চিকলী নদী
অবয়ব
| চিকলী নদী | |
| দেশ | বাংলাদেশ |
|---|---|
| অঞ্চল | রংপুর বিভাগ |
| জেলাসমূহ | নীলফামারী জেলা, রংপুর জেলা |
| উৎস | টুপামারী বিল |
| - স্থানাঙ্ক | ২৫°৫৮′৪১″ উত্তর ৮৮°৫২′১০″ পূর্ব / ২৫.৯৭৭৯৮° উত্তর ৮৮.৮৬৯৫৪৮৪° পূর্ব |
| মোহনা | দেওনাই-চাড়ালকাটা-যমুনেশ্বরী নদী |
| - স্থানাঙ্ক | ২৫°৪১′০০″ উত্তর ৮৯°০৩′২৯″ পূর্ব / ২৫.৬৮৩১৯৭২° উত্তর ৮৯.০৫৭৯৩১৩° পূর্ব |
| দৈর্ঘ্য | ৪৩ কিলোমিটার (২৭ মাইল) |
চিকলী নদী বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নীলফামারী এবং রংপুর জেলার একটি নদী। নদীটির দৈর্ঘ্য ৪৩ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ১২০ মিটার এবং নদীটির প্রকৃতি সর্পিলাকার। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বা "পাউবো" কর্তৃক চিকলী নদীর প্রদত্ত পরিচিতি নম্বর উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী নং ৪০।[১] নদীটির গভীরতা ৩ মিটার। [২]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ মানিক মোহাম্মদ রাজ্জাক (ফেব্রুয়ারি ২০১৫)। "উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের নদী"। বাংলাদেশের নদনদী: বর্তমান গতিপ্রকৃতি (প্রথম সংস্করণ)। ঢাকা: কথাপ্রকাশ। পৃ. ১১৩। আইএসবিএন ৯৮৪-৭০১২০-০৪৩৬-৪।
{{বই উদ্ধৃতি}}:|আইএসবিন=মান: অবৈধ উপসর্গ পরীক্ষা করুন (সাহায্য);|সংগ্রহের-তারিখ=এর জন্য|ইউআরএল=প্রয়োজন (সাহায্য); অজানা প্যারামিটার|আইএসবিএন-ত্রুটি-উপেক্ষা-করুন=উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য) - ↑ ড. অশোক বিশ্বাস, বাংলাদেশের নদীকোষ, গতিধারা, ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২০১১, পৃষ্ঠা ১৯৯ , আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৮৯৪৫-১৭-৯।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |