বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন
প্রেসিডেন্টসৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী
সাধারণ সম্পাদকসৈয়দ রেজাউল হক চাঁদপুরী
প্রতিষ্ঠাতাসৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী
প্রতিষ্ঠা২০০৫
সদর দপ্তরঢাকা, বাংলাদেশ
মতাদর্শইসলামী
রাজনৈতিক অবস্থানইসলামি রাজনৈতিক দল
ধর্মইসলাম
Seats in the Jatiya Sangsad
২ / ৩৫০

বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন বাংলাদেশের একটি ধর্মীয় রাজনৈতিক দল।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ২০০৫ সালে সৈয়দ নাজিবুল বাশার মাইজভান্ডারি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামীর সাথে জোট থাকায় তারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ছেড়ে দিয়েছিল। তাদের অভিযোগ ছিল জামায়াতে ইসলামী সন্ত্রাসবাদ সমর্থন করে। বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন ২০১৪ সালের বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং দুটি সংসদীয় আসনও লাভ করে।

তরিকত ফেডারেশনের মহাসচিব এম এ আওয়াল ২০১৭ সালে ইসলামী দলগুলোর একটি জোট গঠনের চেষ্টা করেছিলেন।[১] পরিকল্পিতী জোটে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ফরায়েজি আন্দোলন, ইমাম-উলামা পরিষদ, এবং ইসলামী ওআইসি জোটের অন্তর্ভুক্ত হবে। এই আন্দোলনের বিরোধিতা করেন দলের সভাপতি সৈয়দ নাজিবুল বাশার মাইজভান্ডারি। ১৭ এপ্রিল ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে সৈয়দ নাজিবুল বাশার মাইজভান্ডারি মহাসচিবের পদ থেকে এম এ আওয়ালকে অপসারণ করেন।[২][৩] এম এ আওয়ালের স্থলে তিনি দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য সৈয়দ রেজাউল হককে মনোনীত করেন। গ্র্যান্ড অ্যালায়েন্সের অধীনে পরবর্তী সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ৩০ টি আসন চায় দলটি।

জাতীয় সংসদে আসন[সম্পাদনা]

সৈয়দ নাজিবুল বাশার মাইজভান্ডারি চট্টগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য। ২০১৪ সালে তিনি বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হন।[৪] বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের প্রার্থী হিসাবে ২০১৪ সালে লক্ষ্মীপুর-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এম এ আউয়াল।[৪]

সমালোচনা[সম্পাদনা]

গুলশানে জঙ্গী হামলার পর সংগঠনটির প্রধান সৈয়দ নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী দাবি করেছিলেন কওমি মাদ্রাসার হাত ধরেই জঙ্গীবাদের গোড়াপত্তন হয়েছে।[৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]