মাহমুদুল হাসান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মাহমুদুলল হাসান
Shaykhul Hind.jpg
উপাধিশাইখুল হিন্দ
জন্ম১৮৫১
বেরিলি, ভারত (কোম্পানি শাসন)
মৃত্যু২০ নভেম্বর ১৯২০
ভারত (ব্রিটিশ শাসন)
সমাধি স্থানদারুল উলুম দেওবন্দের কবরস্থান
দেওবন্দ, ভারত (ব্রিটিশ শাসন)
জাতিভুক্তভারতীয়
সম্প্রদায়সুন্নি
মাজহাবহানাফি
আন্দোলনদেওবন্দি
উল্লেখযোগ্য ধারণাব্রিটিশদের সাথে অসহযোগের ফতোয়া
শিক্ষায়তনদারুল উলুম দেওবন্দ
সুফি তরিকাচিশতিয়া-সাবিরিয়া-ইমদাদিয়া
শিষ্য ছিলেনরশিদ আহমেদ গাঙ্গোহি
হাজি ইমদাদউল্লাহ

মাহমুদুল হাসান (১৮৫১ -১৯২০) হলেন (উর্দু: محمود الحسن‎‎, Maḥmūdu'l-Ḥasan) (মাহমুদ হাসান বলেও পরিচিত) (১৮৫১ – ৩০ নভেম্বর ১৯২০) ছিলেন দেওবন্দি সুন্নি আলেম।[১] ভারতে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে তিনি সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।[২] তার প্রচেষ্টা ও পান্ডিত্যের জন্য কেন্দ্রীয় খিলাফত কমিটি তাকে "শাইখুল হিন্দ" উপাধিতে ভূষিত করে।[৩]

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

মাহমুদুল হাসান ১৮৫১ সালে ভারতের সাহারানপুর জেলার বেরলীতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম ছিল মাওলানা যুলফিকার আলী। মিয়াজী মঙ্গলোরী ও মাওলানা মাহতাব আলীর নিকট তিনি প্রাথমিক শিক্ষা অর্জন করেন। অতঃপর দারুল উলুম দেওবন্দের প্রথম ছাত্র হিসেবে তিনি সেখানে লেখাপড়া শুরু করেন। ১৮৭১ সালে শিক্ষাজীবন সমাপ্তির পর দারুল উলুম দেওবন্দের সহকারী শিক্ষকের দায়িত্বে নিয়োজিত হন। ১৮৭৫  সালে চতুর্থ শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। ১৮৭৫ সালে তিনি প্রধান শিক্ষক পদে সমাসীন হন এবং ১৯১৫ সাল পর্যন্ত এই পদে ছিলেন। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনকে বেগবান করার জন্য কর্মজীবনের শুরু থেকেই বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সে লক্ষ্যকে সামনে রেখে ১৮৭৮ সালে দারুল উলুম দেওবন্দের প্রাক্তন ছাত্রদের কে সংগঠিত করার প্রয়াসে ‘‘সামারাতুত তারবিয়্যাত’’ নামে একটি সংগঠন গঠন করেন।

স্বাধীনতা আন্দোলন[সম্পাদনা]

১৯০৯ সালে মাহমুদুল হাসান তার একনিষ্ঠ শিষ্য স্বাধীনচেতা আলেম মাওলানা উবাইদুল্লাহ সিন্ধিকে ডেকে এনে দারুল উলুম দেওবন্দের প্রাক্তন ছাত্রদের সমন্বয়ে জমিয়তুল আনসার নামক এক সংগঠন গড়ে তোলার নির্দেশ দেন। শিক্ষকের নির্দেশে সিন্ধি তাঁর ১৯ বছরের শিক্ষকতা, জ্ঞানচর্চা ও আধ্যাত্মিক সাধনার জীবন ছেড়ে জমিয়তুল আনসারের সেক্রেটারি রূপে নিয়োজিত হন। এই সংগঠনকে নিয়ে মাহমুদুল হাসান এর একটি সুদূরপ্রসারি কর্মসূচি ছিল। তা হল দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রাক্তন ছাত্রদের কে নিয়ে একটি মুজাহিদ বাহিনী গড়ে তোলা এবং ভারত উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া। তিনি দারুল উলুম দেওবন্দের প্রধান শিক্ষক থাকাকালেই প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক খ্যাতি লাভ করে এবং বহির্বিশ্বের ছাত্ররা এখানে লেখাপড়া করতে আসে। এ সময় সীমান্ত অঞ্চল ও আফগানিস্তানে বহু ছাত্র তার কাছে দীক্ষা গ্রহণ করে এই স্বাধীনতার চেতনা নিয়ে স্বদেশে ফিরে যায়। তিনি তাদেরকে সীমান্ত এলাকায় কর্মতৎপর করে তুলেন। সীমান্ত অঞ্চল ও আফগানিস্তান সামরিক তৎপরতার জন্য উপযুক্ত স্থান হওয়াই তিনি সেটিকে বিপ্লবী বাহিনীর কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার একটি পরিকল্পনা গ্রহণ করেন। সেজন্য সীমান্ত অঞ্চলের জনগণের মাঝে জিহাদি চেতনা জাগ্রত করার লক্ষ্যে তিনি হাজী তুরঙ্গযাই, মাওলানা সাইফুর রহমান, মাওলানা ফজলে রাব্বি, মাওলানা ফজল মাহমুদ, মাওলানা মোহাম্মদ আকবর প্রমুখ বাগ্মী ব্যক্তদের  ১৯১৩ অঞ্চলে নিযুক্ত করেন। তারা সীমান্ত অঞ্চলে জিহাদী চেতনা পুনরুজ্জীবিত করতে সর্বাত্মক প্রয়াস চালান এবং বিক্ষিপ্ত উপজাতীয়দের সুসংগঠিত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। জমিয়াতুল আনসারের দায়িত্বে সিন্ধি দীর্ঘ চার বৎসর নিয়োজিত থাকেন। এ সময় তিনি প্রকাশ্যে রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। ফলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের সাথে তার মতানৈক্য দেখা দেয়। সুতরাং তিনি দেওবন ছেড়ে দিল্লিতে চলে যান এবং মাওলানা মাহমুদুল হাসান এর আন্দোলনের সুদূর প্রয়াসী কর্মসূচির অংশ হিসেবে তার নির্দেশে দিল্লি জামে মসজিদে ১৯১৩ সালে নাচ নাযযারাতুল মাআরিফ নামের একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেন। এ প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল আধুনিক শিক্ষিত সমাজকে কুরআনের প্রশিক্ষণ দান ও কুরআনের জীবন আদর্শের সাথে পরিচিত করে তোলা এবং পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে তাদের অন্তরে ইসলাম সম্পর্কে যে ভুল ধারণা গড়ে উঠেছিল তা দূর করে তাদেরকে আন্দোলনের পক্ষে সহযোগী শক্তি হিসেবে লাগানো। এ প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ব্যাপারে মাওলানা মাহমুদুল হাসান এর সহযোগী ছিলেন হাকিম আজমল খান, নবাব বিকারুল মুলকসহ আরো অনেকেই। এসময় মাওলানা মাহমুদুল হাসান সিন্ধীকে দিল্লির যুব শক্তির সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। ফলে ড. আনসারী ও তার মাধ্যমে মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও মাওলানা মোহাম্মদ আলীর সাথে তার ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে। এভাবে সিন্ধী উচ্চপর্যায়ের ভারতীয় রাজনীতিবিদদের সাথে পরিচিত হয়ে উঠেন এবং সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন। মাহমুদুল হাসান মূলত কংগ্রেসের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। ভারতকে ব্রিটিশ শাসন থেকে মুক্ত করার জন্য তিনি ‘আজাদ হিন্দ মিশন’ নামে একটি বিপ্লবী পরিষদ গড়ে তুলেছিলেন। তিনি নিজেই ছিলেন এর সর্বাধিনায়ক। এর সদর দপ্তর ছিল দিল্লিতে। এ পরিষদের মাধ্যমে তিনি ভারত কে স্বাধীন করার জন্য সর্বাত্মক প্রয়াস গ্রহণ করেন। তিনি মনে করতেন ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতবর্ষের সহ অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রসমূহ মুক্ত হতে না পারলে মুসলমানদের ধর্ম-কর্ম নিয়ে টিকে থাকা সম্ভব হবে না। তাই তিনি ভারতসহ অন্যান্য মুসলিম রাষ্ট্রগুলো যাতে ইংরেজ বিরোধী আন্দোলনে তৎপর হয়ে ওঠে এজন্য সর্বাত্মক উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তাই তিনি অপরাপর মুসলিম রাষ্ট্রগুলোর সাথে গোপন সামরিক অভ্যুত্থানের চুক্তিতে আবদ্ধ হন। এতদুদ্দেশ্যে তিনি তুর্কি ও আফগান সরকারের সাথে এই ঐক্যমত্যে উপনীত হন যে, তুরস্কের বাহিনী নির্ধারিত সময়ে আফগানিস্তানের মধ্য দিয়ে এসে ব্রিটিশ ভারতে আক্রমণ করবে এবং একই সময়ে ভারতবাসীও একযোগে বিদ্রোহ ঘোষণা করবে। এভাবে ব্রিটিশদেরকে উৎখাত করে তুর্কি বাহিনী বিপ্লবী সরকারের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে স্বদেশে ফিরে যাবে।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তৎপরতা[সম্পাদনা]

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে মাহমুদুল হাসান কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বিপ্লবী দলের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা কমিটির একটি মিটিং দেওবন্দে মাহমুদুল হাসানের বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয়। এই মিটিংয়ে এ মর্মে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় যে ১৯১৭ সালের ১৯শে ফেব্রুয়ারিতে পূর্বপরিকল্পিত গণঅভ্যুত্থান ঘটানো হবে। কমিটি এ মর্মে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করে তা মাহমুদুল হাসানের নিকট হস্তান্তর করে এবং ইতিপূর্বে প্রতিনিধিদের মাধ্যমে মাহমুদুল হাসান তুর্কী আফগান সরকারদ্বয়ের সাথে যে চুক্তি করেছিলেন, মুখোমুখি আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তার চূড়ান্ত করার দায়িত্বও তার উপর অর্পিত হয়। ইতিমধ্যেই দেশের রাজনৈতিক অবস্থার কিছুটা পরিবর্তন সূচিত হয়। বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্যোগে উপমহাদেশের বাইরে বিভিন্ন স্থানে স্বদেশের মুক্তিসংগ্রামের জোর তৎপরতা শুরু হয়। এতে ইংরেজ সরকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং ভারতের প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল ও দলের কর্মীদেরকে সন্দেহের চোখে দেখতে শুরু করে। এরপর মাওলানা মোহাম্মদ আলী জওহার, মাওলানা আবুল কালাম আজাদ ও মাওলানা শওকত আলী প্রমুখ ব্যক্তিবর্গ গ্রেফতার হয়। এ সময় মাওলানা সিন্ধী ধরপাকড়ের আওতায় পড়বেন এই অনুমান করে মাহমুদুল হাসান সিন্ধীকে এই মর্মে নির্দেশ দিয়ে পাঠান যে তুমি কাবুলের পথ ধর আর আমি হিজাজের পথে রওনা হয়ে যাচ্ছি । দুজনের দুটি বৃহৎ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে ১৯১৫ সালে দু'দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে যায়। মাহমুদুল হাসান এর উদ্দেশ্য ছিল হিজাদের পথে তুরস্কে পৌঁছায এবং তুরস্ক কর্তৃক ভারত আক্রমণের চুক্তিকে চূড়ান্ত করা। আর ওবায়দুল্লাহ হিন্দিকে কাবুলে প্রেরণের উদ্দেশ্য ছিল, কাবুল সরকারকে এ ব্যাপারে সহযোগিতা করার জন্য চূড়ান্তভাবে প্রস্তুত করা। তাছাড়া আফগানিস্তানের সীমান্ত অঞ্চলে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা মাহমুদুল হাসানের ছাত্র ও ভক্তদের কে সংগঠিত করে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত করা। আফগানিরা স্বাধীনচেতা জাতি হলেও উপজাতীয় অঞ্চলসমূহে বিচ্ছিন্ন ছিল। তাদেরকে সংগঠিত করার জন্য মাহমুদুল হাসান সিন্ধীকে সবচেয়ে উপযুক্ত ব্যক্তি মনে করেছিলেন।

হিজাজে গমন[সম্পাদনা]

মাহমুদুল হাসান মাওলানা খলীল আহমদ সাহারানপুরী কে সঙ্গে নিয়ে ১৯১৫ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তুরস্কের উদ্দেশ্যে বোম্বাই থেকে রওনা করে জাহাজে জিদ্দা হয়ে অক্টোবরে গিয়ে মক্কায় পৌঁছান। মক্কা-মদিনা তথা হিজাব ছিল তখন তুরস্কের শাসনাধীন। মক্কা পৌঁছে তিনি তুর্কি সরকারের নিযুক্ত হিজাজের গভর্নর গালিব পাশার  সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং নিজের আগমনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তাকে অবহিত করেন। এতদসঙ্গে তুরস্কের যুদ্ধমন্ত্রী আনোয়ার পাশার সাথে দেখা করার অভিপ্রায়ের কথাও ব্যক্ত করেন। গালিব পাশা মদিনায় নিযুক্ত তুরস্কের গভর্নর বসরী পাশার নামে একটি পত্র দিয়ে মাহমুদুল হাসানকে মদিনায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন এবং আনোয়ার পাশার সাথে তার সাক্ষাতের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মদিনার গভর্নর বসরী পাশাকে নির্দেশ দেন। এসময় মাহমুদুল হাসান গালিব বাসার কাছ থেকে আরও দুটি চিঠি লিখে নিয়েছিলেন। এর একটি ছিল ভারতবর্ষ ও পার্শ্ববর্তী দেশ যথা আফগানিস্তান ও সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন দেশের মুসলমানদের প্রতি ইংরেজ সম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য গালিব পাশার পক্ষ থেকে আহ্বান। যাকে ইতিহাসে ‘গালিবনামা’ বলে আখ্যায়িত করা হয়। আর অপর পত্রটি ছিল আফগান সরকারের প্রতি যাতে মাহমুদুল হাসানের প্রস্তাবনা মাফিক তুর্কি বাহিনী আফগানিস্তানে মাঝ দিয়ে অগ্রসর হয়ে ভারত আক্রমণের পরিকল্পনার প্রতি তুর্কি সরকারের অনুমোদনের কথা উল্লেখ ছিল এবং এই চিঠিতে আফগান সরকারকে এই মর্মে নিশ্চয়তাও দেওয়া হয়েছিল যে তুর্কি বাহিনী আফগানিস্তানের কোন অংশে হস্তক্ষেপ করবে না। ইতিহাসে একে ‘গালিব চুক্তিনামা’ বলে অভিহিত করা হয়েছে ।

গালিব পাশার চিঠি নিয়ে মাহমুদুল হাসান মদিনায় গেলে মদিনার গভর্নর তাকে জানান যে আনোয়ার পাশা নিজেই রওজা মোবােরএ যেয়ারতের উদ্দেশ্যে মদিনায় আসছেন। অতএব তার তুরস্কে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। যথার্থই কিছুদিনের মাঝে আনোয়ার পাশা মদীনায় আসলে গভর্নর আনোয়ার পাশার সাথে মাহমুদুল হাসানের সাক্ষাতের ব্যবস্থা করে দেন। তাদের মাঝে এই মর্মে একটি চুক্তিও স্বাক্ষরিত হয়। আনোয়ার পাশা থেকেও তিনি তিনটি পত্র লিখিয়ে নিয়েছিলেন। এর একটছিলির বিপ্লবী সরকার ও তুর্কী সরকারের চুক্তি সম্পর্কিত। দ্বিতী়য়টি ছিল মুসলিম বিশ্বের নেতৃবৃন্দের প্রতি যাতে মাহমুদুল হাসানকে সর্বাত্মক সহায়তা দানের জন্য আনোয়ার পাশার পক্ষ থেকে মুসলিম বিশ্বের প্রতি আহ্বান। তৃতীটিযছিল ল আফগান সরকারের প্র,তি যাতে আফগানের সম্মতি থাকলে তুর্কি সরকার ভারত আক্রমণের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এ মর্মে অবহিত ব্যক্ত করা হয়েছিল।

রেশমি রুমাল কাহিনী[সম্পাদনা]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

মাল্টা থেকে ফেরার পর তিনি মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন। অসুস্থ অবস্থায় কয়েক মাস কেটে যায়। ১৯২০ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষের দিকে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Tabassum, Farhat (২০০৬)। Deoband Ulema's Movement for the Freedom of India (1st সংস্করণ)। New Delhi: Jamiat Ulama-i-Hind in association with Manak Publications। পৃষ্ঠা 98। আইএসবিএন 81-7827-147-8 
  2. "Sadrul Mudarriseen (Profiles of Principals)"Darul Uloom Deoband website। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০১৯ 
  3. "Maulana Mahmud al-Hasan (1851-1920)"Jamia Millia Islamia website। ১১ নভেম্বর ২০০৪। ১৪ জুলাই ২০০৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০১৯