ইহতিশামুল হক থানভি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
খতিবে পাকিস্তান মাওলানা

ইহতিশামুল হক থানভি
(উর্দু: مولانا احتشام الحق تھانوی‎‎)
Ehtishamul Haque Thanvi.png
আরবি ক্যালিগ্রাফিতে ইহতিশামুল হক থানভির নাম।
ব্যক্তিগত
জন্ম(১৯১৫-০৫-১৫)১৫ মে ১৯১৫
মৃত্যু১১ এপ্রিল ১৯৮০(1980-04-11) (বয়স ৬৪)
ধর্মইসলাম
জাতীয়তা ব্রিটিশ ভারতীয়
 পাকিস্তানি
সন্তানমাওলানা তানভীরুর হক থানভি
আখ্যাসুন্নি
যেখানের শিক্ষার্থীদারুল উলুম দেওবন্দ
মাদ্রাসা ইসলামি মিরাট
মাজাহির উলুম, সাহারানপুর
পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়
এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাইসলামি পণ্ডিত
গবেষক
ইসলামি আইনবিদ
খতিব
মুসলিম নেতা
শিক্ষকহুসাইন আহমদ মাদানি
শাব্বির আহমদ উসমানি
ইজাজ আলী আমরুহী
আসগর হুসাইন দেওবন্দি
মুহাম্মদ ইব্রাহিম বালিয়াভি
পেশাইসলামি পণ্ডিত
গবেষক
ইসলামি আইনবিদ
খতিব

ইহতিশামুল হক থানভি (১৫ মে ১৯১৫ - ১১ এপ্রিল ১৯৮০) (উর্দু: مولانا احتشام الحق تھانوی‎‎) ছিলেন একজন পাকিস্তানি ইসলামি পণ্ডিত, গবেষক, ইসলামি আইনবিদ এবং খতিব।[১][২][৩]

প্রাথমিক এবং শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

ইহতিশামুল হকথানভি ১৯১৫ সালে ভারতের থানাভবনে জহুরূল হকের পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১২ বছর বয়সে কুরআন মুখস্থ করার পর তিনি মাদরাসা আরাবিয়া মিরাট থেকে ফার্সি এবং মাজাহির উলুম সাহারানপুর থেকে আরবি শিক্ষা অধ্যয়ন করেন। এরপর তিনি ১৯৩০ সালে দারুল উলুম দেওবন্দে প্রবেশ করেন এবং ১৯৩৭ সালে স্নাতক হন। ১৯৩৭ সালে তিনি এলাহাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আলিম ও ফাজিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। আশরাফ আলী থানভির সাথে তার আধ্যাত্মিক ও আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। তার শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন হুসাইন আহমদ মাদানি, শাব্বির আহমদ উসমানি, ইজাজ আলী আমরুহি, আসগর হুসাইন দেওবন্দি, মুহাম্মদ ইব্রাহিম বালিয়াভি।[৪][৫]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৩৯ সালে ইহতিশামুল হক নয়াদিল্লিতে প্রচার কার্যক্রম শুরু করেন। সেই সময় থেকে তিনি লিয়াকত আলি খান, খাজা নাজিমুদ্দিন এবং আব্দুর রব নিশতারসহ বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সাথেও সাক্ষাত করেন। তিনি ১৯৩০ থেকে আগস্ট ১৯৪৭ পর্যন্ত আশরাফ আলী থানভির মজলিস দাওয়াতুল হক-এ প্রচারকার্য চালিয়ে যান।[৬] এদিকে তিনি লিয়াকত আলী খানের কাছ থেকে ১৯৪৫ সালের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বার্তা পান। তবে তার নেতৃত্বের পরামর্শে তিনি কখনই নির্বাচনে অংশ নেননি বা কোনও রাজনৈতিক দলে অংশগ্রহণ গ্রহণ করেননি। ১৯৪০ থেকে ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত তিনি কেবল প্রচার-এ সময় অতিবাহিত করেছেন। ১৯৪৭ সালের ৯ ই আগস্ট দেশভাগের সময় তিনি করাচিতে আসেন এবং পরে জ্যাকব লাইনে আসেন। সেখানে বর্তমানে জামিয়া মসজিদে থানভি (তার নামে নামকরণকৃত) অবস্থিত। তখন এটি একটি ছোট মসজিদ ছিল। ইহতিশামুল হক লিয়াকত আলী খানের সাথে ভারত থেকে আসা শরণার্থীদের পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন।[৭]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

১৯৮০ সালের ১১ এপ্রিল হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা যান। তার লাশটি দিল্লি থেকে করাচিতে একটি বিশেষ ফ্লাইটে আনা হয় এবং করাচির জামিয়া মসজিদে থানভির পাশে সমাধীস্থ করা হয়।[৭]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "(Molana Ehtisham ul Haq Thanvi) مولانا احتشام الحق تھانوی"। ehtishamia.com। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২১ 
  2. حافظ شفیق الرحمن। "مولانا احتشام الحق تھانوی ؒ: شیریں مقال واعظ (1)"। dailykhabrain.pk। ৭ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২১ 
  3. حافظ شفیق الرحمن। "مولانا احتشام الحق تھانوی ؒ: شیریں مقال واعظ (2)"। dailykhabrain.com.pk। ৭ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২১ 
  4. عامر وحید (১২ এপ্রিল ২০১৫)। "خطیب پاکستان مولانا احتشام الحق تھانوی"। express.pk। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২১ 
  5. عامر وحید (১১ এপ্রিল ২০১৯)। "علمبردارحق خطیب پاکستان حضرت مولانا احتشام الحق تھانویؒ"। jang.com.pk। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২১ 
  6. Fakhar Bilal। "From Jalandhar (India) to Multan (Pakistan): Establishment of Jamia Khair ul Madaris, 1931-1951" (PDF)। Research Society of Pakistan। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মে ২০২১ 
  7. عامر وحید (১২ এপ্রিল ২০১৫)। "خطیب پاکستان مولانا احتشام الحق تھانوی"। express.pk। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২১ عامر وحید (12 April 2015). "خطیب پاکستان مولانا احتشام الحق تھانوی". express.pk. Retrieved 7 May 2021.