যাদুকাটা নদী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

{{Geobox | River |name = যাদুকাটা নদী |category_hide= 1 |native_name = |other_name = |other_name1 = |image = Jadukata River.jpg |image_size = |image_caption = যাদুকাটা নদী |etymology = |country = বাংলাদেশ |country1 = ভারত |state = মেঘালয় |state1 = |region = সিলেট বিভাগ |region1 = |district = সুনামগঞ্জ |district1 = |city = |city1 = |landmark = |landmark1 = |landmark 2 = |length = ৩২ |watershed = |discharge_location = |discharge = |discharge_max = |discharge_min = |discharge1_location = |discharge1 = |source_name = খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় |source_location = |source_district = |source_region = |source_state = |source_country = |source_lat_d = |source_lat_m = |source_lat_s = |source_lat_NS = |source_long_d = |source_long_m = |source_long_s = |source_long_EW = |source_elevation = |source_length = |mouth_name = সুরমা নদী |mouth_location = |mouth_district = |mouth_region = |mouth_state = |mouth_country = |mouth_lat_d = |mouth_lat_m = |mouth_lat_s = |mouth_lat_NS = |mouth_long_d = |mouth_long_m = |mouth_long_s = |mouth_long_EW = |mouth_elevation = |tributary_left = |tributary_left1 = |tributary_right = |tributary_right1 = |free_name = |free_value = |map = |map_size = |map_caption = |legendary = এই নদী হিন্দুদের জন্য পবিত্র স্থান। এখানে চৈত্র মাসের নির্দিষ্ট তিথিতে বারুনি স্নান অনুষ্ঠিত হয়।

যাদুকাটা নদী বা যদুকাটা নদী বা জাদুকাটা-রক্তি নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী[১] নদীটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সুনামগঞ্জ জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৭ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৫৭ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক যাদুকাটা নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী নং ৭২।[২]

অন্যান্য তথ্য[সম্পাদনা]

যাদুকাটা নদীর গভীরতা ৮ মিটার এবং অববাহিকার আয়তন ১২৫ বর্গকিলোমিটার। এই নদীতে সারা বছরই পানিপ্রবাহ থাকে। তবে সাধারণত স্বল্প বন্যায় নদীর দুকুল প্লাবিত হয়।[৩]

উৎপত্তি ও প্রবাহ[সম্পাদনা]

যাদুকাটা নদী ভারতের খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড় হতে উৎপত্তি হয়ে বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুরে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। পরে তাহিরপুরের মধ্যে নদীটি প্রবেশ করে ঈষৎ দক্ষিণ-পূর্বমুখী হয়ে একেবেকে পুনরায় বিশ্বম্ভরপুরে প্রবেশ করেছে। বিশ্বম্ভরপুর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা শহরের নিকট নয়া সুরমা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। এই নদীর তীরে অবস্থিত আনোয়ারপুর ও দুর্লভপুর নদীবন্দর।[৩]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "আন্তঃসীমান্ত_নদী"বাংলাপিডিয়া। ১৬ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জুন ২০১৪ 
  2. মোহাম্মদ রাজ্জাক, মানিক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদী"। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি (প্রথম সংস্করণ)। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃষ্ঠা ২২০। আইএসবিএন 984-70120-0436-4 |আইএসবিএন= এর মান পরীক্ষা করুন: invalid prefix (সাহায্য) 
  3. ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ১৪০-১৪১।