আব্দুল মতিন খসরু

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আবদুল মতিন খসরু
Abdul Matin Khasru.jpg
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
কাজের মেয়াদ
১৫ জানুয়ারি ১৯৯৭ – ১৫ জুলাই ২০০১
পূর্বসূরীমির্জা গোলাম হাফিজ
উত্তরসূরীমওদুদ আহমেদ
কুমিল্লা-৫ আসনের
সংসদ সদস্য
কাজের মেয়াদ
২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯১ – ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬
পূর্বসূরীমোহাম্মদ ইউনুস
উত্তরসূরীমজিবর রহমান
কাজের মেয়াদ
১২ জুন ১৯৯৬ – ১৫ জুলাই ২০০১
পূর্বসূরীমজিবর রহমান
উত্তরসূরীমোহাম্মদ ইউনুস
কাজের মেয়াদ
২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ – ১৪ এপ্রিল ২০২১
পূর্বসূরীমোহাম্মদ ইউনুস
উত্তরসূরীআবুল হাশেম খানঁ
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম(১৯৫০-০২-১২)১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫০
ব্রাহ্মণপাড়া, কুমিল্লা
মৃত্যু১৪ এপ্রিল ২০২১(2021-04-14) (বয়স ৭১)
সিএমএইচ,ঢাকা
মৃত্যুর কারণকোভিড-১৯
জাতীয়তাবাংলাদেশী
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
সন্তানএক ছেলে ও এক মেয়ে
পেশারাজনীতি, আইনজীবী

আবদুল মতিন খসরু (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫০—১৪ এপ্রিল ২০২১) বাংলাদেশের একজন রাজনীতিবিদ, মুক্তিযোদ্ধা ও আইনজীবী যিনি কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। শেখ হাসিনার প্রথম মন্ত্রিসভায় তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।[১]

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

আব্দুল মতিন খসরু ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৫০ সালে কুমিল্লা ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মিরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মোঃ আবদুল মালেক এবং মাতা জাহানারা বেগম, তারা চার ভাই তিন বোন৷ তার এক ছেলে এক মেয়ে।[২]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

আব্দুল মতিন খসরু ১৯৭৮ সালে কুমিল্লা জজ কোর্টে আইন পেশায় যুক্ত হয়ে পরে ১৯৮২ সাল থেকে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিস শুরু করেন। ২০২১ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হয়ে আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন। হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা[সম্পাদনা]

মতিন খসরু ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং কুমিল্লা জেলার অবিভক্ত বুড়িচং থানার মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ছিলেন।[১]

রাজনৈতিক জীবন[সম্পাদনা]

শেখ হাসিনার প্রথম মন্ত্রিসভায় ২৩ জুন ১৯৯৬ হতে ১৪ জানুয়ারি ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে পরে ১৫ জানুয়ারি ১৯৯৭ সাল থেকে ১৫ জুলাই ২০০১ সাল পর্যন্ত আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আব্দুল মতিন খসরু। আইনমন্ত্রী থাকাকালে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করেন যা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ডের বিচারের পথ খোলে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন সহ ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের থানা ও জেলার বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি ১৯৯১ সালের পঞ্চম,[৩] ১২ জুন ১৯৯৬ সালের সপ্তম,[৪] ২০০৮ সালের নবম,[৫] ২০১৪ সালের দশম[৬] ও ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মননয়নে কুমিল্লা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[৭]

১৯৮৬ সালের তৃতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মননয়নে কুমিল্লা-৫ আসন থেকে নির্বাচনে অংশগ্রহ করে পরাজিত হয়েছিলেন তিনি।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

আব্দুল মতিন খসরু ১৪ এপ্রিল ২০২১ সালে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।[৮]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "করোনায় আব্দুল মতিন খসরুর জীবনাবসান"একাত্তর টিভি। ১৪ এপ্রিল ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ১৪ এপ্রিল ২০২১ 
  2. "Constituency 253_10th_Bn"www.parliament.gov.bd। বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগ্রহের তারিখ ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  3. "৫ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  4. "৭ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  5. "৯ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা"জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার 
  6. "১০ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা"জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার 
  7. "১১তম সংসদের সদস্যবৃন্দ"জাতীয় সংসদ। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯। ২০১৯-১০-১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১৪ অক্টোবর ২০১৯ 
  8. "আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক মন্ত্রী আবদুল মতিন খসরু মারা গেছেন"BBC News বাংলা। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৪-১৪