সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এডভোকেট
সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া)
সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া).png
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৯৭০ – ১৯৭১
সাবেক কুমিল্লা-৪ (আখাউড়া-কসবা) আসনের সংসদ সদস্য
(বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আখাউড়া-কসবা)
কাজের মেয়াদ
১৯৭৩ – ১৯৭৫
পূর্বসূরীশুরু (স্বাধীনতা লাভ)
উত্তরসূরীদেওয়ান সিরাজুল হক
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্ম১ আগস্ট ১৯২৫
পানিয়ারূপ গ্রাম, কসবা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত
(বর্তমান বাংলাদেশ)
মৃত্যু২৮ অক্টোবর ২০০২
ঢাকা
নাগরিকত্বব্রিটিশ ভারত (১৯৪৭ সাল পর্যন্ত)
পাকিস্তান (১৯৭১ সালের পূর্বে)
বাংলাদেশ
রাজনৈতিক দলবাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
দাম্পত্য সঙ্গীজাহানারা হক
সন্তানআনিসুল হক

আরিফুল হক রনি

সায়মা ইসলাম (কন্যা)
প্রাক্তন শিক্ষার্থীকলকাতা প্রেসিডেন্সি কলেজ

এডভোকেট সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া) (জন্ম: ১ আগস্ট ১৯২৫- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর ২০০২) বাংলাদেশের একজন আইনজীবী ও রাজনীতিবিদ ছিলেন। পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য ও বাংলাদেশের সাবেক সাংসদ। তিনি ১৯৭০ পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে এমএনএ ও ১৯৭৩ সালের স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আখাউড়া, কসবাদেবীদ্বার নিয়ে গঠিত সাবেক কুমিল্লা-৪ (বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আখাউড়া-কসবা) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।[১][২]

জন্ম ও প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

এডভোকেট সিরাজুল হক বাচ্চু মিয়া ১ আগস্ট ১৯২৫ সালে ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির (বর্তমান বাংলাদেশ) তৎকালীন কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার পানিয়ারূপ গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।[২] তার ছেলে এডভোকেট আনিসুল হক বাংলাদেশ সরকারের আইনমন্ত্রী। তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজের সহপাঠী।[২][৩][৪]

রাজনৈতিক ও কর্মজীবন[সম্পাদনা]

এডভোকেট সিরাজুল হক (বাচ্চু মিয়া) ১৯৫২ সালের বাংলা ভাষা আন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যূত্থান, ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচন এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ছিলেন। ১৯৬৮ সালের আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা, বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা ও জাতীয় চার নেতা হত্যা মামলায় কৌঁশলী ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর পর বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলার প্রধান কৌঁশলীর দায়িত্ব পালন করেন ছেলে অ্যাডভোকেট আনিসুল হক[২][৫]

অ্যাডভোকেট সিরাজুল হক ১৯৭০ সালে কসবা-বুড়িচং নির্বাচনী এলাকা থেকে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ও ১৯৭৩ সালের স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আখাউড়া-কসবা নিয়ে গঠিত সাবেক কুমিল্লা-৪ (বর্তমান ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আখাউড়া-কসবা) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে ড. কামাক হোসেনকে সভাপতি করে গঠিত সংবিধান প্রণয়ন কমিটির অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। [২][৬][৭]

মৃত্যু[সম্পাদনা]

২৮ অক্টোবর ২০০২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। তাকে বনানী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।[২]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "১ম জাতীয় সংসদে নির্বাচিত মাননীয় সংসদ-সদস্যদের নামের তালিকা" (PDF)জাতীয় সংসদবাংলাদেশ সরকার। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। 
  2. "অ্যাডভোকেট সিরাজুল হকের ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত"বাংলা টিভি। ২৮ অক্টোবর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০১৯ 
  3. "বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ বন্ধু প্রখ্যাত আইনজীবী সিরাজুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত || The Daily Janakantha"Daily Janakantha (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-৩০ 
  4. "সিরাজুল হক"প্রিয়.কম (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-৩০ 
  5. "প্রখ্যাত আইনজ্ঞ সিরাজুল হকের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত | শেষ পাতা | The Daily Ittefaq"archive1.ittefaq.com.bd। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-৩০ 
  6. "সিরাজুল হক স্মরণে"সমকাল (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-৩০ 
  7. BanglaNews24.com। "অ্যাডভোকেট সিরাজুল হকের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার"banglanews24.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০১৯-১০-৩০ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]