গজলডোবা বাঁধ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Jump to navigation Jump to search

গজলডোবা বাঁধ স্থাপিত হয়েছে ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে তিস্তা নদীর উজানে ভারতীয় অংশে। গজলডোবা বাঁধের (ব্যারাজ) মাধ্যমে তিস্তা নদীর নিয়ন্ত্রণ ভারতের হাতে চলে গেছে। ১৯৯৮ খ্রিস্টাব্দে তিস্তা নদীর বাংলাদেশ সীমান্তের ৬০ কিলোমিটার উজানে ভারত সরকার এই বাধ নির্মাণ করে। এই বাঁধে ফটক রয়েছে ৫৪টি যা বন্ধ করে তিস্তার মূল প্রবাহ থেকে পানি বিভিন্ন খাতে পুনর্বাহিত করা হয়। প্রধানত তিস্তার পানি তিস্তা-মহানন্দা খালে পুনার্বাহিত করার উদ্দেশ্য নিয়েই এই বাঁধ স্থাপন করা হয়। ২ হাজার ৯১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ তিস্তা-মহানন্দা খালের মাধ্যমে জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহারমালদহ জেলায় সেচের পানি সরবরাহ করা হচ্ছে। কার্যত তিস্তার নদীর পানি গজলডোবা বাঁধের মাধ্যমে বিহারের মেচী নদীর দিকে প্রবাহিত করা হচ্ছে। সেখান ফারাক্কার উজানে এই পানি ফুলহার নদের মাধ্যমে পুন:সরবরাহ করা হবে। মেচী নদীতে একটি বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে যার ফলে উত্তরবঙ্গ ও বিহারে ভারতের 'আন্তঃনদী সংযোগ পরিকল্পনা' সম্পূর্ণ হবে। [১][২][৩]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের প্রভাব : তিস্তা এখন মরা খাল
  2. তিস্তা বাঁধ : অতীত ও বর্তমান
  3. তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তি সম্ভব কি?