এক্তেশ্বর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এক্তেশ্বর
একতেশ্বর
এক্তেশ্বর মন্দির, বাঁকুড়া
এক্তেশ্বর মন্দির, বাঁকুড়া
এক্তেশ্বর পশ্চিমবঙ্গ-এ অবস্থিত
এক্তেশ্বর
এক্তেশ্বর
পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রে এক্তেশ্বরের অবস্থান
স্থানাঙ্ক: ২৩°১২′৩৯″ উত্তর ৮৭°০৫′৩১″ পূর্ব / ২৩.২১০৭৮০০° উত্তর ৮৭.০৯২০৮০০° পূর্ব / 23.2107800; 87.0920800স্থানাঙ্ক: ২৩°১২′৩৯″ উত্তর ৮৭°০৫′৩১″ পূর্ব / ২৩.২১০৭৮০০° উত্তর ৮৭.০৯২০৮০০° পূর্ব / 23.2107800; 87.0920800
দেশভারত
রাজ্যপশ্চিমবঙ্গ
জেলাবাঁকুড়া
সময় অঞ্চলভারতীয় প্রমাণ সময় (ইউটিসি+০৫:৩০)

এক্তেশ্বর বা একতেশ্বর হল পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার সদর বাঁকুড়া শহরের উপকণ্ঠে দ্বারকেশ্বর নদের তীরে অবস্থিত একটি অঞ্চল। পূর্বে এটি ছিল একটি গ্রাম।

এক্তেশ্বর মন্দির[সম্পাদনা]

এক্তেশ্বর মন্দির নামে একটি শিব মন্দিরের নামানুসারে "এক্তেশ্বর " নামটির উৎপত্তি ঘটেছে। বিষ্ণুপুরের রাজা এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছিলেন। ল্যাটেরাইটে নির্মিত এই মন্দিরটিতে পরবর্তীকালে বেলেপাথর ও ইঁটের কাজ যুক্ত হয়। প্রতি বছর চৈত্র মাসে চরক পূজা এই মন্দিরে মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত হয়।[১]

এক্তেশ্বর মন্দিরে শিবের একটি একপদ মূর্তি পূজিত হয়। এই ধরনের শিবমূর্তি অন্য কোনও শিব মন্দিরে দেখা যায় না।[২]

মন্দিরটিরও স্বকীয় একটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটির কাঠামো অত্যন্ত দৃঢ়, যা বাংলার অন্যান্য মন্দিরে সাধারণত দেখা যায় না। মন্দিরটি বাংলার নিজস্ব শৈলীতেও নির্মিত হয়নি। চূড়াটি সম্ভবত ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছিল। তাই এটিকে দেখলে অসম্পূর্ণ মনে হয়।[৩]

অনেকে মনে করেন, এক্তেশ্বর মন্দিরে পূজিত দেবতা হলেন একপদেশ্বর। তবে বর্তমান বিগ্রহটি একপদেশ্বরের নয়। পূর্বে একপদেশ্বরের মূর্তি ছিল কিনা সে সম্পর্কেও নিশ্চিত করে কিছু বলা যায় না। কিংবদন্তি অনুসারে, বিষ্ণুপুরসামন্তভূম রাজ্যের মধ্যে সীমান্ত-সংক্রান্ত বিবাদের নিষ্পত্তি করার জন্য স্বয়ং শিব ধ্যানে বসেছিলেন এবং এক্তেশ্বরের মূর্তিতে দুই রাজ্যের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দণ্ডায়মান হন।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. O’Malley, L.S.S., ICS, Bankura, Bengal District Gazetteers, pp. 195–199, 1995 reprint, first published 1908, Government of West Bengal
  2. "Abodes of Shiva"। Temple Net। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-১৫ 
  3. ঘোষ, বিনয়। "পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি" ১ম অংশ, ১৯৭৬-এর সংস্করণ, পৃ. ৩৬৮, প্রকাশ ভবন।
  4. Ghosh, Binoy, p. 367