বাঁশবেড়িয়া
| বাঁশবেড়িয়া বাঁশবেড়িয়া | |
|---|---|
হংসেশ্বরী মন্দির,বাঁশবেড়িয়া। | |
| ডাকনাম: বংশবাটী | |
| সরকার | |
| • শাসক | বাঁশবেড়িয়া পৌরসভা |
| • পৌরপ্রধান | শ্রী তাপস কুমার মুখোপাধ্যায় |
| • সংসদ সদস্য | শ্রীমতী রচনা বন্দোপাধ্যায় |
| • বিধায়ক | শ্রী তপন দাশগুপ্ত |
| জনসংখ্যা (২০১১) | |
| • মোট | ১,০৩,৭৯৯ population_density =১১,০০০ |
| ওয়েবসাইট | http://bansberiamunicipality.org |

বাঁশবেড়িয়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের হুগলি জেলার একটি সুন্দর শহর ও পৌরসভা এলাকা। এই শহরে অবস্থিত হংসেশ্বরী মন্দির, অনন্ত বাসুদেবের মন্দির, জাফর খান গাজি মসজিদ ও দরগা, ত্রিবেণীর ত্রিসঙ্গম এই শহরের প্রধান পর্যটন কেন্দ্র। এই শহরের দক্ষিণে অবস্থিত ডানলপ টায়ার কারখানা এশিয়ার বৃহত্তম টায়ার কারখানা। বাঁশবেড়িয়া পৌরসভা এলাকায় তিনটি রেল স্টেশন রয়েছে। বাঁশবেড়িয়া ও ত্রিবেণী এবং ইসলামপাড়া হল্ট। এছাড়াও আদিসপ্তগ্ৰাম স্টেশন অত্যন্ত কাছে।
বাঁশবেড়িয়া শহরেই প্রখ্যাত কবি পিনাকী ঠাকুর এবং নগেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এর জন্মস্থান। বাঁশবেড়িয়া শহরের দক্ষিণাংশের সামান্য অংশ ১নং-৪নং ওয়ার্ড চুঁচুড়া থানার অধীনে। বাকি অংশ ৫নং-২২নং ওয়ার্ড মগরা থানার অধীনে। চুঁচুড়া থানা বর্তমানে চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেটের আওতাধীন। মগড়া থানা জেলা গ্ৰামীণ পুলিশের অন্তর্গত।
জনসংখ্যার উপাত্ত
[সম্পাদনা]ভারতের ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে বাঁশবেড়িয়া শহরের জনসংখ্যা হল ১,০৩,৭৯৯ জন।[১] এর মধ্যে পুরুষ ৫২ শতাংশ এবং নারী ৪৮ শতাংশ।
এখানে সাক্ষরতার হার ৭২ শতাংশ। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৫ শতাংশ এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৪৫ শতাংশ। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫ শতাংশ, তার চাইতে বাঁশবেড়িয়া এর সাক্ষরতার হার বেশি।
এই শহরের জনসংখ্যার ১৭ শতাংশ হল ৬ বছর বা তার কমবয়সী।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ (ইংরেজি ভাষায়) ভারতের ২০১১ সালের আদমশুমারি http://bansberiamunicipality.org/population/2011 ভারতের ২০১১ সালের আদমশুমারি। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|title=অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য);|ইউআরএল=মান পরীক্ষা করুন (সাহায্য)[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| পশ্চিমবঙ্গের অবস্থান বিষয়ক এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |