দিল্লি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
"জাতীয় রাজধানী অঞ্চল" এখানে পুননির্দেশ করা হয়েছে। বর্গনামের জন্য জন্য, দেখুন রাজধানী জেলা ও অঞ্চলসমূহ
নতুন দিল্লি (একটি পৌরসংস্থা ও ভারতের রাজধানী, যা সম্পূর্ণ দিল্লির মধ্যে অবস্থিত) ভেবে বিভ্রান্ত হবেন না।
দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল
কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
উপর থেকে ঘড়ির কাঁটার ক্রমে: লোটাস টেম্পল, হুমায়ুনের সমাধি, কনট প্লেস, অক্ষরধাম মন্দির ও ইন্ডিয়া গেট।
ভারতের মানচিত্রে দিল্লির অবস্থান
ভারতের মানচিত্রে দিল্লির অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৮°৩৬′৩৬″ উত্তর ৭৭°১৩′৪৮″ পূর্ব / ২৮.৬১০০০° উত্তর ৭৭.২৩০০০° পূর্ব / 28.61000; 77.23000স্থানাঙ্ক: ২৮°৩৬′৩৬″ উত্তর ৭৭°১৩′৪৮″ পূর্ব / ২৮.৬১০০০° উত্তর ৭৭.২৩০০০° পূর্ব / 28.61000; 77.23000
দেশ  ভারত
স্থাপিত খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দী, খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ অব্দ (কিংবদন্তি অনুসারে)
পৌরসংস্থা গঠন ১৮৫৭
রাজধানী মর্যাদা প্রাপ্তি ১৯১১
কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে রূপান্তর ১৯৫৬
অতিরিক্ত ক্ষমতা প্রাপ্তি †† ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২
রাজধানী নতুন দিল্লি
জেলা ১১
সরকার
 • উপ-রাজ্যপাল নাজিব জং
 • মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (আম আদমি পার্টি)
 • বিধানসভা এককক্ষীয় (৭০ আসনবিশিষ্ট)
 • হাইকোর্ট দিল্লি হাইকোর্ট
 • পুলিশ কমিশনার অলোক বর্মা[১]
আয়তন
 • কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল [[১ E+এক্সপ্রেশন ত্রুটি: অপরিচিত বিরামচিহ্ন ক্যারেক্টার "�"_m²|১৪৮৪.০ কিমি]] (৫৭৩.০ বর্গমাইল)
 • পানি ১৮ কিমি (৬.৯ বর্গমাইল)
 • মেট্রো ৫৮৩৩২ কিমি (২২৫২২ বর্গমাইল)
এলাকার ক্রম ৩১তম
উচ্চতা ২০০-২৫০ মিটার (৬৫০-৮২০ ফুট)
জনসংখ্যা (২০১১)[২]
 • কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ১,১০,৩৪,৫৫৫
 • ক্রম ২য়
 • ঘনত্ব ১১২৯৭.০১/কিমি (২৯২৫৯.১২/বর্গমাইল)
 • মেট্রো[৩] ২,১৭,৫৩,৪৮৬
বিশেষণ দিল্লিবাসী
ভাষা
 • সরকারি হিন্দি[৪]
 • দ্বিতীয় সরকারি ইংরেজি, পাঞ্জাবি, উর্দু[৪]
সময় অঞ্চল ভারতীয় প্রমাণ সময় (ইউটিসি+০৫.৩০)
পিনকোড ১১০ XXX
এলাকা কোড +৯১ ১১
আইএসও ৩১৬৬ কোড IN-DL
ওয়েবসাইট Delhi.gov.in
সংবিধান (সপ্তম সংশোধনী) আইন, ১৯৫৬-র গ খণ্ড অনুসারে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল
†† সংবিধান (৭৯তম সংশোধনী) আইন, ১৯৯১ অনুসারে

দিল্লি (/ˈdɛli/, টেমপ্লেট:IPA-hi Dilli; দেবনাগরী: दिल्ली) (সরকারি নাম: দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল) হল ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের জাতীয় রাজধানী অঞ্চল।[৫] ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে দিল্লি যমুনা-গঙ্গা নদী উপত্যকার উচ্চ দোয়াব[৬]পাঞ্জাব অঞ্চলের অংশ।[৭] এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটির পূর্ব সীমায় উত্তরপ্রদেশ রাজ্য এবং অপর তিন সীমায় হরিয়ানা রাজ্য অবস্থিত। দিল্লির আয়তন ১,৪৮৪ বর্গকিলোমিটার (৫৭৩ মা) এবং জনসংখ্যা ১ কোটি ৬৩ লক্ষ। এটি ভারতের দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল শহর এবং দ্বিতীয় সর্বাধিক জনবহুল মহানগর অঞ্চল।এটি বিশ্বের ভারতের ৩য় বৃহত্তম শহরাঞ্চলও বটে।[৮][৯][১০] দিল্লির নগরাঞ্চলীয় প্রসার এতটাই বেশি যে পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলির শহরও এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ২০১৪ সালের হিসেব অনুসারে, বৃহত্তর দিল্লির জনসংখ্যা প্রায় ২ লক্ষ ৫০ হাজার।[১১] মুম্বই শহরের পরেই দিল্লিতে ভারতের দ্বিতীয় সর্বাধিক সংখ্যায় কোটিপতি ও লক্ষপতিরা বসবাস করেন।[১২][১৩]

খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দী থেকে দিল্লি নিরবিচ্ছিন্নভাবে একটি জনবসতি অঞ্চল হিসেবে পরিচিত হয়ে এসেছে।[১৪] ইতিহাসের অধিকাংশ সময় দিল্লি ছিল বিভিন্ন রাজ্য ও সাম্রাজ্যের রাজধানী। এই শহরটি বহুবার শত্রু কর্তৃক অধিকৃত, লুণ্ঠিত ও পুনর্নির্মিত হয়েছে। এই ঘটনাগুলি মূলত ঘটেছিল মধ্যযুগে। আধুনিক দিল্লি একটি মহানগর অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত একাধিক শহরের একটি নগরপুঞ্জ।

দিল্লি ও তার সংশ্লিষ্ট নগরাঞ্চলটিকে ১৯৯১ সালে ভারতীয় সংবিধানের ৬৯তম সংশোধনী বলে জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত দিল্লির প্রতিবেশী শহরগুলি হল ফরিদাবাদ, গুরগাঁও, নইডা, গাজিয়াবাদ, নেহারপার (বৃহত্তর ফরিদাবাদ), বৃহত্তর নইডা, বাহাদুরগড়, সোনাপত, পানিপত, কারনাল, রোহটাক, ভিওয়ানি, রেওয়ারি, বাঘপত, মীরাট, মুজফফরনগর, আলোয়ার, ভরতপুর ও নিকটবর্তী শহরগুলি। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের রাজনৈতিক প্রশাসন ভারতের রাজ্যগুলির অনুরূপ। দিল্লির নিজস্ব বিধানসভা, হাইকোর্ট ও মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন কার্যনির্বাহী মন্ত্রিপরিষদ রয়েছে। নতুন দিল্লির প্রশাসনিক দায়িত্ব যুক্তরাষ্ট্রীয় ভারত সরকার ও স্থানীয় দিল্লি সরকারের হাতে যুগ্মভাবে ন্যস্ত। নতুন দিল্লিই দিল্লির রাজধানী।

নামকরণ[সম্পাদনা]

‘দিল্লি’ নামটির উৎপত্তি নিয়ে একাধিক পুরাণকথা ও কিংবদন্তি রয়েছে। এগুলির মধ্যে একটি হল এই যে, ‘ধিল্লু’ বা ‘দিলু’ নামে এক রাজা এই স্থানে একটি শহর নির্মাণ করেছিলেন এবং নিজের নামানুসারে এই শহরটির নামকরণ করেছিলেন।[১৫][১৬][১৭] আরেকটি কিংবদন্তি অনুসারে, এই শহরটির মামটির মূল হিন্দি/প্রাকৃত ‘ঢিলি’ (‘আলগা’) শব্দ। তোমররা এই নামটি ব্যবহার করতেন। কারণ, দিল্লির লৌহস্তম্ভ একটি দুর্বল ভিত্তির উপর স্থাপিত হয়েছিল এবং সেই কারণে এটিকে স্থানান্তরিত করতে হয়েছিল।[১৭] তোমরদের রাজত্বকালে এই অঞ্চলে যে মুদ্রা প্রচলিত হয়েছিল, তার নাম ছিল ‘দেহলিওয়াল’।[১৮] ভবিষ্যপুরাণ অনুসারে, ইন্দ্রপ্রস্থের রাজা পৃথ্বিরাজ অধুনা পুরানা কেল্লা অঞ্চলে তাঁর রাজ্যের চার বর্ণের ব্যবহারের উপযোগী একটি দূর্গ নির্মাণ করেছিলেন। তিনি সেই দূর্গের একটি সিংহদ্বার নির্মাণের আদেশ দেন এবং পরবর্তীকালে দূর্গটির নাম হয় ‘দেহলি’।[১৯] কোণও কোনোও ইতিহাসবিদ মনে করেন, ‘দিল্লি’ নামটি উর্দু ‘দেহালিজ’ বা ‘দেহালি’ শব্দের অপভ্রংশ। এই দুই শব্দের অর্থ ‘প্রবেশপথ’ বা ‘দরজা’। দিল্লি শহরটি গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলের প্রবেশপথ। এই নামটি তারই প্রতীক।[২০][২১] আরেকটি তত্ত্ব অনুসারে, এই শহরের আদি নাম ছিল ‘ধিল্লিকা’।[২২]

দিল্লির অধিবাসীদের বলা হয় ‘দিল্লিবাসী’ বা ‘দিল্লিওয়ালা’।[২৩] উত্তর ইন্দো-আর্য ভাষাসমূহের বিভিন্ন বাগধারায় এই শহরের নামটি পাওয়া যায়। যথা:

  • “আভি দিল্লি দূর হ্যায়” বা এটির ফারসি পাঠান্তর “হানৌজ দিল্লি দূর অস্ত” (অর্থাৎ, “দিল্লি এখনও দূরে”)। গন্তব্যস্থল এখনও দূরে বোঝাতে এই বাগধারাটি প্রয়োগ করা হয়।[২৪][২৫]
  • “দিল্লি দিলওয়ালোঁ কা শেহ্‌র” বা “দিল্লি দিলওয়ালোঁ কি” (অর্থাৎ, “দিল্লি উদারমনস্ক বা সাহসীদের শহর”)।[২৬]
  • “আস-পাস বরসে, দিল্লি পানি তরসে” (অর্থাৎ, “সব জায়গায় বৃষ্টি হচ্ছে, কিন্তু দিল্লি শুকনো পড়ে আছে”)। দিল্লির প্রায়-শুষ্ক জলবায়ুর দ্যোতক এই বাগধারাটির প্রয়োগ করা হয় প্রাচুর্যের মাঝখানে বঞ্চনা বোঝাতে।[২৫]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: দিল্লির ইতিহাস এবং পুরনো দিল্লি

দিল্লি সংলগ্ন অঞ্চলে জনবসতি স্থাপিত হয়েছিল সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় সহস্রাব্দের পূর্বে। খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ শতাব্দী থেকে এই অঞ্চল যে নিরবিচ্ছিন্নভাবে একটি জনবসতি অঞ্চল ছিল, তারও প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।[১৪] মনে করা হয়, এই শহরটিই হিন্দু মহাকাব্য মহাভারতে উল্লিখিত পাণ্ডবদের রাজধানী ইন্দ্রপ্রস্থের স্থান।[১৫] মহাভারত অনুসারে, এই অঞ্চলটি প্রকৃতপক্ষে ছিল ‘খাণ্ডবপ্রস্থ’ নামে একটি বিরাট বনাঞ্চল। সেই বন পুড়িয়ে ফেলে ইন্দ্রপ্রস্থ শহরটি নির্মিত হয়। এই অঞ্চলের প্রাচীনতম স্থাপত্য ধ্বংসাবশেষটি মৌর্য যুগের (খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দ)। ১৯৬৬ সালে শ্রীনিবাসপুরীর কাছে মৌর্য সম্রাট অশোকের (খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩-২৩৫ অব্দ) একটি স্তম্ভলিপি পাওয়া গিয়েছে।[২৭][২৮] দিল্লিতে আটটি প্রধান শহরের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কৃত হয়েছে। প্রথম পাঁচটি শহর অধুনা দিল্লির দক্ষিণ অংশে অবস্থিত ছিল। গুর্জর-প্রতিহার রাজা তোমর রাজবংশের অনঙ্গ পাল ৭৩৬ খ্রিস্টাব্দে লাল কোট শহরটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।[২৯][৩০] ১১৮০ খ্রিস্টাব্দে চৌহানরা লাল কোট দখল করে এবং এই শহরের নামকরণ করে কিলা রাই পিথোরা[৩১]

দিল্লির লৌহস্তম্ভ। কথিত আছে, এই স্তম্ভটি গুপ্ত সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের (৩৭৫-৪১৩ খ্রিস্টাব্দে রাজত্বকালে নির্মিত হয়।[৩২][৩৩]

১১৯২ সালে মহম্মদ ঘোরি নামে আফগানিস্তান থেকে আগত তাজিক আক্রমণকারী মহম্মদ ঘোরি রাজা পৃথ্বিরাজ চৌহানকে পরাজিত করেন। মহম্মদ ঘোরি উত্তর ভারতের অনেক অঞ্চল জয় করেছিলেন।[১৫] ১২০০ সালের মধ্যে স্থানীয় হিন্দু রাজাদের প্রতিরোধ দুর্বল হতে শুরু করেছিল। পরবর্তী পাঁচশো বছর উত্তর ভারত বিদেশি তুর্কি মুসলমান রাজবংশগুলির শাসনাধীনে ছিল। মহম্মদ ঘোরির ক্রীতদাস সেনাপতি কুতুব-উদ-দিন আইবক ভারতের বিজিত অঞ্চলগুলি শাসন করার দায়িত্ব পান।।[৩৪] তিনি কুতুব মিনার[৩৫]কাওয়াত-আল-ইসলাম (ইসলামের শক্তি) মসজিদের[৩৬] নির্মাণকাজ শুরু করেন। এটিই ভারতের প্রাচীনতম মসজিদ যেটি এখনও বিদ্যমান রয়েছে। কুতুব-উদ-দিনের রাজত্বকালে অনেক জায়গায় হিন্দুরা বিদ্রোহ করেছিলেন। তাঁর উত্তরসূরি ইলতুতমিস (১২১১-৩৬ খ্রিস্টাব্দ) উত্তর ভারতে তুর্কি শাসনের ভিত্তি সুদৃঢ় করেন।[১৫][৩৭]

A view of Qutab minor
কুতুব মিনার, এ ৭২.৫ মি (২৩৮ ফু) উঁচু ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্মারকটি বিশ্বের উচ্চতম ইষ্টকনির্মিত একক মিনার[৩৮]

পরবর্তী তিনশো বছর দিল্লি ছিল একাধিক তুর্কি এবং একটি আফগান লোদি রাজবংশের অধীনে। তাঁরা দিল্লিতে একাধিক দূর্গ ও নগর নির্মাণ করেছিলেন। এগুলি দিল্লির সাতটি শহরের অংশ।[৩৯] এই যুগে দিল্লি ছিল সুফিবাদের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র।[৪০] ১২৯০ সালে মামলুক সুলতানিকে সিংহাসনচ্যুত করে খিলজি রাজবংশ (১২৯০-১৩২০) দিল্লি অধিকার করে।[৪১] দ্বিতীয় খলজি শাসক আলাউদ্দিন খিলজির অধীনে দিল্লি সুলতানি দাক্ষিণাত্যে নর্মদা নদীর দক্ষিণে প্রসার লাভ করে।[৪২] দিল্লি সুলতানির সর্বাধিক প্রসার ঘটেছিল মহম্মদ বিন তুঘলকের (১৩২৫-১৩৫১) শাসনকালে।[৪৩] সমগ্র দাক্ষিণাত্যকে নিজ অধিকারে আনার মানসে তিনি মধ্য ভারতের দৌলতাবাদে রাজধানী স্থানান্তরিত করেছিলেন।[৪৪] যদিও দিল্লি থেকে দূরে সরে গিয়ে তিনি উত্তর ভারতের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং সেই নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের জন্য পুরায় দিল্লিতে রাজধানী স্থানান্তরিত করতে বাধ্য হন।[৪৩] এরপর দাক্ষিণাত্যের প্রদেশগুলি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। পরবর্তী বছরগুলিতে ফিরোজ শাহ তুঘলকের রাজত্বকালে দিল্লি সুলতানি উত্তর ভারতের প্রদেশগুলির উপর থেকেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে।[৪৫] ১৩৯৮ সালে তৈমুর লং দিল্লি দখল ও লুণ্ঠন করেন[৪৬] এবং এক লক্ষ বন্দীকে হত্যা করেন।[৪৭] সৈয়দ রাজবংশের (১৪১৪-১৪৫১) শাসনকালেও দিল্লির অবনতি অব্যাহত থেকে। অবশেষে এই সুলতানির শাসন পরিসীমা দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলগুলির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।[৪৮] আফগান লোদি রাজবংশের শাসনকালে দিল্লি সুলতানি পাঞ্জাব ও গাঙ্গেয় সমভূমি অঞ্চলের পুনরায় নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করে এবং উত্তর ভারতে নিজ কর্তৃত্ব পুনরুদ্ধার করে। যদিও এই পুনরুদ্ধার ছিল ক্ষণস্থায়ী। ১৫২৬ সালে বাবর এই সুলতানিকে পরাজিত করে মুঘল রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন।[৪৯]

বাবর ছিলেন চেঙ্গিস খান ও তৈমুর লঙের বংশধর। তাঁর আদি নিবাস ছিল অধুনা উজবেকিস্তানের ফারগানা উপত্যকা। ১৫২৬ সালে তিনি ভারত আক্রমণ করেন এবং পানিপতের প্রথম যুদ্ধে সর্বশেষ লোদি সুলতানকে পরাজিত করে মুঘল সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। এই সাম্রাজ্য দিল্লি ও আগ্রা থেকে ভারত শাসন করত।[১৫] মুঘল রাজবংশ তিনশো বছরেরও বেশি সময় দিল্লি শাসন করেছিল। মাঝে ষোলো বছর (১৫৪০-১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ) শের শাহ সুরিহিমু দিল্লি শাসন করেছিলেন।[৫০] ১৫৫৩ সালে হিন্দু রাজা হিমু মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের বাহিনীকে আগ্রা ও দিল্লিতে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন। যদিও ১৫৫৬ সালে আকবর পানিপতের দ্বিতীয় যুদ্ধে হিমুর বাহিনীকে পরাজিত করে মুঘল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।[৫১][৫২][৫৩] শাহজাহান দিল্লির সপ্তম শহরটি নির্মাণ করেন। এই শহরটির নামকরণ করা হয়েছিল শাহজাহানাবাদ ১৬৩৮ সাল পর্যন্ত এটিই ছিল মুঘল সাম্রাজ্যের রাজধানী। এই শহরটি এখন ‘পুরনো শহর’ বা ‘পুরনো দিল্লি’ নামে পরিচিত।[৫৪]

১৭০৭ সালে আওরঙ্গজেবের মৃত্যুর পর মুঘল সাম্রাজ্যের অবনতি সূচিত হয়। এই সময় দাক্ষিণাত্য মালভূমি অঞ্চলের হিন্দু মারাঠা সাম্রাজ্য আধিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে।[৫৫] ১৭৩৭ সালে মারাঠা বাহিনী দিল্লির প্রথম যুদ্ধে মুঘলদের পরাজিত করে দিল্লি দখল করে। ১৭৩৯ সালে মারাঠা বাহিনী কারনালের যুদ্ধে পারস্যের নাদির শাহের নেতৃত্বাধীন একটি ছোটো অথচ প্রবল সামরিক শক্তিধর বাহিনীর হাতে পরাজিত হয়। ভারত আক্রমণের পর তিনি দিল্লি সম্পূর্ণত দখল ও লুণ্ঠন করেন। এই সময় ময়ূর সিংহাসন, দরিয়া-ই-নুরকোহ্‌-ই-নুর সহ একাধিক মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে গিয়েছিলেন। মুঘলরা আরও দুর্বল হয়ে পড়েছিল। তারা সেই পরাজয় ও অপমানের পর আর হৃতগৌরব পুনরুদ্ধার করতে পারেনি। এর ফলে আরও বেশি সংখ্যায় বহিরাগত বাহিনী ভারত আক্রমণ শুরু করে। পরবর্তীকালে এভাবেই ব্রিটিশরা ভারত অধিকার করে।[৫৬][৫৭][৫৮] নাদির শাহ দিল্লি ও ভারত ত্যাগ করতে রাজি হন একটি শর্তে। তিনি মুঘল সম্রাট প্রথম মহম্মদ শাহকে দয়াভিক্ষা করতে বাধ্য করেন এবং শহর ও রাজকোষের চাবি অর্পণ করেন।[৫৯] ১৭৫২ সালে একটি চুক্তি বলে মারাঠারা দিল্লির মুঘল রাজসিংহাসনের রক্ষাকর্তায় পরিণত হন।[৬০]

১৭৫৭ সালে আফগান শাসক আহমদ শাহ দুরানি দিল্লি দখল করেন। তিনি একজন মুঘল অনুগামী শাসককে নামমাত্র ক্ষমতা প্রদান করে আফগানিস্তানে ফিরে যান। ১৭৫৮ সালে মারাঠারা পুনরায় দিল্লি দখল। ১৭৬১ সালে পানিপতের তৃতীয় যুদ্ধে মারাঠাদের পরাজয় পর্যন্ত দিল্লি তাঁদেরই দখলে ছিল। এরপর আহমদ শাহ দুরানি আবার দিল্লি দখল করেন।[৬২] যদিও ১৭৭১ সালে মারাঠা শাসক মহদজি সিন্ধে দিল্লি দখল করে দিল্লিকে করদ রাজ্যে পরিণত করেন এবং ১৭৭২ সালে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমকে অনুগামী শাসক হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে অভিষিক্ত করেন।[৬৩] ১৭৮৩ সালে বাঘেল সিং-এর অধীনে শিখরা দিল্লি ও লাল কেল্লা দখল করেন। কিন্তু একটি চুক্তির বলে শিখরা লাল কেল্লার অধিকার পরিত্যাগ করে এবং শাহ আলমকেই সম্রাট হিসেবে স্থাপন করে। ১৮০৩ সালে দ্বিতীয় ইঙ্গ-মারাঠা যুদ্ধের সময় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী দিল্লির যুদ্ধে মারাঠা বাহিনীকে পরাজিত করে।[৬৪] সিপাহি বিদ্রোহের সময় দিল্লি অবরোধ নামে পরিচিত এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর দিল্লি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির অধীনে আসে। ১৮৫৮ সালে এই শহরটি ব্রিটিশ সরকারের প্রত্যক্ষ শাসনাধীনে আসে। দিল্লিকে পাঞ্জাব প্রদেশের একটি জেলায় পরিণত করা হয়।[১৫] ১৯১১ সালে ঘোষণা করা হয় যে, ভারতের ব্রিটিশ অধিকৃত অঞ্চলগুলির রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করা হবে।[৬৫] ১৯২৭ সালে ‘নতুন দিল্লি’ নামটি দেওয়া হয় এবং নতুন রাজধানী উদ্বোধন করা হয় ১৯৩১ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। নতুন দিল্লি, যেটি ‘লুটিয়েন’স দিল্লি’ নামেও পরিচিত,[৬৬] সেটিকেই ১৯৪৭ সালের ১৫ অগস্ট ভারতের স্বাধীনতার সময় ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঘোষণা করা হয়।[৬৭]

ভারত বিভাজনের সময় সহস্রাধিক হিন্দু ও শিখ শরণার্থী মূলত পাঞ্জাব থেকে দিল্লিতে চলে আসেন এবং শহরের অনেক মুসলমান অধিবাসী পাকিস্তানে চলে যান। ২০১৩ সাল পর্যন্ত ভারতের অন্যান্য স্থান থেকে অধিবাসীদের দিল্লিতে চলে আসার ঘটনা ঘটতে থাকে। এর ফলে দিল্লির জনসংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং জন্মহার হ্রাস পায়।[৬৮]

১৯৯১ সালে সংবিধান (৬৯তম সংশোধনী) আইন অনুসারে দিল্লি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলটি আনুষ্ঠানিকভাবে ‘দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চল’ নামে পরিচিত হয়।[৬৯] এই আইন অনুসারে দিল্লির নিজস্ব বিধানসভা ও শাসনবিভাগ গঠিত হয়। যদিও এই শাসনবিভাগের ক্ষমতা সীমিত।[৬৯] ২০০১ সালের ডিসেম্বর মাসে নতুন দিল্লির ভারতীয় সংসদ ভবনে সশস্ত্র জঙ্গিরা হানা দেয়। এই সংঘাতে ছয় জন নিরাপত্তাকর্মী নিহত হয়েছিলেন।[৭০] ভারত সন্দেহ করে পাকিস্তানি জঙ্গি গোষ্ঠীগুলি এই হানার পিছনে মূল চক্রী ছিল। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সংকট সৃষ্টি হয়।[৭১] ২০০৫ সালের অক্টোবর মাসে এবং ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে দিল্লিতে আবার জঙ্গিহানার ঘটনা ঘটে। এই দুই জঙ্গিহানায় মোট ১০৩ জন নিহত হয়েছিলেন।[৭২]

বাস্তু পরিবেশবিদ্যা[সম্পাদনা]

মূল নিবন্ধগুলি: দিল্লির পরিবেশ এবং দিল্লির ভূগোল
দিল্লির স্থানীয় প্রতীক
প্রাণী নীলগাই[৭৩] Boselaphus tragocamelus1.jpg
পাখি' পাতি চড়ুই[৭৪][৭৫] House Sparrow (Passer domesticus)- Male in Kolkata I IMG 5904.jpg
গাছ নির্দিষ্ট করা হয়নি[৭৬]
ফুল নির্দিষ্ট করা হয়নি[৭৩]

উত্তর ভারতে ২৮°৩৭′উত্তর ৭৭°১৪′পূর্ব / ২৮.৬১° উত্তর ৭৭.২৩° পূর্ব / 28.61; 77.23 অক্ষ-দ্রাঘিমাংশে দিল্লি অবস্থিত। দিল্লির উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ দিকে হরিয়ানা রাজ্য এবং পূর্ব দিকে উত্তরপ্রদেশ রাজ্য অবস্থিত। দিল্লির ভূগোলের দুটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হল যমুনা নদীদিল্লি শৈলশিরা। যমুনা নদী ছিল পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশের ঐতিহাসিক সীমানা। এই নদীর প্লাবন সমভূমি কৃষিকার্যের উপযোগী উর্বর পলিমাটি জোগায়। তবে এই নদীতে ঘন ঘন বন্যা দেখা দেয়। হিন্দুধর্মের পবিত্র নদী যমুনাই দিল্লির একমাত্র প্রধান নদী। হিন্ডন নদী গাজিয়াবাদকে দিল্লির পূর্ব অংশকে বিচ্ছিন্ন করেছে। দিল্লি শৈলশিরার উৎস দক্ষিণ দিকে অবস্থিত আরাবল্লি পর্বতমালা। এটি শহরের পশ্চিম, উত্তর-পূর্ব ও উত্তর-পূর্ব অংশগুলিকে বৃত্তাকারে পরিবেষ্টন করে আছে। এই শৈলশিরার সর্বোচ্চ স্থানটির উচ্চতা ৩১৮ মি (১,০৪৩ ফু)। এটি এই অঞ্চলের একটি অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।[৭৭]

দিল্লি জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের আয়তন ১,৪৮৪ কিমি (৫৭৩ মা)। এর মধ্যে ৭৮৩ কিমি (৩০২ মা) গ্রামাঞ্চল এবং ৭০০ কিমি (২৭০ মা) শহরাঞ্চল। এই কারণে আয়তনের হিসেবে এটি ভারতের বৃহত্তম শহর। উত্তর-দক্ষিণে এই শহরের প্রসার ৫১.৯ কিমি (৩২ মা) এবং পূর্ব-পশ্চিমে এর প্রসার ৪৮.৪৮ কিমি (৩০ মা)।

দিল্লি ভারতের ভূ-কম্পী ক্ষেত্র-চারের অন্তর্গত। অর্থাৎ, প্রবল ভূমিকম্পে এই শহরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। [৭৮]

জলবায়ু[সম্পাদনা]

দিল্লি আর্দ্র উপক্রান্তীয় জলবায়ুর (কোপেন সিডব্লিউএ) একটি নিদর্শন। এখানে গ্রীষ্মকার ৯ এপ্রিল থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এই সময় দৈনিক গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকে ৩৬ °সে (৯৭ °ফা) বা ততোধিক। বছরের উষ্ণতম দিনটি হল ২২ মে। এই দিনের গড় তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৮ °সে (১০০ °ফা) এবং সর্বনিম্ন ২৫ °সে (৭৭ °ফা)।[৭৯] শীতকাল ১১ ডিসেম্বর থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থায়ী হয়। এই সময় দৈনিক গড় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকে ১৮ °সে (৬৪ °ফা) বা তার কম। বছরের শীতলতম দিনটি হল ৪ জানুয়ারি। এই দিনের সর্বনিম্ন গড় তাপমাত্রা থাকে ২ °সে (৩৬ °ফা) এবং সর্বোচ্চ গড় তাপমাত্রা থাকে ১৫ °সে (৫৯ °ফা)।[৭৯] মার্চ মাসের প্রথম দিকে বায়ুর দিক পরিবর্তিত হয়। উত্তর-পশ্চিম দিকের পরিবর্তে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে বায়ু প্রবাহিত হয়। এপ্রিল থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত তাপমাত্রা উষ্ণ থাকে। জুন মাসের শেষ দিকে বর্ষা আসে। সেই সময় আর্দ্রতা বৃদ্ধি পায়।[৮০] নভেম্বরের শেষ দিকে অল্পকালের জন্য অল্প শীত অনুভূত হয়। জানুয়ারি মাসে তাপমাত্রা সবচেয়ে হ্রাস পায়। এই সময় প্রায়ই কুয়াশা দেখা দেয়।[৮১]

দিল্লি তাপমাত্রা সাধারণত ৫ থেকে ৪০ °সে (৪১.০ থেকে ১০৪.০ °ফা)-এর মধ্যে থাকে। সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকে যথাক্রমে −২.২ এবং ৪৮.৪ °সে (২৮.০ এবং ১১৯.১ °ফা)-এর মধ্যে।[৮২] বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২৫ °সে (৭৭ °ফা); মাসিক গড় তাপমাত্রা ১৩ থেকে ৩২ °সে (৫৫ থেকে ৯০ °ফা)। জুলাই মাসের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নথিভুক্ত হয়েছিল ১৯৩১ সালে। এই তাপমাত্রা ছিল ৪৫ °সে (১১৩ °ফা)।[৮৩][৮৪] গড় বার্ষিক বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৭১৪ মিমি (২৮.১ ইঞ্চি)। বৃষ্টি হয় মূলত জুলাই থেকে অগস্ট মাসে বর্ষাকালে।[১৫] দিল্লিতে বর্ষার আগমনের গড় তারিখটি হল ২৯ জুন।[৮৫]


দিল্লি (সফদরজং) ১৯৭১-১৯৯০-এর আবহাওয়া সংক্রান্ত তথ্য
মাস জানু ফেব্রু মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টে অক্টো নভে ডিসে বছর
সর্বোচ্চ °সে (°ফা) রেকর্ড ৩০٫০
(৮৬)
৩৪٫১
(৯৩)
৪০٫৬
(১০৫)
৪৫٫৬
(১১৪)
৪৭٫২
(১১৭)
৪৬٫৭
(১১৬)
৪৫٫০
(১১৩)
৪২٫০
(১০৮)
৪০٫৬
(১০৫)
৩৯٫৪
(১০৩)
৩৬٫১
(৯৭)
২৯٫৩
(৮৫)
৪৭٫২
(১১৭)
সর্বোচ্চ °সে (°ফা) গড় ২১٫০
(৭০)
২৩٫৫
(৭৪)
২৯٫২
(৮৫)
৩৬٫০
(৯৭)
৩৯٫২
(১০৩)
৩৮٫৮
(১০২)
৩৪٫৭
(৯৪)
৩৩٫৬
(৯২)
৩৪٫২
(৯৪)
৩৩٫০
(৯১)
২৮٫৩
(৮৩)
২২٫৯
(৭৩)
৩১٫২
(৮৮)
দৈনিক গড় °সে (°ফা) ১৪٫৩
(৫৮)
১৬٫৮
(৬২)
২২٫৩
(৭২)
২৮٫৮
(৮৪)
৩২٫৫
(৯১)
৩৩٫৪
(৯২)
৩০٫৮
(৮৭)
৩০٫০
(৮৬)
২৯٫৫
(৮৫)
২৬٫৩
(৭৯)
২০٫৮
(৬৯)
১৫٫৭
(৬০)
২৫٫১
(৭৭)
সর্বনিম্ন °সে (°ফা) গড় ৭٫৬
(৪৬)
১০٫১
(৫০)
১৫٫৩
(৬০)
২১٫৬
(৭১)
২৫٫৯
(৭৯)
২৭٫৮
(৮২)
২৬٫৮
(৮০)
২৬٫৩
(৭৯)
২৪٫৭
(৭৬)
১৯٫৬
(৬৭)
১৩٫২
(৫৬)
৮٫৫
(৪৭)
১৯٫০
(৬৬)
সর্বনিম্ন °সে (°ফা) রেকর্ড −০٫৬
(৩১)
১٫৬
(৩৫)
৪٫৪
(৪০)
১০٫৭
(৫১)
১৫٫২
(৫৯)
১৮٫৯
(৬৬)
২০٫৩
(৬৯)
২০٫৭
(৬৯)
১৭٫৩
(৬৩)
৯٫৪
(৪৯)
৩٫৯
(৩৯)
১٫১
(৩৪)
−০٫৬
(৩১)
গড় অধঃক্ষেপণ মিমি (ইঞ্চি) ১৯
(০٫৭৫)
২০
(০٫৭৯)
১৫
(০٫৫৯)
২১
(০٫৮৩)
২৫
(০٫৯৮)
৭০
(২٫৭৬)
২৩৭
(৯٫৩৩)
২৩৫
(৯٫২৫)
১১৩
(৪٫৪৫)
১৭
(০٫৬৭)

(০٫৩৫)

(০٫৩৫)
৭৯০
(৩১٫১)
অধঃক্ষেপণ দিনের গড় (≥ ১.০ mm) ১٫৭ ২٫৫ ২٫৫ ২٫০ ২٫৮ ৫٫৫ ১৩٫০ ১২٫১ ৫٫৭ ১٫৭ ০٫৬ ১٫৬ ৫১٫৭
গড় আর্দ্রতা (%) ৬৩ ৫৫ ৪৭ ৩৪ ৩৩ ৪৬ ৭০ ৭৩ ৬২ ৫২ ৫৫ ৬২ ৫৪
মাসিক গড় সূর্যালোকের ঘণ্টা ২১৪٫৬ ২১৬٫১ ২৩৯٫১ ২৬১٫০ ২৬৩٫১ ১৯৬٫৫ ১৬৫٫৯ ১৭৭٫০ ২১৯٫০ ২৬৯٫৩ ২৪৭٫২ ২১৫٫৮ ২,৬৮৪٫৬
উৎস #১: NOAA[৮৬]
উৎস #২: Indian Meteorological Department (record high and low up to 2010)[৮৭]


নগর প্রশাসন[সম্পাদনা]

সরকার ব্যবস্থা ও রাজনীতি[সম্পাদনা]

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

পরিষেবা[সম্পাদনা]

পরিবহণ[সম্পাদনা]

বিমান[সম্পাদনা]

রেলপথ[সম্পাদনা]

মেট্রো[সম্পাদনা]

স্থানীয় দ্রুত পরিবহন ব্যবস্থা[সম্পাদনা]

সড়কপথ[সম্পাদনা]

জনপরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

সংস্কৃতি[সম্পাদনা]

উৎসব[সম্পাদনা]

প্রগতি ময়দানে আয়োজিত দ্বি-বার্ষিক অটো এক্সপো। এখানে ভারতীয় অটোমোবাইল শিল্পের নতুন নতুন উদ্ভাবনাগুলির প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

ভারতের রাজধানী নতুন দিল্লি দিল্লি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের একটি অংশ হওয়ায় সাধারণতন্ত্র দিবস, স্বাধীনতা দিবসগান্ধী জয়ন্তী - ভারতের এই তিনটি জাতীয় দিবস এখানে বিশেষ সমারোহের সঙ্গে উদযাপিত হয়। স্বাধীনতা দিবসে (১৫ অগস্ট) ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল কেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। এই দিন দিল্লির অধিবাসীরা ঘুড়ি উড়িয়ে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করেন।[৮৮] দিল্লির সাধারণতন্ত্র দিবস কুচকাওয়াজ একটি বিরাট সাংস্কৃতিক ও সামরিক কুচকাওয়াজ। এই কুচকাওয়াজে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য ও সামরিক শক্তি প্রদর্শিত হয়।[৮৯][৯০] কয়েক শতাব্দী ধরে, দিল্লি বহুত্ববাদী সংস্কৃতির জন্য পরিচিত। দিল্লিতে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে "ফুলওয়ালো কি সায়র" নামে একটি উৎসব হয়। এই উৎসবের সময় মেহরাউলিতে অবস্থিত ত্রয়োদশ শতাব্দীর সুফি সন্ত খাজা বখতিয়ার কাকিযোগমায়া মন্দিরে ফুল ও ফুলবসানো "ফাঁকে" পাখা উৎসর্গ করা হয়।[৯১]

A view of Pragati Maidan from inside
প্রগতি ময়দানে প্রতি বছর "বিশ্ব বইমেলা" আয়োজিত হয়

দিল্লির ধর্মীয় উৎসবগুলির মধ্যে দীপাবলি, মহাবীর জয়ন্তী, গুরু নানক জয়ন্তী, দুর্গাপূজা, হোলি, লোহরি, চৌথ, কৃষ্ণ জন্মাষ্টমী, মহাশিবরাত্রি, ঈদ উল-ফিতর, মহরমবুদ্ধজয়ন্তী উল্লেখযোগ্য।[৯০] কুতুব উৎসব দিল্লির একটি বিখ্যাত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। কুতুব মিনারের প্রেক্ষাপটে ভারতের সব অঞ্চলের গায়ক ও নর্তকদের নিয়ে এই অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়।[৯২] অন্যান্ন্য উৎসবগুলির মধ্যে ঘুড়ি ওড়ানোর উৎসব, আন্তর্জাতিক আম উৎসববসন্ত পঞ্চমী বিশেষ উল্লেখযোগ্য। অটো এক্সপো এশিয়ার বৃহত্তম গাড়ি মেলা।[৯৩] এটি প্রতি দুই বছর অন্তর দিল্লিতে আয়োজিত হয়। প্রগতি ময়দানে প্রতি বছর আয়োজিত বিশ্ব বইমেলা বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম বই প্রদর্শনী।[৯৪] প্রচুর বই বিক্রি হয় বলে দিল্লিকে ভারতের "বই রাজধানী"ও বলা হয়।[৯৫]

খাদ্যাভ্যাস[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

গণমাধ্যম[সম্পাদনা]

খেলাধূলা[সম্পাদনা]

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক[সম্পাদনা]

দিল্লি এশীয় প্রধান মহানগর নেটওয়ার্ক ২১-এর সদস্য।

ভগিনী নগরী[সম্পাদনা]

দিল্লি নিম্নলিখিত শহরগুলির ভগিনী নগরী:[৯৬]

শহর ভৌগোলিক অবস্থান দেশ তারিখ
সেওউল সেওউল জাতীয় রাজধানী অঞ্চল  দক্ষিণ কোরিয়া
শিকাগো টেমপ্লেট:Country data ইলিনইস  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ২০০১[৯৭]
লন্ডন  ইংল্যান্ড  যুক্তরাজ্য ২০০২[৯৮]
সিডনি  নিউ সাউথ ওয়েলস  অস্ট্রেলিয়া
কুয়ালা লামপুর টেমপ্লেট:Country data Kuala Lumpur কুয়ালা লামপুর যুক্তরাষ্ট্রীয় অঞ্চল  মালয়েশিয়া
মস্কো  মস্কো  রাশিয়া ২০০২[৯৯]
টোকিও কান্টো অঞ্চল (হোনশু দ্বীপ)  জাপান
উলান বাটোর মধ্য-পূর্ব মঙ্গোলিয়া  মঙ্গোলিয়া ২০০২[৯৯]
সেন্ট পিটার্সবার্গ টেমপ্লেট:Country data সেন্ট পিটার্সবার্গ  রাশিয়া ২০০২[৯৯]
প্যারিস (সহযোগী শহর) টেমপ্লেট:Country data ইল-দে-ফ্রান্স  ফ্রান্স ২০০৬[১০০]
ইয়েরেভান (সহযোগী শহর) Yerevan flag.gif ইয়েরেভান  আর্মেনিয়া ২০০৮[১০১]
ফুকুওকা প্রিফ্যাকচিওর (যমজ অঞ্চল) ক্যাশু  জাপান ২০০৭

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Alok Verma Takes Charge As Delhi's New Police Commissioner" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ২৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ 
  2. "Delhi (India): Districts, Cities and Towns - Population Statistics in Maps and Charts" (ইংরেজি ভাষায়)। 
  3. "Press Information Bureau: Government of India news site, PIB Mumbai website, PIB Mumbai, Press Information Bureau, PIB, India's Official media agency, Government of India press releases, PIB photographs, PIB photos, Press Conferences in Mumbai, Union Minister Press Conference, Marathi press releases, PIB features, Bharat Nirman Public Information Campaign, Public Information Campaign, Bharat Nirman Campaign, Public Information Campaign, Indian Government press releases, PIB Western Region"pibmumbai.gov.in (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ 
  4. ৪.০ ৪.১ "Official Language Act 2000" (ইংরেজি ভাষায়)। Government of Delhi। ২ জুলাই ২০০৩। সংগৃহীত ১৭ জুলাই ২০১৫ 
  5. "The Constitution (Sixty-Ninth Amendment) Act, 1991" (ইংরেজি ভাষায়)। Ministry of Law and Justice, Government of India। সংগৃহীত ২৩ নভেম্বর ২০১৪ 
  6. Ahsan Jan Qaisar; Som Prakash Verma; Mohammad Habib (১ জানুয়ারি ১৯৯৬)। Art and Culture: Endeavours in Interpretation (ইংরেজি ভাষায়)। Abhinav Publications। পৃ: 1–6। আইএসবিএন 978-81-7017-315-1 
  7. The American Heritage Dictionary of the English Language (ইংরেজি ভাষায়) (fourth সংস্করণ)। Houghton Mifflin Company। ২০০০। 
  8. "UN Demographic Urban Areas" (ইংরেজি ভাষায়)। UN stats। সংগৃহীত ১২ অক্টোবর ২০১৫ 
  9. "Urban agglomerations/cities having population 1 million and above" (PDF)। Provisional population totals, census of India 2011 (ইংরেজি ভাষায়)। Registrar General & Census Commissioner, India। ২০১১। সংগৃহীত ২৬ জানুয়ারি ২০১২ 
  10. Habib, Irfan (১৯৯৯)। The agrarian system of Mughal India, 1556–1707Oxford University Pressআইএসবিএন 978-0-19-562329-1। "... The current Survey of India spellings are followed for place names except where they vary rather noticeably from the spellings in our sources: thus I read "Dehli" not "Delhi ..." 
  11. "World's population increasingly urban with more than half living in urban areas" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ২৮ জুলাই ২০১৫ 
  12. Bharucha, Nauzer (Mar ৯, ২০১৫)। "Most of India’s richest rich prefer Mumbai as home"Times of India (ইংরেজি ভাষায়) (Mumbai)। সংগৃহীত Mar ৩, ২০১৬ 
  13. "Mumbai, Delhi among top Asia Pacific cities for millionaires"The Hindu (ইংরেজি ভাষায়) (New Delhi)। ১০ মার্চ ২০১৫। সংগৃহীত জানুয়ারি ২৪, ২০১৬ 
  14. ১৪.০ ১৪.১ Asher, Catherine B (২০০০) [২০০০]। "Chapter 9:Delhi walled: Changing Boundaries"। in James D. Tracy। City Walls (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃ: 247–281। আইএসবিএন 978-0-521-65221-6। সংগৃহীত ১ নভেম্বর ২০০৮ 
  15. ১৫.০ ১৫.১ ১৫.২ ১৫.৩ ১৫.৪ ১৫.৫ ১৫.৬ "Chapter 1: Introduction" (PDF)। Economic Survey of Delhi, 2005–2006 (ইংরেজি ভাষায়)। Planning Department, Government of National Capital Territory of Delhi। পৃ: 1–7। সংগৃহীত ২১ ডিসেম্বর ২০১১ 
  16. Bakshi, S.R. (১৯৯৫) [২০০২]। Delhi Through Ages (ইংরেজি ভাষায়)। Whispering Eye Bangdat। পৃ: ২। আইএসবিএন 978-81-7488-138-0 
  17. ১৭.০ ১৭.১ Smith, George (১৮৮২)। The Geography of British India, Political & Physical (ইংরেজি ভাষায়)। J. Murray। পৃ: 216–217। সংগৃহীত ১ নভেম্বর ২০০৮ 
  18. "Our Pasts II, History Textbook for Class VII" (ইংরেজি ভাষায়)। NCERT। আসল থেকে ২৩ জুন ২০০৭-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ৬ জুলাই ২০০৭ 
  19. Delhi City The Imperial Gazetteer of India, 1909, v. 11, p. 236..
  20. A Dictionary of Urdu, Classical Hindi, and English. Dsal.uchicago.edu. Retrieved 24 October 2011.
  21. Cohen, Richard J. (অক্টোবর–ডিসেম্বর ১৯৮৯)। "An Early Attestation of the Toponym Dhilli"। Journal of the American Oriental Society (ইংরেজি ভাষায়) 109 (4): 513–519। জেএসটিওআর 604073ডিওআই:10.2307/604073 
  22. Austin, Ian; Thhakur Nahar Singh Jasol। "Chauhans (Cahamanas, Cauhans)"The Mewar Encyclopedia (ইংরেজি ভাষায়)। mewarindia.com। আসল থেকে ১৪ নভেম্বর ২০০৬-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২২ ডিসেম্বর ২০০৬ 
  23. "Why developers charge a premium for upper storeys in Delhi/NCR region"Economic Times (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ আগস্ট ২০১১। সংগৃহীত ৩০ মে ২০১২ 
  24. John Murray (১৯২৪)। A handbook for travellers in India, Burma and Ceylon (ইংরেজি ভাষায়)। J. Murray, 1924। "... "Dilli hanoz dur ast" ("Delhi is still far off")— has passed into the currency of a proverb ..." 
  25. ২৫.০ ২৫.১ S. W. Fallon; Dihlavi Fakir Chand (১৮৮৬)। A dictionary of Hindustani proverbs (ইংরেজি ভাষায়)। Printed at the Medical hall press, 1886। "... Abhi Dilli dur hai ..." 
  26. India today, Volume 31, Issues 13–25 (ইংরেজি ভাষায়)। Thomson Living Media India Ltd., 2006। ২০০৬। "... As the saying in Hindustani goes: "Dilli dilwalon ki (Delhi belongs to those with a heart)". So shed your inhibitions and try out your hand ..." 
  27. Mahajan V.D. (1960, reprint 2007). Ancient India, S.Chand & Company, New Delhi, ISBN 81-219-0887-6, pp.350-3
  28. Singh, Upinder (২০০৮)। A History of Ancient and Early Medieval India: From the Stone Age to the 12th Century (ইংরেজি ভাষায়)। New Delhi: Pearson Education। পৃ: 358। আইএসবিএন 978-81-317-1677-9 
  29. Blake, Stephen P. (২০০২)। Shahjahanabad: The Sovereign City in Mughal India 1639-1739 (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press। পৃ: 7–9। আইএসবিএন 9780521522991 
  30. Khushwant Singh (২০০১)। City improbable: an anthology of writings on Delhi (ইংরেজি ভাষায়)। Viking। পৃ: ৫। আইএসবিএন 978-0-670-91235-3 
  31. Chandra, Satish (২০০৬)। Medieval India: From Sultanat to the Mughals (1206-1526) (ইংরেজি ভাষায়) 1। Har-Anand Publications। পৃ: ২৫। 
  32. Balasubramaniam, R. 2002
  33. Arnold Silcock; alt=The black coloured Iron pillar against the sky (২০০৩)। Wrought iron and its decorative use: with 241 illustrations (ইংরেজি ভাষায়) (reprint সংস্করণ)। Mineola, N.Y.: Dover। পৃ: ৪। আইএসবিএন 978-0-486-42326-5 
  34. [১] ওয়েব্যাক মেশিনে অবস্থিত আর্কাইভ কপি
  35. "Qutub Minar Height" (ইংরেজি ভাষায়)। qutubminardelhi.com। আসল থেকে ২৯ জুন ২০১৫-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৫ জুন ২০১৫ 
  36. Southern Central Asia, A.H. Dani, History of Civilizations of Central Asia, Vol.4, Part 2, Ed. Clifford Edmund Bosworth, M.S.Asimov, (Motilal Banarsidass, 2000), 564.
  37. "India: Qutb Minar and its Monuments, Delhi" (PDF)। State of Conservation of the World Heritage Properties in the Asia-Pacific Region: : Summaries of Periodic Reports 2003 by property, Section II (ইংরেজি ভাষায়)। UNESCO World Heritage Centre। পৃ: 71–72। আসল থেকে ২৪ মে ২০০৬-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২২ ডিসেম্বর ২০০৬ 
  38. "Under threat: The Magnificent Minaret of Jam"The New Courier No 1 (ইংরেজি ভাষায়)। UNESCO। অক্টোবর ২০০২। সংগৃহীত ৩ মে ২০০৬ 
  39. "Battuta's Travels: Delhi, capital of Muslim India" (ইংরেজি ভাষায়)। Sfusd.k12.ca.us। আসল থেকে ২৩ এপ্রিল ২০০৮-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ 
  40. Travel Delhi, India (ইংরেজি ভাষায়)। History section: Google books। পৃ: ১০। সংগৃহীত ১০ জুন ২০১২ 
  41. Mahajan, V.D. (1991, reprint 2007). History of Medieval India, Part I, New Delhi: S. Chand, ISBN 81-219-0364-5, pp.116-7
  42. History & Civics 7 (Col. Ed.) By Consulting Editors - Behula Khan, Subhadra Sen Gupta & Monisha Mukundan, SJ Mitchell, p36.
  43. ৪৩.০ ৪৩.১ Muḥammad ibn Tughluq Encyclopedia Britannica
  44. Vincent A Smith, The Oxford History of India: From the Earliest Times to the End of 1911 at Google Book Search, Chapter 2, pp 236-242, Oxford University Press
  45. Jackson, Peter (২০০৩)। The Delhi Sultanate: A Political and Military History (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge, England: Cambridge University Press। আইএসবিএন 978-0521543293 
  46. "The Islamic World to 1600: The Mongol Invasions (The Timurid Empire)" (ইংরেজি ভাষায়)। Ucalgary.ca। আসল থেকে ১৬ আগস্ট ২০০৯-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯ 
  47. "Genocide: a history". W. D. Rubinstein (2004). p.28. ISBN 978-0-582-50601-5
  48. William Hunter (1903), A Brief History of the Indian Peoples at Google Book Search, 23rd Edition, pp. 124-127
  49. D.R. SarDesai. India The Definitive History. (Colorado: Westview Press, 2008), 162.
  50. "Sher Shah – The Lion King"India's History: Medieval India (ইংরেজি ভাষায়)। indhistory.com। সংগৃহীত ২২ ডিসেম্বর ২০০৬ 
  51. Akbar the Great, Srivastva, A.L.Vol.1 pages 24–26
  52. Himu-a forgotten Hindu Hero," Bhartiya Vidya Bhawan, p100
  53. Kar, L. Colonel H.C."Military History of India"' Calcutta 1980, p 283
  54. Travel Delhi, India (ইংরেজি ভাষায়)। Google Books। পৃ: ১২। 
  55. Thomas, Amelia। Rajasthan, Delhi and Agra (ইংরেজি ভাষায়)। Lonely Planet। আইএসবিএন 978-1-74104-690-8 
  56. Later Mughal (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ২ জুন ২০১৪ 
  57. Territories and States of India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ২ জুন ২০১৪ 
  58. "Iran in the Age of the Raj" (ইংরেজি ভাষায়)। Avalanchepress.com। সংগৃহীত ১১ মার্চ ২০১১ 
  59. Soul and Structure of Governance in India (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ২ জুন ২০১৪ 
  60. Gordon, Stewart। The Marathas 1600–1818, Volume 2 (ইংরেজি ভাষায়)। Cambridge University Press, 1993। আইএসবিএন 978-0-521-26883-7 
  61. Petersen, Andrew (১৯৯৯)। Dictionary of Islamic Architecture (ইংরেজি ভাষায়)। Routledge। আইএসবিএন 978-0-415-21332-5। সংগৃহীত ১৪ নভেম্বর ২০০৮ 
  62. "In 1761, battle of Panipat cost Marathas Rs 93 lakh, say papers - The Times of India"The Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ ডিসেম্বর ২০১১। 
  63. From Iran East and West (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ২৮ জুলাই ২০১৫ 
  64. Mayaram, Shail। Against history, against state: counterperspectives from the margins Cultures of history (ইংরেজি ভাষায়)। Columbia University Press, 2003। আইএসবিএন 978-0-231-12731-8 
  65. "Shifting pain"Times of India (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ ডিসেম্বর ২০১১। সংগৃহীত ১৮ জুন ২০১২ 
  66. "Lutyens' Delhi in race for UN heritage status"Hindustan Times (ইংরেজি ভাষায়)। ১১ জুন ২০১২। সংগৃহীত ১৮ জুন ২০১২ 
  67. Travel Delhi (ইংরেজি ভাষায়)। Google books। পৃ: ৮। 
  68. "Fall in Delhi birth rate fails to arrest population rise"The Hindu (ইংরেজি ভাষায়) (Chennai, India)। ৩ জানুয়ারি ২০০৫। সংগৃহীত ১৯ ডিসেম্বর ২০০৬ 
  69. ৬৯.০ ৬৯.১ "THE CONSTITUTION (SIXTY-NINTH AMENDMENT) ACT, 1991"Government of India (ইংরেজি ভাষায়)। National Informatics Centre, Ministry of Communications and Information Technology, Government of India। সংগৃহীত ৮ জানুয়ারি ২০০৭ 
  70. "Terrorists attack Parliament; five intruders, six cops killed" (ইংরেজি ভাষায়)। rediff.com। ১৩ ডিসেম্বর ২০০১। সংগৃহীত ২ নভেম্বর ২০০৮ 
  71. "India and Pakistan: Who will strike first?"Economist (ইংরেজি ভাষায়)। ২০ ডিসেম্বর ২০০১। সংগৃহীত ২ নভেম্বর ২০০৮ 
  72. Tripathi, Rahul (১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮)। "Serial blasts rock Delhi; 30 dead, 90 injured-India-The Times of India" (ইংরেজি ভাষায়)। Timesofindia.indiatimes.com। সংগৃহীত ৩ নভেম্বর ২০০৮ 
  73. ৭৩.০ ৭৩.১ "State Animals, Birds, Trees and Flowers of India" (ইংরেজি ভাষায়)। ENVIS Centre on Forestry। ২ জুলাই ২০১৫। সংগৃহীত ৮ মার্চ ২০১৬ 
  74. "Symbols of Delhi"knowindia.gov.in (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ১৫ অক্টোবর ২০১৩ 
  75. "Symbols of Delhi" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ১৫ অক্টোবর ২০১৩ 
  76. "State Trees of India"www.bsienvis.nic.in (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ২০১৬-০২-১৬ 
  77. Mohan, Madan (এপ্রিল ২০০২)। "GIS-Based Spatial Information Integration, Modeling and Digital Mapping: A New Blend of Tool for Geospatial Environmental Health Analysis for Delhi Ridge" (PDF)। Spatial Information for Health Monitoring and Population Management (ইংরেজি ভাষায়)। FIG XXII International Congress। পৃ: ৫। সংগৃহীত ৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৭ 
  78. "Hazard profiles of Indian districts" (PDF)। National Capacity Building Project in Disaster Management (ইংরেজি ভাষায়)। UNDPআসল থেকে ১৯ মে ২০০৬-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ২৩ আগস্ট ২০০৬ 
  79. ৭৯.০ ৭৯.১ "Average weather for New Delhi, India" (ইংরেজি ভাষায়)। http://weatherspark.com। সংগৃহীত ২ জুলাই ২০১৩ 
  80. "Climate of Delhi" (ইংরেজি ভাষায়)। http://delhitrip.in। সংগৃহীত ১৭ মে ২০১২ 
  81. "Fog continues to disrupt flights, trains"The Hindu (ইংরেজি ভাষায়) (Chennai, India)। ৭ জানুয়ারি ২০০৫। 
  82. "Ever recorded Maximum and minimum temperatures up to 2010" (PDF) (ইংরেজি ভাষায়)। India Meteorological Department। সংগৃহীত ১১ জুন ২০১৬ 
  83. "Mercury touches new high for July, Met predicts rain relief" (ইংরেজি ভাষায়)। ৩ জুলাই ২০১২। 
  84. "Weatherbase entry for Delhi" (ইংরেজি ভাষায়)। Canty and Associates LLC। সংগৃহীত ১৬ জানুয়ারি ২০০৭ 
  85. Kurian, Vinson (২৮ জুন ২০০৫)। "Monsoon reaches Delhi two days ahead of schedule" (ইংরেজি ভাষায়)। The Hindu Business Line। সংগৃহীত ৯ জানুয়ারি ২০০৭ 
  86. "New Delhi (SFD) 1971-1990"। National Oceanic and Atmospheric Administration। সংগৃহীত জুন ৬, ২০১৫ 
  87. "Ever recorded Maximum and minimum temperatures up to 2010"। Indian Meteorological Department। সংগৃহীত জুন ৬, ২০১৫ 
  88. "Independence Day"123independenceday.com (ইংরেজি ভাষায়)। Compare Infobase Limited। সংগৃহীত ৪ জানুয়ারি ২০০৭ 
  89. Ray Choudhury, Ray Choudhury (২৮ জানুয়ারি ২০০২)। "R-Day parade, an anachronism?" (ইংরেজি ভাষায়)। The Hindu Business Line। সংগৃহীত ১৩ জানুয়ারি ২০০৭ 
  90. ৯০.০ ৯০.১ "Fairs & Festivals of Delhi"Delhi Travel (ইংরেজি ভাষায়)। India Tourism.org। আসল থেকে ১৯ মার্চ ২০০৭-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত ১৩ জানুয়ারি ২০০৭ 
  91. Delhi: a portrait, by Khushwant Singh, Raghu Rai, Published by Delhi Tourism Development Corp., 1983. ISBN 978-0-19-561437-4. Page 15.
  92. Tankha, Madhur (১৫ ডিসেম্বর ২০০৫)। "It's Sufi and rock at Qutub Fest"New Delhi (ইংরেজি ভাষায়) (Chennai, India: The Hindu)। সংগৃহীত ১৩ জানুয়ারি ২০০৭ 
  93. "The Hindu: Front Page: Asia’s largest auto carnival begins in Delhi tomorrow" (ইংরেজি ভাষায়)। Chennai, India: Thehindu.com। ৯ জানুয়ারি ২০০৮। সংগৃহীত ৩ নভেম্বর ২০০৮ 
  94. "Delhi Metro records 10% rise in commuters-Delhi-Cities-The Times of India" (ইংরেজি ভাষায়)। Timesofindia.indiatimes.com। ১ জুলাই ২০০৮। সংগৃহীত ৩ নভেম্বর ২০০৮ 
  95. Sunil Sethi / New Delhi 9 February 2008। "Sunil Sethi: Why Delhi is India's Book Capital" (ইংরেজি ভাষায়)। Business-standard.com। সংগৃহীত ৩ নভেম্বর ২০০৮ 
  96. "Delhi to London, it's a sister act" (ইংরেজি ভাষায়)। India Times। ৭ জুলাই ২০০২। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ 
  97. "Sister cities of Chicago" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  98. "Friendship agreement to be signed between London and Delhi" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  99. ৯৯.০ ৯৯.১ ৯৯.২ "Sister-City Agreements" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  100. "Paris wants 'sister-city' relationship with Delhi" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১১ 
  101. "Yerevan - Partner Cities"Yerevan Municipality Official Website (ইংরেজি ভাষায়)। © 2005—2013 www.yerevan.am। সংগৃহীত ২০১৩-১১-০৪ 

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]