পাপুয়া নিউগিনি জাতীয় ক্রিকেট দল

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
পাপুয়া নিউগিনি
পাপুয়া নিউগিনির পতাকা
পাপুয়া নিউগিনির পতাকা
আইসিসি সদস্যপদ অনুমোদন ১৯৭৩
আইসিসি সদস্য মর্যাদা ওডিআই মর্যাদাসহ সহযোগী সদস্য
আইসিসি উন্নয়ন অঞ্চল আইসিসি পূর্ব এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল
বিশ্ব ক্রিকেট লীগ বিভাগ এক
অধিনায়ক জ্যাক ভারে
কোচ অস্ট্রেলিয়া জেসন গিলেস্পি [১]
আনুষ্ঠানিকভাবে ১ম খেলা ৩০ মার্চ, ১৯৭২ বনাম অস্ট্রেলিয়া, আমিনি পার্ক, পোর্ট মোর্সবি
লিস্ট এ ক্রিকেট
খেলার সংখ্যা ২০
জয়/পরাজয় ৯/১১
আইসিসি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব
অংশগ্রহণ ১০ (১৯৭৯-এ প্রথম)
সেরা ফলাফল ৩য় স্থান, ১৯৮২
২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ হিসাবে

পাপুয়া নিউগিনি জাতীয় ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে পাপুয়া নিউগিনির প্রতিনিধিত্বকারী দল। ১৯৭৩ সালে দলটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের সহযোগী সদস্যের মর্যাদা লাভ করে।[২] এর আগের বছরই দলটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে অভিষেক ঘটে।[৩] ২০১৪ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে চতুর্থ স্থান দখল করে একদিনের আন্তর্জাতিকের মর্যাদা পায়।[৪]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

আইসিসি’র পূর্ব এশিয়া/প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী দল হিসেবে আধিপত্য বিস্তার করছে। দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় গেমসের ক্রিকেট প্রতিযোগিতার ৫টি আসরের সবগুলোতেই দলটি অংশগ্রহণ করেছে।[৩][৫] এছাড়াও দলটি আইসিসি ট্রফির সবগুলো আসরেই খেলেছে।[৬] বর্তমানে একদিনের আন্তর্জাতিকে সবচেয়ে বেশী রান করার রেকর্ড গড়েছে পাপুয়া নিউগিনি দল। ২০০৭ সালে নিউ ক্যালিডোনিয়া’র বিপক্ষে ৫৭২/৭ সংগ্রহের মাধ্যমে বিশ্বরেকর্ড নিজেদের করে নেয়।[৭] ১৮৯০-এর দশকে পাপুয়া অঞ্চলের ধর্মপ্রচারকারীদের মাধ্যমে ক্রিকেট খেলার প্রচলন ঘটে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই স্থানীয় জনসাধারণের কাছে খেলাটি জনপ্রিয়তা পেতে থাকে। তবে খেলাগুলোয় সবসময় নিয়ম-কানুন কঠোরভাবে পালন করা হতো না। প্রায়শঃই দলগুলোয় পঞ্চাশের অধিক খেলোয়াড়ের অংশগ্রহণ দেখা যেতো। জাতিসংঘের অনুমোদনক্রমে অস্ট্রেলিয়া নিউগিনি অঞ্চলের দায়িত্বভার নেয়ার পূর্ব-পর্যন্ত সেখানে ক্রিকেটের প্রচলন ঘটেনি।[৩]

আইসিসি সদস্যপদ লাভ[সম্পাদনা]

১৯৭৫ সালে[৩] স্বাধীনতালাভের পূর্বেই ১৯৭৩ সালে[২] আইসিসি’র সহযোগী সদস্যের মর্যাদা লাভ করে পাপুয়া নিউগিনি দল। ঐ বছরই ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট দল পাপুয়া নিউগিনি সফরে আসে। খেলায় ৪ উইকেটে জয়লাভ করে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দল।[৮] দলের পক্ষে ছয়জন আদিবাসী খেলোয়াড় অংশ নেয়। এ সময় থেকেই আদিবাসী খেলোয়াড়দের জাতীয় দলে আধিপত্য বিস্তার করে।[৩]

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ[সম্পাদনা]

১৯৭৯ সালে প্রথম আইসিসি ট্রফিতে অংশগ্রহণ করে। কিন্তু প্রথম রাউন্ডেই দলটি বিদায় নেয়।[৯] ঐ বছরের শেষদিকে প্রথম দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় দলটি স্বর্ণপদক লাভ করে। এরপর থেকেই প্রতিটি প্রতিযোগিতায় স্বর্ণপদক লাভ করছে পাপুয়া নিউগিনি।[৩][৫] ১৯৮০-৮১ মৌসুমে অস্ট্রেলিয়া যায় পাপুয়া নিউগিনি ক্রিকেট দল।[১০] এর পরের বছরই ১৯৮২ সালে দলটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাদের সেরা ফলাফল হিসেবে স্থাননির্ধারণী খেলায় বাংলাদেশ দলকে পরাজিত করে তৃতীয়স্থান লাভ করে।[১১]

বর্তমান দল[সম্পাদনা]

  • এস/এন: শার্ট নাম্বার
নাম বয়স ব্যাটিং ষ্টাইল বলিং ষ্টাইল আভ্যন্তরিন দল ফর্ম এস/এস
অধিনায়ক এবং ওপেনিং ব্যাটসম্যান
আসাদ ভালা ৩১ বাঁ হাতি ব্যাটিং রাইট-আর্ম অফ-স্পিন
ওপেনিং ব্যাটসম্যান
টনি ওরা ২৯ ডান হাতি ব্যাটিং উইকেটকিপার
পেস বলার
নরমান ভানুয়া ২৫ ডান হাতি ব্যাটিং রাইট-আর্ম মেডিয়াম

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. [১]
  2. Papua New Guinea at CricketArchive
  3. Encyclopedia of World Cricket by Roy Morgan, Sportsbooks Publishing, 2007
  4. "Scotland and UAE battle lock horns in final of ICC CWCQ 2014"International Cricket Council। ৩১ জানুয়ারি ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩১ জানুয়ারি ২০১৪ 
  5. 2007 South Pacific Games cricket tournament at CricketEurope
  6. List of Papua New Guinea ICC Trophy matches at CricketArchive
  7. Papua New Guinea run riot by Andrew Nixon, 1 September 2007 at CricketEurope
  8. Scorecard of Papua New Guinea v West Indies, 23 October 1975 at CricketArchive
  9. 1979 ICC Trophy at CricketArchive
  10. Papua New Guinea in Australia 1980/81 at CricketArchive
  11. Scorecard of Bangladesh v Papua New Guinea, 9 July 1982 at CricketArchive