নাস্তিক্যবাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
Irreligion map.png

নাস্তিক্যবাদ (অন্যান্য নাম: নিরীশ্বরবাদ, নাস্তিকতাবাদ) একটি দর্শনের নাম যাতে ঈশ্বর বা স্রষ্টার অস্তিত্বকে স্বীকার করা হয়না এবং সম্পূর্ণ ভৌত এবং প্রাকৃতিক উপায়ে প্রকৃতির ব্যাখ্যা দেয়া হয়। আস্তিক্যবাদ এর বর্জনকেই নাস্তিক্যবাদ বলা যায়।[১] নাস্তিক্যবাদ বিশ্বাস নয় বরং অবিশ্বাস এবং যুক্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। বিশ্বাসকে খণ্ডন নয় বরং বিশ্বাসের অনুপস্থিতিই এখানে মুখ্য।[২]

শব্দটি সেই সকল মানুষকে নির্দেশ করে যারা ঈশ্বরের অস্তিত্ব নেই বলে মনে করে এবং প্রচলিত ধর্মগুলোর প্রতি বিশ্বাস কে ভ্রান্ত বলে তারা স্বীকার করে। দিনদিন মুক্ত চিন্তা, সংশয়বাদী চিন্তাধারা এবং ধর্মসমূহের সমালোচনা বৃদ্ধির সাথে সাথে নাস্তিক্যবাদেরও প্রসার ঘটছে। অষ্টাদশ শতাব্দীতে সর্বপ্রথম কিছু মানুষ নিজেদের নাস্তিক বলে স্বীকৃতি দেয়। বর্তমান বিশ্বের জনসংখ্যার ২.৩% মানুষ নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেয় এবং ১১.৯% মানুষ কোন ধর্মেই বিশ্বাস করে না।[৩] জাপানের ৩১% মানুষ নিজেদের নাস্তিক বলে পরিচয় দেয়।[৪][৫] রাশিয়াতে এই সংখ্যা প্রায় ১৩% এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন এ ১২% নাস্তিক, ৬% (ইতালী) থেকে শুরু করে ৪৬% থেকে ৮৫% (সুইডেন) মত।[৪]

পশ্চিমের দেশগুলোতে নাস্তিকদের সাধারণ ভাবে ধর্মহীন বা পরলৌকিক বিষয় সমূহে অবিশ্বাসী হিসেবে গণ্য করা হয়।[৬] কিন্তু বৌদ্ধ ধর্মের মত যেসব ধর্মে ঈশ্বরের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করতে হয় না তারাও এক প্রকার নাস্তিক ধরতে গেলে। [৭] কিছু নাস্তিক ব্যক্তিগত ভাবে ধর্মনিরপেক্ষতা, হিন্দু ধর্মের দর্শন, যুক্তিবাদ, মানবতাবাদ এবং প্রকৃতিবাদে বিশ্বাস করে। নাস্তিকরা কোন বিশেষ মতাদর্শের অনুসারী নয় এবং তারা সকলে বিশেষ কোন আচার অনুষ্ঠানও পালন করে না। অর্থাৎ ব্যক্তিগত ভাবে যে কেউ, যে কোন মতাদর্শে সমর্থক হতে পারে,নাস্তিকদের মিল শুধুমাত্র এক জায়গাতেই, আর তা হল ঈশ্বরের অস্তিত্ব কে অবিশ্বাস করা।

আধুনিক যুগে নাস্তিক্যবাদ[সম্পাদনা]

একবিংশ শতাব্দী[সম্পাদনা]

একবিংশ শতাব্দীতে কয়েকজন নাস্তিক গবেষক ও সাংবাদিকের প্রচেষ্টায় নাস্তিক্যবাদের একটি নতুন ধারা বেড়ে উঠেছে যাকে "নব-নাস্তিক্যবাদ" বা "New Atheism" নামে ডাকা হয়। ২০০৪ সালে স্যাম হ্যারিসের দি ইন্ড অব ফেইথ: রিলিজান, টেরর, এন্ড দ্যা ফিউচার অব রিজন বইয়ের মাধ্যমে নব-নাস্তিক্যবাদের যাত্রা শুরু হয়েছে বলে মনে করেন আরেক প্রখ্যাত নব-নাস্তিক ভিক্টর স্টেংগার। প্রকৃতপক্ষে স্যাম হ্যারিসের বই প্রকাশের পর এই ধারায় আরও ছয়টি বই প্রকাশিত হয় যার প্রায় সবগুলোই নিউ ইয়র্ক টাইমস বেস্ট সেলারে স্থান করে নিতে সমর্থ হয়। সব মিলিয়ে নিচের বইগুলোকেই নব-নাস্তিক্যবাদী সাহিত্যের প্রধান উদাহরণ হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়:

১. দি ইন্ড অব ফেইথ: রিলিজান, টেরর, এন্ড দ্যা ফিউচার অব রিজন (২০০৪) – স্যাম হ্যারিস
২. লেটার টু এ কৃশ্চিয়ান নেশন (২০০৬) – স্যাম হ্যারিস
৩. দ্যা গড ডিলিউশন (২০০৬)-রিচার্ড ডকিন্স
৪. ব্রেকিং দ্যা স্পেল: রিলিজান এ্যাজ এ ন্যাচারাল ফেনোমেনন (২০০৬) – ড্যানিয়েল ডেনেট
৫. গড: দ্যা ফেইলড হাইপোথিসিস- হাউ সাইন্স সোজ দ্যাট গড ডাজ নট এক্সিস্ট (২০০৭)- ভিক্টর স্টেংগার
৬. গড ইজ নট গ্রেট: হাউ রিলিজান পয়জনস এভরিথিং (২০০৭) – ক্রিস্টোফার হিচেন্স
৭. দ্যা নিউ এইথিজম (২০০৯) – ভিক্টর স্টেংগার

শেষোক্ত বইয়ে ভিক্টর স্টেংগার এই ব্যক্তিদেরকেই নব-নাস্তিক্যবাদের প্রধান লেখক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। উল্লেখ্য, নব-নাস্তিকেরা ধর্মের সরাসরি বিরোধিতা করেন। তারা ধর্মকে প্রমাণবিহীন বিশ্বাস বলে আখ্যায়িত করেন এবং এ ধরনের বিশ্বাসকে সমাজে যে ধরনের মর্যাদা দেয়া হয় সেটার কঠোর বিরোধিতা করেন।[৮]

প্রকারভেদ এবং সংজ্ঞা[সম্পাদনা]

লেখকরা নাস্তিকতা শব্দটির প্রকৃত সংজ্ঞা কী হবে তা নিয়ে ঐক্যমতে পৌছাতে পারেন নি,[৯] অতিপ্রাকৃত সত্তাকে কী ঈশ্বর হিসেবে ধরা হবে, তাকে অবিশ্বাস করলেই কী তা নাস্তিকতা হবে। সুস্থ মানসিকতা থেকে, সজ্ঞানে ঐশ্বরিক ধারণা প্রত্যাখান করলেই কী ব্যক্তি নাস্তিক হবে, এইবিষয়গুলো নিয়ে কিছুটা অষ্পষ্টতা রয়ে গিয়েছে। নাস্তিকতা সংশয়বাদের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ,[১০][১১][১২][১৩][১৪][১৫][১৬] এবং কেও কেও এর মধ্যে পার্থক্যও করেছে।[১৭][১৮][১৯] নাস্তিকতার বিভিন্ন রূপভেদের মধ্যে পার্থক্যকরণের জন্য বিভিন্ন শ্রেণিবিভাগ তৈরী করা হয়েছে।

সীমা[সম্পাদনা]

দেবতা এবং ঈশ্বর এই শব্দদ্বয়ের সংজ্ঞায় ঐক্যমতে না আসতে পারার জন্য নাস্তিকতাকে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে কিছু অস্পষ্টতা এবং বিতর্ক তৈরি হয়। প্রাচীন রোমের অধিবাসীরা খ্রিষ্ঠানদের প্যাগান দেবতার পুজো না করায় নাস্তিক বলে আখ্যায়িত করেছিল। ধীরে ধীরে নাস্তিকতা নিয়ে এই দৃষ্টিভঙ্গীতে পরিবর্তন আসে, যেহেতু বিশ্বাসবাদ এখন সুনির্দিষ্ট বিশ্বাসে আটকে নেই, বরং যেকোনো ঐশ্বরিক শক্তিতে বিশ্বাসই এখন বিশ্বাস বলে গণ্য হয়।[২০]

অর্থাৎ নাস্তিকতা মানে এখন কোনো সুনির্দিষ্ট বিশ্বাসের সমালোচনা নয়, বরং সমস্ত ধর্ম যা আধ্যাত্মিকতা বা অলৌকিকতা নিয়ে কাজ করে বা বিশ্বাস করে, তার বিরোধিতা করা।[২১]

Implicit vs. explicit[সম্পাদনা]

ব্যক্তিভেদে নাস্তিকতার সংজ্ঞা ভিন্নরূপ হতে পারে। নাস্তিকতাকে কখনো সংজ্ঞায়িত করা হয় এমনভাবে যে, যে ব্যক্তি যেকোনো প্রকার দৈব শক্তিতে অবিশ্বাস করছে, এমনটা হলেই তিনি নাস্তিক। এই বিস্তৃত সংজ্ঞা নবজাত শিশু বা সেসব লোকের জন্যও প্রযোজ্য যারা কোনোরুপ ধর্মবিশ্বাসের সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ পায় নি। ১৭৭২ সালে ব্যারন ডি হলব্যাচ বলেন, "সমস্ত শিশুই নাস্তিক হয়ে জন্মগ্রহণ করে।"[২২] একইভাবে, জর্জ এইচ স্মিথ (১৭৭৯) বলেন: "যে ব্যক্তি বিশ্বাস করতে হয়, এমন ধর্মের সাথে পরিচিত নয়, সে নাস্তিক। কারণ সে তো ঈশ্বরে বিশ্বাস করছে না। অর্থাৎ এই শ্রেণিতে একজন শিশুও অন্তর্ভুক্ত কারণ সেও ঈশ্বর সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল নয় এবং যেহেতু একজন শিশু ঈশ্বরে বিশ্বাস করছে না, তাই সে নাস্তিক হিসেবেই বিবেচ্য।"[২৩] "স্বজ্ঞানহীন নাস্তিকতা" মানে হল কোন ধর্ম বিশ্বাসকে অসচেতন ভাবে প্রত্যাখ্যান করা এবং" স্বজ্ঞান নাস্তিকতা" মানে হল কোন ধর্ম বিশ্বাসকে সচেতনভাবে প্রত্যাখ্যান করা। আর্নেস্ট নাগেল তার "ফিলোসফিক্যাল এথিজম" নামক নিবন্ধে ঈশ্বরবাদী বিশ্বাসের কিছুমাত্র অনুপস্থিতিকেই নাস্তিকতার একটি প্রকরণ বলে উল্লেখ করেন।[২৪] তবে গ্রাহাম অপ্পি যেসব মানুষ ঈশ্বর সম্বন্ধে অজ্ঞাত, তাদের নাস্তিক বলতে নারাজ ছিলেন। তার মতেএকমাসের বাচ্চা, মস্তিষ্কে তীব্র আঘাত, ডেমেনটিয়ায় আক্রান্ত অসুস্থ মানুষের ঈশ্বর কী এই বিষয়ে বুঝার সক্ষমতা নেই। তাই তিনি তাদের নাস্তিক শব্দের পরিবর্তে নিরীহ বলে উল্লেখ করেন।[২৫]

ইতিবাচক বনাম নেতিবাচক[সম্পাদনা]

মাইকেল মার্টিন [২০] এবং এন্থনি ফ্লিউয়ের মত দার্শনিক[২৬] ইতিবাচক (শক্তিশালী/দৃঢ়) এবং নেতিবাচক নাস্তিকতার (দুর্বল/নরম) মধ্যে পার্থক্য তৈরি করেন। ইতিবাচক নাস্তিক্যবাদ হলো ঈশ্বরের কোন অস্তিত্ব নেই একথাটি সম্পূর্ণভাবে স্বীকার করে নেওয়া এবং সকল প্রকার বিশ্বাস হীনতাই হলো নেতিবাচক নাস্তিক্যবাদ। এই শ্রেণিবিভাগ মতে যে ব্যক্তি বিশ্বাসী নয় সে ইতিবাচক অথবা নেতিবাচক উভয়ের মধ্যে যেকোনো রূপ নাস্তিক হতে পারে। নাস্তিকতার পদবাচ্যে "দুর্বল" এবং দৃঢ় নাস্তিকতা যদিও আধুনিক একটি শব্দ কিন্তু নেতিবাচক অথবা ইতিবাচক নাস্তিক্যবাদ শব্দদ্বয়ের উত্থান ঘটেছে বহু পূর্বে যা ব্যবহৃত হয়েছে একটু ভিন্নভাবে হলেও দার্শনিক দর্শনভিত্তিক সাহিত্যে[২৬] এবং ক্যাথলিক এপলোজেটিক্সে ব্যবহৃত হয়েছে।[২৭] নাস্তিকতার এই সীমানা নির্ধারণের কারণে বেশিরভাগ সংশয়বাদী নিজেদের নেতিবাচক নাস্তিক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে।

উদাহরণস্বরুপ, হোয়াইল মার্টিন সংশয়বাদকে নেতিবাচক নাস্তিকতার ফলাফল ধরলেও,[১৩] অনেক many agnostics see their view as distinct from atheism,[২৮][২৯] which they may consider no more justified than theism or requiring an equal conviction.[২৮] The assertion of unattainability of knowledge for or against the existence of gods is sometimes seen as an indication that atheism requires a leap of faith.[৩০][৩১] Common atheist responses to this argument include that unproven religious propositions deserve as much disbelief as all other unproven propositions,[৩২] and that the unprovability of a god's existence does not imply equal probability of either possibility.[৩৩] Australian philosopher J.J.C. Smart even argues that "sometimes a person who is really an atheist may describe herself, even passionately, as an agnostic because of unreasonable generalized philosophical skepticism which would preclude us from saying that we know anything whatever, except perhaps the truths of mathematics and formal logic."[৩৪] Consequently, some atheist authors such as Richard Dawkins prefer distinguishing theist, agnostic and atheist positions along a spectrum of theistic probability—the likelihood that each assigns to the statement "God exists".[৩৫]

Definition as impossible or impermanent[সম্পাদনা]

আঠারো শতকের পূর্বে ঈশ্বরের অস্তিত্ব পশ্চিমা সমাজে এতটাই স্বীকৃত ছিল যে, এমন কি প্রকৃত নাস্তিকতাই সেখানে প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। এ বিষয়টিকে বলা হত জন্মগত বিশ্বাসী। এর মানে হলো মানুষ জন্মগত ভাবেই ঈশ্বরে বিশ্বাসী এবং নাস্তিকতা সেখানে সহজাতভাবেই প্রত্যাখাত একটি বিষয় ছিল।[৩৬]

সাধারণ মানুষের একপক্ষ আবার নাস্তিকদের নিয়ে একটি বিশেষ ধারণা পোষণ করতো। তাদের দাবী অনুসারে একজন নাস্তিক তীব্র বিপদের সময় হঠাৎই ঈশ্বরে বিশ্বাস নিয়ে আসে, তারা মৃত্যু কালীন সময়ে ধর্মান্তরিত হয় এবং চরম বিপদ যেমনঃ দুর্যোগ বা "যুদ্ধকালীন সময়ে কোনো নাস্তিকই নাস্তিক থাকে না"।[৩৭] পক্ষান্তরে তীব্র দুর্যোগের মুহুর্তেও যে মানুষ নাস্তিক থাকতে পারে, এরূপ উদাহরণও আছে।[৩৮]

কিছু নাস্তিক নাস্তিকতাবাদের খুব বেশি প্রয়োজন আছে কিনা তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। স্যাম হ্যারিস তার বই লেটার টু অ্যা ক্রিশ্চিয়ান নেশনে লিখেন:

প্রকৃতপক্ষে, "নাস্তিকতাবাদ" হচ্ছে এমন একটি পদবাচ্য, যার অস্তিত্বই থাকা উচিত না। কেওই নিজেকে "আমি জ্যোতিষ নই" বা "আমি আলকেমিস্ট নই" এই মর্মে অভিহিত করেন না। যেসব ব্যক্তি সন্দেহ করে এলভিস [একজন আমেরিকান সংগীত শিল্পী] এখনো জীবিত থাকতে পারে অথবা এলিয়েনরা হাতের ছোয়ায় এই মহাবিশ্বকে তাদের গোয়ালের প্রাণী বানিয়ে রাখবে, তাদের জন্য শব্দ খরচ করার মত শব্দ আমাদের নেই। যে ধর্মের সত্যতা নির্ধারণ করা যায় না, এজাতীয় ধর্মের বিপরীতে যুক্তিবাদী ব্যক্তির যে কোনো শব্দই নাস্তিক্যবাদের প্রতিনিধিত্ব করে। স্বতন্ত্রভাবে নাস্তিক্যবাদ শব্দটির আমদানী অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার মাত্র।"[৩৯]

দরকারবাদী নাস্তিকতাবাদ[সম্পাদনা]

দরকারবাদী নাস্তিকতা হচ্ছে সেই দৃষ্টিভঙ্গী যার মাধ্যমে এক বা বহু ঈশ্বরকে বাতিল করে দেওয়া হয়। এই দৃষ্টিভঙ্গী মতে দরকারবাদী জীবনে ঈশ্বরের মত ধারণা সম্পুর্ণ অদরকারী। এই ধারণা ঔদাসীন্যবাদ এবং ব্যাবহারকারী নাস্তিকতার সাথে সম্পর্কিত।[৪০]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

পুরো বিশ্বজুড়েই নাস্তিক এবং সংশয়বাদীদের অনুপাত(২০০৭)

এককথায় নাস্তিকের সংখ্যা পরিমাপ করা দুরুহ। বিশ্বাস নিয়ে যে পোল করা হয়েছে সেখানকার উত্তরদাতাদের মধ্য থেকে নাস্তিক ধর্মবিশ্বাসী আধ্যাত্মিক শক্তিতে বিশ্বাসী এসব কিছুকেই ভিন্ন ভিন্ন পদে অঙ্কিত করা হয়েছে।[৪১] একজন হিন্দু নাস্তিক নিজেকে একইসাথে হিন্দু ও নাস্তিক বলে দাবী করতে পারেন।[৪২] এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার ২০১০ সালের জরিপে প্রাপ্ত ফলাফল থেকে দেখা যায় পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার ৯.৬ শতাংশ ধর্মবিশ্বাসহীন এবং ২ শতাংশ নাস্তিক হিসেবে বেড়ে উঠে; যার বিরাট অংশই এশিয়াতে বাস করে। এক্ষেত্রে নাস্তিক্যবাদী ধার্মিক যেমন বৌদ্ধদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।[৪৩] ২০০০ থেকে ২০১০ সালে নাস্তিক্যবাদের বাৎসরিক পরিবর্তন হয়েছে ০.১৭%।[৪৩] বৃহত্তর পরিসরে একটি পরিমাণ থেকে দেখা গিয়েছে, পৃথিবীজুড়ে ঈশ্বরে অবিশ্বাসীর সংখ্যা ৫০ কোটি থেকে ১১০ কোটির কাছাকাছি।[৪৪][৪৫]

বৈশ্বিক উইন-গ্যালোপ ইন্টারন্যাশনাল জরিপ অনুযায়ী, ২০১২ সালে ১৩% উত্তরদাতা "আশ্বস্ত নাস্তিক"।[৪৬] ২০১৫ সালের হিসাবে ১১% আশ্বস্ত নাস্তিক (convinced atheists),[৪৭] and in 2017, 9% were "convinced atheists".[৪৮] ২০১২ মোতাবেক, নিজেদের আশ্বস্ত নাস্তিক হিসেবে দেখে এরূপ শীর্ষ ১০ টি দেশ হলোঃ চীন (৪৭%), জাপান (৩১%), Czech Republic (৩০%), ফ্রান্স (২৯%), দক্ষিণ কোরিয়া (১৫%), জার্মানী (১৫%), নেদারল্যান্ড (১৪%), অস্ট্রিয়া (১০%), আইসল্যান্ড (১০%), অস্ট্রেলিয়া (১০%), এবং আয়ারল্যান্ড (১০%).[৪৯]

ইউরোপ[সম্পাদনা]

Percentage of people in various European countries who said: "I don't believe there is any sort of spirit, God or life force." (2010)[৫০]

২০১০ সালে ইউরোব্যারোমিটারের পোলে একটি বিবৃতির উপর জরিপ নিয়ে কাজ করা হয়েছিল, বিবৃতিটি ছিল "তুমি ঈশ্বর বা অলৌকিক কোনো কিছুর অস্তিত্বে বিশ্বাস করো না।" এই বিবৃতিটি সমর্থনের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ছিল ফ্রান্সে (৪০%), এরপর যথাক্রমে ক্রেজ রিপাবলিক (৩৭%), সুইডেন (৩৪%), নেদারল্যান্ড (৩০%), এস্তোনিয়া (২৯%), জার্মানী (২৭%), বেলজিয়াম (২৭%), যুক্তরাজ্য (২৫%), পোল্যান্ডে (৫%), গ্রিস (৪%), সাইপ্রাস (৩%), মাল্টা (২%), এবং রোমানিয়া (১%), ইউরোপীয় ইউনিয়নে সবমিলিয়ে ২০% এই বিবৃতি সমর্থন করে।[৫১] ২০১২ সালে ইউরোব্যারোমিটার পোল থেকে দেখা গিয়েছে ১৬ শতাংশ মানুষ নিজেদের অবিশ্বাসী/সংশয়বাদী এবং ৭ শতাংশ নিজেদের নাস্তিক ভাবে।[৫২]

২০১২ সালের পিউ রিসার্চ সেন্টারের জরিপ অনুযায়ী নাস্তিক এবং সংশয়বাদীদের মোট ১৮ শতাংশ ইউরোপীয় নিজেদের ধর্মহীন বলে দাবী করে।[৫৩] একইজরিপ অনুযায়ী ইউরোপের শুধুমাত্র দুইটি দেশে নাস্তিকতার হার সর্বোচ্চ: চেক প্রজাতন্ত্র (৭৫%) এবং এস্তোনিয়া (৬০%).[৫৩]

এশিয়া[সম্পাদনা]

নাস্তিকের সংখ্যার ভিত্তিতে চারটি বৃহত্তম দেশ হলো যথাক্রমে: উত্তর কোরিয়া (৭১%), জাপান ৫৭%), হংকং (৫৬%), এবং চীন (৫২%).[৫৩]

অস্ট্রেলীয়া[সম্পাদনা]

অস্ট্রেলীয়া ব্যুরো অব স্ট্যাসটিক্সের জরিপ অনুযায়ী ৩০ শতাংশ অস্ট্রেলীয়দের কোনো ধর্ম নেই।[৫৪]

২০১৩ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী ৪২ শতাংশ নিউজিল্যান্ডবাসী নিজেদের ধর্ম নেই বলে দাবী করেছে, ১৯৯১ সালে এই পরিমাণ ছিল ৩০ শতাংশ।[৫৫] নারীর তুলনায় পুরুষ নিজেকে অধিক ধর্মহীন দাবী করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র[সম্পাদনা]

২০১৪ সালের ওয়ার্ল্ড ভ্যালু সার্ভের জরিপ অনুযায়ী ৪.৪ শতাংশ মার্কিনী নিজেদের, স্বঘোষিত নাস্তিক ভাবেন।[৫৬] যাইহোক, একই জরিপ অনুযায়ী প্রত্যুত্তরে ১১.১ শতাংশ উত্তরদাতা বলেন, তারা ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন না।[৫৬] ১৯৮৪ সালে, যা ছিল ১.১ শতাংশ নাসিক এবং ২.২ শতাংশ ঈশ্বরে অবিশ্বাসী। ২০১৪ সালের পিউ রিসার্চ জরিপ মতে ৩.১ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ নিজেদের নাস্তিক বলে অভিহিত করেন।[৫৭] ২০১৫ সালে জেনারেল সোশিওলজিক্যাল জরিপ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে নাস্তিক এবং সংশয়বাদীর সংখ্যা ২৩ বছর ধরে প্রায় একই আছে। ১৯৯১ সালে ২ শতাংশ মানুষ নিজেকে নাস্তিক এবং ৪ শতাংশ মানুষ নিজেকে সংশয়বাদী বলে দাবী করে এবং ২০১৪ সালে ৩ শতাংশ মানুষ নিজেকে নাস্তিক ও ৫ শতাংশ মানুষ নিজেকে সংশয়বাদী বলে দাবী করে।[৫৮]

ধর্মহীন[সম্পাদনা]

মার্কিন ফ্যামিলী সার্ভের ২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী ৩৪ শতাংশ নিজেদের ধর্মের সাথে সংযোগহীন বলে দাবী করেন (২৩ শতাংশ কোনো ধর্মের সাথে সংযোগহীন, ৬ শতাংশ সংশয়বাদী, ৫ শতাংশ নাস্তিক)।[৫৯][৬০] ২০১৪ সালে পিউ রিসার্চ সেন্টার মতে মার্কিনীদের ২২.৮ শতাংশ নিজেদের কোনো ধর্মের নয় বলে দাবী করেন যার মধ্যে ৩.১ শতাংশ নিজেদের নাস্তিক এবং ৪ শতাংশ সংশয়বাদী বলে দাবী করেন।[৬১] পিউরিসার্চ মতে ২৪ শতাংশ মানুষ নিজেদের ধর্মহীন ভাবেন।[৬২]

আরব বিশ্ব[সম্পাদনা]

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরব বিশ্বে নাস্তিকতার হার বাড়ছে।[৬৩] সরকারী কর্মকর্তাদের নিয়মিত অভিযান সত্ত্বেও বড় শহর যেমন কায়রোতে নাস্তিকরা ক্যাফে এবং সামাজিক মাধ্যমগুলোতে মিলিত হয়।[৬৩] ২০১২ সালের গ্যালোপ ইন্টারন্যাশন্যাল জরিপ অনুযায়ী ৫ শতাংশ সৌদি নিজেদের "আশ্বস্ত নাস্তিক" বলে অভিহিত করেছে।[৬৩] যাইহোক, আরব বিশ্বে খুব কম সংখ্যক তরুণদের নিজস্ব বন্ধুবৃত্তে বা পরিচিতের মধ্যে নাস্তিক আছে। একটি গবেষণা মতে ১% এর কম মরক্কোতে, মিশরে, সৌদি আরব বা জর্ডানে এবং আরব আমিরাত, বাহরাইন, কুয়েত ও প্যালেস্টাইনে ৩ থেকে ৭ শতাংশ নাস্তিক আছে।[৬৪] এই দেশগুলোর মানুষকে যখন জিজ্ঞেস করা হয়, তারা তাদের স্থানীয় এলাকায় নাস্তিক শব্দটি শুনেছে কিনা, সেখানের শুধুমাত্র ৩ থেকে ৮ শতাংশ মানুষ জানায় তারা শুনেছে। একমাত্র আরব আমিরাত ব্যতিক্রম সেখানের ৫১ শতাংশ মানুষ শুনেছে।[৬৪]

সম্পদ এবং শিক্ষা[সম্পাদনা]

একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে আমেরিকায় সেক্যুলারিজম এবং নাস্তিক্যবাদের স্তরের সাথে শিক্ষার একটি ইতিবাচক আন্তঃসম্পর্ক জড়িত আছে।[৬৫] বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানী নিগেল বারবার মনে করেন, যেসব স্থানের মানুষ নিজেদেরকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী মনে করছেন নাস্তিক্যবাদের স্ফুরণ সেখানেই ঘটেছে। যেসব স্থানে মানুষ তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তিত নয়, স্বাস্থ্য সুবিধা পর্যাপ্তভাবে পায়, দীর্ঘায়ু হন সেখানেই নাস্তিকতার উর্ধ্বগতি হয়। বিপরীতক্রমে উন্নয়নশীল দেশে নাস্তিকতার হার ক্রমহ্রাসমান হয়।[৬৬]

২০০৮ সালের গবেষণামতে গবেষকরা দেখেছেন, ইউরোপ এবং যুক্তরাষ্ট্রে বুদ্ধিমত্তার সাথে ধর্মীয় বিশ্বাসের নেতিবাচক সম্পর্ক রয়েছে। ১৩৭ দেশের স্যাম্পলে জাতীয় আইকিউ আর অবিশ্বাস এর আন্তঃসম্পর্ক ০.৬।[৬৭] বিবর্তনীয় মনস্তাত্ত্বিক নিগেল বারবার উদ্ধৃতি দিতে গিয়ে বলেন, নাস্তিকদের বেশি বুদ্ধিমান হওয়ার জন্য সামাজিক, পরিবেশগত শিক্ষা এবং সম্পদ সংক্রান্ত ফ্যাক্টর দিয়ে ভালভাবে ব্যাখ্যা করা যায় এবং এসব কিছুই ধর্মীয় বিশ্বাস হ্রাসের সাথে আন্তঃসম্পর্কিত। ধর্ম বেকুবি তৈরি করে; এবিষয়ে তিনি সন্দিহান। তার কারণ অনেক মানুষ আছেন যারা যথেষ্ট বুদ্ধিমান হওয়া সত্বেও ধার্মিক। কিন্তু একইসাথে তিনি বলেছেন এটাও সম্ভব হতে পারে ধর্মবিশ্বাস প্রত্যাখানের সাথে উচ্চমাত্রার বুদ্ধিমত্তা একটি সম্পর্ক আছে এবং বুদ্ধিমত্তা এবং ধর্মীয় বিশ্বাস প্রত্যাখানের মধ্যকার আন্তঃসম্পর্ক বেশ জটিল।[৬৮]

২০১৭ সালের গবেষণা মতে, ধার্মিক এবং নাস্তিক এর মধ্যকার তুলনা করলে দেখা যায় নাস্তিকদের বোঝার সক্ষমতা টা অনেক বেশি এর মধ্যকার পার্থক্য বয়স, শিক্ষা, এবং কোন দেশের সেই সামাজিকপরিসংখ্যানের উপর নির্ভর করেনা অর্থাৎ সমস্ত দেশ বা স্থানে নাস্তিকদের বুঝার সক্ষমতা সর্বোচ্চ থাকে।[৬৯]

নাস্তিকদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী[সম্পাদনা]

পারিসংখ্যানিক ভাবে বিশ্বাস করা হয়, নাস্তিকরা মানসিকভাবে হীন দরিদ্র হয়ে থাকে। বিশ্বাসীরা তো বটেই, এমনকি কিছু নাস্তিক মনে করে, নাস্তিকরা অসৎ চরিত্রের হয়ে থাকে। এই অসৎ চারিত্রিক বৈশিষ্ট কিরূপ হতে পারে, তার বর্ণনার মধ্যে রয়েছে খুন করা থেকে শুরু করে রেস্তোরায় খাবারের বিল পরিশোধ না করা।[৭০][৭১][৭২] ২০১৬ সালে পিউ রিসার্চ সেন্টারের একটি প্রকাশনা মধ্যে দেখা গিয়েছে যে ফরাসি মানুষদের ১৫%, ৪৫ শতাংশ আমেরিকান এবং ৯৯% ইন্দোনেশীয় বিশ্বাস করে সৎ চরিত্রের অধিকারী হতে হলে অবশ্যই ঈশ্বরে বিশ্বাস করা প্রয়োজনীয়। [৭৩]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

    • Nielsen, Kai (২০০৯)। "Atheism"Encyclopædia Britannica। সংগ্রহের তারিখ ২০০৯-০৮-২৩Atheism, in general, the critique and denial of metaphysical beliefs in God or spiritual beings.... Instead of saying that an atheist is someone who believes that it is false or probably false that there is a God, a more adequate characterization of atheism consists in the more complex claim that to be an atheist is to be someone who rejects belief in God for the following reasons (which reason is stressed depends on how God is being conceived)... 
    • Edwards, Paul (১৯৬৭)। "Atheism"। The Encyclopedia of Philosophy। Vol. 1। Collier-MacMillan। পৃষ্ঠা 175। On our definition, an 'atheist' is a person who rejects belief in God, regardless of whether or not his reason for the rejection is the claim that 'God exists' expresses a false proposition. People frequently adopt an attitude of rejection toward a position for reasons other than that it is a false proposition. It is common among contemporary philosophers, and indeed it was not uncommon in earlier centuries, to reject positions on the ground that they are meaningless. Sometimes, too, a theory is rejected on such grounds as that it is sterile or redundant or capricious, and there are many other considerations which in certain contexts are generally agreed to constitute good grounds for rejecting an assertion. 
  1. religioustolerance.org's short article on Definitions of the term "Atheism" suggests that there is no consensus on the definition of the term. Simon Blackburn summarizes the situation in The Oxford Dictionary of Philosophy: "Atheism. Either the lack of belief in a god, or the belief that there is none." Most dictionaries (see the OneLook query for "atheism") first list one of the more narrow definitions.
    • Runes, Dagobert D.(editor) (1942 edition)। Dictionary of Philosophy। New Jersey: Littlefield, Adams & Co. Philosophical Library। আইএসবিএন 0064634612(a) the belief that there is no God; (b) Some philosophers have been called "atheistic" because they have not held to a belief in a personal God. Atheism in this sense means "not theistic". The former meaning of the term is a literal rendering. The latter meaning is a less rigorous use of the term though widely current in the history of thought  এখানে তারিখের মান পরীক্ষা করুন: |তারিখ= (সাহায্য) - entry by Vergilius Ferm
  2. "Worldwide Adherents of All Religions by Six Continental Areas, Mid-2005". Encyclopædia Britannica. 2005. [১]. Retrieved on 2007-04-15.
  3. Zuckerman, Phil. "Atheism: Contemporary Rates and Patterns", The Cambridge Companion to Atheism, ed. by Michael Martin, Cambridge University Press: Cambridge, 2005.
  4. However, data from the U.S. State Dept. may contradict this figure, since 44% are reported as adherents of Shinto, a polytheistic religion, and information was not provided on the number of respondents identifying with multiple categories. (64% atheists/agnostics/non-believers, plus 44% Shintoists, adds up to more than 100%.)
  5. Cline, Austin (2005). "Buddhism and Atheism". [about.com]. [২]. Retrieved on 2006-10-21.
  6. Kedar, Nath Tiwari (1997). Comparative Religion. Motilal Banarsidass. pp. 50. আইএসবিএন ৮১-২০৮-০২৯৩-৪.
  7. ''The New Atheism (২০০৯) - ভিক্টর স্টেংগার; পৃষ্ঠা - ১১-১৩; প্রকাশনী - Prometheus Books
  8. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; eb1911-atheism নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  9. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; agnosticism-compatible নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  10. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; flint-agnostic-atheism নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  11. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; encyc-unbelief-compatible নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  12. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; martin-agnosticism-entails নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  13. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; barker-agnostic-atheism নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  14. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; besant-open-to-new-truth নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  15. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; holyoake-question-of-probability নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  16. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; eb2011-atheism-critique নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  17. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; eb2011concise-atheism নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  18. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; eb1911-atheism-sceptical নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  19. Martin 2006
  20. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; eb2011-Rejection-of-all-religious-beliefs নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  21. d'Holbach, P.H.T. (১৭৭২)। Good Sense। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-০৭ 
  22. Smith 1979, পৃ. 14.
  23. Nagel, Ernest (১৯৫৯)। "Philosophical Concepts of Atheism"। Basic Beliefs: The Religious Philosophies of Mankind। Sheridan House। I must begin by stating what sense I am attaching to the word "atheism," and how I am construing the theme of this paper. I shall understand by "atheism" a critique and a denial of the major claims of all varieties of theism.  ... atheism is not to be identified with sheer unbelief, or with disbelief in some particular creed of a religious group. Thus, a child who has received no religious instruction and has never heard about God, is not an atheist – for he is not denying any theistic claims. Similarly in the case of an adult who, if he has withdrawn from the faith of his father without reflection or because of frank indifference to any theological issue, is also not an atheist – for such an adult is not challenging theism and not professing any views on the subject.  ... I propose to examine some philosophic concepts of atheism ... 
    reprinted in Critiques of God, edited by Peter A. Angeles, Prometheus Books, 1997.
  24. Oppy 2018, পৃ. 4: Agnostics are distinguished from innocents, who also neither believe that there are gods nor believe that there are no gods, by the fact that they have given consideration to the question whether there are gods. Innocents are those who have never considered the question whether there are gods. Typically, innocents have never considered the question whether there are gods because they are not able to consider that question. How could that be? Well, in order to consider the question whether there are gods, one must understand what it would mean for something to be a god. That is, one needs to have the concept of a god. Those who lack the concept of a god are not able to entertain the thought that there are gods. Consider, for example, one-month-old babies. It is very plausible that one-month-old babies lack the concept of a god. So it is very plausible that one-month-old babies are innocents. Other plausible cases of innocents include chimpanzees, human beings who have suffered severe traumatic brain injuries, and human beings with advanced dementia
  25. Flew 1976, পৃ. 14ff: "In this interpretation an atheist becomes: not someone who positively asserts the non-existence of God; but someone who is simply not a theist. Let us, for future ready reference, introduce the labels 'positive atheist' for the former and 'negative atheist' for the latter."
  26. Maritain, Jacques (জুলাই ১৯৪৯)। "On the Meaning of Contemporary Atheism"The Review of Politics11 (3): 267–280। doi:10.1017/S0034670500044168। ১৩ নভেম্বর ২০০৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। 
  27. Kenny, Anthony (২০০৬)। "Why I Am Not an Atheist"। What I believe। Continuum। আইএসবিএন 978-0-8264-8971-5The true default position is neither theism nor atheism, but agnosticism ... a claim to knowledge needs to be substantiated; ignorance need only be confessed. 
  28. "Why I'm Not an Atheist: The Case for Agnosticism"। Huffington Post। ২৮ মে ২০১৩। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-১১-২৬ 
  29. O'Brien, Breda (৭ জুলাই ২০০৯)। "Many atheists I know would be certain of a high place in heaven"Irish Times। ২০ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-০৯ 
  30. Warner, Matthew (৮ জুন ২০১২)। "More faith to be an atheist than a Christian"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-১১-২৬ 
  31. Baggini 2003, পৃ. 30–34. "Who seriously claims we should say 'I neither believe nor disbelieve that the Pope is a robot', or 'As to whether or not eating this piece of chocolate will turn me into an elephant I am completely agnostic'. In the absence of any good reasons to believe these outlandish claims, we rightly disbelieve them, we don't just suspend judgement."
  32. Baggini 2003, পৃ. 22. "A lack of proof is no grounds for the suspension of belief. This is because when we have a lack of absolute proof we can still have overwhelming evidence or one explanation which is far superior to the alternatives."
  33. Smart, J.C.C. (৯ মার্চ ২০০৪)। "Atheism and Agnosticism"। Stanford Encyclopedia of Philosophy। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-০৯ 
  34. Dawkins 2006, পৃ. 50।
  35. Cudworth, Ralph (১৬৭৮)। The True Intellectual System of the Universe: the first part, wherein all the reason and philosophy of atheism is confuted and its impossibility demonstrated 
  36. See, for example: Pressley, Sue Anne (৮ সেপ্টেম্বর ১৯৯৬)। "Atheist Group Moves Ahead Without O'Hair"The Washington Post। সংগ্রহের তারিখ ২০১৪-১০-২২ 
  37. Lowder, Jeffery Jay (১৯৯৭)। "Atheism and Society"। ২২ মে ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-০৯ 
  38. Harris 2006, পৃ. 51
  39. http://atheism.about.com/od/Atheist-Dictionary/g/Definition-Pragmatic-Atheist.htm
  40. "Major Religions of the World Ranked by Number of Adherents, Section on accuracy of non-Religious Demographic Data"। ২২ এপ্রিল ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-০৯ 
  41. Huxley, Andrew (২০০২)। Religion, Law and Tradition: Comparative Studies in Religious Law। Routledge। পৃষ্ঠা 120। আইএসবিএন 978-0-700-71689-0ওএল 7763963M। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০৪-০৯ 
  42. "Religion: Year in Review 2010: Worldwide Adherents of All Religions"Encyclopædia Britannica Online। Encyclopædia Britannica Inc.। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-১১-২১ 
  43. Zuckerman, Phil (২০০৭), "Atheism: Contemporary Rates and Patterns", Cambridge Companion to Atheism, পৃষ্ঠা 47–66, doi:10.1017/CCOL0521842700.004 
  44. Joas, Hans; Wiegandt, Klaus, সম্পাদকগণ (২০১০)। Secularization and the World Religions। Liverpool University Press। পৃষ্ঠা 122 (footnote 1)। আইএসবিএন 978-1-84631-187-1ওএল 25285702M। সংগ্রহের তারিখ ২০১২-০৪-১৮ 
  45. "WIN-Gallup International "Religiosity and Atheism Index" reveals atheists are a small minority in the early years of 21st century"। ৬ আগস্ট ২০১২। ২৫ আগস্ট ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২৮ আগস্ট ২০১২ 
  46. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; wingia2 নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  47. "Wayback Machine" (PDF)। ২০১৭-১১-১৪। ২০১৭-১১-১৪ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০২-২৭ 
  48. "Global Index of Religion and Atheism" (PDF)GallupRed C। ১৬ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  49. "Special Eurobarometer: Biotechnology" (PDF)। অক্টোবর ২০১০। পৃষ্ঠা 381। ১৫ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  50. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; EU নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  51. "Discrimination in the EU in 2012" (PDF), Special Eurobarometer, 383, European Union: European Commission, পৃষ্ঠা 233, ২০১২, ২ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা, সংগ্রহের তারিখ ১৪ আগস্ট ২০১৩  The question asked was "Do you consider yourself to be...?", with a card showing: Catholic, Orthodox, Protestant, Other Christian, Jewish, Muslim, Sikh, Buddhist, Hindu, Atheist, and non-believer/agnostic. Space was given for Other (Spontaneous) and DK. Jewish, Sikh, Buddhist, Hindu did not reach the 1% threshold.
  52. "Religiously Unaffiliated"Pew Research Center's Religion & Public Life Project। ১৮ ডিসেম্বর ২০১২। 
  53. "Religion In Australia"Australian Bureau of Statistics। ২৭ জুন ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-০৬-২৭ 
  54. http://www.stats.govt.nz/Census/2013-census/profile-and-summary-reports/quickstats-culture-identity/religion.aspx
  55. "WVS Database"World Values Survey। Institute for Comparative Survey Research। মার্চ ২০১৫। 
  56. America’s Changing Religious Landscape, Pew Research Center, 12 May 2015.
  57. Hout, Michael; Smith, Tom (মার্চ ২০১৫)। "Fewer Americans Affiliate with Organized Religions, Belief and Practice Unchanged: Key Findings from the 2014 General Social Survey" (PDF)General Social Survey। NORC। 
  58. "'Nones' are now the biggest religious group in the US – with families torn on priorities"www.christiantoday.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১২-০৬ 
  59. "DN American Family Survey 2017"DeseretNews.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১২-০৬ 
  60. "America's Changing Religious Landscape"Pew Research Center: Religion & Public Life। মে ১২, ২০১৫। 
  61. "America's Changing Religious Identity"PRRI (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৭-১২-১৬ 
  62. "The rise of Arab atheism"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৬-০২-০৮ 
  63. Muslim Millennial Attitudes on Religion and Religious Leadership, Arab World, Tabah Foundation, Abu Dhabi, 2016
  64. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Zuckerman নামের সূত্রের জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি
  65. Nigel Barber (2010). Why Atheism Will Replace Religion. Psychology Today. Retrieved 2013-05-22.
  66. Lynn, Richard; Harvey, John; Nyborg, Helmuth (২০০৯)। "Average intelligence predicts atheism rates across 137 nations"Intelligence37: 11–15। doi:10.1016/j.intell.2008.03.004। সংগ্রহের তারিখ ২০১৫-০৫-২৫ 
  67. Barber, Nigel (৪ মে ২০১০)। "The Real Reason Atheists Have Higher IQs: Is Atheism a Sign of Intelligence?"। Psychology Today। 
  68. Daws, Richard E.; Hampshire, Adam (১৯ ডিসেম্বর ২০১৭)। "The Negative Relationship between Reasoning and Religiosity Is Underpinned by a Bias for Intuitive Responses Specifically When Intuition and Logic Are in Conflict"Frontiers in Psychology8: 2191। doi:10.3389/fpsyg.2017.02191PMID 29312057পিএমসি 5742220অবাধে প্রবেশযোগ্য 
  69. Carey, Benedict (৭ আগস্ট ২০১৭)। "The Serial Killer Test: Biases Against Atheists Emerge in Study"The New York Times। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-২৩ 
  70. Paris, Agence France-Presse in (৭ আগস্ট ২০১৭)। "Atheists tend to be seen as immoral – even by other atheists: study"the Guardian। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-২৩ 
  71. Gervais, Will M.; Xygalatas, Dimitris; McKay, Ryan T.; van Elk, Michiel; Buchtel, Emma E.; Aveyard, Mark; Schiavone, Sarah R.; Dar-Nimrod, Ilan; Svedholm-Häkkinen, Annika M.; Riekki, Tapani; Klocová, Eva Kundtová; Ramsay, Jonathan E.; Bulbulia, Joseph (৭ আগস্ট ২০১৭)। "Global evidence of extreme intuitive moral prejudice against atheists" (Submitted manuscript)Nature Human Behaviour1 (8): 0151। doi:10.1038/s41562-017-0151 
  72. "10 facts about atheists"Pew Research Center। ১ জুন ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ২০১৮-০১-২৩ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]