ভূপতিমোহন সেন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

ভূপতিমোহন সেন (২১ মে, ১৮৮৮ [১] ― ২৩ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮) একজন বিখ্যাত গণিতবিদ, অধ্যাপক ও শিক্ষাবিদ।

জীবনী[সম্পাদনা]

ভূপতিমোহনের পিতা রাজমোহন সেনও বিখ্যাত গণিতজ্ঞ ও রাজশাহী কলেজের অধ্যাপক ছিলেন। কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এস্ট্রান্স ও এফ.এ. পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীর বৃত্তি পান তিনি। বিএস-সি-তে তিন বিষয়ে অনার্স পান এবং গণিতে প্ৰথম শ্রেণীতে দ্বিতীয় হন। ১৯১২ সালে মিশ্র গণিতে প্ৰথম হয়ে এম.এস-সি. পাশ করেন। পরে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে র‍্যাংলার হন এবং মর্যাদাপূর্ণ স্মিথস পুরষ্কার দেওয়া হয় তাকে। ইংল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে ইন্ডিয়ান এড়ুকেশন সার্ভিসে যোগ দেন। ১৯২১ সালে তার ও নলিনীমোহন বসুর নেতৃত্বে ৫ জন শিক্ষক নিয়ে গণিত বিভাগের কার্যক্রম শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে[২] ঢাকা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে কয়েক বৎসর কাজ করার পর প্রেসিডেন্সী কলেজে গণিতের অধ্যাপনা শুরু করেন ভূপতিমোহন। রাজশাহী কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। ১৯৩১ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল কলিকাতায় প্রেসিডেন্সী কলেজের অধ্যক্ষ নিযুক্ত ছিলেন। ফলিত গণিত ও পদার্থবিদ্যার উপর তিনি অনেক বই লেখেন।[৩] খ্যাতনামা চিকিৎসক স্যার নীলরতন সরকার তার শ্বশুর। তার পুত্র মনীষীমোহন সেন ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিসের ১৯৪৪-এর ব্যাচের অফিসার হিসাবে ভারত সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদ অলংকৃত করেছেন।[৪]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. সুবোধ সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু সম্পাদিত, সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান, প্রথম খণ্ড, সাহিত্য সংসদ, কলকাতা, আগস্ট ২০১৬, পৃষ্ঠা ৫২২, আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭৯৫৫-১৩৫-৬
  2. "University of Dhaka"www.du.ac.bd (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৪-১২ 
  3. বসু, অঞ্জলি; সেনগুপ্ত, সুবোধচন্দ্র, সম্পাদকগণ, প্রথম খন্ড (২০০২)। সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান। কলকাতা: সাহিত্য সংসদ। পৃষ্ঠা ৩৮০, ৩৮১। আইএসবিএন 978-8179551356 
  4. "কলকাতার কড়চা: টাকাকড়ির বর্ণময় জগৎ"www.anandabazar.com। সংগ্রহের তারিখ ২০২১-০৪-১২