ্যা হল ১,৭৫,৪৭৪ জন।[১১] এর মধ্যে পুরুষ ৫১.৭৫%, এবং নারী ৪৮.২৫%। এই শহরের জনসংখ্যার ৭.৪৪% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী। সাক্ষরতার হার ৮৭.৫৭%, ।

২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে নবদ্বীপ শহরের জনসংখ্যা ছিল ১,১৫,০৩৬ জন। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮০%, এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৭০%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে নবদ্বীপের সাক্ষরতার হার বেশি।

ধর্মবিশ্বাস[সম্পাদনা]

নবদ্বীপের সংখ্যাগরিষ্ঠ ধর্মীয় সম্প্রদায় হল হিন্দু (মোট জনসংখ্যার ৯৮.৯৭%)। নবদ্বীপে বসবাসকারী ইসলাম ধর্মে, ০.৭৯ %, খ্রিস্ট ধর্মে ০.০৪ %, শিখধর্মে ০.০১ % মানুষ বিশ্বাসী। এছাড়া অন্যান্য ধর্মে বিশ্বাসী ০.০১ % এবং বিবৃতি নেই এমন মানুষ ০.১৮ %।


Circle frame.svg

নবদ্বীপের ধর্মবিশ্বাস (২০১১)[১২]

  হিন্দুধর্ম (৯৮.৯৭%)
  ইসলাম (০.৭৯%)
  শিখধর্ম (০.০১%)
  জৈন ধর্ম (০.০০%)
  অন্যান্য (০.০১%)
  বিবৃতি নেই (০.১৮%)

আবহাওয়া[সম্পাদনা]

নবদ্বীপ-এর আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য
মাস জানু ফেব্রু মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টে অক্টো নভে ডিসে বছর
সর্বোচ্চ °সে (°ফা) গড় ২৬
(৭৯)
২৯
(৮৪)
৩৪
(৯৩)
৩৭
(৯৯)
৩৭
(৯৯)
৩৫
(৯৫)
৩৩
(৯১)
৩৩
(৯১)
৩৩
(৯১)
৩৩
(৯১)
৩১
(৮৮)
২৭
(৮১)
৩২٫৩
(৯০٫২)
সর্বনিম্ন °সে (°ফা) গড় ১২
(৫৪)
১৫
(৫৯)
২০
(৬৮)
২৪
(৭৫)
২৫
(৭৭)
২৬
(৭৯)
২৫
(৭৭)
২৫
(৭৭)
২৫
(৭৭)
২৩
(৭৩)
১৮
(৬৪)
১৩
(৫৫)
২০٫৯
(৬৯٫৬)
গড় বৃষ্টিপাত মিমি (ইঞ্চি)
(০٫০৪)

(০٫০৮)

(০٫১২)

(০٫১৬)
১০৭
(৪٫২১)
২৪৩
(৯٫৫৭)
৩৭৭
(১৪٫৮৪)
৩২১
(১২٫৬৪)
২৮০
(১১٫০২)
১২৯
(৫٫০৮)

(০٫০৪)

(০٫০৪)
১,৪৬৯
(৫৭٫৮৪)
বৃষ্টিবহুল দিনের গড় ১২ ১৮ ২৩ ২২ ১৮ ১১ ১২৫
গড় আর্দ্রতা (%) ৬৩ ৫৫ ৫২ ৫৮ ৬৫ ৭৫ ৮৩ ৮৩ ৮১ ৭৪ ৬৬ ৬৫ ৬৮٫৩
দৈনিক গড় সূর্যালোকের ঘণ্টা ৬٫৬ ৭٫১ ৭٫৩ ৭٫৮ ৭٫৩ ৪٫১ ৩٫০ ৩٫৪ ৩٫৯ ৫٫৯ ৬٫৪ ৬٫৬ ৫٫৭৮
উৎস: [১]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

নবদ্বীপ বকুলতলা উচ্চ বিদ্যালয়

নবদ্বীপে মোট ১৮টি উচ্চ বিদ্যালয় আছে; এদের মধ্যে নবদ্বীপ বকুলতলা উচ্চ বিদ্যালয়, নবদ্বীপ হিন্দু স্কুল, নবদ্বীপ শিক্ষা মন্দির, আর. সি. বি. সারস্বত মন্দির, জাতীয় বিদ্যালয়, তারাসুন্দরী বালিকা (উচ্চ) বিদ্যালয়, নবদ্বীপ বালিকা বিদ্যালয় উল্লেখযোগ্য। এখানে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে নবদ্বীপ বিদ্যাসাগর মহাবিদ্যালয় নামে একটি মহাবিদ্যালয়ও আছে।

উৎসব[সম্পাদনা]

২০১৪ সালে নবদ্বীপের রাসযাত্রায় গৌরাঙ্গিনী মাতা

এখানকার উৎসবের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ নববর্ষ, নবদ্বীপের শাক্তরাস, চন্দনযাত্রা, গাজন উৎসব, রথযাত্রা, ঝুলন পূর্ণিমা, গঙ্গা পূজা, দুর্গা পূজা, রাস যাত্রা, দোল পূর্ণিমা, সরস্বতী পূজা, গুরু পূর্ণিমা, ধুলোট, গৌর-পূর্ণিমা প্রভৃতি। এদের মধ্যে রাস এবং দোলযাত্রা মহাসমারহে পালিত হয়।

নবদ্বীপের শিবলিঙ্গগুলো বেশিরভাগই বৌদ্ধ প্রভাবিত। পাল যুগে নবদ্বীপ ছিল বৌদ্ধ ধর্মের পীঠস্থান। নবদ্বীপের পশ্চিমে একটি ঢিবি ছিল। তার পূর্ব নাম ‘পারডাঙা’ বর্তমানে ‘পাড়পুর’। নবদ্বীপের বৌদ্ধ-প্রভাবিত শিবমূর্তিগুলি পারডাঙার ধ্বংস স্তুপ থেকে প্রাপ্ত। নবদ্বীপের পূর্বে অবস্থিত বল্লালসেনের ঢিবি খননের পর প্রাপ্ত স্থাপত্য শৈলীকে অনেকে বৌদ্ধ মন্দির বলে মনে করেছেন।[১৩] পানশিলা সুবর্ণবিহার নবদ্বীপের সন্নিকটে অবস্থিত। নবদ্বীপের বুড়োশিব, যোগনাথ, বানেশ্বর, হংসবাহন, পারডাঙার শিব প্রভৃতি এই শ্রেণির বৌদ্ধ প্রভাবিত শিবলিঙ্গ। এঁদের কোন গৌরীপট্ট নেই।

নবদ্বীপে শিবের সংখ্যা অনেক গুলি- বুড়োশিব, যোগনাথ, বানেশ্বর, দণ্ডপাণি, হংসবাহন, অলকনাথ, বালকনাথ, ভবতারণ, পোলোশ্বর। এর মধ্যে ভবতারণ ও অলোকনাথ ব্রাহ্মণ্য সংস্কৃতির চিহ্ন যুক্ত প্রতিষ্ঠিত শিব। নদিয়ার রাজারা এই দুই শিবের প্রতিষ্ঠাতা। অলকনাথ প্রতিষ্ঠা করেন মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র আর ভবতারণ প্রতিষ্ঠা করেন মহারাজ গিরিশচন্দ্র রায়(১৮২৫ খ্রি)। ভবতারণ শিবের গাজন হয় না। বালকনাথ শিব কুড়িয়ে পেয়ে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন শ্যামাচরণ দাস। পোলো দিয়ে মাছ ধরতে গিয়ে যে মুরতি পাওয়া গেছে তার নাম পোলোশ্বর শিব। হংসবাহন শিব সারাবছর হংসদার বিলে নিমজ্জিত থাকেন, গাজনের কদিন মন্দিরে অধিস্থান করেন। আদিতে এটা ছিল বৌদ্ধ মূর্তি, হংসের উপর স্থাপিত প্রস্তর নির্মিত পঞ্জর চিহ্নযুক্ত শিলাটি এখন শিব রূপে পূজিত হচ্ছেন। গাজনের পাঁচ দিন নবদ্বীপের আপামর জনগণ মেতে ওঠেন উৎসবে। সাতগাজন, ফুল,ফল, নীল ও চরক- এই নিয়ে গাজন।

নবদ্বীপ থানা[সম্পাদনা]

নবদ্বীপ থানার মানচিত্র

নবদ্বীপ থানার এখতিয়ারভুক্ত অঞ্চল হল নবদ্বীপ পৌরসভা এবং নবদ্বীপ কমিউনিটি উন্নয়ন ব্লক।[১৪][১৫] নবদ্বীপ থানার আওতাভুক্ত অঞ্চল ১০২.৯৪ বর্গকিলোমিটার এবং জনসংখ্যা ২৬০,৮৪৩ (২০০১ অনুযায়ী)।[১৬]

নবদ্বীপ বিবেকানন্দ ক্রিয়াঙ্গন[সম্পাদনা]

নবদ্বীপ বিবেকানন্দ ক্রিয়াঙ্গন নবদ্বীপ শহরে গড়ে ওঠা নবনির্মিত ক্রিয়াঙ্গন। ক্রিয়াঙ্গনটি ২০১৭ সালের ২৬ আগস্ট উদ্বোধন হয়। রাজ্যের বর্তমান ক্রীড়া মন্ত্রী আশ্বাস দেন যে নবদ্বীপের এই ক্রিয়াঙ্গনকে আন্তর্জাতিক মানের ক্রিয়াঙ্গন হিসাবে গড়ে তোলা হবে।[১৭][১৮] বর্তমানে দর্শকদের বসার জন্য গ্যালারি তৈরির কাজ চলছে ও রাত্রিকালীন খেলা পরিচালনার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ১৯ নভেম্বর সকার কাপের (সকার কাপ ২০১৪ সাল থেকে শুরু হওয়া নবদ্বীপের একটি ফুটবল লিগ) উদ্বোধনী খেলার মাধ্যমে এই ক্রিয়াঙ্গনে খেলার সূচনা হয়।

সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন[সম্পাদনা]

নবদ্বীপ হোমিও স্টাডি সার্কেল (NHSC)
নবদ্বীপ সাধারণ গ্রন্থাগার (পাবলিক লাইব্রেরী)

নবদ্বীপে বিভিন্ন ধরণের সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন রয়েছে। এর মধ্যে চিকিৎসক সংগঠন হিসাবে আছেঃ নবদ্বীপ হোমিও স্টাডি সার্কেল, ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশান, লায়ন্স ক্লাব ইত্যাদি; ক্লাবগুলোর মধ্যেঃ নদিয়া ক্লাব, টাউন ক্লাব, নির্ভীক সমিতি, স্পোর্টিং ক্লাব, বিদ্যাসাগর ক্লাব, আথেলেটিক ক্লাব, বিদ্যার্থী মণিমেলা, প্রগতি পরিষদ, উত্তরপ্রবেশ, পুরাতত্ত্ব পরিষদ ইত্যাদি; গ্রন্থাগারের মধ্যেঃ নবদ্বীপ সাধারণ গ্রন্থাগার, আদর্শ পাঠাগার, প্রগতি পরিষদ পাঠাগার, বঙ্গবাণী এরিয়া লাইব্রেরি উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Tourist Department
  2. Cotton, H.E.A., Calcutta Old and New, 1909/1980, p1, General Printers and Publishers Pvt. Ltd.
  3. গৌড়ের ইতিহাস, পৃ.১২৯
  4. শ্রীচৈতন্যচরিতাম-কবি কর্ণপুর ৬।২৩
  5. সম্বন্ধ নির্ণয় ৩য় সং পৃ ৭১৪
  6. নবদ্বীপ মহিমা
  7. নবদ্বীপের ইতিবৃত্ত পৃ. ৫৯
  8. ভক্তিরত্নাকর - নরহরি চক্রবর্তী, ১২/৫০-৫২
  9. Falling Rain Genomics, Inc - Nabadwip
  10. Rail India
  11. "Urban Agglomerations/Cities having population 1 lakh and above"Provisional Population Totals, Census of India 2011। সংগৃহীত ২০১১-১০-২১ 
  12. "Nabadwip Religion 2011"। সংগৃহীত ২২ মার্চ ২০১৭ 
  13. ‘পশ্চিমবঙ্গ’ পত্রিকায় নদিয়া জেলা সংখ্যায় প্রকাশিত মোহিত রায়ের প্রবন্ধ, পৃ. ৫৩
  14. "District Statistical Handbook 2014 Nadia"Table 2.1। Department of Statistics and Programme Implementation, Government of West Bengal। সংগৃহীত ১৭ মে ২০১৭ 
  15. "Nadia District Police"Police Unit। West Bengal Police। সংগৃহীত ১৭ মে ২০১৭ 
  16. "Nabadwip Police Station Details"। Nadia Police। সংগৃহীত ১৭ মে ২০১৭ 
  17. "আনন্দবাজার পত্রিকা - মুর্শিদাবাদ ও নদিয়া"। সংগৃহীত ২০১৭-০৮-২৭ 
  18. সংবাদদাতা, নিজস্ব। "হাল ফিরছে জেলার পাঁচ স্টেডিয়ামের - Anandabazar"anandabazar.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ২০১৭-০৮-২৭