সুরমা নদী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
সুরমা নদী
River
সুরমা নদীর দৃশ্য
সুরমা নদীর দৃশ্য
দেশসমূহ বাংলাদেশ, ভারত
রাজ্য অসম
অঞ্চল সিলেট বিভাগ
জেলাসমূহ সিলেট জেলা, সুনামগঞ্জ জেলা
উত্স বরাক নদী
মোহনা বাউলাই নদী
দৈর্ঘ্য ২৪৯ কিলোমিটার (১৫৫ মাইল)
সুরমা সহ বাংলাদেশের প্রধান নদী সমূহের গতিপথ
সুরমা সহ বাংলাদেশের প্রধান নদী সমূহের গতিপথ

সুরমা নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী[১] সুরমা নদী বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেটসুনামগঞ্জ জেলার একটি নদী। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক সুরমা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ৮৩।[২] এটি বাংলাদেশের প্রধান নদীসমূহের অন্যতম।

অন্যান্য তথ্য[উৎস সম্পাদনা]

এটি সুরমা-মেঘনা নদী ব্যবস্থার অংশ। ইবনে বতুতা এই নদী পথে ১৫ দিন নৌ পথে চলেছেন, তাঁর রেহলা গ্রন্থে এ বিষয়ে বিশদ বর্ণনা আছে. উত্তর পূর্ব ভারতের বরাক নদী বাংলাদেশে প্রবেশ করার সময় সুরমা ও কুশিয়ারা নদীতে বিভক্ত হয়ে যায়। সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ এর উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মেঘনায় মিশেছে। এই দুটি নদী কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরববাজারের কাছে পুনরায় মিলিত হয়ে মেঘনা নদী গঠন করে, এবং পরিশেষে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।

গতিপথ[উৎস সম্পাদনা]

মণিপুর পাহাড়ের মাও সংসাং হতে বরাক নদীর উৎপত্তি হয়। বাংলাদেশ সীমান্তে নদীটি দুই শাখায় বিভক্ত হয়, এর উত্তরের শাখাটি সুরমা নদী, আর দক্ষিণের শাখার নাম কুশিয়ারা নদী। এর পর সুরমা নদী সিলেট এলাকায় প্রবেশ করে সুরমা অববাহিকার সৃষ্টি করে। [৩]

চিত্রসম্ভার[উৎস সম্পাদনা]

আরও দেখুন[উৎস সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[উৎস সম্পাদনা]

  1. "আন্তঃসীমান্ত_নদী"বাংলাপিডিয়া। ১৬ জুন ২০১৪। সংগৃহীত : ১৬ জুন ২০১৪ 
  2. মোহাম্মদ রাজ্জাক, মানিক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী"। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি (প্রথম সংস্করণ)। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃ: ২২৭-২২৮। আইএসবিএন 984-70120-0436-4 
  3. Mannan, Abdul (2002) "Stratigraphic evolution and geochemistry of the Neogene Surma Group, Surma Basin, Sylhet, Bangladesh" University of Oulu, Oulu, Bangladesh, আইএসবিএন ৯৫১-৪২-৬৭১০-৯

বহিঃসংযোগ[উৎস সম্পাদনা]