গৌড়ীয় মঠ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

গৌড়ীয় মঠ একটি হিন্দু ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। ১৯২০ সালের ৬ সেপ্টেম্বর গৌড়ীয় মঠ স্থাপিত হয়।[১] ১৯১৮ সালের ৭ মার্চ[১] ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর সন্ন্যাস গ্রহণ করে মায়াপুরে শ্রীচৈতন্য মঠ স্থাপন করেন। শ্রীচৈতন্য মঠ পরে গৌড়ীয় মঠের সকল শাখার মূল সংগঠন বলে স্বীকৃতি পায়।[১] গৌড়ীয় মঠ স্থাপনের উদ্দেশ্য ছিল গৌড়ীয় বৈষ্ণবধর্ম ও মধ্যযুগীয় বৈষ্ণব সন্ত চৈতন্য মহাপ্রভুর দর্শন উপদেশ দান ও গ্রন্থ প্রকাশনার মাধ্যমে প্রচার করা।

চৈতন্য মহাপ্রভুর ভক্তি আন্দোলনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য ছিল হিন্দুধর্মের জাতিভেদ প্রথাকে অস্বীকার করা। উনিশ শতকের ম্যাজিস্ট্রেট ও ভক্তিবাদী লেখক ভক্তিবিনোদ ঠাকুর এই মতবাদের দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হন।[২] বিশ শতকে তাঁর পুত্র ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুর এই মতবাদকে সাংগঠনিক রূপ দিয়ে গৌড়ীয় মঠ স্থাপন করেন।[২]

১৯৩৭ সালের ১ জানুয়ারি ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের মৃত্যুর সময় গৌড়ীয় মঠের ৬৪টি শাখা স্থাপিত হয়েছিল।[১] এগুলির অধিকাংশই ছিল ভারতে। তবে কিছু সময়ের জন্য গৌড়ীয় মঠ ব্রহ্মদেশ, ইংল্যান্ডজার্মানিতেও ধর্মপ্রচার কেন্দ্র চালিয়েছিল। ইসকন বা হরেকৃষ্ণ আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভয়চরণারবিন্দ ভক্তিবেদান্ত স্বামী প্রভুপাদ ছিলেন ভক্তিসিদ্ধান্ত সরস্বতী ঠাকুরের শিষ্য।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Devamayī dāsi, "A Divine Life: Śrīla Bhaktisiddhānta Saraswatī Ṭhākura Prabhupāda" in Prabhupada Saraswati Thakur: The Life & Precepts of Śrīla Bhaktisiddhānta Saraswatī, Mandala Publishing, Eugene, Oregon: 1997, pp. 24, 26, 49. আইএসবিএন ০-৯৪৫৪৭৫-১০-১.
  2. Sherbow, P.H. (২০০৪)। "AC Bhaktivedanta Swami's Preaching In The Context Of Gaudiya Vaishnavism"The Hare Krishna Movement: The Postcharismatic Fate of a Religious Transplant: p.139।