চাকদহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
চাকদহ
চাকদহ
স্থানাঙ্ক: ২৩°০৫′ উত্তর ৮৮°৩১′ পূর্ব / ২৩.০৮° উত্তর ৮৮.৫২° পূর্ব / 23.08; 88.52
জনসংখ্যা (২০০১)
 • মোট ৮৬,৯৬৫

চাকদহ (ইংরেজি: Chakdaha), ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নদিয়া জেলার একটি শহর ও পৌরসভা এলাকা।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

চাকদহ বা চাকদা নদীয়ার একটি প্রাচীন জনপদ। পুরাণে কথিত আছে ভাগীরথী নদী (গঙ্গা) আনয়নকালে প্রচন্ড বর্ষনের কারনে ভগীরথের রথের চাকা এখানে বসে যায়। তিনি সেই চাকা টেনে তোলেন ও প্রকান্ড দহের সৃষ্টি হয়। সেই থেকে নাম হয় 'চক্রদহ' কালক্রমে তা চাকদহ বা চাকদা'তে পরিনত হয়েছে। চাকদহের নিকট পালপাড়ায় (অতীতে প্রদ্যুম্ননগর) একটি টেরাকোটা মন্দির বর্তমান[১]। চাকদহের কাজীপাড়ায় প্রথম বিলাতগামী বাঙালি মির্জা মির্জা শেখ ইতেশামুদ্দীনের (এহতেশামুদ্দিন) বসতবাড়ি ও জন্মস্থানটি জীর্নপ্রায়। এটি কাজীপাড়া মসজিদ নামে খ্যাত।  কিভাবে  আধ্যাত্মিকতার শহর চাকদহে শ্রী শ্রী জগন্নাথ দেবের আগমন হয় ? সম্পূর্ণ গল্পটি পড়তে এখানে ক্লিক করুন

কাজীপাড়ার প্রাচীন মসজিদ, চাকদহ

ভৌগোলিক উপাত্ত[সম্পাদনা]

শহরটির অবস্থানের অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ হল ২৩°০৫′ উত্তর ৮৮°৩১′ পূর্ব / ২৩.০৮° উত্তর ৮৮.৫২° পূর্ব / 23.08; 88.52[২] সমূদ্র সমতল হতে এর গড় উচ্চতা হল ১১ মিটার (৩৬ ফুট)।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি অনুসারে চাকদহ শহরের জনসংখ্যা হল ৮৬,৯৬৫ জন।[৩] এর মধ্যে পুরুষ ৫১%, এবং নারী ৪৯%।

এখানে সাক্ষরতার হার ৭৯%, । পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৮৪%, এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৭৫%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে চাকদহ এর সাক্ষরতার হার বেশি।

এই শহরের জনসংখ্যার ৯% হল ৬ বছর বা তার কম বয়সী।

যোগাযোগ[সম্পাদনা]

চাকদহ শহরটি কলকাতা ও জেলা সদর শহর কৃষ্ণনগরের সাথে রেল পথে সুসংযুক্ত। শেয়ালদহ বিভাগের লোকাল ও প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলাচল করে চাকদহ রেলওয়ে স্টেশন দিয়ে। এছাড়া ৩৪ নং জাতীয় সড়ক চাকদহকে কলকাতা ও উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যুক্ত করেছে। চাকদহ বনগা রোড দ্বারাও এই শহরের সাথে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার জনপদের যোগাযোগ আছে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. প্রথম খন্ড, নারায়ন সান্যাল (১৯৯০)। রূপনঞ্জরী (ইংরেজি ভাষায়)। কলকাতা: দেজ পাবলিশিং। পৃ: ৩৯১। 
  2. "Chakdaha"Falling Rain Genomics, Inc (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ২৫, ২০০৬ 
  3. "ভারতের ২০০১ সালের আদমশুমারি" (ইংরেজি ভাষায়)। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ২৫, ২০০৬