খলিল আহমদ সাহারানপুরি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
(খলিল আহমদ সাহারানপুরী থেকে পুনর্নির্দেশিত)
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
খলিল আহমদ সাহারানপুরী
خلیل احمد سہارنپوری
Khalil Ahmed Saharanpuri Calligraphy.png
উর্দু ক্যালিগ্রাফি
ব্যক্তিগত
জন্ম
খলিল আহমদ

ডিসেম্বর, ১৮৫২ [১]
আম্বেহতা, ব্রিটিশ ভারত
মৃত্যু১৩ অক্টোবর ১৯২৭ (৭৪ বছর) [১]
সমাধিজান্নাতুল বাকি, মদিনা, সৌদি আরব
ধর্মইসলাম
পিতামাতা
  • মাজিদ আলী (পিতা)
জাতিসত্তাভারতীয়
আখ্যাসুন্নি
ব্যবহারশাস্ত্রহানাফি
আন্দোলনদেওবন্দি
প্রধান আগ্রহহাদিস গবেষণা
উল্লেখযোগ্য কাজবজলুল মাজহুদ
যেখানের শিক্ষার্থী
মুসলিম নেতা
এর শিষ্যরশিদ আহমেদ গাঙ্গোহি

আবু ইব্রাহীম খলিল আহমদ (উর্দু: ابو ابراہیم خلیل احمد‎‎ ; ১৮৫২ — ১৯২৭) ছিলেন একজন ভারতীয় দেওবন্দি ইসলামি পন্ডিত, যিনি হাদীসের প্রামাণ্য গ্রন্থ সুনানে আবু দাউদের ১৮ খন্ডের ব্যাখ্যাগ্রন্থ বজলুল মজহুদ রচনা করেছিলেন। তিনি রশিদ আহমদ গাঙ্গোহীর শিষ্য ও উত্তরসূরি ছিলেন।

নাম এবং পারিবার[সম্পাদনা]

একটি বইয়ে তিনি নিজেকে পরিচয় দিয়েছেন, হাফেজ আবু ইব্রাহিম খলিল আহমদ ইবনে শাহ মজিদ আলী ইবনে শাহ আহমদ আলী ইবনে শাহ কুতুব আলী।[২] নুজহাতুল খাওয়াতির গ্রন্থে লিখা হয়েছে, খলিল আহমদ আল আম্বাহতাভী আস সাহারানপুরী:একজন ধর্মীয় পন্ডিত এবং ফকিহ, খলিল আহমদ ইবনে মজিদ আলী ইবনে আহমদ আলী ইবনে কুতুব আলী ইবনে গোলাম মুহাম্মদ আল আনসারী আল হানাফি আল আম্বাহতাভী।[৩] মুজামুল মাজিম আল মাশায়েখে লিখেছেন: শায়খ, মুহাদ্দিস, ফকিহ খলিল আহমদ ইবনে মাজিদ আলী [...] আল মুহাজিরে মাদানি, ভারতের একজন সিনিয়র ইসলামি পন্ডিত।[৪] বজলুল মাজহুদ গ্রন্থের ভূমিকাতে হুসাইন আহমদ মাদানি লিখেছেন, বংশগতভাবে তিনি মাওলানা আবু ইব্রাহিম খলিল আহমদ আল আইয়ুবী আল আনসারী। মাযহাব ও আধ্যাত্মিকভাবে তিনি আল হানাফি আর রশিদি এবং মাসলাক ও তরীকার ভিত্তিতে তিনি আশ চিশতী আল কাদিরী আন নকশাবন্দী আস সাহারাওয়ার্দি।[৫]

জীবনী[সম্পাদনা]

খলিল আহমদ ১৮৫২ সালের ডিসেম্বর মাসে ব্রিটিশ ভারতের সাহারানপুর জেলার নানুতুয়াতে (বর্তমানে উত্তর প্রদেশে, ভারত) জন্মগ্রহণ করেছিলেন।[৬][৭][৮] তার নাম "জহিরউদ্দিন" এবং "খলিল আহমদ" উভয়ই ছিল তবে তিনি দ্বিতীয় নামেই পরিচিত হয়েছিলেন।[৯] তাঁর মা মোবারকুন নিসা ছিলেন মাওলানা মামলুক আলীর কন্যা এবং মুহাম্মদ ইয়াকুব নানুতুবির বোন, যিনি পরে দারুল উলূম দেওবন্দের সদরুল মুদাররিস (প্রধান শিক্ষক) হয়েছিলেন। [১০] বাবার দিকে তিনি ছিলেন আবু আইয়ুব আনসারি এবং মায়ের দিকে তিনি ছিলেন আবু বকর সিদ্দিকের বংশধর।

প্রাথমিক শিক্ষা[সম্পাদনা]

খলিল আহমদ পাঁচ বছর বয়সে মক্তবে (প্রাথমিক বিদ্যালয়) কায়িদা অধ্যয়নের মাধ্যমে তাঁর লেখাপড়া শুরু করেছিলেন। দোয়ার জন্য তাঁর নানা মামলুক আলী বিসমিল্লাহ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন। খলিল অল্প সময়ের মধ্যেই কুরআনের নাজিরা (দেখে পড়া) শেষ করে উর্দু অধ্যয়ন শুরু করেন। আম্বেহতা এবং নানুতুয়াতে তিনি কুরআনের হিফজ (মুখস্ত) করেন এবং বিভিন্ন শিক্ষকের অধীনে প্রাথমিক উর্দুফারসি বইয়ের অধ্যয়ন সমাপ্ত করেন।[৮]

এগারো বছর বয়সে তিনি তাঁর চাচা মাওলানা আনছার আলী সাহারানপুরীর কাছে গোয়ালিয়রে আরবি অধ্যয়ন শুরু করেন, যিনি রাজ্যের ধর্মীয় বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। আনসার আলীর কাছে তিনি আরবির প্রাথমিক বই মীযানুছ ছরফ, সরফ মীর এবং পাঞ্জেগাঞ্জ শেষ করেন।[৮][১১] কিছুকাল পরে খলিল আহমদের বাবা, যিনি গোয়ালিয়রে কর্মরত ছিলেন, তার কাজ থেকে পদত্যাগ করেন এবং খলিল আহমদের সাথে আম্বেহে ফিরে আসেন।[১০] তাঁর পড়াশোনা মাওলানা সাখাওয়াত আলী আম্বেতাভীর উপর অর্পিত হয়েছিল, যার কাছে তিনি কাফিয়াহ এবং আরবি ব্যাকরণে এর ভাষ্য শরহে জামি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছিলেন। তারপরে, তার বাবার ইচ্ছাকে মেনে তিনি সরকারী ইংলিশ মিডিয়াম স্কুলে ভর্তি হন এবং ধর্মনিরপেক্ষ পড়াশোনা শুরু করেন।

উচ্চতর পড়াশোনা[সম্পাদনা]

১৮৬৬ সালে দারুল উলুম দেওবন্দ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মুহাম্মদ ইয়াকুব নানুতুবি এর প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত হন, খলিল আহমদ তার পিতামাতার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে দেওবন্দে যাত্রা করেছিলেন, যেখানে তিনি কাফিয়াহ থেকে তার পড়াশোনা শুরু করেন। ছয় মাস পর মাজাহির উলুম, সাহারানপুর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং মুহাম্মদ মাজহার নানুতুবিকে প্রধান শিক্ষক নিযুক্ত করা হয়। দেওবন্দে পরিবেশ তার আনুকুল্যে না হওয়ার কারণে তিনি মাজাহির উলুম, সাহারানপুরে চলে যান এবং মুখতাসারুল মা'আনী শ্রেণিতে ভর্তি হন।[১০]

মাজাহির উলুমে তিনি বেশ কয়েক বছর অতিবাহিত করেন যেখানে ফিকহ, উসূলে ফিকহ, হাদিস এবং তাফসীর সহ বিভিন্ন বিষয়ে ইলম অর্জন করেন। বেশিরভাগ বই পড়েছিলেন মাওলানা মাজহার নানুতুবির কাছে এবং কিছু কিছু মাওলানা আহমদ হাসান কানপুরীর নিকটেও পড়েছিলেন। ১৮৬৮ সালে মিশকাতুল মাসাবীহ দিয়ে হাদীসের অধ্যয়ন শুরু করেন। তিনি ১৯৬৯ এর মধ্যে সহীহ বুখারী এবং আল-হিদায়া শেষ করেন। বার্ষিক পরীক্ষায় খলিল আহমদ নিয়মিত উচ্চমানের জন্য পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালে তাঁর সানাদ-ই ফারাগাত (স্নাতক) সম্পন্ন করেছিলেন। সে বছর তিনি মাওলানা আহমদ আলী সাহারানপুরীর কাছ থেকে বিশেষ পুরস্কার হিসাবে সহিহ আল বুখারীর একটি অনুলিপি পেয়েছিলেন।[৮]

স্নাতক শেষ হওয়ার পরে, তিনি মাজাহির উলুমে সহকারী আরবি শিক্ষক হিসাবে নিযুক্ত হন। তবে শীঘ্রই তিনি লাহোরের ওরিয়েন্টাল কলেজের আরবি বিভাগের প্রধান মাওলানা ফয়জুল হাসান সাহারানপুরীর কাছে আদাব (আরবি সাহিত্য) বিষয়ে আরও পড়াশোনা করার জন্য লাহোরের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন।[৩] কয়েক মাসের মধ্যে খলিল আহমদ মাকামাত এবং মুতান্নবি সহ তাঁর কাছ থেকে আদাবের বইসমূহ পড়াশোনা করেন।

পেশা[সম্পাদনা]

১৮৭১ সালে খলিল মাজাহির উলুম, সাহারানপুরের মাসিক তিন রুপি বেতনে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। এরপর ওলুমুল আদাবিয়ায় নিয়ে আরও পড়াশোনা করার জন্য তিনি লাহোর চলে যান। কয়েক মাস তিনি লাহোরে ছিলেন। মাওলানা ফয়জুল হাসানের অধীনে মাকামাত এবং মুতান্নাবী অধ্যয়ন করার পর তিনি দেওবন্দ চলে আসেন। মাওলানা ইয়াকুব তাকে কামুসের অনুবাদক হিসেবে ( উর্দুতে) মাসিক দশ রুপি বেতনে নিয়োগ দেন।। এই কাজটি সম্পাদন করার জন্য তাকে পার্বত্য অঞ্চলে পাঠানো হয়েছিল এবং প্রায় দু'মাস পরে তিনি ফিরে এসেছিলেন। এরপরে তিনি মঙ্গলোর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হন। এই সময়ে, ভোপাল থেকে মাওলানা ইয়াকুবের কাছে মাসিক তিনশত রুপি বেতনের একটি প্রস্তাব এসেছিল, কিন্তু তিনি এই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। তবে এই পদে অন্য কোনো নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকে প্রেরণের জন্য তাকে অনুরোধ করা হয়েছিল, তাই তিনি খলিলকে প্রেরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাঁর মামার পছন্দ অনুসারে এবং গঙ্গোহীর অনুমোদনে তিনি ১২৯৩ হিজরিতে ভোপালে পঞ্চাশ রুপি মাসিক বেতনে এই পদে যোগদান করেন। তবে ভোপালের পরিবেশের প্রতি অপছন্দের কারণে খলিল পদত্যাগ করেন এবং ফিরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। মাওলানা গঙ্গোহীর নির্দেশ মেনে খলিল হজ মৌসুম অবধি ভোপালে ছিলেন।

প্রথম হজ থেকে ফিরে আসার পরে, খলিল তার শহরে কয়েক দিন কাটালেন। এরপরে, তিনি ১২৯৪ হিজরিতে জুমাদুল আউওয়ালে উত্তর প্রদেশের বুলান্দশাহার জেলায় সিকান্দরাবাদে চলে যান , সেখানে তিনি জামে মসজিদের মাদ্রাসা আরবিয়ায় শিক্ষক হন। তবে সেখানকার লোকেরা তার তীব্র বিরোধিতা করেছিল। এভাবে তিনি গঙ্গোহি থেকে ফিরে যাওয়ার অনুমতি চেয়েছিলেন। তবে গাঙ্গোহি তা প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। পরে গঙ্গোহীর অনুমতি নিয়ে খলিল পদত্যাগ করে ফিরে আসেন। ১২৯৫ হিজরিতে ভাওয়ালপুরের প্রধান বিচারপতি মৌলভী শামসুদ্দিনের একটি চিঠি মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াকুবকে প্রেরণ করা হয়। চিঠিটি একজন দক্ষ শিক্ষকের চেয়ে অনুরোধ করা হয়। মাওলানা ইয়াকুব খলিলকে এই পদে নির্বাচন করেছেন। অবশেষে মাওলানা ইয়াকুব ও মাওলানা গাঙ্গোহীর নির্দেশে খলিল ভাওয়ালপুরে মাসিক ত্রিশ টাকা বেতনে পদটি গ্রহণ করেন।

এরপরে, খলিল সাহারানপুরে ফিরে এসে সেখানে শিক্ষক হিসাবে তার পদ পুনরায় শুরু করেন। এরপর তিনি সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে পদোন্নতি পান এবং তাওদীহ তালওয়ীহ, হাম্মাসা রশিদিয়্যা, শরহুল ওয়াকিয়া, শরহে নুখবাতুল ফিকর, মুয়াত্তা ইমাম মুহাম্মাদসিরাজী ইত্যাদি কিতাবের শিক্ষাদান করেন । পরের বছর, বিভিন্ন বিষয়ের বিভিন্ন কিতাবের সাথে খলিল সহিহ আল-বুখারী, সুনান আবু দাউদ, সুনান আল-তিরমিযী এবং সহিহ মুসলিমেরও শিক্ষাদান করেন। আনোয়ার শাহ কাশ্মীরি তাঁর লেখাগুলি ও বক্তৃতায় পরামর্শ ও দিকনির্দেশনার জন্য খলিলের সাথে দেখা করতেন।

মৃত্যু[সম্পাদনা]

১৯২৭ সালের ১৩ অক্টোবর তিনি মৃত্যুবরণ করেন। ইশার নামাজের পর তার জানাযা অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Profile of Khalil Ahmad Saharanpuri on jamiat.org website, Retrieved 12 May 2017
  2. Khalil Ahmad Saharanpuri। ہدایات الشیعہ / Hidāyātush-Shī‘ah (উর্দু ভাষায়)। Lāhaur: Maktabatul-Madīnah। পৃষ্ঠা 4। 
  3. Abd al-Hayy ibn Fakhr ad-Din al-Hasani (১৯৯৯)। نزهة الخواطر وبهجة المسامع والنواظر / Nuzhat al-khawāṭir wa-bahjat al-masāmi‘ wa-al-nawāẓir (আরবি ভাষায়) (1st সংস্করণ)। Bayrūt: Dār Ibn Ḥazm। পৃষ্ঠা 1222–1223। 
  4. Yusuf Abd ar-Rahman al-Mar'ashli (২০০২)। معجم المعاجم والمشيخات والفهارس والبرامج والأثبات / Mu‘jam al-ma‘ājim wa-al-mashyakhāt wa-al-fahāris wa-al-barāmij wa-al-athbāt (আরবি ভাষায়)। Vol. 2 (1st সংস্করণ)। ar-Riyāḍ: Maktabah ar-Rushd। পৃষ্ঠা 385–386। 
  5. Husayn Ahmad al-Madani। "ترجمة المؤلف / Tarjamah al-Mu'allif [Biography of the Author]"।  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) In Khalil Ahmad as-Saharanfuri। Badhl al-majhūd fī ḥall Abī Dāwūd (আরবি ভাষায়)। Bayrūt: دار الكتب العلمية / Dār al-Kutub al-‘Ilmīyah। 
  6. Abd al-Hayy ibn Fakhr ad-Din al-Hasani (১৯৯৯)। نزهة الخواطر وبهجة المسامع والنواظر / Nuzhat al-khawāṭir wa-bahjat al-masāmi‘ wa-al-nawāẓir (আরবি ভাষায়) (1st সংস্করণ)। Dār Ibn Ḥazm। পৃষ্ঠা 1222–1223। 
  7. Yusuf Abd ar-Rahman al-Mar'ashli (২০০২)। معجم المعاجم والمشيخات والفهارس والبرامج والأثبات / Mu‘jam al-ma‘ājim wa-al-mashyakhāt wa-al-fahāris wa-al-barāmij wa-al-athbāt (আরবি ভাষায়) (1st সংস্করণ)। Maktabah ar-Rushd। পৃষ্ঠা 385–386। 
  8. Sayyid Muhammad Shahid Saharanpuri (১৯৮২)। "مقدمہ و تعارف / Muqaddamah wa ta'aruf"।  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) In Khalil Ahmad Saharanpuri। فتاویٰ مظاہر علوم / Fatawa Mazahir-i Ulum (উর্দু ভাষায়)। Maktabatush-Shaykh। 
  9. Husayn Ahmad al-Madani। "ترجمة المؤلف / Tarjamah al-Mu'allif [Biography of the Author]"।  |শিরোনাম= অনুপস্থিত বা খালি (সাহায্য) In Khalil Ahmad as-Saharanfuri। Badhl al-majhūd fī ḥall Abī Dāwūd (আরবি ভাষায়)। دار الكتب العلمية / Dār al-Kutub al-‘Ilmīyah। 
  10. Muhammad Zakariya Kandhalawi। "Hadhrat Aqdas Maulana al-Haaj Khalil Ahmad"। The Mashaikh of Chisht: The Spiritual Tree (Shajarah) and Life Episodes of the Noble Auliya and Mashaikh of Chisht। Translated by Majlisul Ulama of South Africa from Tarikh-i Masha'ikh-i Chisht (1973)। 
  11. Muhammad Zakariya Kandhalawi (১৯৭৩)। حضرت اقدس مولانا الحاج صاحب نور الله مرقده [Hadrat Aqdas Maulana al-Haj Khalil Ahmad Sahib Nawwar Allahu Marqadah]। تاریخ مشائخ چشت (উর্দু ভাষায়)।